বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
1,086 জন দেখেছেন
"কবিতা সমগ্র" বিভাগে করেছেন (20 পয়েন্ট)
বন্ধ করেছেন
এই চিরকূট সহকারে বন্ধ করা হয়েছে : .....যথেষ্ট উত্তর..তাছাড়া প্রশ্নকর্তা আগেই সমাধান পেয়ে গেছে.......।

5 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (7,945 পয়েন্ট)

আমি কেন অন্ধকারে বাড়িয়ে দেই পা?
অন্ধকারে তুমি যেজন, আলোতে তা না।

আলো আছে ভালোর জন্য
অন্ধকারও ভাল, 
অন্ধকারে তাইতো তুমি
আলোর প্রদীপ জ্বালো!

আমি না হয় অন্ধকার আর
তুমি না হয় আলো
আমার মাঝে তোমার মাঝে
প্রেমের প্রদীপ জ্বালো।

মানিক রাজ জ্ঞানের জন্যই জ্ঞানকে ভালোবাসেন, জ্ঞানের প্রতি রয়েছে অতৃপ্ত তৃষ্ণা আর তাই দীর্ঘদিন যাবত ইন্টারনেটের এর সাহায্য অজানাকে জানার চেষ্টা করেন। নিজে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি অন্যকে জানানো ও নিঃস্বার্থভাবে অপরকে সাহায্য করার জন্য বিস্ময় অ্যানসারসকে বেছে নিয়েছেন। বিস্ময় অ্যানসারস এর সাথে আছেন সমন্বয়ক হিসেবে।
করেছেন (67 পয়েন্ট)
খুব সুন্দর লিখেছেন........
করেছেন (7,945 পয়েন্ট)
ধন্যবাদ.......
0 টি পছন্দ
করেছেন (2,517 পয়েন্ট)
আমি যে তোমায় জানি,সে তো কেউ জানে না।

তুমি মোর পানে চাও,সে তো কেউ মানে না।

মোর মুখে পেলে তোমার আভাস,কত জনে কত করে পরিহাস---

পাছে সে না পারি সহিতে
নানা ছলে তাই ডাকি যে তোমায়, কেউ কিছু নারে কহিতে।

তোমার পথ যে তুমি চিনায়েছ,সে কথা বলি নে কাহারে।

সবাই ঘুমালে জনহীন রাতে
একা আসি তব দুয়ারে।

যাহা মুখে আসে গাই সেই গান
নানা রাগিণীতে দিয়ে নানা তান,
এক গান রাখি গোপনে।

নানা মুখপানে আঁখি মেলি চাই,
তোমা-পানে চাই স্বপনে।।
0 টি পছন্দ
করেছেন (406 পয়েন্ট)
ফুলের মতো ফুটে আছে আকাশের ঐ তারা, একা আমি ভালো লাগে না বন্ধু তোমায় ছাড়া, তুমি ছাড়া এই মনটা কিছু বুঝে না, পাখি হয়ে আমার কাছে উড়ে এসোনা ।
0 টি পছন্দ
করেছেন (482 পয়েন্ট)

চৈতী হাওয়া – কাজী নজরুল ইসলাম

হারিয়ে গেছ অন্ধকারে-পাইনি খুঁজে আর,
আজ্‌কে তোমার আমার মাঝে সপ্ত পারাবার!
আজ্‌কে তোমার জন্মদিন-
স্মরণ-বেলায় নিদ্রাহীন
হাত্‌ড়ে ফিরি হারিয়ে-যাওয়ার অকূল অন্ধকার!
এই -সে হেথাই হারিয়ে গেছে কুড়িয়ে-পাওয়া হার!

শূন্য ছিল নিতল দীঘির শীতল কালো জল,
কেন তুমি ফুটলে সেথা ব্যথার নীলোৎপল?
আঁধার দীঘির রাঙলে মুখ,
নিটোল ঢেউ-এর ভাঙলে বুক,-
কোন্‌ পূজারী নিল ছিঁড়ে? ছিন্ন তোমার দল
ঢেকেছে আজ কোন্‌ দেবতার কোন্‌ সে পাষাণ-তল?

অস্ত-খেয়ার হারামাণিক-বোঝাই-করা না’
আস্‌ছে নিতুই ফিরিয়ে দেওয়ার উদয়-পারের গাঁ
ঘাটে আমি রই ব’সে
আমার মাণিক কই গো সে?
পারাবারের ঢেউ-দোলানী হান্‌ছে বুকে ঘা!
আমি খুঁজি ভিড়ের মাঝে চেনা কমল-পা!

বইছে আবার চৈতী হাওয়া গুম্‌রে ওঠে মন,
পেয়েছিলাম এম্‌নি হাওয়ায় তোমার পরশন।
তেম্‌নি আবার মহুয়া-মউ
মৌমাছিদের কৃষ্ণ-বউ
পান ক’রে ওই ঢুল্‌ছে নেশায়, দুল্‌ছে মহুল বন,
ফুল-সৌখিন্‌ দখিন হাওয়ায় কানন উচাটন!

প’ড়ছে মনে টগর চাঁপা বেল চামেলি যুঁই,
মধুপ দেখে যাদের শাখা আপ্‌নি যেত নুই।
হাস্‌তে তুমি দুলিয়ে ডাল,
গোলাপ হ’য়ে ফুটতো গাল
থর্‌কমলী আঁউরে যেত তপ্ত ও-গাল ছুঁই!
বকুল শাখা-ব্যকুল হ’ত টলমলাত ভুঁই!

চৈতী রাতের গাইত’ গজল বুলবুলিয়ার রব,
দুপুর বেলায় চবুতরায় কাঁদত কবুতর!
ভুঁই- তারকা সুন্দরী
সজনে ফুলের দল ঝরি’
থোপা থোপা লা ছড়াত দোলন-খোঁপার’ পর।
ঝাজাল হাওয়ায় বাজত উদাস মাছরাঙার স্বর!

পিয়ালবনায় পলাশ ফুলের গেলাস-ভরা মউ!
খেত বঁধুর জড়িয়ে গলা সাঁওতালিয়া বউ!
লুকিয়ে তুমি দেখতে তাই,
বলতে, ‘আমি অমনি চাই!
খোঁপায় দিতাম চাঁপা গুঁজে, ঠোঁটে দিতাম মউ!
হিজল শাখায় ডাকত পাখি “ বউ গো কথা কউ”

ডাকত ডাহুক জল- পায়রা নাচত ভরা বিল,
জোড়া ভুর” ওড়া যেন আসমানে গাঙচিল
হঠাৎ জলে রাখত্‌ে পা,
কাজলা দীঘির শিউরে গা-
কাঁটা দিয়ে উঠত মৃণাল ফুটত কমল-ঝিল!
ডাগর চোখে লাগত তোমার সাগর দীঘির নীল!

উদাস দুপুর কখন গেছে এখন বিকেল যায়,
ঘুম জড়ানো ঘুমতী নদীর ঘুমুর পরা পায়!
শঙ্খ বাজে মন্দিরে,
সন্ধ্যা আসে বন ঘিরে,
ঝাউ-এর শাখায় ভেজা আঁধার কে পিঁজেছে হায়!
মাঠের বাঁশী বন্‌-উদাসী ভীম্‌পলাশী গায়অ

বাউল আজি বাউল হ’ল আমরা তফাতে!
আম-মুকুলের গুঁজি-কাঠি দাও কি খোঁপাতে?
ডাবের শীতল জল দিয়ে
মুখ মাজ’কি আর প্রিয়ে?
প্রজাপতির ডাক-ঝরা সোনার টোপাতে
ভাঙা ভুর” দাও কি জোড়া রাতুল শোভাতে?

বউল ঝ’রে ফ’লেছ আজ থোলো থোলো আম,
রসের পীড়ায় টস্‌টসে বুক ঝুরছে গোপাবজাম!
কামরাঙারা রাঙল ফের
পীড়ন পেতে ঐ মুখের,
স্মরণ ক’রে চিবুক তোমার, বুকের তোমার ঠাম-
জামর”লে রস ফেটে পড়ে, হায়, কে দেবে দাম!

ক’রেছিলাম চাউনি চয়ন নয়ন হ’তে তোর,
ভেবেছিলুম গাঁথ্‌ব মালা পাইনে খুঁজে ডোর!
সেই চাহনি নীল-কমল
ভ’রল আমার মানস-জল,
কমল-কাঁটার ঘা লেগেছে মর্মমূলে মোর!
বক্ষে আমার দুলে আঁখির সাতনরী-হার লোর!

তরী আমার কোন্‌ কিনারায় পাইনে খুঁজে কুল,
স্মরণ-পারের গন্ধ পাঠায় কমলা নেবুর ফুল!
পাহাড়তলীর শালবনায়
বিষের মত নীল ঘনায়!
সাঁঝ প’রেছে ঐ দ্বিতীয়ার-চাঁদ-ইহুদী-দুল!
হায় গো, আমার ভিন্‌ গাঁয়ে আজ পথ হ’য়েছে ভুল!

কোথায় তুমি কোথায় আমি চৈতে দেখা সেই,
কেঁদে ফিরে যায় যে চৈত-তোমার দেখা নেই!
কন্ঠে কাঁদে একটি স্বর-
কোথায় তুমি বাঁধলে ঘর?
তেমনি ক’রে জাগছে কি রাত আমার আশাতেই?
কুড়িয়ে পাওয়া বেলায় খুঁজি হারিয়ে যাওয়া খেই!

পারাপারের ঘাটে প্রিয় রইনু বেঁধে না’,
এই তরীতে হয়ত তোমার প’ড়বে রাঙা পা!
আবার তোমার সুখ-ছোঁওয়ায়
আকুল দোলা লাগবে না’য়,
এক তরীতে যাব মোরা আর-না-হারা গাঁ
পারাপারের ঘাটে প্রিয় রইনু বেঁধে না’।।

0 টি পছন্দ
করেছেন (1,954 পয়েন্ট)

আশা করি কবিতাটা পছন্দ হবে!image

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
19 অগাস্ট 2018 "কবিতা সমগ্র" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sujonmax (343 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
14 মে 2018 "কবিতা সমগ্র" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
1 উত্তর
19 এপ্রিল 2018 "কবিতা সমগ্র" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sujonmax (343 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
29 সেপ্টেম্বর "কবিতা সমগ্র" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Rejaul41 (16 পয়েন্ট)

341,623 টি প্রশ্ন

434,788 টি উত্তর

135,938 টি মন্তব্য

184,300 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...