218 জন দেখেছেন
"আইন" বিভাগে করেছেন (8 পয়েন্ট)

3 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (1,847 পয়েন্ট)

বাংলাদেশে প্রথম শ্রেণীর

সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথার

সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন,

বিক্ষোভ করছে বিভিন্ন

প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

এমন প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে কী এই

কোটা ব্যবস্থা এবং কেন এটা

নিয়ে বিক্ষোভ? কোটা ব্যবস্থা

কেন এবং কী উদ্দেশ্যে করা

হয়েছিল?

১৯৭১ সালে যারা মুক্তিযুদ্ধে

অংশ নিয়েছিলেন, তাদের

সন্তানদের সুবিধা দেবার জন্য

প্রথমে এ কোটা চালু করা

হয়েছিল।

১৯৭২ সালে প্রথম এই কোটা ব্যবস্থা

চালু করা হয়। কিন্তু ক্রমান্বয়ে এই

কোটার পরিধি বেড়েছে।

এখন মুক্তিযোদ্ধাদের নাতী-

নাতনীদের জন্য এ কোটা প্রযোজ্য

হচ্ছে। ৬৪টি জেলার জন্য কোটা

আছে। মূলত দেশের অনগ্রসর মানুষকে

সুবিধা দেবার জন্যই কোটা

ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল।

প্রথম শ্রেণীর সরকারী চাকরিতে

কোটা:

মুক্তিযোদ্ধা কোটা: ৩০ শতাংশ,

জেলা কোটা: ১০ শতাংশ

নারী কোটা: ১০ শতাংশ

উপজাতি কোটা: ৫ শতাংশ

প্রতিবন্ধী কোটা: ১ শতাংশ

বাংলাদেশের সরকারী

চাকরীতে এখন ২৫৮ ধরনের কোটা

আছে। বাংলাদেশের পাবলিক

সার্ভিস কমিশনের সূত্রমতে প্রথম

শ্রেণীর চাকরিতে মোট পাঁচটা

ক্যাটাগরিতে কোটার ব্যবস্থা

রয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি

রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা কোটায়।

কোটা সংস্কারের দাবিগুলো

কী?

`বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র

সংরক্ষণ পরিষদ`এর ব্যানারে যে

পাঁচটি বিষয়ে কোটা

সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন

চলছে সেগুলো হল-

•কোটা-ব্যবস্থা ১০ শতাংশে

নামিয়ে আনা (আন্দোলনকারীরা

বলছেন ৫৬% কোটার মধ্যে ৩০

শতাংশই মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য

বরাদ্দ। সেটিকে ১০% এ নামিয়ে

আনতে হবে)

•কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া

না গেলে মেধাতালিকা থেকে

শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া

•সরকারি চাকরিতে সবার জন্য

অভিন্ন বয়স-সীমা- ( মুক্তিযোদ্ধার

সন্তানদের ক্ষেত্রে চাকরীর বয়স-

সীমা ৩২ কিন্তু সাধারণ

শিক্ষার্থীদের জন্য ৩০। সেখানে

অভিন্ন বয়স-সীমার দাবি

আন্দোলনরতদের।)

•কোটায় কোনও ধরনের বিশেষ

পরীক্ষা নেয়া যাবে না ( কিছু

ক্ষেত্রে সাধারণ শিক্ষার্থীরা

চাকরি আবেদনই করতে পারেন না

কেবল কোটায় অন্তর্ভুক্তরা পারে)

চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায়

একাধিকবার কোটার সুবিধা

ব্যবহার করা যাবে না।

বাংলাদেশে প্রচলিত কোটা

ব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনা শুধু

শিক্ষার্থী বা চাকরি-

প্রার্থীদের মাঝেই রয়েছে

তেমনটি নয়, বিশেষজ্ঞদেরও

মতামত রয়েছে কোটা

সংস্কারের পক্ষে।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের

প্রেক্ষিতে বিবিসি বাংলাকে

দেয়া সাক্ষাতকারে সাবেক

মন্ত্রীপরিষদ সচিব আকবর আলি খান

সম্প্রতি বলেন, বাংলাদেশের

প্রথম শ্রেণির সরকারী চাকরিতে

মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্মূল্যায়ন

করা উচিত বলে তিনি মনে করেন।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে

অংশগ্রহণকারীদের সন্তানদের

সুবিধা দেবার জন্য প্রথমে এ

কোটা চালু করা হয়েছিল। কিন্তু

এখন মুক্তিযোদ্ধাদের নাতী-

নাতনীদের জন্য এ কোটা প্রযোজ্য

হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে তীব্র বিতর্ক

রয়েছে।

আকবর আলি খান বলেন, এ কোটা

ব্যবস্থার কারণে অনেক মেধাবী

প্রার্থীরা চাকরির পরীক্ষা

দিতে রাজী হয় না। সূত্র: বিবিসি

এসিimage

করেছেন (4,430 পয়েন্ট)
এই লেখাটার লিংক দিতে পারবেন?
করেছেন (1,847 পয়েন্ট)
হুম,, কি লাগবে
করেছেন (4,430 পয়েন্ট)
এ লেখাটা পুরোটা পড়ে দেখতাম।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (1,468 পয়েন্ট)
কোটা পদ্ধতি বলতে মণে করুন আপনি একা চাকরি করতে চান। এখন আপনি আমার মাধ্যমে চাকরিটা পাচ্ছেন। আমি মূল কেন্দ্রে যোগাযোগ করলাম যে আমি এতজন লোক দিবো আমাকে এত টাকা কোটা দিতে হবে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন আর বলা লাগবে না।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (0 পয়েন্ট)
সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি হলো যেমন মুক্তিযোদ্ধা কোটা,প্রতিবন্দী কোটা,ইত্যাদি
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
2 টি উত্তর
7 টি উত্তর
09 জুলাই 2016 "প্রেম-ভালোবাসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন জাকির নায়ক (9 পয়েন্ট)
1 উত্তর
25 ফেব্রুয়ারি 2016 "শিক্ষা+শিক্ষা প্রতিষ্ঠান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন জামিল হোসেন (-15 পয়েন্ট)

277,348 টি প্রশ্ন

360,907 টি উত্তর

107,900 টি মন্তব্য

148,580 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...