বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
335 জন দেখেছেন
"নিত্য ঝুট ঝামেলা" বিভাগে করেছেন (9,175 পয়েন্ট)
আমার হাতের লেখা এক দম ভালো না। আমার থেকে ক্লাস ১ এ যে পড়ে তার হাতের লেখাও অনেক ভালো,,, আমি চাই আমার হাতের লেখা সুন্দর করতে। এখন আমি কি ভাবে আমার হাতের লেখা সুন্দর করবো!????
করেছেন (18,123 পয়েন্ট)

আপনি অনেকদূর পর্যন্ত ভেবে নিয়েছেন দেখছি, যাই হোক... সবার কন্ডিশন এক হয় না।

হাই স্কুলে মাঝেমধ্যে দু'একজন স্যার হাতের লেখা নিয়ে খোঁটা দিতো কিন্তু এর বাইরে কেউ আর কিছু বলেনি। আমি যদি সব ঠিক লিখি আর তা যদি স্পষ্টভাবে পড়া যায়, তাহলে কোন যুক্তিতে কেউ নাম্বার কম দিবে?!

আসলে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় অনেক কিছুই চেঞ্জ করার আছে, এগুলোতো মাইনর।
করেছেন (9,175 পয়েন্ট)
আসলে এটা ভাবতাম না যদি না এই পরিস্থিতিরর শিকার না হতে হত।

এতো টাই বাজে হাতের লেখা যে যে কেউ খোটা দিতে পারে তাই আগে থেকে সাবধানতা অবলম্বন করছি।
করেছেন (5,368 পয়েন্ট)
আমার হাতের লেখা আগে কিন্তু আমি নিজেও পড়তে পারতাম না এত খারাপ ছিল। হয়তো একারণেই সমস্যায় পড়েছি। 

এবছর থেকে অন্তত পাঠযোগ্য করে লেখার চেষ্টা করছি। ভাবছি রোজার ছুটিটা কাজে লাগাব। সমস্যা হয় যে কেউ হাতের লেখা দিতে চায় না। 
করেছেন (9,175 পয়েন্ট)

image আমি তো এই টা ফলো করছি

আপনি যে ভাবে বলেছেন সে ভাবে সম্ভব হবে না তাই এই টা ফলো করছি।

করেছেন (5,368 পয়েন্ট)
আমার কাছে আসলে পিসি-প্রিন্টার আছে। তাই আমি বেশিরভাগ টাইম প্রিন্ট করে নেই। কিন্তু বিজয়ের ফন্টগুলো মাঝে মাঝে ভালো লাগে না তাই এ পদ্ধতিও মাঝে মধ্যে করে দেখেছি। 

আপনি আপনার জন্য যেটা সহজ ও ভালো মনে হয় সেটাই করুন। 

3 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (5,368 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
সবক্ষেত্রে সবাইকে পরামর্শ দিতে প্রস্তুত হলেও আসলে এ বিষয়ে দেওয়া ঠিক হচ্ছে কি না জানি না। কারণ আমার নিজের হাতের লেখাই অতটা ভালো নয়। 

তবে আমি নিজেই এটা ঠিক করতে দিনরাত চেষ্টা করি। তাই পরামর্শ হয়তো খারাপ দিব না। 

এখন আপনার প্রায় অবসর। একমাসে প্রতিদিন ২ ঘণ্টা সময় দিলেই কিন্তু হাতের লেখা ঠিক হয়ে যাবে। 

প্রথমে প্রতিটি অক্ষর আপনার যার হাতের লেখা ভালো লাগে এমন কাউকে দিয়ে লেখান। দাগ টানা খাতায়। শুরুর লাইনে সে লিখবে। বাকিগুলোয় আপনি। ১০ দিনের জন্য তাকে দিয়ে দশবার লিখিয়ে নিবেন। দশদিন এভাবে প্র‍্যাকটিস করলেন। 

তারপরে তাকে দিয়ে প্রতিদিন দশটা করে বাক্য লিখিয়ে নিবেন। আপনি নিজে একটু এমন বাক্য বেছে দিবেন যেগুলোকে মিলিয়ে প্রায় সব অক্ষর এসে যাবে। এবারো দাগটানা খাতায়। এভাবে দশদিন প্রাকটিস করলেন।

এরপরে সাদা খাতায় আবার প্রতিদিন দশটি বাক্য লিখিয়ে নিবেন। এক্ষেত্রেও সবগুলো অক্ষর যেন আসে সেটা খেয়াল রাখবেন। দশদিনে সেটা প্র‍্যাকটিস করুন।

এর প্র‍্যাকটিসগুলো করার সময় প্রতিবার লেখার সময় তার লেখাগুলি দেখুন। কীভাবে কোথায় কিরকম করে লিখেছে সেটা ভালোভাবে খেয়াল করুন। দেখবেন একমাস পর আপনার হাতের লেখা বদলে যাবে।

আর কেউ যদি এত লিখে দিতে না চায় তাহলে বিজয়ের পছন্দমত একটা ফন্ট দিয়ে এগুলো লিখিয়ে প্রিন্ট করে নিতে পারেন। তবে সেটা ব্যয়বহুল। এরচেয়ে কোনো বন্ধুকে বন্ধুত্বের খাতিরে একটু করে দিতে বলুন।

লজ্জ্বার বিষয় যে আমি প্রতিবার ছুটি পেলে খুব আয়োজন করে এসব করার কথা চিন্তা করি। অলসতা করে আর হয় না। আপনার যেন এরকম কিছু না হয় সেটাও খেয়াল রাখুন।
করেছেন (334 পয়েন্ট)
২য় লাইনে বানান ভুল আছে ওটা হলেও হবে ।আৱ প্ৰ্যাকটিস হবে ।
করেছেন (737 পয়েন্ট)
আপনার উত্তরটা খুবই সুন্দর কারন আমি এই ভাবে লেখে ভালো ফলাফল পেয়েছি।
করেছেন (5,368 পয়েন্ট)
ধন্যবাদ দুজনকেই
0 টি পছন্দ
করেছেন (2,536 পয়েন্ট)

এর জন্য,

বাংলা লেখার জন্য

লেখা গুলো সমান্তরাল করুন।

লেখা বেশি বড় বা ছোট করবেন না।

লেখা এর মাঝে ১ কলম সমান গ্যাপ রাখুন

লেখা এক লাইন সমান করুন ||||


যেমন:- খ এর জন্য খ এর ডান পাশের দাগ সমান রাখুন।এমন করে লেখা সমান করুন।

ইংরেজি লেখা সুন্দর করে,

লেখা  সমান করেন। বাকিটা বাংলার মত।

করেছেন (9,175 পয়েন্ট)
আপনি যে ভাবে বলছেন ওই ভাবে লিখে একটু ছবি টা যোগ করে দিতে পারবেন।!???
করেছেন (2,536 পয়েন্ট)
 আবার কলম ভাল হলে কিন্তু অনেক সময় ভাল লেখা হয়।
করেছেন (9,175 পয়েন্ট)
উপরক্ত মন্তব্য অনুযায়ী উত্তর পাই নাই।
করেছেন (2,536 পয়েন্ট)
মানে?? আপনি তো লেখা জানতে চাচ্ছেন কি ভাবে সুন্দর করে? তাই না?
করেছেন (2,536 পয়েন্ট)
প্রতিদিন  অনেক লেখতে হবে।

এতে।স্প্রিড হবে + সুন্দর হবে।
করেছেন (2,536 পয়েন্ট)

এটা দেখেন

।।লেখা এএমনে লেখিতে হয়।image

করেছেন (2,536 পয়েন্ট)
একচুয়াল্লি আমি এখন খুব বিজি। আর আমাদের সাথে  কপি রাখার অনুমঅতি নাই।তাই ইনশাআল্লাহ  শনিবার দেব।।
করেছেন (2,536 পয়েন্ট)
উপরের ছবি দেখেন।
0 টি পছন্দ
করেছেন (1,462 পয়েন্ট)

প্রযুক্তির উৎকর্ষের এই সময়ে এসে আমরা কম্পিউটার আর ট্যাবলেট জাতীয় স্মার্ট ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসগুলোর কাছে কৃতজ্ঞ। এর অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটা হল- এখন ‘সুন্দর হাতের লেখা’ নিয়ে কিছুটা হলেও কম চিন্তা করতে হয় আমাদের।



কিন্তু ‘সুন্দর হাতের লেখা’ বা ‘হাতের সুন্দর লেখা’ যাই বলি না কেন এখনও একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ছোটবেলায় আদর্শ লিপিতে আমরা পড়েছিলাম- ‘হস্তাক্ষর সুন্দর হইলে পরীক্ষায় অধিক নম্বর পাওয়া যা’। শুধু তা-ই নয়, সুন্দর হাতের লেখা আপনার ব্যক্তিত্বকে এক ভিন্ন মাত্রা দান করে।



যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন নামী-দামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হাতের লেখার ক্লাস নেন হাতের লেখা বিশেষজ্ঞ লরা হুপার। বিজনেস ইনসাইডারসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি হাতের লেখা সুন্দর করার জন্য ৭টি পরামর্শ দিয়েছেন।



১. সঠিক উপাদান নির্ধারণ করা : লেখা শুরু করার আগে সেই জিনিসগুলো নির্বাচন করুন যেগুলো ব্যবহার করে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। অনেকেই মনে করে থাকেন সুন্দর হাতের লেখার জন্য ‘ফাউন্টেন পেন’ অত্যাবশকীয়। আসলে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এমন একটি কলম বা পেন্সিল বেছে নিন যা আপনার আঙুলের সঙ্গে সহজে মানিয়ে যাবে এবং লেখার সময় কাগজের ওপর যাকে জোরে চাপ দিতে হবে না। আর কাগজ হিসেবে ‘নোটবুক’ জাতীয় লাইন টানা কাগজ ব্যবহার করা যেতে পারে।



২. হাত এবং কবজি নমনীয় করা : ‘লেখা শুরুর আগে আমি আমার হাত হালকা করে নিই এবং কবজি দুটোকে হালকা মুচড়ে নিই যাতে এগুলো লেখার জন্য নমনীয় হয়’- হুপার বলেন। ‘বিশেষ করে যদি আপনি একটানা বেশ কয়েকদিন ধরে না লিখেন তাহলে অন্যান্য মাংসপেশীর মতো কবজি বা হাতেও একধরনের জড়তা অনুভব করবেন।’



৩. অঙ্গবিন্যাস ঠিক করা : সোজা হয়ে বসুন এবং আপনার অনভ্যস্ত হাতটিকে (যেমন ডানহাতিদের ক্ষেত্রে বাঁ হাত) কাগজ বা খাতাটিকে ধরে রাখার জন্য ব্যবহার করুন। হুপার বলেন, ‘লেখার সময় আমি আমার অনভ্যস্ত হাতটিকে সামঞ্জস্য রক্ষার্থে ব্যবহার করি। এটা আমাকে স্থির থাকতে এবং ডান হাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে সাহায্য করে।’ তবে এজন্য অবশ্যই চেয়ার-টেবিল ব্যবহার করা উত্তম।



৪. কলম ধরা : কলম বা পেন্সিল নিব এর কাছাকাছি ধরে লিখুন, তবে শক্তভাবে ধরে নয়। যদি নিবের কাছাকাছি ধরে লিখতে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করেন, তাহলে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। কারণ কলম বা পেন্সিল ধরার আসলে নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। এটা সম্পূর্ণই আপনার হাতের গড়নের ওপর নির্ভর করে।



৫. বাহু এবং কবজির অবস্থান : বেশিরভাগ মানুষই লেখার সময় শুধু আঙুল ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু হস্তাক্ষরবিদরা আঙুল দিয়ে কলম-পেন্সিল আঁকড়ে ধরেন মাত্র এবং লেখার সময় নিজেদের বাহু এবং কবজিকে সমান অবস্থানে রেখে লিখে থাকেন। হুপার বলেন, ‘এটি রপ্ত করার জন্য আপনি একটি কলম ধরে কল্পনায় (বাতাসের ওপরে) বড় বড় অক্ষর লিখতে পারেন।’



৬. তুলনামূলক ধীরগতি অবলম্বন করা : বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে যত দ্রুত পারা যায় লেখা শেষ করার একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। হুপার বলেন, ‘লেখা কোনো দৌড় প্রতিযোগিতা নয়। কত দ্রুত তা শেষ করবেন এটাকে গুরুত্ব না দিয়ে, প্রতিটি অক্ষর কিভাবে সুন্দর করবেন সেটাকে গুরুত্ব দিন। একটু ধীরে লিখুন এবং অক্ষরকে তার শ্রেষ্ঠ চেহারায় রূপ দিন।’ অক্ষরকে সুন্দরভাবে রূপ দিতে প্রথমে বড় বড় করে লেখার অভ্যাস করুন। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক লেখার স্টাইল ছোট আকারে হ্রাস করুন।



৭. অনুশীলন, অনুশীলন এবং অনুশীলন : হাতের লেখা ভালো করার জন্য অনুশীলনের কোনো বিকল্প নেই। উপরোক্ত নিয়মগুলো মেনে আপনি যত বেশি অনুশীলন করবেন ততই দক্ষতা বাড়বে। 

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
2 টি উত্তর
23 ডিসেম্বর 2018 "বিজ্ঞান ও প্রকৌশল" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন mamunrahman (62 পয়েন্ট)

307,122 টি প্রশ্ন

396,015 টি উত্তর

121,031 টি মন্তব্য

170,171 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...