35,109 জন দেখেছেন
"সালাত" বিভাগে করেছেন (4,250 পয়েন্ট)
বিভাগ পূনঃনির্ধারিত করেছেন

5 উত্তর

2 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (277 পয়েন্ট)
●যোহর নামাজ যেমন ১০ রাকাত, জুম্মার নামাজও তেমন ১০ রাকাত। ●যোহর নামাজঃ প্রথমে ৪ রাকায়াত সুন্নাত, মাঝে ৪ রাকায়াত ফরজ, শেষে ২ রাকাত সুন্নাত। মোট=(৪+৪+২)=১০ রাকায়াত। ●জুম্মার নামাজঃ প্রথমে ৪ রাকায়াত সুন্নাত, মাঝে ২ রাকায়াত ফরজ, শেষে ৪ রাকায়াত সুন্নাত। মোট=(৪+২+৪)=১০ রাকায়াত। ●আমরা প্রতিদিন যোহর নামাজ যেমন ১০ রাকায়াত পড়ি, শুধু শুক্রবারে জুম্মার নামাজও তেমন ১০ রাকায়াত পড়ি। ●শুধু পার্থক‍্য হলোঃ যোহরের ৪ রাকায়াত ফরজ, ৬ রাকায়াত সুন্নাত। আর জুম্মার ২ রাকায়াত ফরজ, ৮ রাকায়াত সুন্নাত। ●নফল নামাজ ২ রাকায়াত করে যত খুশি তত পড়া যায়। ●শুধুমাত্র ফরজ নামাজ মসজিদে গিয়ে পড়তে হয়। ●সুন্নাত ও নফল নামাজ বাসায় পড়া সর্বোত্তম। ধন‍্যবাদ।
1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (4,250 পয়েন্ট)
জুমআর নামায মূলত দু’ রাকআত। জুমআর নামাযের আগে ও পরে সুনির্দষ্ট রাকআত সংখ্যায় কোন সুন্নাত নামায নেই। তবে কেউ যদি খুতবা শুরু হওয়ার পূর্বেই মসজিদে উপস্থিত হতে পারে তাহলে সে দু’দু’ রাকআত করে খুতবা শুরু হওয়া পর্যন্ত যত ইচ্ছা সুন্নাত নামায পড়তে পারে। (দেখুন সহীহ বুখারী, হাদীছ নং- ৮৪৩) আর যদি খুতবা শুরু হওয়ার পর কেউ মসজিদে উপস্থিত হয় তাহলে শুধু দুই রাকআত নামায পড়ে বসে পড়বে এবং মনোযোগ সহকারে খুতবা শ্রবণ করবে।
জুমআর নামাযের পরে কেউ যদি মসজিদেই সুন্নাত পড়তে চায় তাহলে চার রাকআত পড়ার কথা বর্ণিত হয়েছে। আর বাড়িতে গিয়ে পড়লে দুই রাকআত পড়ার কথা এসেছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম জুমআর নামাযের পরে বাড়িতে গিয়ে দুই রাকআত সুন্নাত পড়তেন। (তিরমিজী) ধন্যবাদ।


উত্তর দিয়েছেনঃ আব্দুল্লাহ শাহেদ আলমাদানী।
করেছেন (4 পয়েন্ট)

সহীহ বুখারী, হাদীছ নং- ৮৪৩ উল্লেখ করেছেন। হাদীসটা পাওয়া যাচ্ছে না। অনুগ্রহ করে হাদীসটি লিখে দিলে ভাল হয়।

1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (5,276 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন

জুমআর নামায ফরয ২ রাকআত। এতে ক্বিরাআত হবে জেহরী। এ নামাযে সূরা ফাতিহার পর যে কোন সূরা বা আয়াত যথানিয়মে পড়া যায়। তবুও সুন্নত হল, প্রথম রাকআতে সূরা জুমুআহ (সম্পূর্ণ) এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা মুনাফিকূন (সম্পূর্ণ) পাঠ করা। (আহমাদ, মুসনাদ, মুসলিম,  আবূদাঊদ, সুনান, তিরমিযী, সুনান, ইবনে মাজাহ্‌, সুনান) অথবা প্রথম রাকআতে সূরা জুমুআহ (সম্পূর্ণ) এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা গাশিয়াহ্‌ পাঠ করা। (আহমাদ, মুসনাদ, মুসলিম,  আবূদাঊদ, সুনান, তিরমিযী, সুনান, ইবনে মাজাহ্‌, সুনান)  অথবা প্রথম রাকআতে সূরা আ’লা এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা গাশিয়াহ্‌ পাঠ করা। (আহমাদ, মুসনাদ, মুসলিম,  আবূদাঊদ, সুনান, তিরমিযী, সুনান, ইবনে মাজাহ্‌, সুনান)

জুমআর খুতবার পূর্বে ‘কাবলাল জুমুআহ’ বলে কোন নির্দিষ্ট রাকআত সুন্নত নেই। অতএব নামাযী মসজিদে এলে ‘তাহিয়্যাতুল মাসজিদ’ ২ রাকআত সুন্নত পড়ে বসে যেতে পারে এবং দুআ, দরুদ তাসবীহ- যিকর বা তেলাওয়াত করতে পারে। আবার ইচ্ছা হলে নামাযও পড়তে পারে। তবে এ নামায হবে নফল এবং অনির্দিষ্ট সংখ্যায়।

মহানবী (সাঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি জুমআর দিন যথা নিয়মে গোসল করে, দাঁত পরিষ্কার করে, খোশবূ থাকলে তা ব্যবহার করে, তার সবচেয়ে সুন্দর পোশাক পরে, অতঃপর (মসজিদে) যায়, নামাযীদের ঘাড় ডিঙিয়ে (কাতার চিরে) আগে যায় না, অতঃপর আল্লাহর ইচ্ছানুযায়ী নামায পড়ে। তারপর ইমাম উপস্থিত হলে নীরব ও নিশ্চুপ থাকে এবং নামায শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোন কথা বলে না, সে ব্যক্তির এ কাজ এই জুমুআহ থেকে অপর জুমআর মধ্যবর্তীকালে কৃত পাপের কাফফারা হয়ে যায়।” (আহমাদ, মুসনাদ, ইবনে মাজাহ্‌, সুনান,হাকেম, মুস্তাদরাক, জামে ৬০৬৬নং)

প্রকাশ থাকে যে, “প্রত্যেক আযান ও ইকামতের মাঝে নামায আছে।” (বুখারী, মুসলিম,  মিশকাত ৬৬২নং) এই হাদীস দ্বারা কাবলাল জুমআর সুন্নত প্রমাণ হয় না। কারণ, বিদিত যে, জুমআর আযান ও ইকামতের মাঝে থাকে খুতবা। আর মহানবী (সাঃ)-এর যুগে পূর্বের আর একটি আযান ছিল না। আর সুন্নত প্রমাণ হলেও মুআক্কাদাহ ও নির্দিষ্ট সংখ্য ক নয়।

তদনুরুপ “এমন কোন ফরয নামায নেই, যার পূর্বে ২ রাকআত নামায নেই।” (ইবনে হিব্বান, সহীহ, ত্বাবারানীরানী, মু’জাম, সিলসিলাহ সহীহাহ, আলবানী ২৩২, জামে ৫৭৩০নং)  এ হাদীস দ্বারাও জুমআর পূর্বে ২ রাকআত সুন্নত প্রমাণ হয় না। কারণ, জুমআর ফরয নামাযের পূর্বে খুতবা হয়। আর খুতবার পূর্বে ২ রাকআত নামায এ দ্বারা প্রমাণিত হয় না। (দ্র: সিলসিলাহ সহীহাহ, আলবানী ২৩২নং)

সতর্কতার বিষয় যে, ইমামের খুতবা চলাকালে কেউ মসজিদে উপস্থিত হলে তাকে সেই অবস্থায় হাল্কা করে যে ২ রাকআত পড়তে হয়, তা সুন্নাতে মুআক্কাদাহ নয়; বরং তা হল তাহিয়্যাতুল মাসজিদ।

জুমআর পর মসজিদে সুন্নত পড়লে একটু সরে গিয়ে বা কারো সাথে কোন কথা বলার পরে ৪ রাকআত নামায সুন্নাতে মুআক্কাদাহ পড়তে হয়। মহানবী (সাঃ) বলেন, “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জুমআর পর নামায পড়ে, সে যেন ৪ রাকআত পড়ে।” (আবূদাঊদ, সুনান, তিরমিযী, সুনান, জামে ৬৪৯৯নং)

“তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জুমআর নামায পড়ে সে যেন তার পর ৪ রাকআত নামায পড়ে।” (আহমাদ, মুসনাদ, মুসলিম,  নাসাঈ, সুনান, জামে ৬৪০নং)

তিনি বলেন, “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জুমুআহ পড়ে, সে যেন তার পর কোন কথা না বলা অথবা বের হয়ে না যাওয়া পর্যন্ত কোন নামায না পড়ে।” (ত্বাবারানী, মু’জাম,সিলসিলাহ সহীহাহ, আলবানী ১৩২৯নং)

হযরত ইবনে উমার (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, মহানবী (সাঃ) জুমআর নামায পড়ে বাসায় ফিরে ২ রাকআত নামায পড়তেন। (বুখারী ৯৩৭নং, মুসলিম,  সুনানু আরবাআহ (আবূ দাঊদ, তিরমিযী, নাসাঈ ও ইবনে মাজাহ্‌))

অবশ্য যদি কেউ মসজিদে ২ রাকআত পড়ে তাও বৈধ। পরন্তু যদি কেউ ২ অথবা ৪ রাকআত বাসায় পড়ে তাহলে সেটাই উত্তম। কারণ, মহানবী (সাঃ) বলেন, “ ফরয নামায ছাড়া মানুষের শ্রেষ্ঠতম নামায হল তার স্বগৃহে পড়া নামায।” (নাসাঈ, সুনান, ইবনে খুযাইমাহ্‌, সহীহ, সহিহ তারগিব ৪৩৭নং, তামামুল মিন্নাহ্‌, আলবানী ৩৪১-৩৪২পৃ:)

প্রকাশ থাকে যে, জুমআর পরে যোহরের নিয়তে ৪ রাকআত এহ্‌তিয়াতী যোহ্‌র পড়া বিদআত। (আল-আজবিবাতুন নাফেআহ্‌, আন আসইলাতি লাজনাতি মাসজিদিল জামেআহ্‌, মুহাদ্দিস আলবানী ৭৪পৃ:, মু’জামুল বিদা’ ১২০, ৩২৭পৃ:) যেমন বিদআত রমযানের শেষ জুমআকে জুমআতুল বিদা নাম দিয়ে কোন খাস মসজিদে ঐ জুমুআহ পড়তে যাওয়া।

 

1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (6,296 পয়েন্ট)


                                               ।


মোঃ আরিফুল ইসলাম বিস্ময় ডট কম এর প্রতিষ্ঠাতা। খানিকটা অস্তিত্বের তাগিদে আর দেশের জন্য বাংলা ভাষায় কিছু করার উদ্যোগেই ২০১৩ সালে তার হাত ধরেই যাত্রা শুরু করে বিস্ময় ডট কম। পেশাগত ভাবে প্রোগ্রামার।
1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (714 পয়েন্ট)

জুমার নামাজ নফল ছাড়া বারো রাকাত;জুমার ফরজের পূর্বে চার রাকাত কাবলাল জুমা;যা সুন্নাতে মুআক্কাদা, দুই রাকাত ফরজ এবং জুমার ফরজের পর ছয় রাকাত;এটিও সুন্নাতে মুআক্কাদা। ফিকহে হানাফিতে এটিই গ্রহনযোগ্য ফাত‌ওয়া। আসুন,সুন্নাহ ও আছারের মাধ্যমে বিষয়টি জানার চেষ্টা করি!

জুমার পূর্বে চার রাকাত সুন্নাতে মুআক্কাদা।

(১)ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃতিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুমুআর (ফরয) সলাতের পূর্বে চার রাকআত সালাত আদায় করতেন এবং তাতে মাঝখানে সালাম ফিরাতেন না। ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ১১২৯


হাদিসটির সনদ নিয়ে কিছু কথা থাকলেও হাফেজে হাদিস আবু যারা'আ ইরাকী বলেন,এর মূল পাঠ আবুল হাসান খালয়ী ফাওয়ায়িদ কিতাবে গ্রহণযোগ্য সনদে বর্ণনা করেছেন।(তরহুত তাছরিব,৩/৪১) অনুরূপ যায়নুদ্দীন ইরাকী ও সনদকে গ্রহণযোগ্য সনদ বলেছেন।(ফায়জুল কাদির শরহু জামিয়ীস সগীর,৫/৩১৬)


(২) জাবালা ইবনে সুহাইম রহঃ আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাঃ থেকে বর্ণনা করেন তিনি জুমার আগে চার রাকাত পড়তেন, মাঝখানে সালাম ফিরাতেন না।(শরহু মাআনিল আছার,তহাবী ১৬৪/৬৫)


আল্লামা নিমাভী রহঃ আছারুস সুনান গ্রন্থে এর সনদকে সহিহ বলেছেন।(৩০২) আল্লামা ইবনে রজব হাম্বলি ফাতহুল বারী শরহু সহিহুল বুখারী গ্রন্থে ৫/৫৩৯ পৃষ্ঠায় এর সনদকে সহিহ বলেছেন।


ইবনে উমর রাঃ জুমার আগে দীর্ঘ সময় নামাজ পড়তেন, কিন্তু চার রাকাতকে আলাদাভাবে বর্ণনা করার কারণ হল তা সুন্নাতে মুআক্কাদা ছিল।

জুমার আগে পরে চার রাকাত করে সুন্নাতে মুআক্কাদা।

(২) আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি জুমার দিন নিজ ঘরে চার রাকাত পড়তেন।এরপর মসজিদে আসতেন জুমার আগে আর কোন নামাজ পড়তেন না এবং জুমার পরেও না।

এই আছারটি মুহাদ্দিস হার্ব ইবনে ইসমাইল আলকিরমানী তার কিতাবে সনদসহ বর্ণনা করেছেন।ইমাম ইবনে রজব রহঃ বুখারীর ব্যখ্যা গ্রন্থে ৫/৫৮০ তা দলীল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

উল্লেখ্য, এখানে জুমার পরে কোন নামাজ না পড়ার অর্থ হবে মসজিদে না পড়া।

(৪) আবু উবায়দা রহঃ বর্ণনা করেন,(আব্বাজান) আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাঃ জুমার আগে চার রাকাত পড়তেন।(মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা,৪/১১৪)

তাবেয়ী কাতাদা রহঃ ও বর্ণনা করেন, ইবনে মাসউদ রাঃ জুমার আগে চার রাকাত পড়তেন এবং জুমার পরে চার রাকাত পড়তেন।(মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক ৩/২৪৭

জুমার পরে চার রাকাতের সঙ্গে আরও দুই রাকাত।

ইবনে মাসউদ রাঃ শুধু নিজেই কাবলাল জুমা চার রাকাত পড়তেন না বরং অন্যদেরকেও তা পড়তে আদেশ করতেন।

তাঁর বিশিষ্ট ছাত্র আবু আব্দুর রহমান আসসুলামী রহঃ বর্ণনা করেন,ইবনে মাসউদ রাঃ আমাদের কে জুমার আগে চার রাকাত এবং জুমার পরে চার রাকাত পড়ার আদেশ করতেন। যখন আলী রাঃ আগমন করলেন তখন জুমার পরে প্রথমে দুই রাকাত এরপর চার রাকাত পড়ার আদেশ করেন।(মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক ৩/২৪৭) 

নফলের তো উৎসাহ দেয়া যায় কিন্তু আদেশ নয়। এখানে যেহেতু আদেশের কথা এসেছে তাই বলা যায় এগুলো সুন্নাতে মুআক্কাদা।

এখানে লক্ষণীয় বিষয় হলো,আলী রাঃ আগমন করার পর জুমার আগে পরে চার রাকাতের কোন পরিবর্তন হয়নি শুধু জুমার পরে দুই বেশি করা হয়েছে।এত্থেকে বুঝা যায় আলী রাঃ ও জুমার আগে পরে চার রাকাত করে পড়তেন এবং দুই রাকাত অতিরিক্ত পড়তেন।আর এর আদেশ থাকায় সুন্নাতে মুআক্কাদা হ‌ওয়া স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়।

একারণেই তো পরবর্তীতে আবু ইউসুফ রহঃ ও অন্যান্য ইমামের নিকট জুমার পরে সুন্নাত ছয় রাকাত রাখা হয়। এবং আলেমগণ সতর্কতা বশত এই মতের উপর‌ই ফাত‌ওয়া প্রদান করে থাকেন।

যেখান থেকে নেয়া হয়েছে এবং যেখানে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে, 

https://www.alkawsar.com/bn/article/772/

http://www.darulifta-deoband.com/home/ur/Jumuah--Eid-Prayers/146772




করেছেন (126 পয়েন্ট)
সুন্দর উত্তরের জন্য ধন্যবাদ। কিছু কিছু লোকের জন্য মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে!! সহিহ হাদিসের ব্যানারে সহিহ কে অস্বীকার করে জাল হাদিস ব্যবহার করছে। আল্লাহ হেদায়েত দিক।    
করেছেন (714 পয়েন্ট)
আমিন! জাযাকাল্লাহ!
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
2 টি উত্তর
26 অক্টোবর 2018 "সালাত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Md Abu Saleh Mallick (1 পয়েন্ট )

277,596 টি প্রশ্ন

361,174 টি উত্তর

108,022 টি মন্তব্য

148,782 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...