481 জন দেখেছেন
"প্রেম-ভালোবাসা" বিভাগে করেছেন (299 পয়েন্ট)
আমি বর্তমানে এইচ.এস.সি কমপ্লিট করেছি। আমি একজন মেয়েকে ভালোবাসি। সে বর্তমানে এইচ.এস.সি ২য় বর্ষে উন্নীত হয়েছে। আমি থাকি এক থানায় আর মেয়েটি থকে অন্য একটি থানায়। এটাই আমার জীবনের প্রথম ভালোবাসা। তার সাথে আমার প্রথম আলাপ হয় সামাজিক এস.এম.এস মাধ্যম "Robi Circle" এর মাধ্যমে। প্রায় এক মাস ওর সাথে আমি চ্যাট করি এবং এক সময় আমার ভালো লাগার কথা টা বলি। এটা জানার পর ও যে আমি হিন্দু ধর্মাবলম্বী আর ও মুসলিম। সে ও আমাকে ভীষণ পছন্দ করে। এরপর আমি তার মোবাইল নাম্বার নিয়ে কথা বলি। কয়েক মাস পর জানতে পারি সে আমাকে অসম্ভব রকমের ভালোবাসে। তার পরিবারের সে বড় মেয়ে এবং তার তিন ছোট ভাই। আমার পরিবারে আমি বড় ছেলে। আমার এক বড় বোন আছে এবং দুই ছোট ভাই ও বোন। ওর আব্বা কাপড়ের ব্যবসা করে। আমি মেয়েটির সাথে সরাসরি দেখা ও করেছি সম্প্রতি। আমি জানি যে তাকে ভালোবেসে আমি কি ভুলটা করেছি। কিন্তু সেই ভুলটাকে পজিটিভ দিক দিয়ে ভেবে আমি তাকে আমার জীবনসঙ্গী করতে চাই। আমি তার মতামত নিয়েছি এবং সে এই প্রস্তাবে নি:সংকোচ সম্মতিও জানিয়েছে। আমি এটাও জানি যে আমরা যত কিছুই করি না কেন আমাদের পরিবার এটা কখনোই মেনে নেবেন না। আর আমার পারিবারিক বা সামাজিক কারনে আমি তাকে নিয়ে পালানোর কথাও ভাবতে পারছি না। কিন্তু আমি ও তাকে খুব চাই। এখন আমার করনীয় কি হওয়া উচিত? আপনার যেকোনো ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা পূর্ণ মতামত, পরামর্শ, উপদেশ আশা করছি।

3 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (1,313 পয়েন্ট)
আপনি মেয়েটিকে চাচ্ছেন আপনার প্রয়োজনে। অর্থাৎ আপনার সুখের জন্য। আর সেও তার নিজের জন্য। 
আপনার পিছনে আছে আপনার ফ্যামিলির তিন ভাইবোন+দুজন পিতামাতা= পাঁচ জন+ সাথে অনেক আত্মীয় স্বজন।
অপর দিকে তারও একই অবস্থা। তিন ভাই+দুজন পিতামাতা= পাঁচ জন+ সাথে অনেক আত্মীয় স্বজন।
এবার সত্যি যদি আপনারা একটি করে ভালবাসা ময় হৃদয়ের অধিকারী হয়ে থাকেন তবে এতগুলো মানুষকে কষ্ট দিয়ে কখনো এই রিলেশনে আগাবেন বলে মনে হয় না। কি ডাইরেক্ট বিপক্ষে মত চলে গেছে?
বিপক্ষে নয়, পক্ষেই গেছে।
অনেকে হয়তো পরামর্শ দিবে যে, এগিয়ে যাও। আছি সাথে। এগিয়ে গিয়ে দেখেন না কি আছে সাথে। 
আমার বিবেক বলে যে, যে ব্যক্তি কোন নারী/নর এর জন্য নিজের ফ্যামিলি মেম্বারদের (বিশেষ করে এত আপন মা বাবাকে) কষ্ট দিতে পারে, শারীরিক বা যৌবিক সঙ্গী/সঙ্গীনীকে যে সে কত টুকু সুখে রাখবে তা অনুমেয়। বড়জোড় টেনেটুনে এক বছর। তারপর শুরু হবে যা শঙ্কা তা। রিলেশন করাটা কোন বিষয়না, সেটার পরিণতি কি সেটাই সবচেয়ে বড়।
আমি একটা নীতিতে খুব বিশ্বাসী। যে আমার জন্য অন্যের সাথে গাদ্দারী করতে পারে, সে যে এই বিদ্যা আমার উপরই অ্যাপ্লাই করবে না তার গ্যারান্টি কি? তাই এ ধরনের লোক থেকে আমি সাবধান থাকি। কোন ধর্মেই পিতামাতাকে কষ্ট দেয়া কে অনুমোদন করে না। নিজের পিতামাতাকে কখনো কষ্ট দিবেন না।
এরপর আপনারা স্বীদ্ধান্ত নিতে পারেন।
তবে একটা কারণে আপনাদের ধন্যবাদ জানাই যে, নিজেদের পাগলামী যতই থাকুক। বিবেক আর দশ জনের মত লোপ পায়নি। কারণ আপনি লিখেছেন আর আমার পারিবারিক বা সামাজিক কারনে আমি তাকে নিয়ে পালানোর কথাও ভাবতে পারছি না।” এটাই আপনাদেরকে আলাদা করে উপাস্থাপন করেছে ও এখানে প্রশ্ন করতে সাহস যুগিয়েছে।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (1,075 পয়েন্ট)
যতোদূর জীবনে দেখেছী, এমন প্রেম ও বিয়ে সুন্দর
জীবনকে শেষ করে দেয়। নিচের পয়েন্ট গুলো
লক্ষ করুন  :
১/ আপনারা দুজন দু ধর্মের মানুষ
২/ আপনারা এখনো অপ্রাপ্ত বয়স্ক, এই মেয়ে
যখন hsc শেষ করে ভার্সিটি লাইফে প্রবেশ
করবে তখন নতুন ছেলেদের প্রেমে পড়বে, আর
এটা শতকরা ৯৬% মেয়েদের ক্ষেত্রেই হয়ে হয়ে থাকে।
৩/ আপনার গার্ডিয়ান এবং সামাজিক ব্যবস্থা এই
প্রেম ও বিয়ে মেনে নিবে না।
৪/ মেয়েদের মন পরিবর্তনশীল, আপনার চেয়ে
একটুএকটু ভালোভালো ছেলে পেলেই দেখবেন
তার ফোন শুধু ওয়েটিং, তখন কেমন লাগবে আপনার ?
৫/ যেখানে এই বিয়ে মা-বাবা মেনে নিবেনা, সেখানে
সারাটা জীবন কিভাবে সুখে থাকবেন, আরে ভাই আজ খুব
ভালো আছেন কাল যদি বড় একটা অসুখে পড়ে বা
আর্থিক সমস্যায় পড়েন, দেখবেন এই মেয়ে আর
আপনার কাছে নেই,নতুন কাউকে ধরবে। কিন্তুু
আপনার মা- বাবা চিরদিনই আপনার পাশে থাকবে।

বি:দ্র- ভাই আপনি মাত্র hsc শেষ করেছেন, জীবনের
এখনো অনেক পদ বাকি, মেয়েটিকে আপনার বন্দু
হিসেবে রাখেন, আর প্রেম- ভালোবাসা থেকে তাকে
অব্যাহতি দিয়ে দেন। এতে কিছুটা কষ্ট পেলেও
সারাজীবন খুব ভালো থাকবেন।
করেছেন (299 পয়েন্ট)

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া। আমাকে সে সম্প্রতি সরাসরি দেখা করার কথা জানিয়েছে। আামি বলেছি তার সাথে আমার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে। এখন আমি তাকে বিষয়টা বোঝাতে চাই। এক্ষেত্রে খারাপ লাগার একটা ব্যাপার থাকা স্বাভাবিক। তাই কিভাবে বলব বুঝতে পারছি না। যদি এ বিষয়ে কিছু সাজেশন দেন তাহলে মানসিকভাবেও উপকৃত হব।

করেছেন (1,075 পয়েন্ট)
ভাই বৃত্তের মাঝে কখনো চিত্ত
মিলে না। প্রেম ভালোবাসা এগুলো
শুধু আবেগ ছাড়া আর কিছু না। 
আপনি তাকে বলে দেখুন তার ধর্ম
ত্যাগ করে আপনার ধর্ম গ্রহন করতে।
দেখবেন সে না বলবে,  অতএব তাকে
বলুন আপনাকে জীবনে অনেক বড় হতে
হবে তাই এসব পিছুটান রাখা যাবে না।
যদি তারপরেও সে থাকতে চায়, তাহলে
শুধু বন্দু হিসেবে রাখুন। বাট যদি প্রেমীকা
হিসেবেই কন্টিনিউ রাখেন, তাহলে নিশ্চিত
বড় একটা বাশ আপনার লাইফে অপক্ষা করছে।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (4 পয়েন্ট)

ভাইরে এমন সমস্যা কেন তৈরি করেন যেটার সমাধান নাই। প্লিজ নিয়মের মধ্যে থাকেন জিবনে অনেক সুখী হবেন। মেয়েটাকে অব্যাহতি দিয়ে দেন।

টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
02 জুলাই 2015 "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Jony m (8 পয়েন্ট)

277,251 টি প্রশ্ন

360,806 টি উত্তর

107,848 টি মন্তব্য

148,517 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...