735 জন দেখেছেন
"অন্যান্য ধর্ম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (11 পয়েন্ট)
পৃথিবীতে কোনো শিশু জন্মগ্রহন করেন.. নিস্পাপ হয়ে..এর পর যখন সে বুঝতে শিখে তখন তার বাবা-মা পরিবার যে ধর্ম পালন করে,,সে সে ধর্মই বিশ্বাস করে.. যেন একজন খৃষ্ঠান পরিবারে জন্মালে সে খৃষ্ঠান হয়.হিন্দু পরিবারে হলে হিন্দু,, মুসলিম পরিবারে জন্মালে মুসলমান..এবং প্রত্যেক ধর্ম/ধর্মগ্রন্হকে প্রত্যক ধর্ম সত্যদাবী করে...তখন যে হিন্দু সে মনে করে হিন্দু ধর্ম একমাএ সত্য ধর্ম..আর বাকি সব মিথ্যা..একজন মুসলিম মনে করে তার ধর্মই একমাএ সত্য আর বাকি সব মিথ্যা ভূল..খৃষ্ঠান ও একই মনে করে বৌদ্ধরাও একই মনে করে...পৃথিবী আরো ৪৫০০ ধর্মাবলম্বিরা তাদের ধর্মই সত্য এটা মনে করে থাকে...সব ধর্মই যদি সত্য হয় তবে মিথ্যা কোনটা আর সত্য কোনটা...এখন মুসলমান রা বলবে ইসলাম সত্য কেননা সে ছোটবেলা থেকেই ইসলাম ধর্ম পালন করে আসছে জেনে আসছে ইসলামই সত্য.. আবার হিন্দুরা ঠিক একই মনে করবে..বৌদ্ধ.খৃষ্ঠান.. যারা যেটা ছোটবেলা থেকে শুনে আসছে শিখে আসছে সেটাই সঠিক..। তবে একটা শিশুকে যদি কোন এক নির্যন জায়গায় দেওয়া হয় তখন সে কোন ধর্ম অবলম্বন করবে কেউ কি বলতে পারবেন..?
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (268 পয়েন্ট)
আপনি কোন ধর্মের আনুসারি সেটা আমার জানা নাই তবে আমি আপনাকে বলব আপনার নিজ ধর্মগ্রন্থটি ভাল ভাবে পড়ুন,এবং বুঝার চেস্টা করুন,খুব ভাল ভাবে পড়ে নিন,তার পরে বাকি গুলো,তবে একমাত্র  কোর আন মাজিদ ব্যাতিত সকল ধর্মগ্রন্থ বিকৃত করা হয়েছে,আর আপনি উইটিউব থেকে ডা.জাকির নায়েক এর লেকসার গুলো শুনতে পারেন এবং ধর্মগ্রন্থের সাথে মিল করে দেখতে পারেন তাহলে নিশ্চয় আপনি সঠিক দিক নির্দেশনা পাবেন,ধন্যবাদ।

4 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (434 পয়েন্ট)
এমন প্রশ্ন সবার মনেই থাকে কিন্তু সঠিক উত্তর বই পুস্তকে দেওয়া আছে। ইসলাম ধর্মে কুরআনে বলা হয়েছে কেউ কুরআনের সমকক্ষ কোন সূরা তৈরি করতে পারবে না কারন এটা আল্লাহর নিজের বানী। এই চেলেঞ্জ কেউ মোকাবিলা করতে পারেনি। কাফেরদের মধ্যে অনেক কবি ছিল সবাই অপারগ সিকার করে নিয়েছে। আর ইসলাম ধর্মের মত শান্তির ধর্ম আর নেই। এবার হিন্দু বা সনাতন। এখানে আপনি দেখবেন তারা মাটি দিয়ে ঠাকুর তৈরি করে পূজা করছে। কিন্তু সামান্য বৃষ্ট বা বাতাস থেকে তারা নিজেদের রক্ষা করতে পারবেনা। আর হিন্দুদের দেবতা বা ঠাকুর অনেক আর যেখান। আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন লক্ষ্যনের বৌকে তার আরেকজন সহযোগি অপহরন করছিল সেটা নিয়ে যুদ্ধের কথা মহাভারতে রয়েছে। দেখুন ঠাকুররা যদি নিজেরা নিজেদের রক্ষা করতে নাপারে তাহলে মানবেন কিভাবে তাদের? আর একজন ছাড়া এই পমথিবী চালানো সম্ভব না কেউ বলবে আজ সূর্য পশ্চিম দিকে উঠবে কেউ বলবে উত্তর। ঝগরা বাধবে। আর আমাদের ইসলাম ধর্মে আল্লাহ বিবাহ করেন নি বা তারসন্তান নেই। সেই হিসেবে ইসলাম ধর্মই উপযুক্ত ধর্ম।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (4,075 পয়েন্ট)
পৃথিবীর অন্যতম জটিল প্রশ্নের মধ্যে এটি একটি প্রশ্ন যে প্রকৃতপক্ষে সঠিক ধর্ম কোনটি। আপনি যা বলেছেন যে যে যার ধর্মকে সঠিক মনে করে। আসলে সেটা নয়। সকলেরই মনে জীবনে একবার হলেও প্রশ্ন আসে যে আমার ধর্মটি সঠিক তো!

পৃথিবীর সব ধর্মের প্রয়োজন নেই। ৪-৫ টি ধর্মের ধর্মগ্রন্থ আপনি পাঠ করে দেখুন। বর্তমানে অনুবাদ পাওয়া তেমন কঠিন কিছু নয়। আমার ব্যক্তিগতভাবে ওরকমই কয়েকটির পড়া আছে। পড়ে আপনিই বাস্তবতার সাথে মিলিয়ে দেখুন।কোনটি যৌক্তিক, কোনটি অযৌক্তিক এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পেতে সবচেয়ে কার্যকরী উপায় এটি। 

যদি সত্যিই সঠিকভাবে পাঠ করেন তাহলে কিছু ধর্ম পাবেন পুরোটাই ভিত্তিহীন। কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না হেনেই বলি যে হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের মধ্যকার মিল থেকে বোঝা যায় যেকোনো একটি অন্যটির বিকৃত রূপ। আর এর ভিত্তি তেমন একটা পোক্ত নয়। 

ইহুদী ও খ্রিষ্টান ধর্মের মিল তো ইসলামের সাথেই। ঠিকভাবে দেখলে বুঝবেন যে এ দুটি ধর্মের কথা তো কুরআনেই আছে। তাওরাত ও ইনজিলকে বিকৃত করে সৃষ্টি হয়েছে এ ধর্ম দুটি। ঈসা(আ) এর ঘটনা আসল কোনটি তা আমরা জানি। কিন্তু তারা সে ঘটনাটাকে বুঝতে ভুল করেই নতুন ধর্ম সৃষ্টি করে ফেলেছে। 

অনেক কথা বলে ফেললাম। আসলে প্রশ্নটি চোখে পড়ায় উত্তর দেবার লোভ সামলাতে পারলাম না। উত্তরটা বিস্ময়ের সবার উদ্দেশ্যে লিখলাম। যদি কেউ আসলে ধর্মগ্রন্থ পাঠ করেন তাহলে আমার কথাগুলি যে সত্য সেটা বুঝতে পারবেন।

এত কথা বলায় নিশ্চয়ই সত্য ধর্ম কোনটা তা বুঝেই গিয়েছেন। 
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (143 পয়েন্ট)
@মেহেযাবিন দয়া করে ভারতীয় দর্শন বা হিন্দু ধর্মের ষড়দর্শন পড়ে, kindly তারপর যদি জানাতেন বৌদ্ধ ধর্ম হিন্দু ধর্মের বিকৃত কিনা,তাহলে অনেক ভাল হতো।
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (4,075 পয়েন্ট)

বৌদ্ধ হিন্দু ধর্মের না হিন্দু বৌদ্ধ ধর্মের এটি আমার জানা নেই। তবে এদুটির মাঝে খুবই সামান্য পার্থক্য রয়েছে যা থেকে অনুমিত হয় যে যেকোনো একটি অন্যটির বিকৃত রূপ। এদুটির সম্বন্ধ সম্পর্কে জানতে এখানে যেতে পারেন। আমিও এটি থেকেই জানতে পারি। 

মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (2,740 পয়েন্ট)
[email protected] নিরপেক্ষভাবে বলি, হিন্দু ধর্ম তো অনেক প্রাচীন । বেদ থেকেই তার প্রমাণ পাওয়া যায় । কিন্তু ইসলাম ধর্মের সবচেয়ে আদি নিদর্শন কোনটি ? কোন ধর্ম কতটা প্রাচীন এটা দিয়ে তার সত্যতা যাচাই করা যায়না জানি । তবে কোন হিন্দু ভাই যদি বলেন যে, ইসলাম ধর্ম মুহাম্মাদ এর তৈরী !
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (4,075 পয়েন্ট)
ধর্ম কোনো প্রমাণের বিষয় নয়। ইসলাম ধর্ম কতটা প্রাচীন এটা প্রমাণের বিষয় নয়। সত্য ধর্ম প্রাচীন হওয়া লাগে না। পৃথিবীর শুরু থেকে তা কায়েম থাকে এবং কালে কালে মাঝে মাঝে তা লুপ্ত হলেও নবিদের মাধ্যমে তা ঠিকই বজিয়ে থাকে।

কুরআন হচ্ছে ইসলামের সত্যতার প্রমাণ যাতে কোনো ভুল নেই এবং যার প্রতিটি শব্দ বিজ্ঞানসম্মত। কোনো ধর্মকে অপমানের হিসেবে নয়। তবে হিন্দু ধর্মের ধর্মগ্রন্থে এমন অনেক কথা আছে যা বৈজ্ঞানিকভাবে সম্পূর্ণ অসম্ভব। অতএব বুঝে নিন।
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (2,740 পয়েন্ট)
[email protected] কেউ যদি এটা বলে যে, মুহাম্মাদ ইসলাম ধর্ম তৈরী করেছে । তাহলে কি বলা যাবে ?
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (4,075 পয়েন্ট)
মুহাম্মদ (স) যদি ধর্ম তৈরি করতেন তাহলে প্রযুক্তিবিহীন ঐ যুগে যেসব বর্ণনা দিয়ে গিয়েছেন সেগুলো এখন এসে বৈজ্ঞানিকভাবে সত্য প্রমাণ হচ্ছে কীভাবে? এ কথার উত্তর তারা দিতে পারলে তাহলে আপনি হার মেনে নিবেন। 
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (5,104 পয়েন্ট)
যখন একটা শিশু জন্মগ্রহন করেন তখন সে নিষ্পাপ হয়েই পৃথিবীতে আসে। এরপর যখন সে বুঝতে শিখে তখন তার বাবা-মা পরিবার যে ধর্ম পালন করে সে সে ধর্ম-ই বিশ্বাস করে যে এটাই সঠিক ধর্ম। অথচ সে এতদূর জানেনা তাদের পিতৃপুরুষরা সঠিক পথপ্রাপ্ত ছিলনা।

আল্লাহর বানীঃ যখন তাদেরকে বলা হয় যে, আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান এবং রাসূলের দিকে এসো, তখন তারা বলে, আমাদের জন্যে তাই যথেষ্ট, যার উপর আমরা আমাদের বাপ-দাদাকে পেয়েছি। (সুরা মায়েদা আয়াত ১০৪)

তাদেরকে যখন বলা হয় আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন তার দিকে ও রাসূলের দিকে এসো তখন তারা বলে, আমরা আমাদের পিতৃপুরুষকে যা করতে দেখেছি যে পথ এবং পন্থা অবলম্বন করতে দেখেছি আমাদের জন্য তাই যথেষ্ট। যদিও তাদের পিতৃপুরুষরা কিছুই জানত না এবং সঠিক পথপ্রাপ্ত ছিল না তবুও কি তারা তাদের পথেই চলবে? (তাফসির ইবনে কাসীর)

এখন আপনিই বলুন কোন ধর্ম সঠিক?
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (39 পয়েন্ট)
পৃথিবীতে এখন থেকে ১৪০০ বছর পূর্বের মহাগ্রন্থ আল কোরআন যার ১টা আয়াতও আজ পর্যন্ত কোন বিজ্ঞানী অস্বীকার বা মিথ্যা প্রমাণ করতে পারেনি। আপনি যদি কিয়ামত পর্যন্ত বেঁচে থাকতেন তাহলে কোরআনের আয়াতের সত্যতা যাচাই করতে পারবেন কারণ কোরআনেই একমাত্র সমস্তকিছু সূস্টি এবং ধব্বংসের ব্যাখা প্রদান করে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

270,050 টি প্রশ্ন

352,965 টি উত্তর

104,575 টি মন্তব্য

143,097 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...