বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
464 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (4,007 পয়েন্ট)
বিভাগ পূনঃনির্ধারিত করেছেন
করেছেন (5,687 পয়েন্ট)
উত্তর নয়, একটা কথা বলব।
আল্লাহ তায়ালা তো অন্তর্যামি। তিনি তো আমাদের মনের কথা বুঝতে পারেন, তাই না!
তাহলে যখন আমরা শহিদ মিনারে ফুল দিব তিনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারবেন যে আমরা মূর্তিপূজার জন্য নয় যাঁরা আমাদের কথা বলতে দেওয়ার জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন তাঁদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ফুল দিচ্ছি। তিনি তো কাউকে শ্রদ্ধা করাটা হারাম করে দেননি, মূর্তিপূজা হারাম করেছেন।
নিজস্ব মতামত দিলাম শুধু। পছন্দ না হলে বলবেন। লুক্কায়িত করব।
করেছেন (2,494 পয়েন্ট)
আপনার কথা গুলো মোটেই পছন্দ হলো না। কারণ,যিনি এই জগতের এবং পরকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি তাকে নিয়ে তো কোন ফুল দিয়ে সম্মান জানানোর প্রয়োজন হয় না। আর সাধারণ লোক হয়ে তাকে ফুল দিয়ে সম্মান জানানো এটা কেমন সম্মান এবং স্মরণ করা?
করেছেন (4,007 পয়েন্ট)
মুর্তিকে যদি পুজা মনে না করে শ্রদ্ধার বলে কিছু করি তবুও তো সেটা মুর্তিমুজা হবে।তাহলে?
করেছেন (5,687 পয়েন্ট)
যিনি জগতের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর প্রয়োজন হয় না। তিনিই এমনিই শ্রেষ্ঠ। তাঁকে আমাদের মনে থাকাটা অবশ্যকরণীয়।
কিন্তু সাধারণ কিছু মানুষ জীবনের পরোয়া না করে যে ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছে এটা যদি আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রদ্ধা জানানো না হয়, তাঁদের স্মরণ করা না হয় তাহলে সেটা দায়িত্বে অবহেলা হবে, কৃতজ্ঞতা জানানো হবে না। যেটা নৈতিকতারই অংশে অবহেলা বলা যায়। আমরা যে আজ বাংলায় লিখছি সেটাও কিন্তু তাঁদের কারণেই সম্ভব হয়েছে।
আর মূর্তিক পূজা করার সময় সেটাকে সম্মান জানানো হয় এবং তাদের সৃষ্টিকর্তা মনে করা হয়। কিন্তু যখন আমরা শহীদ মিনারে ফুল দিব তখন তো ভাষা শহীদদের সৃষ্টিকর্তা মনে করব না। শুধুমাত্র তাঁদের শ্রদ্ধা জানাব, স্মরণ করব, কৃতজ্ঞতা দেব। আমাদের স্কুলে এর পাশাপাশি হুজুর স্যারকে দিয়ে ভাষা শহীদদের জন্য দোয়া করা হয়। মোটামুটি মিলাদের মত। এতে দোষের কিছু দেখছি না।
করেছেন (321 পয়েন্ট)

 তাদের জন্য দোয়া করেন ঠিক আছে, তাই বলে তাদের প্রতিক হিসাবে একটা স্তম্ভ কে ফুল দিতে হবে। এটা তো ঠিক না।

করেছেন (5,687 পয়েন্ট)

এটা শ্রদ্ধা দেখানোর একটা পথ। এর বেশি কিছু নয়। যদি আমরা শুধুমাত্র তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা দেখানোর জন্য কাজটি করি অন্তর্যামি আল্লাহ তা নিশ্চয়ই বুঝে যাবেন যে আমরা অন্য কোনো কারণে এটি করছি না।

করেছেন (4,007 পয়েন্ট)
@mehjabin, আমার মতে আপনি ভুলের মধ্যে আছেন
করেছেন (4,007 পয়েন্ট)
@প্রিয় উত্তরদাতা, তাহলে আমাদের এখন একবাক্য মানতে হবে যে, এটা সম্পুর্ণ হারাম।তবে তাদের জন্য মাগফিরাত কামনা করা একান্ত কর্তব্য।

3 উত্তর

+6 টি পছন্দ
করেছেন (16 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর

মুসলিম সমাজে রীতি আছে, মৃত বা শহীদ মুসলমানের মাগফেরাতের জন্য দুআর অনুষ্ঠান করা কিন্তু ভাষা শহীদদের জন্য মাগফেরাতের দুআ করা হয় না; যা করা হয় তার সাথে ইসলামের রীতির মিল নেই হিন্দু ধর্মালম্বীদের প্রতিমা-পূজার পক্ষে যুক্তি পেশ করেন যে, দেবতা পূজারীদের নাগালের ভেতর নেই, তাই তার প্রতিমার মাধ্যমে তাঁকে পূজা দেওয়া হয় শহীদ মিনারের বেলায়ও বিশ্বাস করা হয় যে, শহীদ মিনারকে সম্মান দেখানো ভাষা শহীদদেরকে শ্রদ্ধা করার সমতুল্য

শহীদ মিনারকেন্দ্রিক আচার-অনুষ্ঠানকে গভীরভাবে পর্যালোচনা করে দেখার দরকার আছে ভাষা শহীদরা সবাই ছিলেন মুসলমান কাজেই তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে আমরা এমন কিছু করতে পারি না যা ইসলামী চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক তাছাড়া কোনো মুসলমানই তাওহীদ-বিরোধী কোনো কাজ করতে পারে না

প্রায় নববই শতাংশ মুসলমান একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপনে অংশগ্রহণ করেন কিন্তু দিবস উদযাপন উপলক্ষে যা করা হয় তা মুসলমানদের আকিদা-বিশ্বাসের সাথে কতটুকু সঙ্গতিপূর্ণ, তা ভেবে দেখার প্রয়োজন আছে শহীদ মিনারকেন্দ্রিক অনুষ্ঠানের অনেক কিছুরই মিল আছে হিন্দুদের পূজা-পার্বণের সাথে কয়েকটি উদাহরণ দিচ্ছি :

/  হিন্দু দেবদেবীর প্রতিমাকে যে উঁচু স্থানে স্থাপন করা হয় সে স্থানকে বলা হয় বেদী, শহীদ মিনারের পদমূলকেও বলা হয় বেদী বেদী শব্দটির অর্থহিন্দুদের যজ্ঞ বা পূজার জন্য প্রস্ত্তত উচ্চভূমি’ (বাংলা একাডেমীর সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধানে দেখা যেতে পারে,)

/  প্রতিমা বা মূর্তির বেদীমূলকে পবিত্র মনে করা হয়, তাই সেখানে যেতে হয় খালি পায়ে শহীদ মিনারের মূলকেও পবিত্র মনে করার কারণেই সেখানে খালি পায়ে যেতে হয়

/ হিন্দু দেবদেবীর পূজার সময় কয়েকটি বিষয় অপরিহার্য এগুলো হল : লগ্ন, অর্ঘ্য বা নৈবেদ্য, স্তব বা স্ত্ততি, পুরোহিত, দেবতা অর্চনা এসবের সাথেও একুশে ফেব্রুয়ারির আচার-আচরণের সাদৃশ্য আছে যেমন, অনুষ্ঠান জিরো আওয়ারে শুরু করা (লগ্ন), অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি (পুরোহিত), নির্দিষ্টভাবে আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো … ’ গান গেয়ে কাজ করা (স্তব/স্ত্ততি), শহীদ মিনার (জড়পদার্থ)-কে নীরবে শ্রদ্ধা জানানো (অর্চনা)


প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআন হাদীস শরীফ থেকে উদ্ধৃতি দিচ্ছি পবিত্র কুরআনে সূরা নিসার  ১১৫ নং আয়াতে  বলা হয়েছে, (তরজমা) কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মুমিনদের পথ ব্যতীত অন্য পথ অনুসরণ করে, তবে যে দিকে সে ফিরে যায় সেদিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব আর তা কতই না মন্দ নিবাস (সূরা নিসা : ১১৫)

 

সুনানে আবু দাউদ শরীফের  ৪০৩৩ হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  ব্যাপারে সাবধানবাণী এসেছে তিনি বলেছেন, যে কেউ কোনো কওমের সাদৃশ্য গ্রহণ করে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত হয় (সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ৪০৩৩)

 

+4 টি পছন্দ
করেছেন (19 পয়েন্ট)
ইসলামী বিধান অনুযায়ী কোন কবর বা স্মৃতি স্তম্ভ তৈরী করা কঠিনভাবে হারাম। ঠিক সেই কারনে মদিনায় স্বয়ং নবির কবরের কোন স্মৃতি চিহ্ন নেই, বা নেই কোন সাহাবির কবরের বাহারি সব স্মৃতি স্তম্ভ। যেখানে স্মৃতি স্তম্ভই নির্মান কঠিনভাবে হারাম সেখানে সেই স্তম্ভ নির্মান করে তাতে ফুল দেয়া তো ভয়াবহ ও ক্ষমার অযোগ্য হারাম কাজ। অথচ আমরা না জেনে না বুঝে সেই কথিত শহিদদের স্মরনে স্মৃতি স্তম্ভে একুশে ফেব্রুয়ারী ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাই। যা কঠিন কঠোর ভাবে হারাম কাজ।
+1 টি পছন্দ
করেছেন (299 পয়েন্ট)

শহীদ মিনার ও বাহাদূরী প্রকাশের জন্য উচ্চ ভবন  বানাতে আল্লাহ সরাসরি নিষেধ করেছেন ।এসব বানানো হরাম কবিরাগুনাহ । সম্মান দেখানো সরাসরি শির্ক ।

তোমরা কি প্রতিটি উচ্চস্থানে শহীদ মিনার নির্মাণ করছো অনর্থক ?

--- কোরআনের ২৬ নং সূরা  শু- আরার ১২৮ ও ১২৯  নং আয়াতের  অনুবাদ এর ব্যাখ্যা (তাফসির) দেখুন ।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
1 উত্তর
28 জানুয়ারি 2018 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন দুরন্ত পথিক (790 পয়েন্ট)
1 উত্তর
16 ডিসেম্বর 2017 "ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Jilani (4,007 পয়েন্ট)

322,122 টি প্রশ্ন

412,509 টি উত্তর

127,746 টি মন্তব্য

177,488 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...