80 জন দেখেছেন
"সাধারণ" বিভাগে করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
আমরা লক্ষ্য করলে দেখতে পাবো আমাদের বাংলাদেশ এর তুলনাজ অন্যদেশ এর লোক জন অনেক বেশি কর্মক্ষম। তারা অনেক বেশি পরিশ্রম করে থাকে। এবং সফলতা ও তারা বেশি পায়। কিন্ত আমাদের দেশের লোক বেশি পরিশ্রম করে না। যার ফলে আমরা অনেক পিছিয়ে। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে বাইরের দেশের মানুষ এর মত পরিশ্রম করতে চাই। আমি অনেক জায়গাতে পড়েছি পরিশ্রম সৌভাজ্ঞের চাবি কাঠি। আমি এক বার চেষ্টা করে দেখতে চাই সেই চাবি কাঠি পায় কিনা। কিন্ত আমি একটু ও পরিশ্রম করতে পারি না। ঘুমাই বেশি কাজ করি কম। আমি চাই কম ঘুমাতে এবং বেশি পরিশ্রম করতে সে জন্য আমাকে কি করতে হবে!??? আর খাদ্য খাওয়া কি বদলাতে হবে। কারো জানা থাকলে জানবেন।

3 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (1,089 পয়েন্ট)
আপনি প্রথমে আপনার কাজের রুটিন তৈরি করুন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করুন। আপনি এখন যেসব কাজে অব‍্যস্থ আছেন সেগুলো আপনাকে প্রতিনিয়ত হানা দিবে। এই হানা বা আঘাতকে কাটিয়ে উঠতে পারলেই আপনি আপনার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবেন। আশাকরি বুঝতে পেরেছেন।
করেছেন (7,719 পয়েন্ট)
প্রশ্ন অনুযায়ী উত্তর পেলাম না
করেছেন (1,089 পয়েন্ট)
আপনি চেয়েছেন কম ঘুমাতে এবং বেশি কাজ করতে আর সেটা আপনার ইচ্ছার অনিচ্ছার উপর নির্ভর করবে। আমি শুধু এইটুকু বুঝাতে চেষ্টা করেছি যে কিভাবে আপনার ইচ্ছাকে কার্যে পরিণত করা যায়। আর আপনার খাবার খাওয়া যদি পরিমাণ মতো হয় এবং স্বাস্থ্যকর হয় তাহলে কোন পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (1,898 পয়েন্ট)
পরিশ্রম বিদেশী রা বেশি কেন করে? তারা বেশি উপার্জন করতে চায় তাদের একটা লক্ষ থাকে তারা চায় আমি এই লক্ষে পৌছাবো। আপনার এই লক্ষ টি কি আছে ?? না থাকলে সবার আগে সেটি নির্ণয় করুন । আমেরিকায় দেখা গেছে কিছু লোক বছরের ৬ মাস অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাতে তারা পরের ৬ মাস ভালো ভাবে সুখে থাকতে পারে ।  এমনকি ভাল্লুক যে আছে সে পুরো গরম খাবার খুজে বেড়ায় তারপর পুরো শীত ঘুমিয়ে কাটায় । এ থেকেই বুঝতে পারছি আপনি তখনি কর্মক্ষম হবেন যখন আপনার কোনো একটি নির্দিষ্ট লক্ষ থাকবে । আপনি একটি পরিবারের কর্তা । এখন আপনি কাজ না করলে পরিবারের খাওয়া জুটবে না দেখবেন তখন আপনি কাজ করেন কি না । সব কিছু ছেড়ে আগে রোজগার করা শুরু করবেন । দিন শেষে নিজের সন্তানকে কিছু দিতে এখনো অনেক বাবা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপার্জন করে । তেমনি আপনার উপর যতদিন কোনো দায়িত্ব পরবে না ততদিন আপনি ও না বার বার চেয়েও কঠোর পরিশ্রমি হতে পারবেন । 

তবে আপনি চাইলে কিছুটা কর্মক্ষম হতে পারেন । সবার আগে একটু নিজের আশে পাশের খেটে খাওয়া লোকদের একটু পর্যবেক্ষণ করুন আশা করি আপনি যে অধিক ঘুমান সেটা কেটে যাবে । নিজের কাজ গুলো নিজের রুম কাপড় নিজেই পরিষ্কার করুন । ধর্মের অনুশাসন মতে চলুন । পারলে ইয়োগা করুন । ভালো ভালো লেখকের বই পড়ুন না ঘুমিয়ে রাত জাগার অভ্যাস থাকলে তা পরিত্যাগ করুন কারণ রাত জাগলে সেই ঘুম টা মানুষ অন্য সময় ঘুমায় তাই রাতে দ্রুত ঘুমাতে যান । আর হ্যা মনের ইচ্ছা শক্তি সবার উপরে নিজে প্রথমে শপৎ করুন যে আপনি পরিবর্তিত হবেন তাহলেই দেখবেন সব সম্ভব । আর খাওয়ার বিষয় টার ক্ষেত্রে মাছ মাংস কয়েকদিন না খেয়ে শাকসবজি ভর্তা ডাল এগুলো খান । তেল জাতিয় খাবার একটু দূরে থাক । ফলমূল দুধ খান । তাজা ফল এখন তরমুজ পাওয়া যাচ্ছে এটি অনেক উপকারি । 

আশা করি আপনার জানার আগ্রহ দূরীভবনে সফল হয়েছি । 
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (4,448 পয়েন্ট)

আমি যতদূর জানি আপনি একজন এইচএসসি পরীক্ষার্থী। এই সময়েই সবাইকে জীবন সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। আশা করি আপনিও নিয়েছেন। অথবা খুব দ্রুতই নিবেন। 

আপনার যে সিদ্ধান্ত হবে যে জীবনে আপনি কি হতে চান সেটার ওপরে আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে। আর পরিশ্রম করব বলে রেখে দিলে হবে না। বলার সাথে করা একসাথে শুরু করতে হবে। 

এ বিষয় আমি কিছু পরামর্শ দেই।

  • আপনার যে বিষয়ে যেখানে পড়ার ইচ্ছা সে বিষয়ে সেখানে পড়তে হলে কি করতে হবে সে বিষয়টা জেনে নিন। তারপরে সে অনুযায়ী দিনের প্রতিটি সময়কে কাজে লাগান। 
  • ঘুম তো লাগবেই। তবে নির্দিষ্ট সময় ধরে ঘুমাবেন। কৃত্রিম অ্যালার্ম ক্লককে ব্যবহার না করে জীবনের সবচেয়ে বড় অ্যালার্ম ক্লক অর্থাৎ মায়ের সাহায্য নিয়ে ঘুমের সময়টা নিয়ন্ত্রণ করুন। 
  • পড়ালেখা যদি আপনি ছুটির মাঝে ছেড়ে দেন তাহলে অলসতা ভর করবে। তাই পড়ালেখা যেন একদিনও বাদ না যায়। প্রতিদিন সময় পেলেই পড়তে হবে। পাঠ্যবই বা রসকষহীন বই পড়তে হবে এমন কিছু নয়। আপনার যা পছন্দ তাইই পড়ুন। তবে পড়ুন।
  • পরিশ্রম করার জন্য যখন কিছু পাবেন না তখন নিজে থেকে খুঁজে বের করে নিন। আর কিছু না পেলে অন্তত বাবা-মাকে সাহায্য করুন। ঘরের কাজের পাশাপাশি বাইরের কাজ যেগুলো বাবা-মায়ের পক্ষে একা করা কঠিন সেগুলোতে সাহায্য করুন।
  • লক্ষ্য একবারে নির্ধারণ করে ফেলুন। কোনোভাবে যেন তা বদল না হয় সেটা খেয়াল রাখুন। সামান্য বদল হলেও অন্তত তা যেন পিছিয়ে আসা না হয়। আরো এগিয়ে যাওয়ার জন্য লক্ষ্য বদল করতে পারেন।
  • ভার্সিটি লাইফে প্রবেশের পর থেকেই আপনার জীবনযুদ্ধ প্রকৃতরূপে শুরু হবে। তাই সেজন্য যেন প্রস্তুতির কোনো কমতি না থাকে। পরিশ্রম করার অভ্যাসের কথা আগেই বলেছি। অভ্যাস না থাকলে যখন হঠাৎ করে শুরু হবে তখন দেখবেন পেরে উঠছেন না।
  • জীবনে যেন কোনোদিন বেকার না থাকা লাগে সেই সংকল্প এখনই করে ফেলুন। একটা দিনও যেন আপনার কাজহীন না হয়। প্রতিদিনেই সমানতালে কাজ করুন। বেকার মস্তিষ্ক শয়তানের আড্ডাখানা এ জাতীয় কথা নিশ্চয়ই শুনেছেন।
  • দেশের জন্য যে কিছু করতেই হবে এরকম একটা সংকল্পও করে ফেলুন। বেশি কিছু না পারলেও কয়েক হাজার টাকা কর দেবার ক্ষমতা যেন আল্লাহ একদিন আপনাকে দেয় সেই দোয়া করুন। আমিও করি।
বিদেশীদের যে আমাদের চেয়ে এক্সট্রা কিছু আছে এরকম কখনোই ভাববেন না। তাদের অবস্থাও নিশ্চয়ই আমাদের মত একসময় ছিল। আস্তে আস্তে তারা এগিয়েছে। আস্তে আস্তে আপনিও এগোন। তবে এতটা আস্তে না যেন সেটাকে অলসতা মনে হয়।
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর
1 উত্তর
31 অক্টোবর 2017 "রূপচর্চা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন sane (7 পয়েন্ট)

277,796 টি প্রশ্ন

361,426 টি উত্তর

108,122 টি মন্তব্য

148,944 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...