বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
82 জন দেখেছেন
"কম্পিউটার" বিভাগে করেছেন (1,133 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (1,133 পয়েন্ট)
এর প্রচলন হয় ১৯৯৯ সালের দিকে। এই প্রযুক্তি প্রকৃতপক্ষে একটি ছোট ক্যামেরা ব্যবহার করে, যা প্রতি সেকেন্ডে দেড় হাজার ছবি নিতে পারে।
অপটিকাল মাউসে লাল আলো বিচ্ছুরণক্ষম একটি ছোট ডায়োড (লাইট ইমিটিং ডায়োড- LED) থাকে। এর আলো মাউসের নিচে তলে প্রতিফলিত হয়ে একটি সেন্সরে গিয়ে পরে। এই সেন্সরকে বলা হয় ‘Complimentary Metal Oxide Semiconductor’, সংক্ষেপে CMOS। এই সেমিকন্ডাক্টর তার গৃহীত প্রতিটি প্রতিচ্ছবি বিশ্লেষণের জন্য Digital Signal Processor বা DSP তে পাঠায়। এটা প্রতি সেকেন্ডে ১ কোটি ৮০ লাখ নির্দেশ নিয়ে কাজ করতে পারে। এর ফলে সে প্রতি মুহূর্তে তার কাছে প্রেরিত সংকেত আর পূর্ববর্তী সংকেতের মধ্যে কি পার্থক্য হচ্ছে তা চট করে শনাক্ত করতে সক্ষম। মাউসের নাড়াচাড়ার ফলে তার অবস্থানের যে পরিবর্তন হচ্ছে DSP তা নিখুঁতভাবে নির্ণয় করে কম্পিউটারকে জানিয়ে দেয়। ফলে কম্পিউটার বুঝতে পারে মাউসটি কোন দিকে কত দূরে যাচ্ছে এবং সে অনুযায়ী সে মনিটরে কার্সরকে নিয়ে যায় | প্রতি মুহুর্তে শত-শত বার সংকেত প্রেরিত হয়, যে কারণে কম্পিউটার স্ক্রীনে কার্সর খুব মসৃণভাবে চলে। এই মাউসের জন্য বিশেষ কোনো মাউস প্যাডের দরকার হয় না। কম্পিউটার টেবিলের ওপরই অপটিকাল মাউস কাজ করতে পারে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
24 ফেব্রুয়ারি 2018 "অ্যান্ড্রয়েড" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sohag Hossen (19 পয়েন্ট)

306,763 টি প্রশ্ন

395,649 টি উত্তর

120,814 টি মন্তব্য

169,982 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...