বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
268 জন দেখেছেন
"যা কিছু জাতীয়" বিভাগে করেছেন (4,429 পয়েন্ট)
বন্ধ করেছেন

'কাজী নজরুল ইসলাম' যদি বাংলাদেশের জাতীয় কবি হয়, তাহলে তাঁর লেখা সঙ্গীত কেনো জাতীয় সঙ্গীত নয়?

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তো বাংলাদেশের কবি নন, তিনি ভারতের কবি। তাঁর লেখা 'আমার সোনার বাংলা' সঙ্গীতটিতে কোথাও 'বাংলাদেশ' শব্দটি নেই। সম্ভবত তিনি তাঁর জন্মস্থান পশ্চিমবঙ্গ তথা পশ্চিম বাংলার কথাই তাঁর সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা'য় তুলে ধরেছেন।
তাহলে কেনো তাঁর লেখা সঙ্গীত বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত? কাজী নজরুল ইসলামেরও তো অনেক জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান রয়েছে। তাছাড়া তার লেখা রণ সঙ্গীত 'চল্ চল্ চল্'কে জাতীয় সঙ্গীত করলেও মন্দ হতো না। আমি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিরোধী নই, আমি শুধু 'কেনো নয়' প্রশ্নের উত্তরটাই জানতে চাচ্ছি।
এই চিরকূট সহকারে বন্ধ করা হয়েছে : অধিক উত্তর হয়েছে আর উত্তর দেবার প্রয়োজন নাই
করেছেন (4,429 পয়েন্ট)

পশ্চিমবঙ্গের কবি

দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা
'ধন ধান‍্য পুষ্প ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা' গানটি হলো:

ধন ধান্য পুষ্প ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা,
তাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরা,
ওসে স্বপ্ন দিয়ে তৈরী সেদেশ স্মৃতি দিয়ে ঘেরা।
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,
সকল দেশের রানী সেযে আমার জন্মভূমি,
সেযে আমার জন্মভূমি, সেযে আমার জন্মভূমি।

চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারা, কোথায় উজান এমন ধারা,
কোথায় এমন খেলে তড়িৎ, এমন কালো মেঘে,
ও তার পাখির ডাকে ঘুমিয়ে পড়ে পাখির ডাকে জেগে।
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,
সকল দেশের রানী সেযে আমার জন্মভূমি,
সেযে আমার জন্মভূমি, সেযে আমার জন্মভূমি।

এতো স্নিগ্ধ নদী তাহার, কোথায় এমন ধূম্র পাহাড়,
কোথায় এমন হরিৎ ক্ষেত্র আকাশ তলে মেশে,
এমন ধানের উপর ঢেউ খেলে যায়, বাতাস তাহার দেশে।
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,
সকল দেশের রানী সেযে আমার জন্মভূমি,
সেযে আমার জন্মভূমি, সেযে আমার জন্মভূমি।

পুষ্পে পুষ্পে ভরা শাখী, কুঞ্জে কুঞ্জে গাহে পাখি,
গুঞ্জরিয়া আসে অলি, পুঞ্জে পুঞ্জে ধেয়ে,
তারা ফুলের উপর ঘুমিয়ে পড়ে ফুলের মধু খেয়ে।
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,
সকল দেশের রানী সেযে আমার জন্মভূমি,
সেযে আমার জন্মভূমি, সেযে আমার জন্মভূমি।

ভাইয়ের মায়ের এতো স্নেহ, কোথায় গেলে পাবে কেহ,
ও মা তোমার চরণ দুটি বুকে আমার ধরি,
আমার এই দেশেতে জন্ম যেন এই দেশেতে মরি।
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,
সকল দেশের রানী সেযে আমার জন্মভূমি,
সেযে আমার জন্মভূমি, সেযে আমার জন্মভূমি।

করেছেন (4,429 পয়েন্ট)

বাংলাদেশের জাতীয় কবি

কাজী নজরুল ইসলামের
'চল্ চল্ চল্' গানটি হলো:
চল চল চল!
ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল
নিম্নে উতলা ধরণি তল,
অরুণ প্রাতের তরুণ দল
চল রে চল রে চল
চল চল চল।।
 
ঊষার দুয়ারে হানি' আঘাত
আমরা আনিব রাঙা প্রভাত,
আমরা টুটাব তিমির রাত,
বাধার বিন্ধ্যাচল।
 
নব নবীনের গাহিয়া গান
সজীব করিব মহাশ্মশান,
আমরা দানিব নতুন প্রাণ
বাহুতে নবীন বল!
চল রে নও-জোয়ান,
শোন রে পাতিয়া কান
মৃত্যু-তরণ-দুয়ারে দুয়ারে
জীবনের আহবান।
ভাঙ রে ভাঙ আগল,
চল রে চল রে চল
চল চল চল।।
 
ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল
নিম্নে উতলা ধরণি তল,
অরুণ প্রাতের তরুণ দল
চল রে চল রে চল
চল চল চল।।
 
ঊর্ধ্ব আদেশ হানিছে বাজ,
শহীদী-ঈদের সেনারা সাজ,
দিকে দিকে চলে কুচ-কাওয়াজ—
খোল রে নিদ-মহল!
 
কবে সে খেয়ালী বাদশাহী,
সেই সে অতীতে আজো চাহি'
যাস মুসাফির গান গাহি'
ফেলিস অশ্রুজল।
 
যাক রে তখত-তাউস
জাগ রে জাগ বেহুঁশ।
ডুবিল রে দেখ কত পারস্য
কত রোম গ্রিক রুশ,
জাগিল তা'রা সকল,
জেগে ওঠ হীনবল!
আমরা গড়িব নতুন করিয়া
ধুলায় তাজমহল!
চল্‌ চল্‌ চল্।
করেছেন (4,429 পয়েন্ট)

পশ্চিমবঙ্গের কবি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা
'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' গানটি হলো:
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।
চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি।
ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,
মরি হায়, হায় রে
ও মা, অঘ্রাণে তোর ভরা ক্ষেতে আমি কী দেখেছি মধুর হাসি।
কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো
কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে।
মা, তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো,
মরি হায়, হায় রে
মা, তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়নজলে ভাসি।
তোমার এই খেলাঘরে শিশুকাল কাটিল রে,
তোমারি ধুলামাটি অঙ্গে মাখি ধন্য জীবন মানি।
তুই দিন ফুরালে সন্ধ্যাকালে কী দীপ জ্বালিস ঘরে,
মরি হায়, হায় রে
তখন খেলাধুলা সকল ফেলে, ও মা, তোমার কোলে ছুটে আসি।
ধেনু-চরা তোমার মাঠে, পারে যাবারখেয়াঘাটে,
সারাদিন পাখি-ডাকা ছায়ায়-ঢাকা তোমার পল্লীবাটে,
তোমার ধানে-ভরা আঙিনাতে জীবনের দিন কাটে,
মরি হায়, হায় রে
ও মা, আমার যে ভাই তারা সবাই, তোমার রাখাল তোমার চাষি।
ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে
দে গো তোর পায়ের ধূলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে।
ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে,
মরি হায়, হায় রে
আমি পরের ঘরে কিনব না আর, মা, তোর ভূষণ বলে গলার ফাঁসি।
করেছেন (4,429 পয়েন্ট)

'জাতীয়' এবং 'বিজাতীয়' বলতে কি বুঝ? 'জাতীয়তা' এবং 'জাতীয় বিষয়াবলী' কি?

কিভাবে কোনো দেশের জাতীয় বিষয়াবলী নির্বাচন করা হয়?
ভারতের কোনো নাগরিক কি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভ ছাড়াই বাংলাদেশের জাতীয় ব‍্যক্তিত্বে পরিণত হতে পারে? যতক্ষণ না পর্যন্ত সে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভ না করছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তো তার জাতীয়তা ভারতীয়, বাংলাদেশী না। তাহলে, বাংলাদেশী না হয়েও কি কোনো ভারতীয়, ব্রিটিশ, আমেরিকান বাংলাদেশের জাতীয় ব‍্যক্তিত্বে পরিণত হতে পারে? অথবা তাদের কোনো লেখা বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলীতে যোগ হতে পারে? কোনো দেশের জাতীয় বিষয়াবলী তো সে দেশের নিজস্ব জাতীয় পরিচয়, সেই দেশের নিজস্ব সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ‍্য, সেই দেশের নিজস্ব নাগরিক বা ব‍্যক্তিত্ব, সেই দেশের নিজস্ব নাগরিক বা ব‍্যক্তিদের লেখা? অন‍্য দেশের নাগরিক বা তাদের লেখা জাতীয় পরিচয় বহন করে না। কেননা, তারা আমাদের জাতীয় না, তারা বিজাতীয়। দেশের ভেতরের হলে, তা জাতীয় এবং দেশের বাইরের হলে, তা বিজাতীয়। বিজাতীয় ব‍্যক্তি, বিজাতীয় ব‍্যক্তিদের লেখা গান-কবিতা-সঙ্গীত, বিজাতীয় সংস্কৃতি কখনো জাতীয় ব‍্যক্তি, জাতীয় গান-কবিতা-সঙ্গীত বা জাতীয় সংস্কৃতি হতে পারে না। মনে রাখতে হবে, বিশ্বকবি, বিশ্বলেখক, বিশ্বগায়ক হলেও কেউ অন‍্য দেশের নাগরিকত্ব অর্জন ব‍্যতিত, সে দেশের জাতীয় বা জাতীয়তার অধিকারী হতে পারে না। কাজী নজরুল ইসলাম ভারতের কবি ছিলেন, তাঁকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে, তারপর বাংলাদেশের জাতীয় কবি বানানো হয়েছে। অর্থাৎ প্রথমে তিনি ভারতীয় বা বিজাতীয় ছিলেন, পরে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জনের মাধ‍্যমে বাংলাদেশী বা এ দেশের জাতীয় পরিচয় বহন করেছেন। তাই তাকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি বানানো সম্ভব হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করার সৌভাগ‍্য লাভ করেন নি। তাঁর জাতীয়তা বাংলাদেশী না, তিনি ভারতীয়। অর্থাৎ তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয় বহন করেন না, ভারতের নাগরিক হওয়ার কারনে ভারতের জাতীয় পরিচয় বহন করেন। ভারতের জাতীয় সঙ্গীত তাঁর লেখা হতেই পারে, কারণ তিনি ভারতীয় বা সে দেশের নিজস্ব সম্পদ বা ব‍্যক্তি। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার জাতীয় সঙ্গীত, নিজস্ব জাতি, জাতীয় বা জাতীয়তার দিকে লক্ষ না রেখে, শুধুমাত্র বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ভারতকে খুশি করার জন‍্য অসতর্কভাবে, জাতীয়তার বাইরে গিয়ে, নিয়ম বহির্ভূত ভাবে, বিজাতীয়তাকে আঁকড়ে ধরে করা হয়েছে। আবেগ দিয়ে সব হয় না। আমাদের বর্তমান জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার মাধ‍্যমে আমরা কেবল রবীন্দ্রনাথের সোনার পশ্চিম বাংলাকেই ভালোবাসছি, সোনার বাংলাদেশকে নয়। কারন, রবীন্দ্রনাথের যখন মৃত‍্যু হয়, তখন সোনার বাংলাদেশেরই জন্ম হয়নি। তাহলে মৃত‍্যুর পর তিনি বাংলাদেশকে নিয়ে 'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' লিখলেন কিভাবে? আসলে তিনি তাঁর গানে সোনার পশ্চিম বাংলা বা ভারত বন্দনাই গেয়েছেন। তাঁর লেখা এই সঙ্গীতটি এ দেশের জাতীয় সঙ্গীত করা হয়ে গেছে বিধায় আমরা গাইতে গাইতে এটিকে খুব বেশি ভালোবেসে ফেলেছি, যে কারনে এটাকে বিজাতীয় বললে খারাপ লাগে, আবেগতাড়িত হয়ে পড়ি। কিন্তু আসলেও কি আমরা ঠিক করছি? কবে আমরা আমাদের জাতীয় সঙ্গীতে পশ্চিম বাংলা বা ভারত বন্দনা ছেড়ে, বাংলাদেশ বন্দনা শুরু করবো? কবে আমরা আবেগকে ছেড়ে সত‍্যকে আঁকড়ে ধরবো? কবে আমরা 'আমার সোনার (পশ্চিম) বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' বাদ দিয়ে গাইবো, 'আমার সোনার বাংলাদেশ, আমি তোমায় ভালোবাসি'?

2 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (1,568 পয়েন্ট)
এমন কুনো কথা নাই যে জাতীয় কবির লেখা গানই জাতীয় সংগীত হতে হবে । যে গানে দেশের প্রতি মায়া-মমতা, শ্রধ্যা বেশি ফুটে উঠেছে ওইটাই জাতীয় সংগীত হিসেবে রাখা হয়েছে।
করেছেন (4,429 পয়েন্ট)

শিরোনামঃ জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো
শিল্পীঃ সাবিনা ইয়াসমীন
গীতিকারঃ নঈম গওহর
সুরকারঃ আজাদ রহমান

জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো,
এমন করে আকুল হয়ে আমায় তুমি ডাক।।

তোমার কথায় হাসতে পারি,
তোমার কথায় কাঁদতে পারি,
মরতে পারি তোমার বুকে
বুকে যদি রাখো আমায়-
বুকে যদি রাখো মাগো।।

তোমার কথায় কথা বলি পাখীর গানের মত,
তোমার দেখায় বিশ্ব দেখি বর্ণ কত শত,
তুমি আমার, তুমি আমার খেলার পুতুল,
আমার পাশে থাকো মাগো।

তোমার প্রেমে তোমার
গন্ধে পরান ভরে রাখি
এই তো আমার জীবন মরণ
এমনি যেন থাকি
বুকে তোমার, বুকে তোমার ঘুমিয়ে গেলে
জাগিয়ে দিও নাকো আমায়
জাগিয়ে দিও নাকো মাগো।।

করেছেন (4,429 পয়েন্ট)

শিরোনামঃ ছোটদের বড়দের সকলের
গীতিকারঃ খাদেমূল ইসলাম বসুনিয়া
সুরকারঃ খাদেমূল ইসলাম বসুনিয়া
শিল্পীঃ রথীন্দ্রনাথ রায়

ছোটদের বড়দের সকলের
গরিবের নিঃস্বের ফকিরের
আমার এ দেশ সব মানুষের, সব মানুষের।।
নেই ভেদাভেদ হেথা চাষা আর চামারে,
নেই ভেদাভেদ হেথা কুলি আর কামারে।।
হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, দেশ মাতা এক সকলের।

লাঙলের সাথে আজ চাকা ঘুরে এক তালে
এক হয়ে মিশে গেছি আমারা সে যে কোন প্রাণে।।
মন্দির, মসজিদ, গীর্জার আবাহনে।।
বাণী শুনি একই সুরের।

চাষাদের মজুরের ফকিরের
ফকিরের নিঃস্বের গরিবের
আমার এ দেশ, সব মানুষের, সব মানুষের।
বড়দের ছোটদের সকলের
আমার এ দেশ সব মানুষের।

করেছেন (4,429 পয়েন্ট)

শিরোনামঃ দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা
গীতিকারঃ আব্দুল লতিফ
সুরকারঃ আব্দুল লতিফ

দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা
কারো দানে পাওয়া নয়,
দাম দিছি প্রাণ লক্ষ কোটি
জানা আছে জগৎময়,
দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা
কারো দানে পাওয়া নয়।

সতেরোশো সাতান্ন সনে,
ভাইবা দেখেন পড়বে মনে
দাম দিছি পলাশীর মাঠে
ইতিহাস তার সাক্ষী রয়
দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা …

সেইবারে জানিল বিশ্ব আমরা কত ধনী রে
দান করিতে লক্ষ জীবন তুচ্ছ বলে গনি রে
আঠারোশো সাতান্ন সালে
দাম দিছি ফের জানে মালে
ওরে পিছন ফিরে চাইলে পরে’ একশ বছর কথা কয়
দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা….

ব্রিটিশ গিয়া সইপ্যা গেল জল্লাদেরই হাতে রে
তারা মোদের খুন কইরাছে না না অযুহাতে রে
লক্ষ করুণ হাসি হাসি
খাইছে গুলি পরছে ফাঁসি
তবু না দুঃখিনী বাংলা তোমার আমার কারো হয়
দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা…

বায়ান্নোতে মুখের ভাষা কিনছি বুকরে খুনে রে
বরকতেরা রক্ত দিল, বিশ্ব অবাক শোনে রে
দিছি রক্ত জন্মাবধি
কত সাগর সাগর নদী নদী
রক্তে বাংলা লাল কইরাছি এই কথা তো মিথ্যা নয়
দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা…

ঊনিশশো একাত্তর সালে পঁচিশে মার্চ রাতে রে
মেয়ের মায়ের বোনের ইজ্জত লুইটাছে ডাকাতে রে
বাপের সামনে বলুক তো ঝুট!
মেয়ের ইজ্জত হয়নি কি লুট?!
আজো বাংলার আকাশ বাতাস দুঃখে শোকো উদাস হয়
দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা…

দাম দিয়াছি মায়ের অশ্রু বোনের সম্ভ্রম রে
ওরে বলতে কি কেউ পারো রে ভাই
দাম কি কারও কম রে?
কত কুলের কুলাঙ্গনা নাম নিয়াছে বীরাঙ্গনা
দুঃখে বাংলার পদ্মা মেঘনা যমুন যে উজান বয়
দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা…

দাম দিয়ছে বুদ্ধিজীবি নামী দামী লোক কত
এই জনমে ফুরাবে কি আমার বুকের সেই ক্ষত!
ঊনিশশো একাত্তর সনে ওরে ষোলই ডিসেম্বর সকালে
অবশেষে দুঃখিনী এই বাংলা মা যে আমার হয়
দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা কারো দানে পাওয়া নয়।

করেছেন (4,429 পয়েন্ট)
  • শিরোনাম: এই পদ্মা, এই মেঘনা
  • শিল্পীঃ ফরিদা পারভীন
  • সুরকারঃ আবু জাফর
  • গীতিকারঃ আবু জাফর

এই পদ্মা, এই মেঘনা,
এই যমুনা সুরমা নদী তটে।
আমার রাখাল মন, গান গেয়ে যায়
এই আমার দেশ, এই আমার প্রেম
আনন্দ বেদনায়, মিলন বিরহ সংকটে।।

এই মধুমতি ধানসিঁড়ি নদীর তীরে
নিজেকে হারিয়ে যেন পাই ফিরে ফিরে
এক নীল ঢেউ কবিতার প্রচ্ছদ পটে।।

এই পদ্মা, এই মেঘনা,
এই হাজারো নদীর অববাহিকায়।
এখানে রমণীগুলো নদীর মতন
নদী ও রমণীগুলো শুধু কথা কয়।।

এই অবারিত সবুজের প্রান্ত ছুঁয়ে
নির্ভয় নীলাকাশ রয়েছে নুয়ে
যেন হৃদয়ের ভালোবাসা হৃদয়ে ফুটে।।

করেছেন (4,429 পয়েন্ট)

'জাতীয়' এবং 'বিজাতীয়' বলতে কি বুঝ? 'জাতীয়তা' এবং 'জাতীয় বিষয়াবলী' কি?

কিভাবে কোনো দেশের জাতীয় বিষয়াবলী নির্বাচন করা হয়?
ভারতের কোনো নাগরিক কি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভ ছাড়াই বাংলাদেশের জাতীয় ব‍্যক্তিত্বে পরিণত হতে পারে? যতক্ষণ না পর্যন্ত সে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভ না করছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তো তার জাতীয়তা ভারতীয়, বাংলাদেশী না। তাহলে, বাংলাদেশী না হয়েও কি কোনো ভারতীয়, ব্রিটিশ, আমেরিকান বাংলাদেশের জাতীয় ব‍্যক্তিত্বে পরিণত হতে পারে? অথবা তাদের কোনো লেখা বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলীতে যোগ হতে পারে? কোনো দেশের জাতীয় বিষয়াবলী তো সে দেশের নিজস্ব জাতীয় পরিচয়, সেই দেশের নিজস্ব সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ‍্য, সেই দেশের নিজস্ব নাগরিক বা ব‍্যক্তিত্ব, সেই দেশের নিজস্ব নাগরিক বা ব‍্যক্তিদের লেখা? অন‍্য দেশের নাগরিক বা তাদের লেখা জাতীয় পরিচয় বহন করে না। কেননা, তারা আমাদের জাতীয় না, তারা বিজাতীয়। দেশের ভেতরের হলে, তা জাতীয় এবং দেশের বাইরের হলে, তা বিজাতীয়। বিজাতীয় ব‍্যক্তি, বিজাতীয় ব‍্যক্তিদের লেখা গান-কবিতা-সঙ্গীত, বিজাতীয় সংস্কৃতি কখনো জাতীয় ব‍্যক্তি, জাতীয় গান-কবিতা-সঙ্গীত বা জাতীয় সংস্কৃতি হতে পারে না। মনে রাখতে হবে, বিশ্বকবি, বিশ্বলেখক, বিশ্বগায়ক হলেও কেউ অন‍্য দেশের নাগরিকত্ব অর্জন ব‍্যতিত, সে দেশের জাতীয় বা জাতীয়তার অধিকারী হতে পারে না। কাজী নজরুল ইসলাম ভারতের কবি ছিলেন, তাঁকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে, তারপর বাংলাদেশের জাতীয় কবি বানানো হয়েছে। অর্থাৎ প্রথমে তিনি ভারতীয় বা বিজাতীয় ছিলেন, পরে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জনের মাধ‍্যমে বাংলাদেশী বা এ দেশের জাতীয় পরিচয় বহন করেছেন। তাই তাকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি বানানো সম্ভব হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করার সৌভাগ‍্য লাভ করেন নি। তাঁর জাতীয়তা বাংলাদেশী না, তিনি ভারতীয়। অর্থাৎ তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয় বহন করেন না, ভারতের নাগরিক হওয়ার কারনে ভারতের জাতীয় পরিচয় বহন করেন। ভারতের জাতীয় সঙ্গীত তাঁর লেখা হতেই পারে, কারণ তিনি ভারতীয় বা সে দেশের নিজস্ব সম্পদ বা ব‍্যক্তি। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার জাতীয় সঙ্গীত, নিজস্ব জাতি, জাতীয় বা জাতীয়তার দিকে লক্ষ না রেখে, শুধুমাত্র বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ভারতকে খুশি করার জন‍্য অসতর্কভাবে, জাতীয়তার বাইরে গিয়ে, নিয়ম বহির্ভূত ভাবে, বিজাতীয়তাকে আঁকড়ে ধরে করা হয়েছে। আবেগ দিয়ে সব হয় না। আমাদের বর্তমান জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার মাধ‍্যমে আমরা কেবল রবীন্দ্রনাথের সোনার পশ্চিম বাংলাকেই ভালোবাসছি, সোনার বাংলাদেশকে নয়। কারন, রবীন্দ্রনাথের যখন মৃত‍্যু হয়, তখন সোনার বাংলাদেশেরই জন্ম হয়নি। তাহলে মৃত‍্যুর পর তিনি বাংলাদেশকে নিয়ে 'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' লিখলেন কিভাবে? আসলে তিনি তাঁর গানে সোনার পশ্চিম বাংলা বা ভারত বন্দনাই গেয়েছেন। তাঁর লেখা এই সঙ্গীতটি এ দেশের জাতীয় সঙ্গীত করা হয়ে গেছে বিধায় আমরা গাইতে গাইতে এটিকে খুব বেশি ভালোবেসে ফেলেছি, যে কারনে এটাকে বিজাতীয় বললে খারাপ লাগে, আবেগতাড়িত হয়ে পড়ি। কিন্তু আসলেও কি আমরা ঠিক করছি? কবে আমরা আমাদের জাতীয় সঙ্গীতে পশ্চিম বাংলা বা ভারত বন্দনা ছেড়ে, বাংলাদেশ বন্দনা শুরু করবো? কবে আমরা আবেগকে ছেড়ে সত‍্যকে আঁকড়ে ধরবো? কবে আমরা 'আমার সোনার (পশ্চিম) বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' বাদ দিয়ে গাইবো, 'আমার সোনার বাংলাদেশ, আমি তোমায় ভালোবাসি'?
0 টি পছন্দ
করেছেন (47 পয়েন্ট)
প্রথমত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন এই গানটি লিখেছেন তখন বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তান এক সাথেই ছিল..অর্থাৎ তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গ,আসাম এবং পূর্ববঙ্গ একটি প্রদেশ ছিল যার নাম ছিল বাঙলা।এখানে একটি যুক্তি দেওয়া যায়,সেটি হল :রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যেহেতু ১৯৪১ সালে পরলোকগমন করেন,তখন উপমহাদেশ একসাথেই ছিল।সেই সূত্রে তাঁর লেখা সঙ্গীত,জাতীয় সঙ্গীত করা কি যায় না?? দ্বিতীয়ত,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর এই গানে বাংলার রুপ তথা অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ণনা করা হয়েছে। গানটি গাইলে অথবা শুনলে দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ পায়..এজন্যই হয়ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কবিগুরুর অসাধারণ ঐ গানটি বাংলাদেশের জাতীয়সঙ্গীত করেছেন। আপনি হয়ত জানেন না,শ্রীলঙ্কার জাতীয় সঙ্গীতও বিশ্বকবী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর লেখা! আমার মতে, যেহেতু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু ভারতের কবি নন তিনি বিশ্বকবি!সেহেতু তাঁর লেখা গান জাতীয় সঙ্গীত করাই যায়। আপনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের রণসঙ্গীত কেন জাতীয় সঙ্গীত করা হল না জানতে চেয়েছেন...আপনাকে বুঝতে হবে চল্ চল্ এই সঙ্গীতটি যুদ্ধ বা বিপ্লবের গান হিসেবেই মানায়,অর্থাৎ বিপ্লবী বা সৈনিক দের অনুপ্রেরণা যোগায়। তাই এটি বাংলাদেশের রণসঙ্গীত করা হয়েছে। আরেকটি কথা,আপনি হয়ত জানেন না,বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জর্ম্ম ও ভারতে, তাঁকে স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে এনে দেশের নাগরিকত্ব প্রদান করেন। শেষকথা, দেশকে ভালুবাসেন এবং মুক্তচিন্তা করুন। ধন্যবাদ
করেছেন (4,429 পয়েন্ট)

'জাতীয়' এবং 'বিজাতীয়' বলতে কি বুঝ? 'জাতীয়তা' এবং 'জাতীয় বিষয়াবলী' কি?

কিভাবে কোনো দেশের জাতীয় বিষয়াবলী নির্বাচন করা হয়?
ভারতের কোনো নাগরিক কি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভ ছাড়াই বাংলাদেশের জাতীয় ব‍্যক্তিত্বে পরিণত হতে পারে? যতক্ষণ না পর্যন্ত সে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভ না করছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তো তার জাতীয়তা ভারতীয়, বাংলাদেশী না। তাহলে, বাংলাদেশী না হয়েও কি কোনো ভারতীয়, ব্রিটিশ, আমেরিকান বাংলাদেশের জাতীয় ব‍্যক্তিত্বে পরিণত হতে পারে? অথবা তাদের কোনো লেখা বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলীতে যোগ হতে পারে? কোনো দেশের জাতীয় বিষয়াবলী তো সে দেশের নিজস্ব জাতীয় পরিচয়, সেই দেশের নিজস্ব সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ‍্য, সেই দেশের নিজস্ব নাগরিক বা ব‍্যক্তিত্ব, সেই দেশের নিজস্ব নাগরিক বা ব‍্যক্তিদের লেখা? অন‍্য দেশের নাগরিক বা তাদের লেখা জাতীয় পরিচয় বহন করে না। কেননা, তারা আমাদের জাতীয় না, তারা বিজাতীয়। দেশের ভেতরের হলে, তা জাতীয় এবং দেশের বাইরের হলে, তা বিজাতীয়। বিজাতীয় ব‍্যক্তি, বিজাতীয় ব‍্যক্তিদের লেখা গান-কবিতা-সঙ্গীত, বিজাতীয় সংস্কৃতি কখনো জাতীয় ব‍্যক্তি, জাতীয় গান-কবিতা-সঙ্গীত বা জাতীয় সংস্কৃতি হতে পারে না। মনে রাখতে হবে, বিশ্বকবি, বিশ্বলেখক, বিশ্বগায়ক হলেও কেউ অন‍্য দেশের নাগরিকত্ব অর্জন ব‍্যতিত, সে দেশের জাতীয় বা জাতীয়তার অধিকারী হতে পারে না। কাজী নজরুল ইসলাম ভারতের কবি ছিলেন, তাঁকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে, তারপর বাংলাদেশের জাতীয় কবি বানানো হয়েছে। অর্থাৎ প্রথমে তিনি ভারতীয় বা বিজাতীয় ছিলেন, পরে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জনের মাধ‍্যমে বাংলাদেশী বা এ দেশের জাতীয় পরিচয় বহন করেছেন। তাই তাকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি বানানো সম্ভব হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করার সৌভাগ‍্য লাভ করেন নি। তাঁর জাতীয়তা বাংলাদেশী না, তিনি ভারতীয়। অর্থাৎ তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয় বহন করেন না, ভারতের নাগরিক হওয়ার কারনে ভারতের জাতীয় পরিচয় বহন করেন। ভারতের জাতীয় সঙ্গীত তাঁর লেখা হতেই পারে, কারণ তিনি ভারতীয় বা সে দেশের নিজস্ব সম্পদ বা ব‍্যক্তি। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার জাতীয় সঙ্গীত, নিজস্ব জাতি, জাতীয় বা জাতীয়তার দিকে লক্ষ না রেখে, শুধুমাত্র বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ভারতকে খুশি করার জন‍্য অসতর্কভাবে, জাতীয়তার বাইরে গিয়ে, নিয়ম বহির্ভূত ভাবে, বিজাতীয়তাকে আঁকড়ে ধরে করা হয়েছে। আবেগ দিয়ে সব হয় না। আমাদের বর্তমান জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার মাধ‍্যমে আমরা কেবল রবীন্দ্রনাথের সোনার পশ্চিম বাংলাকেই ভালোবাসছি, সোনার বাংলাদেশকে নয়। কারন, রবীন্দ্রনাথের যখন মৃত‍্যু হয়, তখন সোনার বাংলাদেশেরই জন্ম হয়নি। তাহলে মৃত‍্যুর পর তিনি বাংলাদেশকে নিয়ে 'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' লিখলেন কিভাবে? আসলে তিনি তাঁর গানে সোনার পশ্চিম বাংলা বা ভারত বন্দনাই গেয়েছেন। তাঁর লেখা এই সঙ্গীতটি এ দেশের জাতীয় সঙ্গীত করা হয়ে গেছে বিধায় আমরা গাইতে গাইতে এটিকে খুব বেশি ভালোবেসে ফেলেছি, যে কারনে এটাকে বিজাতীয় বললে খারাপ লাগে, আবেগতাড়িত হয়ে পড়ি। কিন্তু আসলেও কি আমরা ঠিক করছি? কবে আমরা আমাদের জাতীয় সঙ্গীতে পশ্চিম বাংলা বা ভারত বন্দনা ছেড়ে, বাংলাদেশ বন্দনা শুরু করবো? কবে আমরা আবেগকে ছেড়ে সত‍্যকে আঁকড়ে ধরবো? কবে আমরা 'আমার সোনার (পশ্চিম) বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' বাদ দিয়ে গাইবো, 'আমার সোনার বাংলাদেশ, আমি তোমায় ভালোবাসি'?

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

311,758 টি প্রশ্ন

401,339 টি উত্তর

123,243 টি মন্তব্য

172,802 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...