84 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
সম্পাদিত

আমার একটা ছেলে বন্ধু আছে তার নামঃ রাজ

আমি যখন প্রথম ক্লাস ৯ এ প্রথম ফেসবুক চালু

করি।তখন রাজের সাথে আমার পরিচয়।

আমি জানি অন্য ছেলে দের সাথে কথা বললে গুনা

হয়।তাই আমি ভেবেছি কোন ছেলের সাথে কথা বলবো

না কিন্ত একটা সমস্যা আছে।

রাজ কে আমি বলেছিলা যে দিন তুমি ৫ ওয়াক্ত নামায

পড়বে সে দিন আমাকে নক করবে তার আগেগে না।

গত ১ বছর কোন যোগাযোগ ছিলো না ওর আর আমার

কিন্তু কিছু দিন আগে আবার কথা শুরু হয় এবং আমাকে

বলে ও প্রতিদিন ৪ ওয়াক্ত নামায পড়ে।

ভোর বেলা তে উঠতে পারে না।

ও আমাকে বলে তুমি আমাকে ভোর বেলা তে ডেকে

দিবা

আমি ওকে ডেকে দিয় ভোর বেলা

আমরা মোবাইল এ কথা বলি,   

কোন রকম বাজে কথা হয় না

সব সময় ভালো কথা বলি

এখন কী করবো আমি।

আমি যদি আবার ওর সাথে কথা বলা

বন্ধ করে দেয়।

তাহলে হয়তো রাজঃ নামায পড়া ছেড়ে দিতে পারে

বাজে পথে চলে যেতে পারে।

এখন আমি কী করবো.???

রাজ বিপথে গেলে তখন তো আমার ও

পাপ হবে।

কী করবো কেউ জানালে ভালো হতো.?????

করেছেন প্রশ্নকর্তা

বানান গুলা ঠিক করে নিন

নম নয় নামায

নাযাম নয় নামায হবে 

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (13,777 পয়েন্ট)

আপনার বন্ধু তার মতো করে নামাজ পড়া বন্ধ করে 

দিলে আপনার কোনো পাপ হবে না।

"রাজ বিপথে গেলে তখন তো আমার ও

পাপ হবে।" এটা আপনার ভুল ধারণা।

আপনার বন্ধু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়লে তার

সাথে আপনি কথা বলবেন এমন চুক্তিই ইসলাম

ধর্মের নীতিমালার বিপক্ষীয়।  

প্রেম ভালবাসার দৃষ্টিকোণ থেকে বললে এটা বলা

যায় যে,  আপনাকে যে প্রকৃত ভালবাসবে সে একটানা

এক বছর কখনোই কথা বলা হতে বিরত থাকবে না।

গভীর বন্ধুত্ব হলে তখনই সে নিয়মিত নামাজ পড়তো।

ধর্মীয় বিভাগে প্রশ্নটি করেছেন তাই তার আলোকে উত্তর

দিচ্ছি:

বিবাহ পূর্বক বিপরীত লিঙ্গের সাথে বন্ধত্ব করা নিষেধ

ধর্মীয়গ্রন্থে।  যাদের সাথে বিবাহ জায়েজ আছে তাদের

সাথে অত্যাবশ্যকীয় কথোপকথন ছাড়া কোনো কথা

বার্তা বলা যাবে না বা বন্ধুত্ব সৃষ্টি করা যাবে না।

যদিও আপনাদের বন্ধুত্বে অশ্লীন কিছু নেই তবুও এটা হারাম।

আপনাদের বন্ধুত্ব থাকলে সে নামাজ পড়বে বন্ধুত্ব

না থাকলে হয়তো সে নামাজ পড়বে না এমন যৌক্তিকতা

দেখানো বোকামি। 

প্রথমে হিজাব পালন করতে হবে তারপর অন্যকিছু।

সুতরাং,  একজন প্রকৃত মুসলিম হিসাবে আপনার

উচিত হবে বা যা করা ঈমানীয় দায়িত্ব তা হলো তার

সঙ্গ ত্যাগ করা এবং তাকেও শেষ বারের মতো কথা

বলে উপদেশ দেওয়া যেন সে আল্লাহর বিধিবিধান

মেনে চলে এবং হিজাব পালন করে।


জুনায়েত ইসলাম: দেশ ও মানুষের সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করতে সদা প্রস্তুত। শৃঙ্খলা ও ফিটনেস সম্পর্কে খুব সচেতন এবং প্রচন্ড দেশ প্রেমী এজন্যই দেশ রক্ষার মতো পবিত্র দায়িত্ব বেছে নিয়েছেন পেশাগত জীবনে। জ্ঞানার্জনের লক্ষ্যে ও পরোপকারের স্বার্থে দীর্ঘদিন থেকেই বিস্ময় অ্যানসারের সাথে অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত।
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

এ সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন খুঁজে পাওয়া গেল না

277,796 টি প্রশ্ন

361,426 টি উত্তর

108,122 টি মন্তব্য

148,944 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...