209 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (0 পয়েন্ট)
করেছেন (7,746 পয়েন্ট)
বৈজ্ঞানিক যুক্তি লাগবে না

শুধু এই টুকু চিন্তা করুন যে আপনি কী ভাবে পৃথীতে আসলেন এবং আপনার বাবা মা কি ভাবে পৃথিবীতে আসলো তাহলে আপনার কাছে সব টা ক্লিয়ার হয়ে যাবে।

4 উত্তর

2 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (4,716 পয়েন্ট)
বৈজ্ঞানিক যুক্তি অনুসারে আমাদের কোনো সৃষ্টিকর্তা নেই বলে মনে করা হয়। বিগ ব্যাংএর মাধ্যমে একটি বিন্দু থেকে সকল কিছু সৃষ্টি হয়েছে। আগুন ঠান্ডা হতে হতে মাটিতে রূপ নিয়েছে। আশ্চর্যভাবে প্রোটোপ্লাজম থেকে অ্যামিবার সৃষ্টি হয়েছে এবং বিবর্তনের মাধ্যমে আমরা এসেছি। 

কিন্তু বিগ ব্যাংএর আগে কি ছিল সে বিষয়ে বিজ্ঞান কোনো যুক্তি দেখাতে পারে নি। কয়েকজন বিজ্ঞানী বিভিন্ন ধর্ম গ্রন্থ ও বিজ্ঞানের সমন্বয় ঘটানোর চেষ্টা করে সৃষ্টিকর্তা আসলে আছে কি না তা বের করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তাতে সফলতা আসে নি।
করেছেন (1,468 পয়েন্ট)
আপনি যে যুক্তিটা দিয়েছেন তার কোনো তথ্যসূত্র দিতে পারবেন?
করেছেন (4,716 পয়েন্ট)
এটা স্টিফেন হকিংএর কথা। তার লেখা The Theory of Everything বইটিতে আছে। পড়ে দেখেন।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (3,793 পয়েন্ট)
বৈজ্ঞানিক যুক্তির সীমাবদ্ধতা নেই। বিজ্ঞান বিশ্বাস করে সবকিছু প্রাকৃতিক ভাবে সৃষ্টি হয়েছে। 

(তাই যদি হবে তাহল প্রক়ৃতি কে সৃষ্টি করেছে?)
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (1,468 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন
অনেক কষ্ট করে সংগ্রহ করে আনলাম। আমি বিবর্তনের মতবাদ নিয়ে কথা বলার আগে আপনাদের মতবাদ সম্পর্কে কিছু কথা বলবো।
মতবাদ কি?
যখন বিজ্ঞানের সূত্র ব্যবহার করে কোন নিয়ম বা ঘটনা দাড় করানো হয়। যে ঘটনাকে বৈজ্ঞানিকভাবে সম্পূর্ণভাবে সঠিক বা ভুল প্রমাণ করা যায় না সেটাই হচ্ছে মতবাদ। যখন এই মতবাদ সম্পূর্ণভাবে সঠিক প্রমাণ করা হয় তখন সেটা হয়ে যায় আবিষ্কার। আর যদি তা ভুল প্রমাণ হয় তখন সেটা বিলুপ্ত হয়ে যায়। কিন্তু আশ্চর্য ব্যপার হচ্ছে, আমরা অনেকে মনে করি মতবাদ হচ্ছে বিজ্ঞানভিত্তিকভাবে প্রমানিত একটি প্রকৃত সত্য। আর একথা ভেবেই তারা অন্ধের মত এইসব মতবাদে বিশ্বাস করে।
বিবর্তনের মতবাদ অনুযায়ী সৃষ্টির ইতিহাস
সংক্ষেপে বিবর্তনের মতবাদ কিছুটা এরকমঃ প্রায় দুই হাজার কোটি বছর আগে বিগ-ব্যাং এর মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়। প্রায় ৪৬০ কোটি বছর আগে পৃথিবী তার আকার ধারন করে এবং ধীরে ধীরে শীতল হতে থাকে। এরপর পৃথিবীর স্থলভাগের উপরে কোটি কোটি বছর ধরে বৃষ্টি হতে থাকে এবং আস্তে আস্তে এই পাথর গলতে শুরু করে। এরপর প্রায় ৩০০ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে প্রথম প্রাণের সৃষ্টি হয়। এরপর এই প্রাণী কোটি কোটি বছর ধরে বিবর্তিত হতে থাকে এবং বিভিন্ন প্রাণীতে পরিনত হয়। প্রায় ২ থেকে ৪ লক্ষ বছর আগে বানরের বিবর্তন হয়ে মানুষ সৃষ্টি হয়। এটা হচ্ছে বিজ্ঞানের মতবাদ। বিজ্ঞান কখনো প্রমাণ করতে পারে নি যে তাদের কথা সঠিক নাকি ভুল। তারা এটা কখনো সঠিক ভাবে বলেনি। এটা তাদের ধারণা মাত্র। সুতারং, আমরা কেনো বিজ্ঞানের এই মতবাদ বিশ্বাস করবো? আর হ্যা, বিজ্ঞান কখনো আমাদের সৃষ্টিকর্তা নেই এটা কখনো সুস্পষ্ট ভাবে বলে নি।
করেছেন (4,716 পয়েন্ট)
প্রশ্নকর্তা বৈজ্ঞানিক যুক্তি আছে কি না সেটা জিজ্ঞাসা করেছেন।
করেছেন (1,468 পয়েন্ট)
কোনো জিনিস সৃষ্টি করতে হলে যেমন একজন সৃষ্টিকর্তা থাকে তেমনি আমাদের ও একজন সৃষ্টিকর্তা রয়েছেন। এটা কি বৈজ্ঞানিক যুক্তি নয়?
করেছেন (4,716 পয়েন্ট)
কিন্তু এটা আপনার বৈজ্ঞানিক যুক্তি। আমি তো তা অস্বীকার করছি না বা ভুল উত্তর তা বলছি না। প্রশ্নকর্তা বিজ্ঞানীদের যুক্তি যে বিজ্ঞান কী বলে সেটা জানতে চেয়েছেন। আর বিজ্ঞান কখনোই স্বীকার করে না যে সৃষ্টিকর্তা আছে। এটা আপনি আমি জানি।
করেছেন (1,468 পয়েন্ট)
বিজ্ঞান অবশ্যই স্বীকার করে যে, আমাদের সৃষ্টিকর্তা আছে। এখন বিদ্যুৎ নাই আমাদের এখানে। আমি আগামিকাল এসম্পর্কে আমার কাছে যত তথ্যসূত্র আছে সব দেবো। আপনি ও তথ্যসূত্র দেওয়ার চেষ্টা করুন।
করেছেন (4,716 পয়েন্ট)
আমি তো বললামই। স্টিফেন হকিং বলে গিয়েছেন এ কথা যে প্রকৃতি বিগ ব্যাং থেকে সৃষ্টি এবং এর পেছনে সৃষ্টিকর্তার কোনো ভূমিকা নেই। বিজ্ঞানের কাছে এটাই বর্তমানে সৃষ্টিকর্তা না থাকার একমাত্র যুক্তি। 

আর সৃষ্টিকর্তা আছে সে সম্পর্কে আমরা চাইলে শত শত যুক্তি দিতে পারি। আপনি তো দিয়েছেনই। কিন্তু সেটা বৈজ্ঞানিক যুক্তি হবে না। কারণ আমাদের যুক্তি শুধু আমরাই জানি। অন্য কারোকে জানাবার সামর্থ্য আমাদের নেই। সুতরাং বিজ্ঞানীদের যুক্তিটাকেই বৈজ্ঞানিক যুক্তি বল হবে। আমাদেরটাকে না।
করেছেন (1,468 পয়েন্ট)
অনেক কষ্ট করে সংগ্রহ করে আনলাম। আমি বিবর্তনের মতবাদ নিয়ে কথা বলার আগে আপনাদের মতবাদ সম্পর্কে কিছু কথা বলবো। মতবাদ কি? যখন বিজ্ঞানের সূত্র ব্যবহার করে কোন নিয়ম বা ঘটনা দাড় করানো হয়। যে ঘটনাকে বৈজ্ঞানিকভাবে সম্পূর্ণভাবে সঠিক বা ভুল প্রমাণ করা যায় না সেটাই হচ্ছে মতবাদ। যখন এই মতবাদ সম্পূর্ণভাবে সঠিক প্রমাণ করা হয় তখন সেটা হয়ে যায় আবিষ্কার। আর যদি তা ভুল প্রমাণ হয় তখন সেটা বিলুপ্ত হয়ে যায়। কিন্তু আশ্চর্য ব্যপার হচ্ছে, আমরা অনেকে মনে করি মতবাদ হচ্ছে বিজ্ঞানভিত্তিকভাবে প্রমানিত একটি প্রকৃত সত্য। আর একথা ভেবেই তারা অন্ধের মত এইসব মতবাদে বিশ্বাস করে। বিবর্তনের মতবাদ অনুযায়ী সৃষ্টির ইতিহাস সংক্ষেপে বিবর্তনের মতবাদ কিছুটা এরকমঃ প্রায় দুই হাজার কোটি বছর আগে বিগ-ব্যাং এর মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়। প্রায় ৪৬০ কোটি বছর আগে পৃথিবী তার আকার ধারন করে এবং ধীরে ধীরে শীতল হতে থাকে। এরপর পৃথিবীর স্থলভাগের উপরে কোটি কোটি বছর ধরে বৃষ্টি হতে থাকে এবং আস্তে আস্তে এই পাথর গলতে শুরু করে। এরপর প্রায় ৩০০ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে প্রথম প্রাণের সৃষ্টি হয়। এরপর এই প্রাণী কোটি কোটি বছর ধরে বিবর্তিত হতে থাকে এবং বিভিন্ন প্রাণীতে পরিনত হয়। প্রায় ২ থেকে ৪ লক্ষ বছর আগে বানরের বিবর্তন হয়ে মানুষ সৃষ্টি হয়। এটা হচ্ছে বিজ্ঞানের মতবাদ। বিজ্ঞান কখনো প্রমাণ করতে পারে নি যে তাদের কথা সঠিক নাকি ভুল। তারা এটা কখনো সঠিক ভাবে বলেনি। এটা তাদের ধারণা মাত্র। সুতারং, আমরা কেনো বিজ্ঞানের এই মতবাদ বিশ্বাস করবো?
করেছেন (4,716 পয়েন্ট)
আমি ব্যক্তিগতভাবে কখনোই এই মতবাদে বিশ্বাস করি না। কিন্তু আপনি মন্তব্যে যে মতবাদটি লিখেছেন সেটাই মূলত বৈজ্ঞানিক যুক্তি। যাই হোক আপনার উত্তরে মন্তব্যের কথাটুকু দিলে সেটাই সম্ভবত পরিপূর্ণ উত্তর হবে। শেষে আপনার কথাটুকু যোগ করে দিলেই হয়।
করেছেন (1,468 পয়েন্ট)
হ্যা, সেটাই করা হয়েছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, আমাকে সময় দিয়ে সঠিক তথ্য প্রকাশ করতে সাহায্য করার জন্য। √
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (17,789 পয়েন্ট)
বিজ্ঞানের higher concept গুলো বুঝতে হলে এর সবগুলো শাখায় পাণ্ডিত্য থাকা লাগে। সাধারণ মানুষ যখন এর আংশিক বা ৯০% এর সাথেও পরিচিত হয় কিন্তু একটা ছোট্ট গুরুত্বপূর্ণ অংশ মিস করে যায় তখন যথেষ্ট চান্স থাকে যে সে সম্পূর্ণ ভুল কিংবা আংশিক ভুল মতবাদে বিশ্বাস স্থাপন করে বসবে।

আপনার প্রশ্নের সবচেয়ে নিকটবর্তী উত্তর এই যে, বিজ্ঞান এখনো একাধিক মতবাদে বিশ্বাস করে যেগুলোর বৈশিষ্ট্য মানুষের আধ্যাত্মিক বিশ্বাসের সাথে মিলে যায়। বিস্তারিত বলছিনা, বা বলেও লাভ নেই। তবে যখন আপনার মনে হবে যে বিগ ব্যাং এবং রিলেটিভিটি সম্পর্কে বোঝার মতো যথেষ্ট জ্ঞান আছে তখন এগুলোর গভীরে গিয়ে Higher Energy এবং Timeless relativity (নামটা হয়তো অন্যকিছু, ঠিক মনে করতে পারছিনা) সম্পর্কে জানবেন।

শাকিল আহমেদ আরিয়ান ইন্টারনেট জগতের সাথে পরিচিত হওয়ার পর থেকে স্রেফ উৎসাহ বশঃত এর গভীর পর্যন্ত জ্ঞান আহরণের চেষ্টা করেছেন, যতই গভীরে গিয়েছেন ততই এর প্রতি আরও আকৃষ্ট হয়েছেন। নিজে জানার আর অন্যকে জানানোর অদম্য ইচ্ছার প্রয়াসে আজ বিস্ময়ের সাথে এতটা জড়িয়ে গেছেন। ভবিষ্যতে একজন কম্পিউটার সাইন্টিস্ট হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি, আপনাদের সকলের নিকট দোয়াপার্থী। বিস্ময় ডট কমের সাথে আছেন সমন্বয়ক হিসেবে।
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর
24 জানুয়ারি 2017 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন rana ghosh (9 পয়েন্ট)

282,864 টি প্রশ্ন

367,153 টি উত্তর

110,540 টি মন্তব্য

152,543 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...