66 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল

মনে করুন কোন ব্যাক্তি আল্লাহতালার নামে কসম করে 

বলেছে ওমুক তুই আমার কথা না শুনলে আমি প্রাইভেট

পড়তে যাবো না,

এখন প্রশ্ন হচ্চেঃ কসম করার পর সে যদি সেখানে পড়তে

যায় তাহলে তো গুনাহ হবে এবং আল্লাহতালার সাথে 

বেইমানি কর হবে,।

কিন্ত তাকে পড়তে যেতেই হবে সামনে তার পরিক্ষা

এখন কী ভাবে সে এই সমস্যা থেকে উদ্ধার হবে.!???

1 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (1,465 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
আল্লাহর নাম নিয়ে ভবিষ্যতে কোনো কাজ করা বা না করার শপথ করা। এ রকম শপথকে 'ইয়ামিনে মুনআকিদ' বা কার্যকর শপথ বলা হয়। এ শপথ ভঙ্গ করলে কাফফারা ওয়াজিব হবে। এমনকি কোনো কোনো অবস্থায় গুনাহও হয়। কোনো ব্যক্তি যদি কসম ভাঙ্গতে চান – তাহলে তিনি কসম ভাঙ্গার জন্য কাফফারা দেবেন।। কসম ভাঙ্গার জন্য কাফফারা দেওয়ার তিনটা উপায় আছে। যার সামর্থ আছে তার পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো একটাকে বেছে নিবেন। আর এই তিনটা না পারলে চতুর্থ আরেকটা আছে সেটা করতে হবে। কিন্তু তিনটার সামর্থ থাকলে তার মধ্য থেকে যেকোনো একটাকেই বেছে নিতে হবে। ১. দশজন মিসকীনকে খাবার দিতে হবে। খাবার এমন মানের দিতে হবে যা তার পরিবারের জন্য ব্যয় করে থাকেন। ২. অথবা দশজন মিসকীনকে পোশাক দিতে হবে ৩. অথবা একজন দাস মুক্ত করতে হবে ৪. কারো পক্ষে যদি উপরের তিনটা কাজ করার মতো আর্থিক সামর্থ্য না থাকে তাহলে তিনদিন রোজা রাখতে হবে। এই সম্পর্কে আল্লাহ্ বলেন, “আল্লাহ তোমাদেরকে পাকড়াও করেন না তোমাদের অনর্থক শপথের জন্যে; কিন্তু পাকড়াও করেন ঐ শপথের জন্যে যা তোমরা মজবুত করে বাধ। অতএব, এর কাফফরা এই যে, দশজন দরিদ্রকে খাদ্য প্রদান করবে; মধ্যম শ্রেনীর খাদ্য যা তোমরা স্বীয় পরিবারকে দিয়ে থাক। অথবা, তাদেরকে বস্ত্র প্রদান করবে অথবা, একজন ক্রীতদাস কিংবা দাসী মুক্ত করে দিবে। যে ব্যক্তি সামর্থ্য রাখে না, সে তিন দিন রোযা রাখবে। এটা কাফফরা তোমাদের শপথের, যখন শপথ করবে। তোমরা স্বীয় শপথসমূহ রক্ষা কর এমনিভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য স্বীয় নির্দেশ বর্ণনা করেন, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর।” সুরা আল-মায়িদাহ, আয়াত ৮৯।
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (1,061 পয়েন্ট)
রহমান ভাই, ধারুন উত্তর।
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (2,607 পয়েন্ট)

যদি রোজা রেখে কাফফরা দিয় তাহলে ৩ টি রোজা

শেষ করার পর কি আমি উক্ত কাজ টি করতে পারবো.!?

না রোজা রাখা অবস্থাতে পড়তে যেতে পারবো

মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (1,465 পয়েন্ট)

আপনি রোজা রাখার পর উক্ত কাজটি করতে পারবেন।।

মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (2,607 পয়েন্ট)

আপনার কথা অনুযায়ী আমি রোজা ৩ টা করার পর 

উক্ত কাজ টি করতে পারবো.!? 

মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (5,913 পয়েন্ট)
কাফফারা হল কসম ভাঙার প্রায়শ্চিত্ত, কসমের প্রায়শ্চিত্ত নয়। তাই আগে কসম ভঙ্গ করতে হবে, এরপর কাফফারা আদায় করতে হবে। কসম ভঙ্গ করা হল অপরাধ, আর তার প্রায়শ্চিত্ত হল কাফফারা। তাই অপরাধের আগে প্রায়শ্চিত্ত করার কোনো মানেও নেই, গ্রহণযোগ্যতাও নেই। তাই আগে কসম ভাঙতে হবে, এরপর কাফফারা আদায় করতে হবে। কসম ভাঙার আগে কাফফারা আদায় করলে কাফফারা আদায় হবে না।
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (2,607 পয়েন্ট)

ও আচ্ছা 

আপনার কথা দ্বারা এটা বোঝা যায় যে ঃ

আগে কসম ভঙ্গ করতে হবে তার পর কাফফারা দিতে

হবে,,,

তো এখন আমি কী রোজা ৩ টা এক সাথে করে দিব

না,.!?

৩ সপ্তাহে ১ করে করে দিব

 জানালে উপকৃত হতাম

মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (5,913 পয়েন্ট)
একাধারে রাখতে হবে। ভেঙে ভেঙে রাখলে হবে না।

205,080 টি প্রশ্ন

261,724 টি উত্তর

65,397 টি মন্তব্য

97,597 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...