150 জন দেখেছেন
"ক্যারিয়ার" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (9 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

4 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (13,393 পয়েন্ট)

আমি বিশ্বাস করি, প্রত্যেকের মেধা সমান। প্রত্যেকেই যোগ্যতা রাখে তথাকথিত ভালো ছাত্র হওয়ার। তাহলে এর সমাধান কি?
বিভিন্ন ধরনের বিদ্যালয়ের যে ধাপগুলো এখানে বললাম তার পেছনের অনেকগুলো কারণের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে অমনোযোগিতা। ব্যাপারটা এখন এতটাই গুরুতর যে, কোচিং সেন্টার ও বাসায় শিক্ষক থাকার ফলে বাচ্চারা এখন আর শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তাই মনে করে না। এতে যে বাচ্চাদেরই শুধু ক্ষতি হচ্ছে তাই নয়, অপমানবোধে ভোগেন অনেক শিক্ষকও। অথচ শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ দিলে সময় ও অর্থ নষ্টকারী দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিদ্যালয়গুলোর দ্বারস্থ হতে হয় না আমাদের।
অমনোযোগের প্রধান কারণ হচ্ছে পেছনের দিকে বসা। পেছনে বসার ফলে অনেকের আড়ালে থেকে থেকে ফুল–পাখি–লতা পাতা দেখা ও আঁকার মতো আরও অনেক অপ্রাসঙ্গিক কাজ করা হয়ে থাকে। ফলস্বরূপ দিন দিন পিছিয়ে পড়তে হয়। গড়ে উঠে ফার্স্ট বেঞ্চ-লাস্ট বেঞ্চ বৈষম্য।
মনোযোগ বাড়ানোর একমাত্র উপায় হচ্ছে তাই সামনের সারিতে বসা। বিশ্বাস হচ্ছে না? একদিন বসে দেখুন, টনিকের মতো কাজ করবে। বলতেই পারেন, সবাই যদি প্রথমে বসতে চায় তাহলে জায়গা হবে কেমন করে? তাদের জন্য বলছি, সবাই কি আমার কথাগুলো পড়বে? যদিও বা পড়ে, বিশ্বাস করবে? করবে না। তো, কাল থেকে প্রথম সারির প্রথম সিটটা আপনার। আজ যদি মাঝারি বা শেষের সারির ছাত্র হয়ে থাকেন, কাল থেকে ভালো ছাত্রের তকমাটা অপেক্ষা করবে আপনার জন্য। আর বাসায় এসে ইন্টারনেট/ফেসবুকের প্রতি সময় নষ্ট না করে পাঠ্য বইয়ের প্রতি মনোযোগী হতে হবে। ইন্টারনেট ব্যবহার করতে নিষেধ করি নি করবেন তবে তা সীমিত। বন্ধ নির্বাচিত করার ক্ষেত্রে সচেতন হউন, বোকা, মুর্খ ও মগা ছাত্রের সাথে বন্ধুত্ব করবেন না। আদর্শ বিখ্যাত ব্যাক্তিদের জীবনি পড়তে পারেন। 


জুনায়েত ইসলাম: দেশ ও মানুষের সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করতে সদা প্রস্তুত। শৃঙ্খলা ও ফিটনেস সম্পর্কে খুব সচেতন এবং প্রচন্ড দেশ প্রেমী এজন্যই দেশ রক্ষার মতো পবিত্র দায়িত্ব বেছে নিয়েছেন পেশাগত জীবনে। জ্ঞানার্জনের লক্ষ্যে ও পরোপকারের স্বার্থে দীর্ঘদিন থেকেই বিস্ময় অ্যানসারের সাথে অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (1,529 পয়েন্ট)
প্রথমত তার স্কুল বা কলেজে রেগুলার উপস্থিত থাকতে হবে। এবং মনযোগ সহকারে সকল ক্লাস করতে হবে। প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন শেষ করতে হবে। কালকের জন্য ফেলে রাখা যাবেনা। সবশেষে প্রতিদিন নির্দিষ্ট রুটিন মাফিক পড়াশুনা ও চলাফেরা করতে হবে।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (72 পয়েন্ট)
ভালো ছাত্রের হওয়ার উপায়: ১। একটা নির্দিষ্ট ডেইলি রুটিন তৈরী করে ফেলো। তারপর সেটা ফলো করো। ২।ক্লাসে মনোযোগী হও। ৩।দিনের পড়া দিনেই করে ফেলো। পড়া জমিয়ে রেখো না অন্যদিনের জন্য। ৪।নোট তৈরী করো। যা পড়ছো তা নোট করে নাও।এটা পরে কাজ লাগবে। ৫।একবার লেখা দশবার পড়ার সমান। তাই যা পড়ছো তা পড়ে লেখার চেষ্টা করো। ৬।টেক্সট বইয়ের পাশাপাশি লাইব্রেরী ওয়ার্ক করো।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (57 পয়েন্ট)
সংক্ষিপ্ত কথায় গবেষণার মত লেখাপড়ায় নিমগ্ন হোন।পাশাপাশি খেলাধুলা,আউটস্ট্যান্ডিং অ্যাকটিভিজে যোগদান করুন।সময়ানুবর্তী,শৃঙ্খল,ভদ্র হোন।প্রেম,নেশা,মাদকদ্রব্য,রাজনীতি,অসৎ সঙ্গ,রাতজেগে আড্ডা পরিহার করুন।ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলুন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

3 টি উত্তর

270,909 টি প্রশ্ন

354,029 টি উত্তর

105,036 টি মন্তব্য

143,720 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...