বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
255 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (49 পয়েন্ট)
বিভাগ পূনঃনির্ধারিত করেছেন
উত্তর টা আমি নিজেও জানি,, শুধু দলিলের প্রমান না পাওয়ায় পালন করতে পারছিনা,,পারলে কেউ দলিল দিয়ে সহায়তা করবেন,

2 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (4,853 পয়েন্ট)

দেখুন, হাত বাধা না বাধা কিংবা উপরে বাধা বা নিচে বাধার সাথে নামাজ হওয়া না হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। কারণ নামাজে হাত বাধা হলো সুন্নাত; ফরজ ওয়াজিব কিছু নয়। আর উপরে নিচে বাধার ব্যবধান হলো উত্তম অনুত্তমের ব্যবধান। সুতরাং আপনি বুকের নিচে হাত বেধে নামাজ পড়লে আপনার নামাজ হয়ে যাবে। তবে হানাফী মাসলাক মতে তা অনুত্তম হবে।

উল্লেখ্য, আপনি উত্তরটি জেনে থাকলে প্রশ্নের ধরন পরিবর্তন করা প্রয়োজন ছিল।

করেছেন (49 পয়েন্ট)
ভাই বলতে চাচ্চি, আমি যদি হানাফী হয়ে বুকের নিচে নাবির উপরে হাত বাঁধি নামাজ কি হবে না? যদি হয় তার দলীল দেন
করেছেন (49 পয়েন্ট)
তাহলে ভাই আমি যদি নাবি উপরে বুকের নিচে হাত বাঁধি তাহলে আমার নামাজ হবে, এটাইতো বলতে চাচ্চেন???
করেছেন (4,853 পয়েন্ট)

জি, ভাই ! নামাজ হয়ে যাবে। তবে হানাফী মাসলাক মতে অনুত্তম হবে।

0 টি পছন্দ
করেছেন (169 পয়েন্ট)

 নাভির নিচে হাত বাঁধার দলিল সমূহ।

 ১ নং দলীলঃ-


ﻋﻦ ﻭﺍئل ﺑﻦ ﺣﺠﺮ ﻓﻲ ﺣﺪﻳﺚ ﻃﻮﻳﻞ : ﺛﻢ ﻭﺿﻊ ﻳﺪﻩ ﺍﻟﻴﻤﻨﻲ ﻋﻠﻲ ﻇﻬﺮ ﻛﻔﻪ ﺍﻟﻴﺴﺮﻱ ﻭﺍﻟﺮﺳﻎ ﻭﺍﻟﺴﺎﻋﺪ
“ওয়াইল ইবনে হাজর থেকে বর্ণিত দীর্ঘ হাদীসে শেষে তিনি বলেন, অতঃপর রসুল (স) ডান হাত কে বাম হাতের কবজি এবং বাহুর উপর রেখেছেন। ইমাম আবু দাউদ হাদিসটি উল্লেখ করে নিরবতা পালন করেছেন”। এর দ্বারােএটা প্রমাণ করে য়ে, হাদীসটি  ইমাম আবু দাউদ রঃ এর নিকট ছহীহ (আবু দাউদ ১ম খন্ড ১০৫পৃ, ছহীহ , ইবনে খুযাইমা হাদিস নং ৪৮০

২ নং দলীলঃ


ﻋﻦ ﻭﺍئل ﺑﻦ ﺣﺠﺮ ﻓﻲ ﺣﺪﻳﺚ ﻃﻮﻳﻞ : ﺛﻢ ﻭﺿﻊ ﻳﺪﻩ ﺍﻟﻴﻤﻨﻲ ﻋﻠﻲ ﻳﺪﻩ ﺍﻟﻴﺴﺮﻱ ﻓﻲ ﺍﻟﺼﻼﺓ ﻗﺮﻳﺒﺎ ﻣﻦ ﺍﻟﺮﺳﻎ
অনুবাদঃ ওয়াইল ইবনে হাজর থেকে বর্ণিত দীর্ঘ হাদীসে শেষে তিনি বলেন অতঃপর রসুল (স) নামাযে ডান হাত কে বাম হাতের কবজির কাছে রেখেছেন।(তালখিসুল হাবির ১ম খন্ড ২২৪ পৃ হাদিস নং ৩৩২, এলাউস সুনান ২য় খন্ড ১৯০পৃ)

৩ নং দলীলঃ


ﻋﻦ ﻗﺒﻴﺼﺔ ﺑﻦ ﻫﻠﺐ ﻋﻦ ﺍﺑﻴﻪ ﻗﺎﻝ ﻛﺎﻥ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻳﻮﻣﻨﺎ ﻓﻴﺎﺧﺬ ﺷﻤﺎﻟﻪ ﺑﻴﻤﻴﻨﻪ ﺭﻭﺍﻩ ﺍﻟﺘﺮﻣﺰﻱ ﻭﻗﺎﻝ ﺣﺴﻦ ﻭﺍﻟﻌﻤﻞ ﻋﻠﻲ ﻫﺬﺍ ﻋﻨﺪ ﺃﻫﻞ ﺍﻟﻌﻠﻢ ﻣﻦ ﺍﺻﺤﺎﺏ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻭﺍﻟﺘﺎﺑﻌﻴﻦ ﻭﻣﻦ ﺑﻌﺪﻫﻢ ﻳﺮﻭﻥ ﺍﻥ ﻳﻀﻊ ﺍﻟﺮﺟﻞ ﻳﻤﻴﻨﻪ ﻋﻠﻲ ﺷﻤﺎﻟﻪ ﻓﻲ ﺍﻟﺼﻼﺓ ﻭﺭﺍﻱ ﺑﻌﻀﻬﻢ ﺍﻥ ﻳﻀﻌﻬﻤﺎ ﻓﻮﻕ ﺍﻟﺴﺮﺓ ﻭﺭﺍﻱ ﺑـﻌﻀﻬﻢ ﺍﻥ
ﻳﻀﻌﻬﻤﺎ ﺗﺤﺖ ﺍﻟﺴﺮﺓ ﻭﻛﻞ ﺫﻟﻚ ﻭﺍﺳﻊ ﻋﻨﺪﻫﻢ
অনুবাদঃ কুসাইবা ইবনে হালাব (র) থেকে বর্ণিত, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা  করেন যে রসুল (স) আমাদের নামাযের ইমামতি করতেন এবং ডান হাত দ্বারা বাম হাত কে আকড়ে ধরতেন। ইমাম তিরমিযি বলেন যে এই হাদিসটি হাসান এর পর্যায়ে। সাহাবায়ে কেরাম ইহার উপর আমল করতেন এবং ডান হাত কে বাম হাতের উপর রাখা কে সুন্নাত মনে করতেন। তবে কেহ নাভীর উপর রাখা কে সুন্নাত মনে করেন এবং কেহ নাভীর নিচে রাখা কে সুন্নাত মনে করেন। তবে উভয় পদ্বতির উপর আমল করা যায়েয হবে। (তিরমিযি শরীফ ১ম খন্ড ৩৪পৃ)

৪ নং দলীলঃ


ﻋﻦ ﺍﺑﻲ ﻭﺍئل ‏(ﺭﺽ ‏) ﻗﺎﻝ ﻗﺎﻝ ﺍﺑﻮ ﻫﺮﻳﺮﺓ ‏(ﺭﺽ ‏) ﺍﺧﺬ ﺍﻻﻛﻒ ﻋﻠﻲ ﺍﻻﻛﻒ ﻓﻲ ﺍﻟﺼﻼﺓ ﺗﺤﺖ ﺍﻟﺴﺮﺓ
“আবু ওয়াইল (র) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন যে আবু হুরায়রা (র) বলেছেন যে নামাযে নাভীর নচে কব্জির উপর হাত রাখা সুন্নাত।

(আবু দাউদ ১ম খন্ড ২৭৫পৃ)

আল্লামা শাওকানী বলেন , নামাযে হাত বাধা সম্পর্কে আবু ওয়াইল এর উক্ত হাদিসের চেয়ে আর কোন সহীহ হাদিস নেই। (এলাউস সুনান ২য় খন্ড
১৯৫পৃ)

: ৫ নং দলিলঃ


আনাস রা. থেকে বর্ণিত, ‘তিনটি বিষয় (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর) নবী-স্বভাবের অন্তর্ভুক্ত: ইফতারে বিলম্ব না করা, সাহরী শেষ সময়ে খাওয়া এবং নামাযে ডান হাত বাম হাতের উপর নাভীর নিচে রাখা।’
ﺛﻼﺙ ﻣﻦ ﺃﺧﻼﻕ ﺍﻟﻨﺒﻮﺓ : ﺗﻌﺠﻴﻞ ﺍﻷﻓﻈﺎﺭ، ﻭﺗﺄﺧﻴﺮ ﺍﻟﺴﺤﻮﺭ، ﻭﻭﺿﻊ ﺍﻟﻴﺪ ﺍﻟﻴﻤﻨﻰ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻴﺴﺮﻯ ﻓﻲ ﺍﻟﺼﻼﺓ ﺗﺤﺖ ﺍﻟﺴﺮﺓ.
-আলমুহাল্লা ৩/৩০; আলজাওহারুন ৩নাকী ২/৩১

সারসংক্ষেপ : নামাযে হাত বাঁধা সুন্নাত।  আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনেক সাহাবী তা বর্ণনা করেছেন। এই সুন্নাহর ব্যবহারিক রূপ খাইরুল কুরূনে কী ছিল তা সাহাবা-তাবেয়ীনের আমল ও ফতোয়া এবং সে যুগ থেকে চলে আসা ‘আমলে মুতাওয়ারাহ’ দ্বারা প্রমাণিত, যা ইবাদত-বন্দেগীর সঠিক ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান ও শক্তিশালী সূত্র। এ সূত্রে নামাযে হাত বাঁধার দু’টি নিয়ম পাওয়া যায়  নাভীর নিচে হাত বাঁধা ও নাভীর উপর (বুকের নীচে) হাত বাঁধা। দু’টো নিয়মই আহলে ইলম সাহাবা- তাবেয়ীনের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল, যা ইমাম তিরমিযী রাহ. জামে তিরমিযীতে বর্ণনা করেছেন। তবে রেওয়ায়েতের বিচারে নাভীর নিচে হাত বাঁধার নিয়মটি অগ্রগণ্য। ইমাম ইসহাক ইবনে রাহুয়াহ রাহ. তা পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন।
খাইরুল কুরূন ও পরবর্তী যুগের হাদীস-ফিকহের বড় বড় ইমাম এই নিয়ম গ্রহণ করেছেন যাদের মধ্যে ইমাম ইবরাহীম নাখায়ী, ইমাম আবু হানীফা, ইমাম সুফিয়ান ছাওরী, ইমাম আবু ইউসুফ, ইমাম মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান, ইমাম ইসহাক ইবনে রাহুয়াহ, ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল প্রমুখ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।  (এলাউস সুনান ২য় খন্ড ১৯৫পৃ)
উপরন্তু বেশ কিছু মরফূ হাদীসেও নাভীর নিচে হাত বাঁধার নিয়ম বর্ণিত হয়েছে।
সুতরাং এটি নামাযে হাত বাঁধার মাসনূন তরীকা। এ সম্পর্কে দ্বিধা ও সংশয়ের কোনো অবকাশ নেই।

তাই এই কথা কিছুতেই বলা যাবে না যে, নাভির নিচে হাত বাঁধা সুন্নাত পরিপন্থি। বরং উল্লিখিত হাদীস দ্বারা এ কথা প্রমাণীত হয় যে , নাভির নিচে হাত বাঁধা সুন্নাত।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
02 নভেম্বর 2016 "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন jqboram (229 পয়েন্ট)

311,817 টি প্রশ্ন

401,403 টি উত্তর

123,265 টি মন্তব্য

172,840 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...