349 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (4,190 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (4,190 পয়েন্ট)
১- হযরত উমার বিন আল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “যদি তোমাদের কেউ অন্য কোনো ভাইয়ের প্রিয়ভাজন হয়ে থাকো, তার উচিত শক্তভাবে এই সদ্ভাব বজায় রাখা, কারণ এটি সত্যিই দুর্লভ একটি আশীর্বাদ”।

২- উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু আরো বলেন, ” ইসলামের হেদায়াত লাভের পর সৎ বন্ধুর চেয়ে উত্তম কোন কিছু কাউকে দেয়া হয়নি”।

৩- হযরত আলি ইবন আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘তোমার ভাইয়ের প্রতি সদয় হও, কারণ তারা দুনিয়া ও আখেরাতে তোমার সহায়ক। তোমরা কি জাহান্নামের বাসিন্দাদের চিৎকার শোন না? : “আজ আমাদের জন্যে কেউই রইল না, না আছে কোনো সুহৃদ বন্ধু (যে আল্লাহ তায়ালার কাছে সুপারিশ করতে পারে) ! [সূরা আশ শোয়ারা : ১০০-১০১]‘

৪- আবদুল্লাহ বিন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আল্লাহর শপথ, যদি আমি সারাদিন না খেয়ে সিয়াম পালন করি, সারা রাত না ঘুমিয়ে সালাত আদায় করি, আমার সমুদয় ধন-সম্পত্তি আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করি; এরপর আমি মারা যাই কিন্তু আমার অন্তরে যদি তাদের প্রতি কোনো ভালোবাসা না থাকে যারা আল্লাহর অনুগত এবং যারা আল্লাহর অবাধ্য তাদের প্রতি যদি কোন ঘৃণা না থাকে; আমার এই সকল ইবাদত কোনোই কাজে আসবে না”।

৫- আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ” যদি কোন ব্যক্তি একটানা সত্তর বছর পর্যন্ত মাকামে ইবরাহীমে(কা’বা) দাঁড়িয়ে থেকেও আল্লাহর ইবাদত করে, তবুও সে তাদেরই সাথে হাশরের ময়দানে উঠবে যাদেরকে সে ভালোবেসেছে”।

৬- ইবন আল সামাক তাঁর মৃত্যুশয্যায় থেকে বলেন, ” ও আল্লাহ ! তুমি তো জানো, যদিও আমি তোমার অবাধ্যতা করেছি, তবুও আমি তাদেরকে ভালোবাসতাম যারা তোমার আনুগত্য করেছে। তাই, আমার এই ভালোবাসাকে তোমার নৈকট্য লাভের মাধ্যম বানিয়ে দাও !”

৭- মুজাহিদ বলেন, “যারা পরস্পরকে আল্লাহর জন্যে ভালোবাসে, যখন তারা একে অপরের দিকে তাকিয়ে হাসি বিনিময় করে; তাদের গুনাহগুলো এমনভাবে ঝরে পরে যেভাবে শীতকালে গাছের পাতাগুলো ঝরে পরে”।

৮- “ঈমানের দৃঢ়তম বন্ধন হল আল্লাহর জন্যে ভালোবাসা এবং আল্লাহর জন্যে ঘৃণা করা”।

আল-গাযযালী রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই হাদীসের মন্তব্যে বলেন, “একারণে, এটা অত্যাবশ্যকীয় যে, একজন মানুষ যাদেরকে ঘৃণা করবে তাদেরকে আল্লাহর জন্যেই ঘৃণা করবে, এবং ভাই-বন্ধুদের মধ্যে যাদেরকে ভালোবাসবে, তাদেরকে আল্লাহর জন্যেই ভালোবাসবে”।

৯- আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “বান্দাকে যখন শেষ বিচারের দিনে মহান আল্লাহর সামনে এনে হাজির করা হবে, আল্লাহ তায়ালা তাকে বলবেন, ‘তুমি কি আমার কোন বন্ধু(আউলিয়া)কে ভালোবাসতে, যাতে আমি তার সাথে তোমাকে একত্রিত করতে পারি?”

১০- হাসান আল বসরী বলেন, “কোনো ফাসিকের বিরুদ্ধে কঠোরতা তোমাকে মহান আল্লাহর নৈকট্য দান করবে”।
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর

288,092 টি প্রশ্ন

373,381 টি উত্তর

112,901 টি মন্তব্য

156,764 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...