বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
249 জন দেখেছেন
"সাধারণ" বিভাগে করেছেন (9,175 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন
পড়তে বসলেই মনে হয় , আজ নয় কাল পড়তে বসবো

কাল নয় পরশু পড়তে বসবো

এই ভাবে সময় চলেই যায় কিন্ত সময় কে

কাজে লাগাতে পারছি না

আবার, রাতে একটু খানি পড়ার পর, আর ইচ্ছে করে না পড়তে,,,,,,,,,,,,

 কিন্ত আমি চাই ভালোভাবে পড়তে। কি করলে

মনোযোগী হতে পারব??????

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (2,366 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
যা ই করুন, করুন মন থেকে: নো ম্যাটার ইট ইজ স্টাডিং অর প্লেয়িং, করুন মন থেকে। মনে একটা করছেন আরেক টা, এভাবে সাফল্য পাওয়া খুব কঠিন ব্যাপার। সো মন লাগিয়ে কাজে লেগে যান। আগে মন ঠিক করুন-তারপর শুরু করুন পড়াশোনা। দেখবেন সাফল্য পেতে বেগ পেতে হবেনা মোটেও। পড়াশোনার পরিবেশ তৈরী করুন: পড়াশোনা করতে গেলে চাই উপযুক্ত পরিবেশ। আপনার টেবিলের এক কোনায় কম্পু, আপনার বাম হাতে মোবাইল, ডান হাতে সিগারেট!!!এভাবে আর যাই হোক পড়াশোনা হবেনা!সুতরাং পড়াশোনার জন্য তৈরী করুন ডেডিকেটেড পরিবেশ। রিডিং রুমের লাইট কতটুকু হলে আপনার চোখের জন্য আরাম হবে, রুমের দরজা বন্ধ করার ব্যবস্হা আছে কিনা, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কিনা এসব বিষয়ে খেয়াল করুন। এবং অবশ্য অবশ্যই আপনার মোবাইল ফোন দূরে রাখুন। যদি পড়ার সময় গান শুনতে ভাললাগে তবে লো মিউজিকে গান শুনতে পারেন, তবে খেয়াল রাখুন এটা না আবার বিরক্তির পর্যায়ে না চলে যায়! লক্ষ্য ঠিক করুন-রুটিন তৈরী করুন: আপনার লক্ষ্যই আপনাকে সঠিক পথে চলতে সবচাইতে বেশি সাহা্য্য করবে। পড়াশোনার জন্য আপনার কতটুকুন সময় বরাদ্দ আছে, তা বের করুন। এবার প্রয়োজন অনুযায়ী রুটিন তৈরী করুন এবং রুটিনে স্হির থাকুন। ফোকাস ম্যান-জাস্ট ফোকাস! পড়া শুরু করার সময় আগে পুরো বিষয়টির উপর চোখ বুলিয়ে নিন। দেখে নিন যে বিষয়টি পড়বেন তার উদ্দেশ্য, সারাংশ ইত্যাদি। ঠিক করুন কোন অংশটি আপনার জন্য দরকারি। বেছে নিন কোন উদ্দীপক: সাফল্যজনক ভাবে যেকোন বিষয় পড়া শেষ করে বেছে নিন কোন একটি ইনসেনটিভ বা উদ্দীপক যা আপনাকে আরো উৎসাহ যোগাবে! ফোন করুন আপনার কাছের কাউকে,অথবা কিছুক্ষণ হাঁটুন, পছন্দের কোন খাবার খান। গুরুত্বপূর্ণ কোন প্রজেক্ট অথবা পড়াশোনার সময় নিজের জন্য ভাল কোন উপহার নির্দিষ্ট করুন। একই বিষয় অনেক্ষন নয়: একই বিষয় অনেক্ষন ধরে পড়লে মনোযোগ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই মনোযোগ ধরে রাখতে হলে বিষয় পরিবর্তন জরুরী। এক-দুই ঘন্টার বেশি কোন সাবজেক্ট একটানা না পড়া ই ভালো। মূল্যায়ন করুন আপনার অগ্রগতি: প্রতিদিন একটা সময় বাজেট করুন আজ কি কি করলেন, কতটুকু অগ্রগতি হলো। একটা গ্রাফ তৈরী করতে পারেন উইকলি অথবা মান্থলী। সঠিক সময়ে সঠিক সাবজেক্ট নির্বাচন: আপনার এনার্জি লেবেল যখন সবচাইতে ভাল থাকে তখন আপনার কাছে যে বিষয়টি সবচাইতে কঠিন মনে হবে, সেটা পড়বেন। এতে আত্বস্হ হবে তাড়াতাড়ি। পুরস্কার দিন নিজেকে: কোন একটি টাস্ক সঠিকভাবে শেষ করে নিজেকে দিন ভাল কোন পুরস্কার । এতে মনোযোগের সাথে তৈরী হবে উৎসাহও।
করেছেন (9,175 পয়েন্ট)

ধন্যবাদ

আপনার উত্তরে সন্তূষ্ট

কিন্তূ আমি রুটিন তৈরি করতে

পারি না

দয়া করে রুটিন টা একটু তৈরি করে দিবেন.????

করেছেন (2,366 পয়েন্ট)
প্রথমে ফজরের নামায অাদায় করুন, এরপর সকাল ০৬টা ০০ মিনিটঃ নাস্তা তৈরী/তৈরিতে সহায়তা, নাস্তা গ্রহন (খাবারের আধা ঘন্টা পূর্বে পানি পান করলে তা হজমে সহায়তা করে) ও দাঁত ব্রাশ করা সকাল ০৬টা ৩০ মিনিটঃ একমনে–একধ্যানে পড়াশুনা শুরু (কি পড়বেন সেটা নিজে ঠিক করে নিবেন) সকাল ০৯টা ৩০ মিনিটঃ হালকা বিশ্রাম সকাল ০৯টা ৪৫ মিনিটঃ আবার একমনে–একধ্যানে পড়াশুনা শুরু সকাল ১১টা ০০ মিনিটঃ হালকা নাস্তা গ্রহন সকাল ১১টা ০৫ মিনিটঃ আবার একমনে–একধ্যানে পড়াশুনা শুরু (ঘুম বা বিশ্রাম বেশী প্রিয় হলে এই সময় কাজে লাগাতে পারেন, তবে তা অবশ্যই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে) দুপুর ১২ টা ০৫ মিনিটঃ রান্না-বান্না, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং (ফেসবুকিং, ব্লগিং ও অন্যান্য), বাবা-মা-ভাই-বোনকে সময় দেয়া, পরিবারের কাজে সহায়তা করা (যেকোন এক বা একাধিক) দুপুর ০১ টা ০০ মিনিটঃ গোসল করা, কাপড় ধোয়া, রূপচর্চা ও যোহরের নামাজের প্রস্তুতি দুপুর ০১ টা ৩০ মিনিটঃ যোহরের নামাজ আদায় দুপুর ০১ টা ৪৫ মিনিটঃ দুপুরের খাবার গ্রহন ও হালকা বিশ্রাম দুপুর ০২ টা ০০ মিনিটঃ আবার একমনে–একধ্যানে পড়াশুনা শুরু বিকাল ০৪টা ০০ মিনিটঃ ঘুম বিকাল ০৫টা ০৫ মিনিটঃ ঘুম থেকে জেগে উঠা ও আসরের নামাজের প্রস্তুতি বিকাল ০৫টা ১৫ মিনিটঃ আসরের নামাজ আদায় বিকাল ০৫টা ২০ মিনিটঃ হালকা নাস্তা গ্রহন, খেলাধুলা, বাইরে বেড়ানো, বন্ধুদের সাথে সময় কাটানো, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং (ফেসবুকিং, ব্লগিং ও অন্যান্য), কাব্য ও সাহিত্য চর্চা, বাবা-মা-ভাই-বোনকে সময় দেয়া, পরিবারের কাজে সহায়তা করা (যেকোন এক বা একাধিক) সন্ধ্যা ০৬টা ২০ মিনিটঃ মাগরিবের নামাজেরপ্রস্তুতি ও নামাজ আদায় সন্ধ্যা ০৬টা ৩০ মিনিটঃ আবার একমনে–একধ্যানে পড়াশুনা শুরু রাত ০৯ টা ৩০ মিনিটঃ রাতের খাবার গ্রহন ও হালকা বিশ্রাম (রান্না-বান্না না করা থাকলে আগে তা করে নিবেন, কেমন !) রাত ০৯ টা ৪৫ মিনিটঃ টিভি দেখা (অবশ্যই শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান), সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং (ফেসবুকিং, ব্লগিং ও অন্যান্য), কাব্য ও সাহিত্য চর্চা, বাবা-মা-ভাই-বোনকে সময় দেয়া, পরিবারের কাজে সহায়তা করা (যেকোন এক বা একাধিক) রাত ১০ টা ৪৫ মিনিটঃ রূপচর্চা, দাঁত ব্রাশ করা, প্রচুর পরিমানে পানি পান করা (যেন ফজরেরে সময় অন্তঃত ব্লাডারেরে চাপে ঘুম ভাঙ্গে) ও ঘুমানোর প্রস্তুতি রাত ১১ টা ০০ মিনিটঃ ঘুমের দেশে হারিয়ে যাওয়া (বেশী রাত জাগা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতিকর । আর, যারা স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন তাদের জন্য তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাওয়া অতীব জরুরী কেননা একমাত্র ভারী ঘুম হলেই ভালো ভালো স্বপ্ন দেখা যায় এবং এর জন্য তাড়াতাড়ি ও বেশী ঘুমানো বাঞ্ছনীয় ।) ____________________________________________________________________ ** সর্বমোট পড়ার সময়কালঃ ১০ ঘন্টা ১৫ মিনিট (*চাইলে এখান থেকে ১৫ মিনিটহাদীস পড়ার ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারেন) ** পাঠ্যশ্রেনী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সময়সূচি, ক্লাশ (যদি থাকে), এলাকার পার্থক্য, নামাজের সময়ের পার্থক্য, টিউশনি, পার্ট-টাইম বা ফুল টাইম চাকুরী, বৈবাহিক অবস্থা, হলে বা মেসে থাকা ও অন্যান্য কর্মকান্ডের উপর ভিত্তি করে রুটিন এদিক-ওদিক করে নিতে পারেন ।
করেছেন (9,175 পয়েন্ট)

যেহতু কলেজ প্রাইভেট থাকে তাই দিনের বেলাতে 

বেশি সময় দেওয়া সম্ভব হবে না

তাই আমমি যদি সময় টা রাতে একটু বাড়ি নিয়

তাই আপনি রাতে এর জঅঅন্য যদি একটু রুটিন টী

করে দিতেন 

করেছেন (2,366 পয়েন্ট)
রুটিন . ১. সন্ধ্যা ৭ টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত পড়তে হবে। ২. ১০ টা থেকে ১০.৩০ মাঝে ডিনার শেষ করতে হবে। ৩. ১০.৩০ থেকে ১১ টা পর্যন্ত ফেসবুক, পেপার দেখতে হবে। ৪.১১ টা থেকে ১২.৩০ মিনিট পর্যন্ত পড়তে হবে। ৫. ১২.৩০ পর ঘুমাতে যাবে। যদি স্পেশাল কেউ থাকে ১০ মিনিট কথা বলবেন। তাহালে মন ফ্রেশ থাকবে। ৬. ভোর ৪ টায় উঠবে নামায পড়ে একটু ব্যায়াম করে পড়তে বসবে। সকাল ৯ টা পর্যন্ত।
করেছেন (9,175 পয়েন্ট)

ধন্যবাদ ভাই আপনাকে আমি গত রাত থেকে শুরু

করেছি পড়া

আমি মনে করি আমি আপনার দেওয়া এই রুটিন ফলো

করতে পারলে ভালো ফলা ফল করতে পারবো

আপনাকে সংখ্য ধন্যবাদ ভাই

দোয়া করবেন আমার জন্য 

করেছেন (2,366 পয়েন্ট)
ঠিক অাছে, অামি অাপনার জন্য দোয়া করব। অাপনিও অামার জন্য দোয়া করবেন।
করেছেন (9,175 পয়েন্ট)

ইনশাল্লাহ

ভাই দোয়া করবো 

করেছেন (9,175 পয়েন্ট)

ইনশাল্লাহ

ভাই দোয়া করবো 

করেছেন (9,175 পয়েন্ট)

পড়ক শোনা শুরু করেছি

যেহেতু অনেক দিন পরে শুরু করেছি সেহেতু অনেক

সমস্যা হচ্ছে

তবে আমি রাজি আছি সব সমস্যা মোকাবেলা করতে

আমি নিম্নোক্তভাবে পড়া শুরু করেছি যদি কিছু বাদ বা

যোগ করতে হয় তাহলে বলবেন।

১.আমি যে বই টা পড়ি এবং যে অধ্যায় টা পড়ি

সেটা আগগে রিডিং পড়ে নিয় এবং টিক/M.C.Q এবং 

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন গুলা অন্য দিন পড়ার জন্য রেখে

দিয়

এই ভাবে পড়লে কী ভালো হবে না কৌশল পাল্টাতে হবে

.....??????

মানে যে দিন রিডিং পড়ি সএ দিন টীক/M.C.Q পড়ি না

ইংরেজীতে আমি অনেক কাচা যদি বলতেন ইংরেজি 

তে ভালো করবো কী ভাবে 

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
0 টি উত্তর

307,122 টি প্রশ্ন

396,016 টি উত্তর

121,031 টি মন্তব্য

170,171 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...