707 জন দেখেছেন
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (3 পয়েন্ট)
আমি জানতে চাই , কোন কোন খাবার মানে কোন ধরনের শাক সবজি বা তরকারি খেলে দ্রুত লম্বা হওয়া যায় ।লম্বা হওয়ার জন্য আমি কোন ধরনের ব্যায়াম গুলো করবো এই ধরনের কিছু ব্যায়ামের ছবি দেন প্লিজ এবং দ্রুত লম্বা হওয়ার কিছু টিপ্স দেন

4 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (4,911 পয়েন্ট)

সাধারণত মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৬ আর ছেলেদের ক্ষেত্রে ১৮ বয়সের পর লম্বা হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। তবে বলা হয়ে থাকে ২০ বছরের পর আর লম্বা হয় না । কারো কারো মতে ২৫ এর পর গ্রোথ আর হয়না। বন্ধ হয়ে যায়। সত্যি বলতে কি লম্বা হওয়াটা যেহেতু বংশগত বা জেনেটিক ফ্যাক্টর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং বয়স যদি ২৫ এর বেশি হয়ে থাকে তবে বিশেষ কিছু করার থাকে না। তবে যদি বয়স ২০ এর নিচে হয় , বিশেষ করে যারা শিশু বা বয়ঃসন্ধিকাল চলছে যাদের, তাদের জন্য কিছু ডায়েট বা ব্যায়াম করলে উপকার পাওয়া সম্ভব। তাই যাদের বংশে খাটো হওয়ার প্রবণতা আছে তাদের বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকে যত্ন নেয়া উচিত্ ।

০১. সুষম খাদ্য গ্রহণ করাঃ

এক জন লোক অনেক খাটো দেখায় যদি তার শরীর ফাঁপা থাকে। তাই ফিট থাকতে হয় সঠিক খাবার খেয়ে।

- প্রচুর পরিমাণে লীন প্রোটিন খেতে হবে। যেমন সাদা ফার্মের মুরগীর মাংস, মাছ ও দুগ্ধজাত খাবারে প্রচুর লীন প্রোটিন থাকে। যা পেশী গঠনে সাহায্য করে ও হাড্ডির ক্ষত পূরণ করে।

- কার্বোহাইড্রেট খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে। যেমন – ভাত, আলু, কেক ইত্যাদি। অতিরিক্ত মিষ্টি ও সোডা থেকে দূরে থাকুন।

- প্রচুর ক্যালসিয়াম খান যা সবুজ শাকসবজীতে পাওয়া যায়। দুধ, দই -এ প্রচুর ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।

- যথেষ্ট পরিমাণে জিংক থেতে হবে। জিংক পাওয়া যায় কুমড়া, ওয়েস্টার ও গম, ও চিনাবাদামে।

- ভিটামিন ডি খেতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে। এটি পেশী ও হাড্ডি গঠনে ভূমিকা পালন করে। এর অভাবে শিশুদের গ্রোথ ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং তরুণীদের ওজন বাড়ে। মাছে, মাশরুমে ও সূর্যের আলোতে পাওয়া যায় ভিটামিন ডি।

০২. ব্যায়ামঃ

তরুণরা বিশেষ করে বয়ঃসন্ধি কালে হাইট বাড়ানোর ব্যায়াম করে। লাফান, যেমন – দড়ি লাফান, সাঁতার কাটুন, সাইকেল চালান, প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট।  জিমে জয়েন করুন পারলে। খেলাধুলা করুন।

০৩. ঘুমঃ

পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান প্রতিদিন। ঘুমের সময় শরীর বাড়ে। তাই পর্যাপ্ত ঘুমালে শরীর লম্বা হওয়ার মতো সময় পায়। কমপক্ষে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমান যদি আপনার বয়স ২০ এর কম হয়। শরীরের হরমোন গভীর ঘুম এর সময় উত্পন্ন হয়। পিটুইটারী গ্লান্ড থেকে গ্রোথ হরমোন বের হতে সাহায্য করে।

০৪. গ্রোথ যেসব কারণে প্রভাবিত হয় তা পরিহার করার চেষ্টাকরুন। আপনার ন্যাচারাল হাইট যাতে পরিবেশ গত কারণে না কমে তার চেষ্টা করবেন। এলকোহল বা স্মোকিং করা যাবেনা। এগুলো কম বয়সে খাওয়া উচিত্  নয়। যারা অপুষ্টিতে ভোগেন তাদের স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি খাটো দেখায়। যারা একটু খাটো তারা সোজা হয়ে থাকার চেষ্টা করবেন সব সময়। কুঁজো হয়ে হাঁটবেন না। ঘাড়টা একটু পেছনে বাঁকিয়ে সোজা হয়ে হাঁটার অভ্যেস করুন। এতে কিছুটা লম্বা লাগবে। একটু টাইট কাপড় পরার চেষ্টা করবেন। নিজেকে চিকন দেখাতে পারলে কিছুটা লম্বা লাগবে। ডার্ক রঙের ড্রেস যেমন – কালো, নীল, সবুজ পরার চেষ্টা করবেন। মেয়েরা বাইরে গেলে হাইহিল পরবেন।

এছাড়া ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, যদি দেখেন যে আপনার সন্তানের সঠিক গ্রোথ হচ্ছেনা। ডাক্তার রা অনেক রকম টিট্টমেন্ট দিয়ে থাকেন। গ্রোথ হরমোন থেরাপি ছোট বেলায় নিলে কিছুটা উপকার পাওয়া যায়। তাই আপনার শিশুর সঠিক গ্রোথ হচ্ছে কিনা তা জানতে একজন শিশু বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ রাখুন।

তথ্য সূত্রঃ   https://ans.bissoy.com/298647/

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (482 পয়েন্ট)
এমন কিছু অসাধারণ খাবারের নাম, খাদ্য তালিকায় যারা স্থান পেলে বাড়বে দেহের উচ্চতা। ১. আপেল : আপেলে থাকা ফাইবার এবং পানি বাচ্চাদের লম্বা হতে সাহায্য করে থাকে। তাই প্রতিদিন খাবারের আধা ঘন্টা আগে একটি করে আপেল খেতে দিন এতে করে ফাইবারটি লম্বা হতে সাহায্য করে থাকবে। ২. আভাকাডো : দুপুরে খাবার সময়ে অর্ধেকটা আভাকাডো দেহে বিভিন্ন পুষ্টি সরবরাহ করে থাকে। এত করে লম্বা হতে সহায়তা করে থাকে। ৩. স্যুপ : স্যুপ স্বাস্থ্য উপযোগী একটি খাবার। এতে ক্যালরি রয়েছে যা ক্ষুধা বাড়িয়ে দেয়। ফলে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের ফলে কোষ বৃদ্ধি করে লম্বা করে তোলে। ৪. মটরশুটি, ছোলা, মসূর : এই ধরনের খাবারগুলোতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, ভিটামিন বি এবং আয়রন রয়েছে যেগুলো শরীরের কোষ বুদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে। ফলে লম্বা হতেও সাহায্য করে থাকে। ৫. ডার্ক চকোলেট : বাচ্চাদের এমনিতে চকোলেট খেতে দেয়া হয় না। কিন্তু এই ডার্ক চকোলেটও বাচ্চাদের লম্বা করতে সহায়তা করে। এতে থাকা ক্যালরি কোষ বদ্ধি করে ফলে বাচ্চারা লম্বা হয়ে ওঠে। ৬. ডিম : ডিম একটি স্বাস্থ্যকর খাবার। এতে প্রোটিন এবং ভিটামিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। এর ফলে শরীরের বৃদ্ধি হয়ে থাকে এবং লম্বা হয়। ৭. বাদাম : বাদাম বা কাজুবাদামও স্বাস্থ্য উপযোগী একটি খাবার। এটিতে থাকা বিভিন্ন প্রোটিন, ভিটামিন দেহের বিভিন্ন পুষ্টি যোগায়, এবং লম্বা হতেও সহায়তা করে থাকে। আর আপনি লম্বা হতে চিত্রসহ ব্যায়াম এখানে দেখুন- http://www.healthbarta.com/2015/02/11/378
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (33 পয়েন্ট)
আপনার দৈহিক উচ্চতা বাড়ার জন্য দেহের যে যে ভিটামিন ও খনিজ দরকার তা নিয়মিত খাচ্ছেন কিনা নিচ্চিত করুন। আপনার প্রতিদিনকার খাবারের সাথে নির্দিষ্ট কিছু খাবার অন্তর্ভূক্ত করছেন কিনা নিচ্চিত করুন। এখান আমি এই ধরনেরই কিছু খাবারের কথা বলব- - কার্বহাইড্রেট ও ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবার প্রচুর পরিমাণে খান। কারণ এর মাধ্যমে দেহের গড়ন বাড়ে। - ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার প্রচুর পরিমাণে খান। (ডেইরী ফুড ও শাকসবজিতে যা প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।) ক্যালসিয়াম আপনার হাড়ের গড়নকে ত্বরান্বিত করে। - খালি পেটে ৫০০ মিলিগ্রাম নায়াসিন খেলে তা গ্রোথ হরমোনের মাত্রা বাড়ায়। - পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ডি খান (যা মাছ, মাশরুম ও সূর্যের আলোতে একটি নির্দিস্ট সময় পার করলে পাওয়া যায়।) ভিটামিন ডি হাড় ও বাহুর গড়নকে ত্বরান্বিত করে। - প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার বেশি বেশি খান (মাছ, মাংস থেকে যা পেতে পারেন)। এটি আপনার দেহের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। - জিঙ্ক এর পরিমাণ বাড়ান (চকোলেট, বাদাম, মটরশুঁটি ও সাপ্লিমেন্ট থেকে যা পাবেন)। জিঙ্ক এর পরিমাণে কোন অপূর্ণতা দেখা গেলে তা বাচ্চাদের শারীরিক গঠনকে বাধাগ্রস্থ করতে পারে। ভাল হয় যদি জিঙ্ক সাপ্লিমেন্ট বা ভিটামিন ট্যাবলেট এর মাধ্যমে এর অপূর্নতা দূর করেন। - এতক্ষণ যে খাবারগুলোর কথা বললাম তা নিয়মিত প্রতিদিন ৩ বার করে খাওয়ার চেষ্টা করবেন। প্রতিদিনই শিডিউল করে তিনবার খাবারগুলো একই সময়ে খাবেন।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (21,371 পয়েন্ট)

image 


image

 লম্বা হওয়াটা বংশগত

জিনগত ফ্যাক্টরের উপর নির্ভরশীল, কিছু

খাওয়া, ব্যায়াম আপনার উচ্চতা বৃদ্ধি করতে

সাহয্য করবে, নিয়মিত দৌড় জাম্পিং, হ্যাঙ্গিং

সাইকেলিং সাঁতার ব্যায়াম করুন, সাথে

আশ্বগন্ধা (Ashwagandha) গ্রহণ করুণ।

আয়ুর্বেদ মতে, আশ্বগন্ধা (বৈজ্ঞানিক নাম: Withania somnifera) এছাড়াও ভারতীয় ginseng হিসাবে পরিচিত যা উচ্চতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। আশ্বগন্ধায় বিভিন্ন খনিজ পদার্থ রয়েছে যেযা হাড়ের কঙ্কাল এর ঘনত্ব বৃদ্ধিতে সহায়তা করে ফলে শরীরের হাড় প্রসারিত হয়। এর ফলে আপনার উচ্চতাও বৃদ্ধি পাবে। যে কোনো ভেষজ দোকানে আপনি এটা খুজে পেতে পারেন।

সেবন পদ্ধতি:

১। প্রতিদিন ২ টেবিল চামচ করে আশ্বগন্ধার গুড়া গরম পানি অথবা গরুর দুধের সাথে মিলিয়ে পান করুণ।

২। স্বাদ অনুযায়ী চিনি বা গুড় যোগ করুন এবং ভালোভাবে মিশ্রিত করুণ।

৩। আপনার উচ্চতা বৃদ্ধি জন্য প্রথম অন্তত ৪৫ দিন ঘুমোতে যাওয়ার আগে প্রতি রাতে পান করুণ।

দুধ পান করুণ

দুধ পান আপনাকে লম্বা হওয়ার জন্য অনেক সাহায্য করবে কারণ ক্যালসিয়াম আপনার শরীররের হাড় এর বৃদ্ধি ঘটায়, আরেকটা বেপার যা আমাদের দেশে নেই সেটা হল আমেরিকায় তাদের গরু মধ্যে বিভিন্ন হরমোন ইনজেকশন দেওয়া হয় যার মাধ্যমে - হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি হয়, এবং সেই প্রকিয়াজাতকরন দুধ হয় সাধারণ দুধ এর বিকল্প।

পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান (proper sleep):

আমরা যখন ঘুমিয়ে থাকি বা বিশ্রাম নিই তখন শরীরের টিস্যু পুনরুৎপাদন হয় এবং আকার বৃদ্ধি পায়। গবেষণায় জানা গেছে হিউম্যান গ্রোথ হরমোন (HGH) আমাদের শরীরে প্রাকৃতিক ভাবে উৎপন্ন হয় তখনই যখন আমরা ঘুমিয়ে থাকি। তাই উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম (proper sleep) অপরিহার্য।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
12 সেপ্টেম্বর 2015 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Prince haq (0 পয়েন্ট)
1 উত্তর
30 অগাস্ট 2016 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Talim Talukdar (9 পয়েন্ট)

240,654 টি প্রশ্ন

310,492 টি উত্তর

88,115 টি মন্তব্য

122,706 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
  1. Porimol ray

    1002 পয়েন্টস

  2. আকবর আলী

    762 পয়েন্টস

  3. আশরাফুজ্জামান আশিক

    621 পয়েন্টস

  4. সুন্দর ইসলাম

    565 পয়েন্টস

  5. Arnob Das shuvo

    492 পয়েন্টস

* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...