148 জন দেখেছেন
"সাধারণ" বিভাগে করেছেন (7,682 পয়েন্ট)

    ইচ্ছা শক্তি বড় শক্তি* ইচ্ছে করলে মানুষ সব পারে এটা আমি জানি কিন্তু আমি নিজের ইচ্ছা শক্তিকে জাগ্রত করতে পারছি না। আমার এক বান্ধুবি সে আমার খুব ক্লোজ ছিলো কিন্তু তাকে কেউ বা কারা বলেছে তাকে আমি গালি দিয়েছি অনেক বাজে ভাষায় কিন্ত আমি তাকে গালি দেয় নাই। সে এখন আমাকে দেখলে থুথু ফেলে। আমাকে দেখিয়ে দেখিয়ে অন্যদের সাথে চলাচল করে। ওকে দেখলে আমার অনেক খারাপ লাগে কষ্ট হয়। মনে হয় আমি ভালো কিছু করে ওকে দেখিয়ে দেবো। কিন্ত যেই বাড়ি ফিরে আসি সব ভুলে যায় সব ভুলে মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকি। পড়া শোনার নাম তো মুখেই আনা হয় না , আপনারা এমন কিছু উপায় বলুন যেটা করলে নিজের ইচ্ছা শক্তিকে ধরে রাখতে পারবো.??? জীবনে সফলতা আনতে পারবো।???? দয়া করে আমাকে সাহায্য করুন। বিঃদ্রঃএকটু বুঝে শুনে উত্তর দিয়েন। কারণ এখানে আমামার ক্যারিয়ার জড়ীত আছে সবার মতা মত আশা করছি 

2 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (2,329 পয়েন্ট)
সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে দেহের অন্যান্য পেশির মত ইচ্ছাশক্তির ক্ষমতাও বাড়ানো সম্ভব। ইচ্ছা শক্তি প্রবল হলে মানুষ পারেনা এমন কোনো কাজ নেই। চলুন জেনে নেই কিভাবে এ শক্তিকে বাড়ানো যায়। মেডিটেশন: মেডিটেশন এর কাজ হচ্ছে নিজের মগজকে (ব্রেন) নিজেই নির্দেশনা দেওয়া। এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রতিদিন ১০ মিনিট মেডিটেশন করলে ২/৩ দিন পর থেকে অনুভব করবেন যে, আপনি যে কোনো কাজে ফোকাস করতে পারছেন, কাজে এনার্জি পাচ্ছেন এবং মানসিক চাপ কমছে। নিয়মিত মেডিটেশন করতে পারলে মনোযোগ, ইচ্ছা শক্তি এবং স্মরণশক্কি অনেকগুণ বেড়ে যায়। শারীরিক অঙ্গভঙ্গি: ইচ্ছা শক্তি বাড়াতে শারীরিক অঙ্গভঙ্গিও ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। বিশেষজ্ঞরা এ নিয়ে একটি গবেষণা করেছেন। দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই গবেষণায় তারা একটি দলকে সাধারণ ভাবে চলাচল করতে বলেন এবং অপর একটি দলকে বলেন চলাচলে সামান্য একটু পরিবর্তন করতে। পরিবর্তনটা হচ্ছে যখনই তারা আড়ষ্ঠ অনুভব করবেন তখনই সোজা হয়ে বসতে হবে। অবাক করার মতো হলেও সত্যি এই যে, এই সাধারণ অভ্যাস পরিবর্তন তাদের ইচ্ছাশক্তিকে অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়। শর্করা জাতীয় খাবার নিয়ন্ত্রণ করা: শর্করা জাতীয় খাদ্যে থাকা ‘গ্লুকোজ’ রক্তের সঙ্গে প্রবাহিত হয়ে আমাদের মস্তিষ্কে চলে যায় এবং আমাদের চিন্তা শক্তি, নতুন কিছু তৈরী করার বুদ্ধি আর ইচ্ছা শক্তির বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তবে সেটা পরিমিত হওয়া চাই যেন আমাদের রক্তে চিনির স্বল্পতা বা আধিক্য দেখা না দেয়। পর্যাপ্ত ঘুম: ঘুম ঠিক মত না হলে এর প্রভাব পরে গিয়ে আমাদের মনে । ঘুমের অভাবে মস্তিষ্কে একটা চাপ তৈরী হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম হয়না বলে শরীর গ্লুকোজ তৈরী করতে পারে না, ফলে ব্রেনের যতটুকু দরকার ততটুকু চালিকা শক্তি পায় না এতে করে মনের জোর বা ইচ্ছা শক্তি ঠিক ভাবে কাজও করতে পারে না। শরীরচর্চা : বলা হয়, ‘শরীরের নাম মহাশয়, যা সওয়াবেন তা-ই সয়।’ তাই প্রথম প্রথম দিকে একটু আলসেমি লাগলেও প্রতিদিন একটু একটু করে শরীর চর্চা করলে দেখবেন যে আর খারাপ লাগছে না বরং শরীর হালকা আর ঝরঝরে লাগছে ,যে কোনো কাজ উদ্যম পাবেন আপনি। আর যে কোনো কাজ করতে পারার উপলব্ধিটাই আপনার আত্মবিশ্বাস এবং ইচ্ছা শক্তিকে হাজারগুণ বাড়িয়ে দেবে।
করেছেন (7,682 পয়েন্ট)
এই টা তো কপি করে উত্তর  দিলেন
কিন্ত কপি করে উত্তর  না দিয়ে
নিজে থেকে বললে আমার জন্য ভালো হয়


মোডিটেশন টা কী যদি বলতেন তাহলে ভালো হতো.???
করেছেন (2,329 পয়েন্ট)
মেডিটেশন হচ্ছে নিজের মগজকে (ব্রেন) নিজেই নির্দেশনা দেওয়া।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (13,777 পয়েন্ট)

ইচ্ছা শক্তি প্রবল হলে মানুষ পারেনা এমন কোনো কাজ নেই। চলুন জেনে নেই কিভাবে এ শক্তিকে বাড়ানো যায়।


১. মেডিটেশন:


মেডিটেশন এর কাজ হচ্ছে নিজের মগজকে (ব্রেন) নিজে নির্দেশনা দেয়া। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, রোজ ১০ মিনিট মেডিটেশন করলে ২/৩ দিন পর থেকে অনুভব করবেন যে, আপনি যে কোনো কাজে ফোকাস করতে পারছেন, কাজে এনার্জি পাচ্ছেন এবং মানসিক চাপ কমছে। নিয়মিত মেডিটেশন করতে পারলে আপনার মনোযোগ, ইচ্ছা শক্তি, কিছু মনে রাখার ক্ষমতা অনেক গুন বেড়ে যায়।


২. শারীরিক অঙ্গভঙ্গির উপর কাজ:


ইচ্ছা শক্তি বাড়াতে শারীরিক অঙ্গভঙ্গিও ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। বিশেষজ্ঞরা এ নিয়ে একটি গবেষণা করেছেন। দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই গবেষণায় তারা একটি দলকে সাধারণ ভাবে চলাচল করতে বলেন এবং অপর একটি দলকে বলেন চলাচলে সামান্য একটু পরিবর্তন করেন। পরিবর্তনটা হচ্ছে যখনই তারা নিজেদের মধ্যে আড়স্টতা অনুভব করবে তখনই সোজা হয়ে বসবে। অবাক বিষয় হচ্ছে, এই সাধারণ অভ্যাস পরিবর্তন তাদের ইচ্ছাশক্তিকে অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়।


৩. স্বল্প শর্করা জাতীয় খাবার খাওয়া :


যখন আমরা খাদ্য গ্রহণ করি আমাদের দেহ একটি রাসায়নিক পদার্থ খাদ্য থেকে গ্রহণ করে যাকে গ্লুকোজ বলে, এটি রক্তের সাথে প্রবাহিত হয়ে আমাদের ব্রেনে চলে যায় এবং আমাদের চিন্তা শক্তি, নতুন কিছু তৈরী করার বুদ্ধি আর ইচ্ছা শক্তির বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তবে সেটা পরিমিত হওয়া চাই যেন আমাদের রক্তে চিনির স্বল্পতা বা আধিক্য দেখা না যায় ।

৪.পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুমানো:


ঘুম ঠিক মত না হলে এর প্রভাব পরে গিয়ে আমাদের মনে । মাথায় বা ব্রেনে একটা চাপ তৈরী হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম হয়না বলে শরীর গ্লুকোজ তৈরী করতে পারে না, ফলে ব্রেনের যতটুকু দরকার ততটুকু চালিকা শক্তি পায় না এতে করে আপনার মনের জোর বা ইচ্ছা শক্তি ঠিক ভাবে কাজও করতে পারে না।


৫.শরীর চর্চা করা :


মানুষের শরীরে যা সহ্য করানো হয় তাই সহ্য হয়ে যায়। তাই প্রথম প্রথম আলসামী লাগলেও একটু একটু করে রোজ শরীর চর্চা করলে দেখবেন যে আর খারাপ লাগছে না বরং শরীর তা হালকা আর ঝর ঝরা লাগছে ,যে কোনো কাজ উদ্যাম নিয়ে করতে পারছেন। আর যে কোনো কাজ করতে পারছেন এ বোধটাই আপনার আত্ম বিশ্বাস এবং ইচ্ছা শক্তিকে হাজারও গুন বাড়িয়ে দিবে।


৬. এক সময় একটি কাজেই মনোযোগী হওয়া:


এক সময় একটি কাজকে প্রাধান্য দিলে মনকে কেন্দ্রীভূত করা সহজ হয়। এক সাথে অনেক গুলো কাজ নিয়ে না বসে একটা একটা করে সারুন এতে করে আপনার মনোযোগ বাড়বে।মনে করুন আপনে পাজেল খেলছেন মাথায় আর কোনো চিন্তা না রেখে আপনার মনোযোগ সমাধান এর কাজে লাগান এ প্রক্রিয়াটি আপনার ব্রেন সেল (কোষ) কে সাহায্য করে মনকে কেন্দ্রীভূত হতে। এ প্রক্রিয়া রোজ একটু একটু করে চর্চা করার ফলে আপনার ইচ্ছা শক্তি বৃদ্ধি পাবে।


৭.মনোযোগী হওয়ার চর্চা করা :


আমরা সাধারণত প্রতিদিনকার কাজ করি নিয়ম বাধা ছকে ,কি পরবো ,কি খাব। কি যাব সব কাজ গুলোই আমাদের মনে আগে ঠিক করে রাখা এবং আমরা সে ভাবে করে যাই আর কিছু ভাবি না। কিন্তু একটু ভেবে দেখেনতো এতে কি আপনে একঘেয়ে একটা জীবন যাপন করছেন না? আপনার কি মনে হয় যে আপনি নাস্তার টেবিলে কেন ভাত খাচ্ছেন কেন রুটি ডিম খাচ্ছেন না? আসলে আমি বলতে চাই আমাদের জীবনটা যদি একটু বৈচিত্রময় না হয় সবকিছু একটা পর্যায় বিরক্তিকর হয়ে যাবে তাই নিজের দিকে একটু মন দিন, এ মন দিয়ার চর্চাটা করুন দেখবেন জীবনটা এত সাদা মাঠা নয় যতটা আপনি ভাবছেন।


৮. নিজের সাথে কথা বলা:


বেশিভাগ মানুষ নিজেকে যখন আয়নায় দেখে তো কি দেখে ভাবুনতো? সে দেখে যে তার নাকটা আরো সরু হলে তাকে চমৎকার দেখাত ,ইশ আর একটু যদি লম্বা হতাম ! আমার যদি লম্বা চুল হত ! আমার যদি তার মতো মাসেল থাকত ! আরো কত কি। কিন্তু আমরা কি এ ভাবে ভাবি একবারো যে আর কারো থেকে আমি নিজে কতটা সুন্দর অথবা লম্বা অথবা ভালো আছি !


নাহ এ গুলো কিন্তু আমরা সাধারণত ভাবি না , এ না ভাবাটাই আমাদের সম্যসা। এ না ভাবাটাই আমাদের আত্ম তৃপ্তি দেয় না। তাহলে আজ থেকে আয়নার সামনে দাঁড়ান নিজের ক্ষুত বের করতে না বরং আপনার কি কি গুন আছে সেটা বের করতে , নিজেকে বলুন আপনি আর দশ জনের থেকে কত ভালো আছেন। এ বলাটা কিন্তু আপনার ইচ্ছা শক্তিকে আরো বাড়িয়ে দিবে ,নিজের প্রতি আত্ম বিশ্বাস আরো প্রবল হবে ,জীবনের প্রতি একটি স্পষ্ট ধারণা দিবে।


৯.অনুপ্ররেণা খোঁজা:


জীবনে চলার পথে কিছু বা কেউ আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায় থাকে এর মুল্য দিয়া কঠিন কিন্তু এ প্রেরণা টুকু না পেলে অনেক সময় আমাদের চলার পথে থমকে যেতে হয়। এ প্রেরণাটি যে কারো জন্য তার ইচ্ছা শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। আপনার উচিত হবে এমন কিছু করা বা এমন কারো কথা শুনা বা এমন কারো সাথে মেলা মেশা করা যে আপনাকে প্রেরণা জোগায়।


১০.লক্ষ্য অর্জনের পথকে ভাগ করে নেয়া :


ছোটবেলায় অনেকেরই বিভিন্ন কিছু হবার শখ থাকে কিন্তু আমরা সবাই কি সেটাকে অর্জন করতে পারি? অনেকেই কিন্তু পারে। তার কারণ একটাই সে তার লক্ষ্যকে স্থির রাখে এবং তাকে অর্জন করার জন্য যা করতে হবে সেই কাজটিকে ভাগ করে নেয়।

আপনি নিজে শুধু পারেন নিজেকে পরিবর্তন করতে। কেউ চলার পথে আপনার অনুপ্রেরণা হতে পারে কিন্তু আগবাড়িয়ে কাজটি করতে আপনাকে হবে। আর যখন দেখবেন কাজটি করতে পেরেছেন আপনার আত্মবিশ্বাস, ইচ্ছা শক্তি অনেক গুন বেড়ে যাবে। হতাশ হবেন না, যে কোনো কাজ অনেক কঠিন হতেই পারে কিন্তু অসম্ভব নয়।


প্রশ্নের সাথে প্রাসঙ্গিক কিছু বাড়তি টিপস....

  • ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিএকটিভ করে রাখুন
যতই প্রয়োজন হোক, ফেসবুকের চ্যাটিংতে আসক্তি হবেন না, প্রথম প্রথম অস্তিকর লাগবে কিন্তু মনে রাখতে হবে 'অভ্যাস স্বভাবে পরিণত হয়।
  • প্রেম, ভালবাসা কে দুরে রাখতে হবে
পড়ালেখায় মনোযোগী বাড়াতে প্রিয় বন্ধুত্বকেও আপাতোতো কম সময় দিতে হবে।
  • ধর্মীয় বিধান মেনে চলে পড়ালেখার প্রতি আসক্তি
নিয়মিত সালাত আদায় করবেন এবং এমন ভাবে পড়ালেখা করবেন যেন আসক্তি হয়ে গেছে, বর্তমান পরিস্থির ফেসবুকের স্থলে পড়ালেখাকে দেখবেন। আসক্তি করার জন্য সহজ, প্রিয় বিষয় গুলো দিয়ে শুরু করতে পারেন।
  • অবসদ সময় আনন্দে কাটান
সব সময় লেখা পড়া নিয়ে নয়, অন্ততপক্ষে দিনের বেলায় ১ ঘন্টার জন্য মজার কিছু করুন/বিনোদন করুন।

জুনায়েত ইসলাম: দেশ ও মানুষের সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করতে সদা প্রস্তুত। শৃঙ্খলা ও ফিটনেস সম্পর্কে খুব সচেতন এবং প্রচন্ড দেশ প্রেমী এজন্যই দেশ রক্ষার মতো পবিত্র দায়িত্ব বেছে নিয়েছেন পেশাগত জীবনে। জ্ঞানার্জনের লক্ষ্যে ও পরোপকারের স্বার্থে দীর্ঘদিন থেকেই বিস্ময় অ্যানসারের সাথে অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত।
করেছেন (7,682 পয়েন্ট)


মোডেটেশন টা কী।????

জানালে ভালো হয়।?????

করেছেন (13,777 পয়েন্ট)

মেডিটেশন হচ্ছে মনের ব্যায়াম। নীরবে বসে সুনির্দিষ্ট অনুশীলন বাড়ায় মনোযোগ, সচেতনতা ও সৃজনশীলতা। মনের জট যায় খুলে। সৃষ্টি হয় আত্মবিশ্বাস ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি। হতাশা ও নেতিবাচকতা দূর হয়। প্রশান্তি ও সুখানুভূতি বাড়ানোর পাশাপাশি ঘটে অন্তর্জাগৃতি।


প্রাচ্যের সাধনা আর আধুনিক বিজ্ঞানের নির্যাসে সঞ্জীবিত কোয়ান্টাম মেথড মেডিটেশন প্রক্রিয়া। সাধকদের সাধনা ও মনোবিজ্ঞানের প্রক্রিয়ার সমন্বয়ের ফলে সহজে মেডিটেটিভ লেভেলে পৌঁছে আত্মনিমগ্ন হওয়া যায়। গভীর আত্মনিমগ্নতা আত্মশক্তির জাগরণ ঘটায় ভেতর থেকেই। আর অন্তরের জাগরণ বদলে দেয় জীবনের বাকি সবকিছু

করেছেন (13,777 পয়েন্ট)
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
17 জানুয়ারি 2018 "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন momin5 (5 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
20 ডিসেম্বর 2016 "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন A.S shakil (7 পয়েন্ট)
3 টি উত্তর
23 সেপ্টেম্বর 2017 "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন রুবেল Hr (9 পয়েন্ট)
5 টি উত্তর
01 জুন 2016 "দুয়া ও যিকির" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন RH saikot (0 পয়েন্ট)

276,240 টি প্রশ্ন

360,109 টি উত্তর

107,576 টি মন্তব্য

147,778 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...