193 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (12 পয়েন্ট)

আমি জেনারেল লাইনে লেখাপড়া করি।আমি যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য লেখাপড়া করি।তাহলে ইবাদতের মধ্য গণ্য হবে কি?

3 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (58 পয়েন্ট)
ইবাদত আরবি শব্দ। এর অর্থ চূড়ান্তভাবে বিনয় প্রকাশ করা এবং নমনীয় হওয়া । দৈনন্দিন জীবনের সকল কাজ কর্মে আল্লাহ তায়ালার বিধি বিধান মেনে চলাকে ইবাদত বলে । পড়ালেখা করা ইবাদতের মধ্যে পড়ে । কারন আল্লাহ তায়ালা নিজে কুরআনে বলেছেনঃ "পড়ুন আপনার প্রভুর নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন।"(সূরা আলাক, আয়াত: 1)।
 ইলম অর্থাৎ জ্ঞান অর্জন দুই প্রকার । যথাঃ ধর্মীয় জ্ঞান ও পার্থিব জ্ঞান। সেই অনুযায়ী পড়ালেখাও ইবাদত এর মধ্যে পড়ে এবং সেই পড়ালেখা অর্থাৎ জ্ঞানঅর্জন অব্শ্যই মানুষের কল্যানের জন্য হতে হবে।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (1,768 পয়েন্ট)

আপনি নিশ্চয়ই এই বাক্যটি শুনে থাকবেন - প্রত্যেক মুসলমান নরনারীর জন্য জ্ঞান অর্জন করা ফরজ। জ্ঞানের কথা বলা হয়েছে। জেনারেল বা অন্য কোন মাধ্যমের কথা নির্দেশ করা হয় নি। এবার আপনার প্রশ্নের উত্তর আপনি নিজেই চিন্তা করুন।

বিসমিল্লাহ বলে পড়া শুরু করবেন। তাহলে ঐ সময়টুকু এবাদতের মধ্যেই থাকবেন। আর জ্ঞান অর্জন করার জন্য আলাদা সওয়াব তো আছেই। ধন্যবাদ।

মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (1,847 পয়েন্ট)
ভাই আপনি যে বলছেন, প্রত্যেক মুসলমান নরনারীর জন্য জ্ঞান অর্জন করা ফরজ। # কোন হাদীসে পাইছেন?
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (1,768 পয়েন্ট)

ভাই আমি এখানে হাদীসের রেফারেন্স দিতে চাই না। কারণ এ সম্পর্কে অনেক হাদীস এবং কোরআনের আয়াত আছে। যদি আমার কথায় আপনার কোন প্রকার সন্দেহ হয় তাহলে 2 মিনিট ব্যায় করে গুগল সার্চ করুন। 

আর কোন হাদীসে পাইছেন কথার সুরটা আমার ভাল লাগেনি। আপনি বলতে পারতেন এ সম্পর্কে কোন হাদীস থাকলে জানাবেন।

মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (1,847 পয়েন্ট)
আপনি মনে হয় জানেন না,,, প্রত্যেক মুসলমান নরনারীর জন্য জ্ঞান অর্জন করা ফরজ। @কিসের জ্ঞান? ইসলামিক জ্ঞান! আল্লাহ তায়ালা এখানে ইসলামিক জ্ঞান এর কথা বলছে,,@ আল্লাহ তায়ালা স্কুল, কলেজ,ভার্সিটী এই জ্ঞান এর কথা বলেনি,,,আপনি যদি কোন স্কুল, কলেজ,ভার্সিটী পড়ুয়া ভাইদের কে বলেন,এই যে ভাই অনেক জ্ঞান অর্জন করসেন, একজন মুসলিম মানুষ মারা গেলে কিভাবে জানাযা দিতে হয়,,,,তখন দেখবেন তার জবাব বন্ধ হয়ে যাবে,,@অতএব ভেবে চিন্তে উওর দিবেন।
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (1,768 পয়েন্ট)
আপনি ভদ্র ভাবে মন্তব্য করবেন। কোন হাদীসে পাইছেন এই জাতীয় কথা ভদ্রতার মধ্যে পড়ে না। এখন যে তথ্যটা দিয়েছেন সেটা তখন বললেন না কেন? 

হাদীস নিয়ে কথা বলে কি শেষ করা যাবে? সম্ভব?

তাই এক কথায় বলেছিলাম জ্ঞান অর্জন ফরজ। আর এর ব্যাখ্যা তো আছেই। 

যাই হোক। সম্মান দিলে সম্মান পাবেন।
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (4,075 পয়েন্ট)
@ক্যান্ডি রাসেল আপনার কথাটা মানলাম না।

কারণ নবি (স) জ্ঞান অর্জনের জন্য সুদূর চীনে যেতে বলেছেন (আল জামিউছ ছগীর লিস সূয়ুুতি ১ম খন্ড ১৬৮ পৃষ্ঠা-হাদীস শরীফ নং ১১১০, শুয়াবুল ঈমান লি বায়হাকী ২য় খন্ড ২৫৪ পৃষ্ঠা, হাদীস শরীফ নং ১৬৬৩,তারিখে বাগদাদ ৭/৩৬৪ ,কানযুল উম্মাল ১০/১৩৮, ২৮৬৯৭) । চীনে কি কেউ ইসলামি জ্ঞান দিবে আপনাকে?

ইসলামি জ্ঞান তো অর্জন করতেই হবে। কারণ এছাড়া তো আল্লাহর এবাদত হবে না। পাশাপাশি অন্যান্য জ্ঞানও থাকতে হবে, শুধু ইসলামিক জ্ঞান নয়। সে জ্ঞান আপনি স্কুল-ভার্সিটিতে পড়েও নিতে পারেন। 

আর স্কুলের ক্লাস সেভেনের ধর্ম বইতে বিস্তারিত ভাবে জানাযার নিয়ম আছে, কেউ সেটা মনে না রাখলে সেটা তার ব্যক্তিগত সমস্যা। এর জন্য সম্পূর্ণ স্কুল-ভার্সিটি পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে ভুল মন্তব্য করা ঠিক হবে না।
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (1,768 পয়েন্ট)
@ everybody 

ইসলাম হল পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। মানে দুনিয়া ইসলামের বাইরে নয়। ইসলামী জ্ঞান অর্জন করা যেমন ফরজ করা হয়েছে তেমনি অন্যান্য জ্ঞান অর্জন করাও আবশ্যক। 

আমরা এখানে গঠন মূলক আলোচনা করব। অযথা কাউকে ছোট করতে যাব কেন? 

রাসেল ভাইয়ের সাথে আমার temper loose হয়েছে কোন হাদীসে বলার ধরণ দেখে ।

আবার মেহজাবীন রাগ করেছেন স্কুল কলেজ কে অবজ্ঞা করায়। 

মন্তব্য করার কিছু নীতিমালা আছে। কিন্তু আমি সেটা ভালমত পড়ি নাই একবারও। 

আমি শুধু এটা মাথায় রাখি কাউকে অকারণে কষ্ট দিব না আমার কথা দিয়ে। 

কিন্তু তার মানে এই না অন্যায় চুপচাপ মেনে নিব। কারণ অন্যায় মানাও আরেকটা অন্যায়। 

রাসেল ভাই মাইন্ড করবেন না। কেউ যদি পরিষ্কার ভুলও করে তবে সুন্দর ভাবে বোঝান। দেখেন কাজ হয় কিনা। যদি শুরুতেই চড়াও হন সে বেকে যাবে। 

আর আমার বা আপনার জানাই যে সঠিক সেটাও তো সবসময় হবে না। কাজেই আলোচনা করতে হবে। কঠিন কোন মন্তব্য না। 

আমার কোন কথায় কষ্ট পেলে ক্ষমা করবেন। 
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (1,847 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন
@@Mehjabin, কে বলছি,,, বিদ্যা অর্জনের জন্য সুদূর চীন দেশে চলে যাও। ( এটি একটি বিখ্যাত জাল হাদিস। @ রাসূল (সাঃ) কখনো চীন দেশে যেতে বলেন নি। তিনি বলেছেন বিদ্যা অর্জন করো কিন্তু তিনি চীনের কথা বলেন নি। চীন তখন জ্ঞান বিজ্ঞানে এমন বিখ্যাতও ছিলো না যে রাসূল চীন দেশে যাওয়া কথা বলবেন। সুর্নিদিষ্ট করে চীন দেশের নাম তিনি নেন নি। পরে এটা ঢুকানো হয়েছে। ইবন জাওজী ও ইবন হিব্বান চীন দেশে যাওয়ার ব্যাপারটা জাল প্রমান। @@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@ এটি হাদীস নয়: জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রয়োজনে চীন দেশে যাও --------------------------------------- আরবীতে বলা হয়- (আরবী) বাক্যটি ব্যাপকভাবে হাদীস হিসাবে বলা হয়ে থাকে। প্রকৃত পক্ষে এটি পরবর্তী কারো বাণী। তবে সন্দেহ নেই যে, বক্তব্যটি সঠিক ও বাস্তবসম্মত। ইলমে দ্বীন হাসিলের জন্য যত দূরের সফরই হোক, তাওফীক হলে করা উচিত। ইলম অন্বেষণে কখনো মেহনত-মুজাহাদকে ভয় পাওয়া উচিত নয়। তদ্রূপ পার্থিব জীবনে প্রয়োজনীয় শিল্প ও বিদ্যা শিক্ষার জন্যও দূর দূরান্তে সফর করা জায়েয; বরং তা একটি পর্যায় পর্যন্ত কাম্যও বটে। এই সকল কিছু স্বস্থানে বিদ্যমান আছে এবং শরীয়তের বিভিন্ন দলীল দ্বারা তা প্রমাণিত। কিন্তু আমাদের আলোচ্য বাক্যটি হাদীস নয়। যদিও তা হাদীস হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, কিন্তু সনদে আবু ‘আতিবা তরীফ ইবনে সুলায়মান নামক একজন রাবী আছে যে হাদীস শাস্ত্রের ইমামগণের দৃষ্টিতে মতারূক (পরিত্যক্ত)। তাকে হাদীস জাল করার অভিযোগেও অভিযুক্ত করা হয়েছে। রিজাল ও রেওয়ায়েত-শাস্ত্রের বিখ্যাত ইমাম আবু জা’ফর উকাইলী লেখেন- (আরবী) -আয-যুআফাউল কাবীর, উকাইলী ২/২৩০; কিতাবুল মাজরূহীন, ইবনে হিব্বান ১/৩৮২; মিযানুল ইতিদাল ২/২৫৮; আলমুনতাখাব মিনাল ইলাল লিল-খাল্লাল ইবনে কুদামাহ পৃ. ১২৯-১৩০; আলমাকাসিদুল হাসানাহ, সাখাভী পৃ. ১২১
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (4,075 পয়েন্ট)
তিনি চীন বলতে ডিস্ট্যান্স বুঝিয়েছেন। যে জ্ঞান অর্জনের জন্য যত দূরই হোক না যাও। 

জাল হাদিস বিষয়টা আমি মানি না তাই বলে লাভ নাই।
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (1,847 পয়েন্ট)
আপনি না মানার কারন হচ্ছে,আপনার ইসলামি জ্ঞান এর অভাব।
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (4,075 পয়েন্ট)
হ্যাঁ আপনার অনেক ইসলামি জ্ঞান আছে। মেনে নিলাম।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (1,847 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন
“প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জ্ঞান অর্জন করা ফরজ” ইবনে মাজাহ। উল্লেখ্য, এখানে জ্ঞান বলতে ইসলামী জ্ঞান বুঝানো হয়েছে। @@@@@@@@@@@@@@@@ ‘‘জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর ফরয।’’ কুরআন মাজিদে আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন : ‘‘আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে জ্ঞানী লোকেরাই আল্লাহকে ভয় করে।’’ (৩৫:২৮) পবিত্র কুরআনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে : ‘‘আর যে ব্যক্তি তার প্রভূর সামনে উপস্থিত হতে ভয় পায়, তার জন্য দু’টি বেহেশত।’’ (৫৫:৪৬) যেন খোদাভীতিই বেহেশতের চাবী। আর এ খোদাভীতি ইলম বা জ্ঞানের মাধ্যমেই সৃষ্টি হয়ে থাকে। কিন্তু ধর্মে যে, জ্ঞান অর্জনকে ফরয বলা হয়েছে, এর দ্বারা পার্থিব সমস্ত ইলমকে বুঝায় না। কেননা পৃথিবীতে নানাপ্রকার বিদ্যা রয়েছে। এ সমস্ত জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মানুষের পক্ষে যেমন সম্ভব নয়, তেমনি তার জন্য ফরযও নয়। যে জ্ঞান অর্জন করা সবার জন্য ফরয বলা হয়েছে, তা হলো শরীয়ত- বিশেষ করে ফরয ও ওয়াজিবসমূহের জ্ঞান লাভ করা, এর সাথে সাথে শরীয়ত বুঝার জন্য যা কিছু শিক্ষা করা প্রয়োজন, তা স্বাভাবিকভাবেই আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে। যেমন মনোবিজ্ঞান, অংক, ভূগোল, রাজনীতি, অর্থনীতি, আইন ব্যবসা ইত্যাদি) @@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@@ আশা করি আপনি বুযতে পেরেছেন,আপনি যে জেনারেল লাইনে লেখাপড়া করতেছেন,,এটা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কতুটুকঐ আর ইবাদতের মধ্য গণ্য হবে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
31 অক্টোবর "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Mohammad Riaz (42 পয়েন্ট)
1 উত্তর
15 ফেব্রুয়ারি 2016 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Abdul azim (-9 পয়েন্ট)

270,095 টি প্রশ্ন

352,985 টি উত্তর

104,580 টি মন্তব্য

143,133 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...