181 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (979 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

4 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (1,237 পয়েন্ট)
হাদিসে ১০০ কবিরা গুনাহ সম্পর্কে উল্লেখ আছে।

১০০টি কবীরা গুনাহ:

আল্লাহর সাথে শিরক করা

নামায পরিত্যাগ কর

পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া

অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা

পিতা-মাতাকে অভিসম্পাত করা

যাদু-টোনা করা

এতীমের সম্পদ আত্মসাৎ করা

জিহাদের ময়দান থেকে থেকে পলায়ন করা

সতী-সাধ্বী মু‘মিন নারীর প্রতি অপবাদ দেয়া

রোযা না রাখা

যাকাত আদায় না করা

ক্ষমতা থাকা সত্যেও হজ্জ আদায় না করা

যাদুর বৈধতায় বিশ্বাস করা

প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া

অহংকার করা

চুগলখোরি করা (ঝগড়া লাগানোর উদ্দেশ্যে একজনের কথা আরেকজনের নিকট লাগোনো)

আত্মহত্যা করা

আত্মীয়তা সম্পর্ক ছিন্ন করা

অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থ ভক্ষণ করা

উপকার করে খোটা দান করা

মদ বা নেশা দ্রব্য গ্রহণ করা

মদ প্রস্তুত ও প্রচারে অংশ গ্রহণ করা

জুয়া খেলা

তকদীর অস্বীকার করা

অদৃশ্যের খবর জানার দাবী করা

গণকের কাছে ধর্না দেয়া বা গণকের কাছে অদৃশ্যের খবর জানতে চাওয়া

পেশাব থেকে পবিত্র না থাকা

রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নামে মিথ্যা হাদীস বর্ণনা করা

মিথ্যা স্বপ্ন বর্ণনা করা

মিথ্যা কথা বলা

মিথ্যা কসম খাওয়া

মিথ্যা কসমের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করা

জিনা-ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া

সমকামিতায় লিপ্ত হওয়া

মানুষের গোপন কথা চুপিসারে শোনার চেষ্টা করা

হিল্লা তথা চুক্তি ভিত্তিক বিয়ে করা।

যার জন্যে হিলা করা হয়

মানুষের বংশ মর্যাদায় আঘাত হানা

মৃতের উদ্দেশ্যে উচ্চস্বরে ক্রন্দন করা

মুসলিম সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা

মুসলিমকে গালি দেয়া অথবা তার সাথে লড়ায়ে লিপ্ত হওয়া

খেলার ছলে কোন প্রাণীকে নিক্ষেপ যোগ্য অস্ত্রের লক্ষ্য বস্তু বানানো

কোন অপরাধীকে আশ্রয় দান করা

আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে পশু জবেহ করা

ওজনে কম দেয়া

ঝগড়া-বিবাদে অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ করা

ইসলামী আইনানুসারে বিচার বা শাসনকার্য পরিচালনা না করা

জমিনের সীমানা পরিবর্তন করা বা পরের জমি জবর দখল করা

গীবত তথা অসাক্ষাতে কারো দোষ চর্চা করা

দাঁত চিকন করা

সৌন্দর্যের উদ্দেশ্যে মুখ মণ্ডলের চুল তুলে ফেলা বা চুল উঠিয়ে ভ্রু চিকন করা

অতিরিক্ত চুল সংযোগ করা

পুরুষের নারী বেশ ধারণ করা

নারীর পুরুষ বেশ ধারণ করা

বিপরীত লিঙ্গের প্রতি কামনার দৃষ্টিতে তাকানো

কবরকে মসজিদ হিসেবে গ্রহণ করা

পথিককে নিজের কাছে অতিরিক্ত পানি থাকার পরেও না দেয়া

পুরুষের টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে পোশাক পরিধান করা

মুসলিম শাসকের সাথে কৃত বাইআত বা আনুগত্যের শপথ ভঙ্গ করা

ডাকাতি করা

চুরি করা

সুদ লেন-দেন করা, সুদ লেখা বা তাতে সাক্ষী থাকা

ঘুষ লেন-দেন করা

গনিমত তথা জিহাদের মাধ্যমে কাফেরদের নিকট থেকে প্রাপ্ত সম্পদ বণ্টনের পূর্বে আত্মসাৎ করা

স্ত্রীর পায়ু পথে যৌন ক্রিয়া করা

জুলুম-অত্যাচার করা

অস্ত্র দ্বারা ভয় দেখানো বা তা দ্বারা কাউকে ইঙ্গিত করা

প্রতারণা বা ঠগ বাজী করা

রিয়া বা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে সৎ আমল করা

স্বর্ণ বা রৌপ্যের তৈরি পাত্র ব্যবহার করা

পুরুষের রেশমি পোশাক এবং স্বর্ণ ও রৌপ্য পরিধান করা

সাহাবীদের গালি দেয়া

নামাযরত অবস্থায় মুসল্লির সামনে দিয়ে গমন করা

মনিবের নিকট থেকে কৃতদাসের পলায়ন

ভ্রান্ত মতবাদ জাহেলী রীতিনীতি অথবা বিদআতের প্রতি আহবান করা

পবিত্র মক্কা ও মদীনায় কোন অপকর্ম বা দুষ্কৃতি করা

কোন দুষ্কৃতিকারীকে প্রশ্রয় দেয়া

আল্লাহর ব্যাপারে অনধিকার চর্চা করা

বিনা প্রয়োজনে তালাক চাওয়া

যে নারীর প্রতি তার স্বামী অসন্তুষ্ট

স্বামীর অবাধ্য হওয়া

স্ত্রী কর্তৃক স্বামীর অবদান অস্বীকার করা

স্বামী-স্ত্রীর মিলনের কথা জনসম্মুখে প্রকাশ করা

স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিবাদ সৃষ্টি করা

বেশী বেশী অভিশাপ দেয়া

বিশ্বাস ঘাতকতা করা

অঙ্গীকার পূরণ না করা

আমানতের খিয়ানত করা

প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া

ঋণ পরিশোধ না করা

বদ মেজাজি ও এমন অহংকারী যে উপদেশ গ্রহণ করে না

তাবিজ-কবজ, রিং, সুতা ইত্যাদি ঝুলানো

পরীক্ষায় নকল করা

ভেজাল পণ্য বিক্রয় করা

ইচ্ছাকৃত ভাবে জেনে শুনে অন্যায় বিচার করা

আল্লাহ বিধান ব্যতিরেকে বিচার-ফয়সালা করা

দুনিয়া কামানোর উদ্দেশ্যে দীনী ইলম অর্জন করা

করেছেন (3,793 পয়েন্ট)
রেফারেন্স উল্লেখ করুন। 
করেছেন (151 পয়েন্ট)
কবীরা গোনাহ নির্ধারিত নয়।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (5,642 পয়েন্ট)
কবীরা গুনাহ এর মধ্যে সর্বাপেক্ষা বড় গুনাহ হচ্ছে চারটি তা হলঃ-

ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব আল হারিসী (রহঃ) আনাস (রাঃ)-এর সুত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কবিরা গুনাহ সম্পর্কে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ তা হল, আল্লাহর সাথে শরীক করা।
পিতামাতার নাফরমানী করা।
কাউকে হত্যা করা।
এবং মিথ্যা কথা বলা।

সহীহ মুসলিম শরিফের অধ্যায়ঃ ১/ কিতাবুল ঈমান, হাদিস নম্বরঃ ১৬২

 
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (3,823 পয়েন্ট)

★★কবীরা গুনাহসমূহের সংখ্যাঃ-



কুরআন ও হাদীসে কাবীরা গুনাহের পূর্ণ সংখ্যার বর্ণনা এক সাথে উল্লেখ নেই। তবে কুরআনে ও হাদীসে যে সকল গুনাহকে কাবীরা গুনাহের অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে, উলামায়ি কিরাম এর সংখ্যা ৭০টি বলে বর্ণনা করেছেন। আবার তাঁদের কেউ কেউ তার সংখ্যা এর চেয়ে অধিক  বলেও উল্লেখ করেছেন। এসকল কাবীরা গুনাহের মধ্যে কোনটি কোনটির চেয়ে অপেক্ষাকৃত অধিক গুরুতর।



ﻗَﺎﻝَ ﻋَﺒْﺪُ ﺍﻟﻠَّﻪِ : ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺟُﻞٌ : ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ، ﺃَﻱُّ ﺍﻟﺬَّﻧْﺐِ ﺃَﻛْﺒَﺮُ ﻋِﻨْﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ؟ ﻗَﺎﻝَ : ‏« ﺃَﻥْ ﺗَﺪْﻋُﻮَ ﻟِﻠَّﻪِ ﻧِﺪًّﺍ ﻭَﻫُﻮَ ﺧَﻠَﻘَﻚَ ‏» ﻗَﺎﻝَ : ﺛُﻢَّ ﺃَﻱٌّ؟ ﻗَﺎﻝَ : ‏« ﺛُﻢَّ ﺃَﻥْ ﺗَﻘْﺘُﻞَ ﻭَﻟَﺪَﻙَ ﺧَﺸْﻴَﺔَ ﺃَﻥْ ﻳَﻄْﻌَﻢَ ﻣَﻌَﻚَ ‏» ﻗَﺎﻝَ : ﺛُﻢَّ ﺃَﻱٌّ؟ ﻗَﺎﻝَ : ‏« ﺛُﻢَّ ﺃَﻥْ ﺗُﺰَﺍﻧِﻲَ ﺑِﺤَﻠِﻴﻠَﺔِ ﺟَﺎﺭِﻙَ ‏» ﻓَﺄَﻧْﺰَﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﺰَّ ﻭَﺟَﻞَّ ﺗَﺼْﺪِﻳﻘَﻬَﺎ } : ﻭَﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻻَ ﻳَﺪْﻋُﻮﻥَ ﻣَﻊَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺇِﻟَﻬًﺎ ﺁﺧَﺮَ ﻭَﻻَ ﻳَﻘْﺘُﻠُﻮﻥَ ﺍﻟﻨَّﻔْﺲَ ﺍﻟَّﺘِﻲ ﺣَﺮَّﻡَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺇِﻟَّﺎ ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ ﻭَﻻَ ﻳَﺰْﻧُﻮﻥَ ﻭَﻣَﻦْ ﻳَﻔْﻌَﻞْ ﺫَﻟِﻚَ ﻳَﻠْﻖَ ﺃَﺛَﺎﻣًﺎ { ‏[ ﺍﻟﻔﺮﻗﺎﻥ : 68 ‏] ﺍﻵﻳَﺔَ



আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সঃ)- কে জিজ্ঞেসা করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তা’আলার নিকট সবচেয়ে বড় গুনাহ কোনটি? উত্তরে রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেন, তোমার সন্তান তোমার সাথে খাবে এ ভয়ে তাকে হত্যা করা। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন, তারপর কোনটি? রাসূলুল্লাহ (সঃ) জবাব দিলেন, প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া।[বুখারি ৬৮৬১]


ﻉَ ﻥْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻪُ، ﻋَﻦِ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲِّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻗَﺎﻝَ : ‏« ﺍﺟْﺘَﻨِﺒُﻮﺍ ﺍﻟﺴَّﺒْﻊَ ﺍﻟﻤُﻮﺑِﻘَﺎﺕِ ‏» ، ﻗَﺎﻟُﻮﺍ : ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﻭَﻣَﺎ ﻫُﻦَّ؟ ﻗَﺎﻝَ : ‏« ﺍﻟﺸِّﺮْﻙُ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ، ﻭَﺍﻟﺴِّﺤْﺮُ، ﻭَﻗَﺘْﻞُ ﺍﻟﻨَّﻔْﺲِ ﺍﻟَّﺘِﻲ ﺣَﺮَّﻡَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺇِﻟَّﺎ ﺑِﺎﻟﺤَﻖِّ، ﻭَﺃَﻛْﻞُ ﺍﻟﺮِّﺑَﺎ، ﻭَﺃَﻛْﻞُ ﻣَﺎﻝِ ﺍﻟﻴَﺘِﻴﻢِ، ﻭَﺍﻟﺘَّﻮَﻟِّﻲ ﻳَﻮْﻡَ ﺍﻟﺰَّﺣْﻒِ، ﻭَﻗَﺬْﻑُ ﺍﻟﻤُﺤْﺼَﻨَﺎﺕِ ﺍﻟﻤُﺆْﻣِﻨَﺎﺕِ ﺍﻟﻐَﺎﻓِﻼَﺕِ »



আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ ৭টি ধ্বংসাত্মক কাজ থেকে তোমরা দূরে থাকবে। সাহাবীগণ জিজ্ঞেসা করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! সে ৭টি কাজ কি কি?

তিনি বললেনঃ (১) আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা; (২) যাদু করা; (৩) শারী’আতের বিধান ছাড়া কোন ব্যক্তিকে হত্যা করা, যা আল্লাহ হারাম করেছেন; (৪) ইয়াতীমের মাল ভক্ষণ করা; (৫) সুদ খাওয়া; (৬) জিহাদের ময়দান থেকে পালায়ন করা; (৭) নিরাপরাধ ও পবিত্র মুসলিম মহিলাদের নামে যিনার অপবাদ রটানো। (বুখারী ২৬৬৬, মুসলিম হাঃ ১৪৫ )


এভাবে, বিভিন্ন জায়গায় কবীরাহ গোনাহের বর্ণনা এসেছে।


তথ্যসূত্র

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (151 পয়েন্ট)
গোনাহ দুই প্রকার, কবীরা ও সগীরা গোনাহ। যে গোনাহের কারণে শরীয়তে শাস্তি নির্ধারিত আছে তাকে কবীরা গোনাহ বলা হয় (আরো একাধিক সজ্ঞা আছে)। হযরত ইবনে উমর রাঃ এর মতে কবীরা গোনাহ ৭ টি, উসমান রাঃ এর মতে ৯ টি, কোন কোন সাহাবীর মতে আরো বেশি, এক মনীষী কবীরা গোনাহ ৪০০ টা প্রমাণ করেছেন। মোটকথা কবীরা গোনাহ নির্দিষ্ট নয় তবে গোনাহের সবব বা কারণে কোনটা সগীরা আর কোনটা কবীরা তা বুঝা যায়। ৭ টা কবীরা গোনাহ হলো- শিরক করা, মাতা পিতার অবাধ্যতা, অন্যায়ভাবে হত্যা করা, মিথ্যা বলা , অপবাদ দেওয়া, পরনিন্দা করা। আরো দুটি হলো- চুরি করা ও মদপান করা।
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর

282,547 টি প্রশ্ন

366,806 টি উত্তর

110,400 টি মন্তব্য

152,287 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...