বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
283 জন দেখেছেন
"ব্যায়াম" বিভাগে করেছেন (9,175 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

আগের তুলনাই মোটা হয়ে যাচ্ছি

আগে ওজন ৫২ কেজি ছিল এখন তা বেড়ে প্রায় ৫৭ কেজি

হয়েছে,

আমি খাবার খাওয়ার সময় পানি কম খাই যার ফলে খাবার

একটু বেশি খাওয়া হয়,

শরীর কমাতে করনীয় কী

জানালে উপকার হত 

করেছেন (14,263 পয়েন্ট)

আপনার শরীরের উচ্চতা কত ?                       

করেছেন (9,175 পয়েন্ট)

৫ ফুট ৩ ইঞ্চি হতে পারে 

করেছেন (14,263 পয়েন্ট)

উচ্চতা ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি হলে ওজন ৪৮ থেকে ৬১ কেজি

স্বাভাবিক।  আপনার ওজন তো স্বাভাবিকই আছে, তাহলে

কম করতে চান কেন..??

ওজন কমানোর চেষ্টা না করে, চেষ্টা করুন যেন ওজন আর

না বেড়ে যায়। 

করেছেন (9,175 পয়েন্ট)

ওজন না বাড়ানোর জন্য কী করবো.!????

করেছেন (14,263 পয়েন্ট)

উত্তরটি অনুসরণ করুন                         

4 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (556 পয়েন্ট)
আপনার ওজন স্বাভাবিক আছে, আপনি ওজন বাড়ানো প্রতিরোধ করতে নিয়মিত ব্যায়াম করবেন । হাটবেন। চর্বি জাতীয় তেল জাতীয় খাবার মিষ্টি জাতীয় খাবার কম খাবেন।
0 টি পছন্দ
করেছেন (14,263 পয়েন্ট)

অধিক পরিমাণে পানি পান করুন

যদি আপনি শরীরের জন্য যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান না করেন তাহলে আপনার শরীর কম ক্যালরি খরচ করবে। এতে খুশি হওয়ার কোনো কারণ নেই। এতে শরীরের পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে পাকস্থলীকে আরো কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। পাকস্থলীর পরিশ্রম কমাতে এবং শরীরের ক্যালরি পোড়াতে আপনার প্রচুর পরিমাণে পানি ও গ্রিন টি পান করা উচিত।

২. প্রাকৃতিক থাকুন

আপনার শরীরের জন্য পণ্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিচক্ষণতার পরিচয় দিন। জেনেটিক্যালি মডিফাইড অর্গানিজম (জিএমও) বা জৈবিকভাবে পরিবর্তিত প্রাণী বা উদ্ভিদকে খাদ্য হিসেবে না বলুন। এ ছাড়া বাজারে পাওয়া বিভিন্ন আন্টিবায়োটিক ও গ্রোথ হরমোন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। এরা আপনার শরীরকে মুটিয়ে দেবে। 

৩. ভোরে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন

ইংরেজিতে একটি কথা আছে ‘আর্লি টু বেড আর্লি টু রাইজ, মেকস অ্যা ম্যান হেলদি ওয়েলদি অ্যান্ড ওয়াইজ’ অর্থাৎ সকালে দ্রুত ঘুম থেকে ওঠা এবং রাতে দ্রুত ঘুমাতে যাওয়া আপনাকে স্বাস্থ্যবান, সমৃদ্ধশালী ও জ্ঞানী করে তুলবে। কথাটা একেবারে ভুল নয়। সূর্যের রশ্মি আপনার শরীরের মেটাবোলিজম এবং শক্তি ব্যয়ের ওপর প্রভাব ফেলে। ভোরে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস আপনার শরীরের সেসব জৈবিক প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে যেগুলো সরাসরি দিবা-রাত্রির চক্রের ওপর নির্ভর করে। 

৪. পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করুন

আপনার ডায়েট বা খাদ্য পরিকল্পনার তালিকায় দুগ্ধজাত খাদ্যদ্রব্য রাখার চেষ্টা করুন। এতে আপনার ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট দূর হবে। ফলে আপনার পেশি হবে সুগঠিত। খাদ্যে আয়রনের মাত্রা স্বাভাবিক পর্যায়ে রাখুন। এতে আপনার শরীরে যথেষ্ট পরিমাণ অক্সিজেন সরবারাহ করতে পারবে। এ ছাড়া থাইরয়েড গ্রন্থির (গলার বিশেষ এক গ্রন্থি) কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে খাদ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করতে হবে।

৫. শরীরচর্চার পরিমাণ বৃদ্ধি করুন

যেকোনো ধরনের শারীরিক ব্যায়াম মেটাবোলিজমকে উন্নত করে। আপনার পেশির সবসময় শক্তির প্রয়োজন। তাই এর জন্য ব্যায়ামাগারে যোগ দিতে পারেন অথবা হাঁটার পরিমাণ বাড়াতে পারেন। এ ছাড়া নাচও কিন্তু এক ধরনের শারীরিক কসরত। তাই শরীরের ওজন কমাতে নাচটাও শিখে নিতে পারেন।

৬. স্বাস্থ্যকর ডায়েট বা খাদ্য পরিকল্পনা তৈরি করুন

যদি আপনি হঠাৎ করে খাওয়া-দাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দেন তাহলে আপনি যা খাবেন তা শরীর দ্রুত জমা করা শুরু করবে। অস্বাস্থ্যকর এবং ঘনঘন স্ন্যাকস জাতীয় খাবার খেলে, যেমন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, বার্গার, পিৎজা, হট ডগ ইত্যাদি  দেহের অতিরিক্ত চর্বির পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। অন্তত দুইবেলা শাকসবজি এবং একবেলা আমিষ খান। তবে একেবারেই শর্করা জাতীয় খাবার খাওয়া বাদ দেবেন না। কারণ শর্করা জাতীয় খাবার কম খেলে মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়।

জুনায়েত ইসলাম: দেশ ও মানুষের সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করতে সদা প্রস্তুত। শৃঙ্খলা ও ফিটনেস সম্পর্কে খুব সচেতন এবং প্রচন্ড দেশ প্রেমী এজন্যই দেশ রক্ষার মতো পবিত্র দায়িত্ব বেছে নিয়েছেন পেশাগত জীবনে। জ্ঞানার্জনের লক্ষ্যে ও পরোপকারের স্বার্থে দীর্ঘদিন থেকেই বিস্ময় অ্যানসারের সাথে অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত।
0 টি পছন্দ
করেছেন (484 পয়েন্ট)
তৈল ভাজা বা চুবানো কোন খাবার খাওয়া যাবে না। দিনে ১বার ভাত ও দুইবার রুটি খাইতে হবে। গুরু পাক খাবার খাওয়া যাবে না। প্রতিদিন আদা লেবু রসুন এগুলো খাইতে হবে। কাচা ফল খাইতে হবে।
0 টি পছন্দ
করেছেন (61 পয়েন্ট)

image

মুটিয়ে যাওয়া বা overweight tendency দ্রুত পেট,কোমর,মুখ সহ  দেহের বিভিন্ন অংশের মেদ ঝরিয়ে ফেলতে চান?


অতিরিক্ত ওজন বর্তমানে সারাবিশ্বেই একটা বিশাল সমস্যা। অতিরিক্ত ওজন একদিকে যেমন বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি করে অপরদিকে মানসিক অশান্তি,অবসাদ আর হীনমন্যতার কারন হয়ে দাড়ায়।

শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমার ফলে মানুষ মোটা হয় বা ভুঁড়ি হয়। ফ্যাট সেল বা চর্বিকোষ আয়তনে বাড়ে তখন শরীরে চর্বি জমে। পেটে, নিতম্বে, কোমরে ফ্যাট সেল বেশি থাকে। অতিরিক্ত খাওয়ার জন্য দেহে চর্বি জমে, আবার যে পরিমাণ খাওয়া হচ্ছে বা দেহ যে পরিমাণ ক্যালরি পাচ্ছে সে পরিমাণ ক্ষয় বা ক্যালরি খরচ হচ্ছে না-এ কারণেও দেহে মেদ জমতে পারে।

মদ্যপান, অতিরিক্ত ঘুম, মানসিক চাপ, স্টেরয়েড এবং অন্য নানা ধরনের ওষুধ গ্রহণের ফলেও ওজন বাড়তে পারে। বাড়তি ওজন কিংবা ভুঁড়ি নিয়ে অনেক সমস্যা। বাড়তি ওজনের জন্য যেকোনো ধরনের হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া রক্তনালিতে চর্বি জমে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। বাড়তি ওজন রক্তচাপেরও কারণ।ডায়াবেটিস টাইপ-২ দেখা দিতে পারে মেদ বৃদ্ধির জন্য।

 মেদবহুল ব্যক্তির জরায়ু, প্রস্টেট ও কোলন ক্যান্সারের সম্ভাবনা শতকরা ৫ ভাগ বেশি।


ওজন বৃদ্ধির সাথে সাথে হাঁটাচলা করতে সমস্যা হয়। হাঁটুর সন্ধিস্থল, কার্টিলেজ, লিগামেন্ট ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। আর্থ্রাইটিস, গেঁটে বাত এবং গাউট হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। অতিরিক্ত চর্বি থেকে পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।দ্রুত পেটের মেদ ঝরিয়ে ফেলতে চান? 

নিজের ওজনটা কমিয়ে কমবেশি ঝরঝরে ও ফিট সকলেই থাকতে চান। অনেক ডায়েট, ব্যায়ামের পরও ওজন কমছে না? ভুলটি লুকিয়ে আছে অন্য কোথাও।মেদ ভুঁড়ি কিংবা একটু বাড়তি ওজন কমানোর জন্য বেশিরভাগ মানুষ সবসময়ই অনেক চিন্তিত থাকেন। কী করলে ওজন কমবে,

 কী কী না খেলে ওজন কমবে, কোন কোন খাবার ওজন কমায়, ডায়েট করতে চাইলে কীভাবে করতে হবে এই সব ভেবে ভেবে ঘন্টার পর ঘণ্টা পার হয়ে যায়। Ayurveda-অনুযায়ী স্থূলতা বা মাত্রাতিরিক্ত ওজন হচ্ছে একটি মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা শুধুমাত্র হৃদয়ের ওপর অতিরিক্ত বোঝা নির্বাণ

  লিভার, কিডনি  কোমর, হাঁটু এবং গোড়ালীর জয়েন্টগুলোতে উপর স্ট্রেন. স্থূলতা করোনারি হৃদরোগ, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, বাত, গেঁটেবাত, যকৃত এবং পিত্ত থলি রোগের মত অনেক সমস্যার প্রধান কারণ হল স্থূলতা  . আয়ুর্বেদীয় পদ্ধতিতে শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে.


অতিরিক্ত ওজন কমাইয়া ফেলার জন্য

 ১০০% নিরাপদ প্রাকৃতিক ভেষজ তথা গাছ-গাছড়ার ঔষধের মাধ্যামে  ১ মাসে ৫-৭ কে জি কমানো সম্ভব, ১ মাসের ঔষধের মূল্য ২২৫০ টাকা (পাঠানো খরচ সহ ) বিফলে দ্বিগুণ মূল্য ফেরত গ্যারান্টির সহিত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে ।  ভিপি / পার্শ্বেল যোগে ঔষধ পেতে কল করুন: ০১৮২৩ ৬৯১ ০০৩  

 যোগাযোগঃ বিকল্প ( আয়ুর্বেদিক,ইউনানী ) চিকিৎসা ,চট্টগ্রাম। ০১৭১৪ ৮৩৯ ৪৫৪


সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
10 জুলাই 2016 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন রবিউল৫৫৮৫৩২ (18 পয়েন্ট)

307,122 টি প্রশ্ন

396,016 টি উত্তর

121,031 টি মন্তব্য

170,171 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...