98 জন দেখেছেন
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে করেছেন (1,174 পয়েন্ট)
বন্ধ করেছেন
এই চিরকূট সহকারে বন্ধ করা হয়েছে : পর্যাপ্ত উত্তর
করেছেন (1,174 পয়েন্ট)

★কাচাঁ আমের উপকারিতা:
১◆রক্ত পরিষ্কার রাখে।
২◆স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
৩◆ভিটামিন এ সমৃদ্ধ হওয়ায় চোখ ভালো রাখে, দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে এবং রাতকানা রোগের হাত থেকে রক্ষা করে।
৪◆বিটা ক্যারোটিন থাকায় হার্টের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে।
৫◆পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের অভাব পূরণ করে।
৬◆প্রচুর পরিমাণে আয়রণ থাকায় রক্তস্বল্পতা দূর করে।
৭◆ভিটামিন সি সমৃদ্ধ হওয়ায় গরমে ঠান্ডা জাতীয় রোগ প্রতিরোধ করে।
৮◆কিডনির সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে।
৯◆লিভার বা যকৃত ভালো রাখে।
১০◆দেহে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে।
১১◆নিঃশ্বাসের সমস্যা, জ্বরের সমস্যা উপশম করে।
১২◆রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করে।
১৩◆এসিডিটি নিয়ন্ত্রন করে।
১৪◆ত্বক উজ্জ্বল করে।
১৫◆দাঁতের রোগ প্রতিরোধ করে।
১৬◆চুল-নখ ভালো রাখে।
১৭◆ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
১৮◆ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
১৯◆শরীরে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী উপাদানঃ টক্সিন ধ্বংস করে।
২০◆মুখের ঘা নিরাময় করে।
২১◆গর্ভবতী মায়েরা কাঁচা আম খেলে, জন্মানোর পর খুব কমই রোগে আক্রান্ত হয় শিশুরা।
২২◆ওজন বা চর্বি কমাতে সাহায্য করে।
২৩◆ক্ষতস্থান শুকাতে সাহায্য করে।
২৪◆কলেরা, আমাশয়, ডায়রিয়া ও যক্ষা প্রতিরোধে সাহায্য করে।
২৫◆হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।
২৬◆দেহের ক্ষয় রোধ করে।
২৭◆মুখের ব্রণ দূর করে।

5 উত্তর

2 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (431 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
কাঁচা আমের উপকারিতাঃ
এসিডিটির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে
খাদ্যাভ্যাসের জন্য বেশিরভাগ মানুষই এসিডিটির সমস্যায় ভুগে থাকেন। কাঁচা আম খেলে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ঔষধ গ্রহণ ছাড়াই আপনার হজমে সাহায্য করবে কাঁচা আম।
পানির ঘাটতি রোধ করে
গরমে আমাদের শরীর থেকে অনেক পানি বাহির হয়ে যায়। শরীরের তৃষ্ণা মেটানোর জন্য এবং পানির ঘাটতি পূরণের জন্য সামান্য লবণ দিয়ে কাঁচা আম খান।
পেটের সমস্যা দূর করে
গরমের সময় বেশিরভাগ মানুষের পেটে সমস্যা হতে দেখা যায়। ডায়রিয়া, আমাশয় ও বদহজমের মত সমস্যাগুলোর বিরুদ্ধে কাজ করে। খাদ্য হজমে সহায়তা করে কাঁচা আম। অন্ত্রকে পরিষ্কার করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয় কাঁচা আম।
ওজন কমায়
মিষ্টি আমের চেয়ে কাঁচা আমে চিনি কম থাকে বলে এটি ক্যালরি খরচে সাহায্য করে।
স্কার্ভি ও মাড়ির রক্ত পড়া প্রতিরোধ করে
কাঁচা আম খেলে আপনার শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি সরবরাহ করে। স্কার্ভি, অ্যানেমিয়া ও মাড়ির রক্ত পড়া কমায় কাঁচা আম। কাঁচা আমের পাউডার বা আমচুর স্কার্ভি নিরাময়ে অত্যন্ত কার্যকরী।
মুখের স্বাস্থ্য রক্ষা করে
সবুজ কাঁচা আম খাওয়া মাড়ির জন্য উপকারী। এটি শুধু মাড়ির রক্ত পড়াই বন্ধ করেনা নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ এবং দাঁতের ক্ষয় রোধ করে।
মর্নিং সিকনেস এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে
বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের মর্নিং সিকনেস দূর করতে চমৎকারভাবে কাজ করে কাঁচা আম। সামান্য লবণ মাখিয়ে কাঁচা আম খেলে বমি বমি ভাব দূর হয়।
দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়
কাঁচা আম আলফা ক্যারোটিন ও বিটা ক্যারোটিনের মত ফ্লাভনয়েড সমৃদ্ধ। এই সব উপাদান দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে ও দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়।
লিভারের সবচেয়ে ভালো বন্ধু
লিভারের রোগ নিরাময়ের একটি প্রাকৃতিক উপায় হচ্ছে কাঁচা আম। যখন কাঁচা আম চিবানো হয় তখন পিত্ত থলির এসিড ও পিত্ত রস বৃদ্ধি পায়। এর ফলে যকৃতের স্বাস্থ্য ভালো হয় এবং অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশন পরিষ্কার করে।
ঘামাচি প্রতিরোধ করে
গ্রীষ্মকালের সবচেয়ে খারাপ শত্রু হচ্ছে ঘামাচি। ঘামাচির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সবচেয়ে ভালো উপায় কাঁচা আম খাওয়া। কাঁচা আমে এমন কিছু উপাদান আছে যা সান স্ট্রোক হতে বাধা দেয়।
রক্তের সমস্যা দূর করে
শরীরের কোষকে উজ্জীবিত করে কাঁচা আম এবং রক্তনালীর স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করে ও নতুন রক্ত কোষ গঠনে সহায়তা করে। বিভিন্ন রকমের রক্তের সমস্যা যাদের থাকে যেমন- রক্তশূন্যতা, ব্লাড ক্যান্সার, রক্তক্ষরণের সমস্যা ও টিউবারকোলোসিসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে কাঁচা আম।
এনার্জি প্রদান করে
আপনি কি জানেন কাঁচা আম আপনাকে প্রচুর এনার্জি দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে দুপুরের খাওয়ার পরে কাঁচা আম খেলে তন্দ্রা কাটিয়ে উজ্জীবিত হতে সাহায্য করে।
কাঁচা আমের কষ মুখে লাগলে ও পেটে গেলে মুখে, গলায় ও পেটে ইনফেকশন হতে পারে। তাই এ ব্যাপারে সাবধান থাকতে হবে।
ঘাম কমায়
গরমের ঘাম থামতেই চায়না। কাঁচা আমের জুস খেয়ে ঘামের মাত্রা কমানো যায়। অতিরিক্ত ঘামের ফলে সোডিয়াম ক্লোরাইড এবং আয়রন কমতে শুরু করে। এই প্রক্রিয়াকে প্রতিরোধ করে কাঁচা আম।
(সুত্রঃ ইত্তেফাক)
1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (572 পয়েন্ট)
কাচাঁ আমে প্রচুর ভিটামিন থাকে যা আমাদের শরীর কে সুস্থ রাখে।ইহা বিভিন্ন রোগের প্রতিকার করে।অন্যদিকে আমের কচি পাতা ও কচি আমের অটিঁর শাসঁ যে রোগ প্রতিকার করে তা হলোঃআমশয় হলে,বমি বমি ভাব হলে কচিঁ আম পাতা উপকারী।অকালে চুলপড়া শুরু হলে কচি আমের আঁটির শাঁস কর্যকরী।
1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (5,711 পয়েন্ট)
কাঁচা আম আপনার শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি সরবরাহ করবে। যাদের শরীরে ভিটামিন সি-এর অভাব রয়েছে, তাঁরা খুব সহজে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। শরীরে শক্তি কমে যায়, অবসন্ন হয়ে পড়েন। ২. শরীরে ভিটামিন সি-এর ঘাটতি হলে বিরক্তিভাব দেখা দেয়। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। ৩. যাদের শরীরে ভিটামিন সি-এর ঘাটতি হয়, তাদের হঠাৎ করে ওজন কমে যেতে পারে। ৪. ভিটামিন সি-এর অভাব হলে গিঁটে ব্যথা বা পেশিতে ব্যথার সমস্যা হয়। ৫. ভিটামিন সি-এর অভাব হলে দেহে কালশিটে দাগ পড়ে। ৬. ভিটামিন সি দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে। এর ঘাটতি দেখা দিলে এসব অংশে সমস্যা হতে পারে। ৭. ত্বক ও চুল শুষ্ক হয়ে যাওয়াও ভিটামিন সি-এর ঘাটতির লক্ষণ। ৮. ভিটামিন সি-এর ঘাটতি হলে শরীরে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যায়। তাই কাঁচা আম খেলে এই স্বাস্থ্য উপকারিতা গুলি পাবেন।
1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (97 পয়েন্ট)
কাচা আমের সবচেয়ে বড় উপকারিতা হলো এটি অনিদ্রা রোগের উপকার করে। কারো যদি ঘুম না হয় তবে কাচা আম খেলে ঘুম হয়।
1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (7,552 পয়েন্ট)
ভিটামিন সি এর একটি উৎস হচ্ছে কাচা আম তাই এটা খেলে ভিটামিন সি এর অভাব পূরন হবে *হজমে সাহায্য করবে *পানির অভাব পূরন করবে
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
13 মার্চ 2018 "খাদ্য ও পানীয়" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Rahman islam (85 পয়েন্ট)

283,809 টি প্রশ্ন

368,375 টি উত্তর

111,091 টি মন্তব্য

153,221 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...