64 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (7 পয়েন্ট)

4 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (1,981 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
নফল নামাজগুলো অধিকাংশই সুন্নত। তাই নিয়তে সুন্নত বলা যাবে, নফল বললেও হবে। সুন্নত–নফল কোনো কিছু না বলে শুধু তাকবিরে তাহরিমা দিয়ে আরম্ভ করলেও হয়ে যাবে।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (951 পয়েন্ট)
নফলের নিয়ত করতে হবে।শবে কদরের নামায সুন্নত নয়।
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (951 পয়েন্ট)
এক কথায়,শবে কদরের জন্য অালাদা কোন নামায নেই।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (51 পয়েন্ট)
লাইলাতুল কদর বা শবে- লাইলাতুল কদর আরবী শব্দ যার অর্থ হলো বরকতময়, সম্মানিত বা মহামান্বিতরাত রাত। ফারসি ভাষায় একে শবে কদর বলা হয়। এই রজনীতে মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সারারাত নফল নামাজ, কোরাআন ও হাদীসের আলোকে জিকির, কবর জিয়ারত ও নিজের কৃত গুনাহের জন্য মাফ চেয়ে থাকে। লাইলাতুল কদর বা শবে কদর এর গুরুত্ব ও ফজিলত : পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিস দ্বারা লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ‘শবেবরাত’ নিয়ে এবং শবেবরাতের হাদিসগুলোর বর্ণনা নিয়ে হাদিস বিশেষজ্ঞ ও ফকিহদের মধ্যে যে সংশয় রয়েছে, লাইলাতুল কদরের ব্যাপারে তার কোনোই অবকাশ নেই। পবিত্র কুরআন, নির্ভরযোগ্য হাদিস এবং রাসূলুল্লাহ সা:-এর লাইলাতুল কদরের জন্য গৃহীত কর্মতৎপরতা লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এ রাতে আমাদের করণীয় কুরআন অধ্যয়ন : এ রাতে পবিত্র কুরআন নাজিল হয়েছে। মানব জতির এ বিরাট নিয়ামতের কারণেই এ রাতের এত মর্যাদা ও ফজিলত। এ কুরআনকে ধারণ করলেই মানুষ সম্মানিত হবে, দেশ ও জাতি মর্যাদাবান হবে; গোটা জাতির ভাগ্য বদলে যাবে। কাজেই এ রাতে অর্থ বুঝে কুরআন পড়তে হবে। কুরআনের শিাকে ব্যক্তি ও সমাজজীবনে প্রতিষ্ঠার শপথ গ্রহণ করতে হবে। বাছাইকৃত কিছু আয়াত এ রাতে মুখস্থও করা যেতে পারে। যাদের কুরআনের ওপর প্রয়োজনীয় জ্ঞান রয়েছে তারা এ রাতে একটি দারসও প্রস্তুত করতে পারেন। কুরআনের এ গভীর অধ্যয়ন আমাদের সৌভগ্যের দ্বার খুলে দেবে। নফল নামাজ : ন্যূনতম ১২ রাকাত থেকে যত সম্ভব পড়া যেতে পারে। এ জন্য সাধারণ সুন্নতের নিয়মে দুই রাকাত নফল পড়ছি। এ নিয়তে নামাজ শুরু করে শেষ করতে হবে। এ জন্য সূরা ফাতেহার সাথে আপনার জানা যেকোনো সূরা মিলাইলেই চলবে। এ ছাড়া সালাতুল তওবা, সালাতুল হাজত, সালাতুল তাসবিহ নামাজও আপনি পড়তে পারেন। রাতের শেষভাগে কমপে আট রাকাত তাহাজ্জুদ পড়ার চেষ্টা আমরা অবশ্যই করব। কারণ এ নামাজ সর্বশ্রেষ্ঠ নফল নামাজ। আর রাতের এ অংশে দোয়া কবুল হয়। নামাজের নিয়ত: নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তায়া’লা রাকআ’তাই ছালাতি লাইলাতিল ক্বদরি, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (55 পয়েন্ট)
শবে কদরের কোনো নির্ধারিত নামায নেই। এমনকি শবে বরাত ও শবে মেরাজ নামেও কোনো নামায নেই। এসব রাত্রে অন্যান্য দিনের মত আপনি শুধু নফল নামাযের নিয়ত করে, যত রাকা'য়াত ইচ্ছা নামায পড়তে পারেন। তবে, হ্যা এসব রাতের বিশেষ ফযিলত আছে, যা অন্যান্য দিনের মত নয়। আর, দো'য়া-যিকির ও এসব দিন উপলক্ষে নির্দিষ্ট করা নেই। আপনি যেকোনো যিকির-আযকার করতে পারেন। আশাকরি আপনি আপনার উত্তর পেয়েছেন আল্লাহ আমাদের সকলকে মানার এবং বুঝার তাওফিক দান করুক আমিন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

3 টি উত্তর
10 জুন "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Anaitullah Naim (58 পয়েন্ট)
3 টি উত্তর
10 মার্চ 2017 "সালাত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন তানভীর আহমদ (3,515 পয়েন্ট)

235,419 টি প্রশ্ন

303,456 টি উত্তর

85,647 টি মন্তব্য

118,941 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...