397 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (6,525 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (6,525 পয়েন্ট)
"ঈশ্বর বলে কিছুই নেই !!!!! সব কিছুই কাকতালীয় ভাবে  উৎপন্ন হয়েছে। সকল প্রাণী  বিবর্তনের ফসল।"

 

 উক্তিটি নাস্তিক , বিবর্তনবাদীদের মধ্যে Common একটি কথা ।

 

কিন্তু , সামান্য একটি প্রোটিনই  এই ধারণাকে ভুল প্রমাণে যথেষ্ট । কারণ কাকতালীয় ভাবে একটি প্রোটিন গঠনের সম্ভাব্যতা হল ১/(১০^৯৫০) !! ১০^৯৫০ মানে হল ১ এর পরে ৯৫০ টা শূন্য বসালে যে সংখ্যা হয়। অর্থাৎ সম্ভাবতা হবে , "." এর পরে ৯৪৮টা শূন্য বসাইয়ে এর পর ১ বসালে যে সংখ্যা হয়।  অর্থাৎ কাকতালীয় ভাবে একটি প্রোটিন গঠিত হওয়ার সম্ভাবনা ''০'' ।নিচে  এই সহজ গণিতটি তুলে ধরা হল।  যারা সম্ভাব্যতা বুঝেন না , আপনারা পারলে অন্য কারো কাছে পরীক্ষা করিয়ে নিতে পারেন ।

 

আগে বলে নেই , প্রোটিন গঠনের জন্য তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে ।১ ) সঠিক Amino এসিড  নির্বাচন

২)  সকল  এমিনো এসিড  কে অবশ্যই L-এমিনো এসিড  হতে হবে ।

৩ )  সকল এমিনো এসিড কে অবশ্যই  পেপটাইড বন্ড দিয়ে যুক্ত হতে হবে।

নিচে  ৫০০ এমিনো এসিড বিশিষ্ট প্রোটিন সমূহের সম্ভাব্যতা নিয়ে আলোচনা করা হল

 

১)  সঠিক এমিনো এসিড নির্বাচনঃ

 

প্রকৃতিতে প্রায় ২০ ধরণের এমিনো এসিড পাওয়া যায় যেগুলো প্রোটিন গঠনের জন্য দায়ী।এদেরকে বলা হয় Proteinogenic Amino Acid । একটি নির্দিষ্ট প্রোটিনের জন্য একটি নির্দিষ্ট এমিনো এসিড  প্রয়োজন। তাই কাকতালীয় ভাবে ঐ নির্দিষ্ট এমিনো  এসিড বাছাই হওয়ার সম্ভাবনা ১/২০ ।সুতরাং প্রোটিনের জন্য  ৫০০ টি নির্দিষ্ট এমিনো এসিড বাছাই হওয়ার সম্ভাবনা হল ১/(২০^৫০০) = ১/(১০^৬৫০)।

 

২। L-এমিনো এসিড হতে হবেঃ

 

শুধুমাত্র একটি  L-এমিনো এসিড  কাকতালীয় ভাবে পাওয়ার সম্ভাবনা ১/২ ।

৫০০ টি L-এমিনো এসিড কাকতালীয় ভাবে পাওয়ার সম্ভাবনা (১/২^৫০০) = (১/১০^১৫০)। [ actually ২^৫০০ > ১০^১৫০ । but হিসাবের সুবিধার জন্য এখানে ১০^১৫০ লেখা হয়েছে। বাকিগুলার খেতরেও এক ই কথা প্রযোজ্য। ]

 

৩ )  পেপটাইড বন্ড ঃ

 

এমিনো এসিড নিজেদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক বন্ধন গঠন করতে পারে, প্রোটিনের  ক্ষেত্রে সেটা অবশ্যই পেপটাইড  বন্ড হতে হবে । আর কোন বন্ধন নয় । এখন একটি এমিনো এসিডের আরেকটি এমিনো এসিডের সাথে শুধু মাত্র পেপটাইড বন্ড দ্বারা গঠিত হওয়ার সম্ভাবনা হল ১/২ ।

৫০০ টি এমিনো  এসিড  ই কাকতালীয় ভাবে পেপটাইড বন্ড দ্বারা পরস্পরের সাথে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা = ১/(২^৪৯৯) = ১/(১০^১৫০)

 

সুতরাং কাকতালীয় ভাবে একটি প্রোটিন গঠিত হওয়ার সম্ভাবনা = (১/১০^৬৫০) x (১/১০^১৫০) x (১/১০^১৫০) = ১/(১০^৯৫০)!!!!১০^৯৫০ জানেন কত টুকু ??"১00000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000000 "

গুনে দেখার দরকার নেই, আমাকে প্রোগ্রামিং করে লিখতে হয়েছে !!!!

তাঁর মানে যদি উপরের ,মহা বিশাল থেকে বিশাল সংখ্যক  ঘটনা ঘটে তাহলে একবার  একটি প্রোটিন গঠিত হবে !!!!একবার চিন্তা করে দেখুন , মানব দেহের  একটি কোষে বেশ কিছু প্রোটিন আছে। আবার মানব দেহে কোটী কোটি  কোষ  আছে ।

তাহলে সব কোশ ের প্রোটিন একসাথে গঠিত হওয়ার সম্ভাবনা হবে "০"!!!

 

এখন, অনেকে বলতে পারেন , "প্রোটিন  এতো সহজে সাথে সাথে উৎপন্ন হয় নি, 'হাজার হাজার বছর ধরে , আস্তে আস্তে' একটি একটি করে এমিনো এসিড যুক্ত হয়ে  প্রোটিন  উৎপন্ন হয়েছে।"

আসলে আমি এখানে সময় নিয়ে কথা বলছি না , সম্ভাব্যতা ও সেটা নিয়ে কিছুই বলছে না। এখানে বলা হচ্ছে , প্রোটিন কি কাকতালীয় ভাবে গঠিত হয়েছে নাকি না। সেটা হতে এক সেকেন্ড লাগুক  অথবা এক হাজার বছর । এখন এটা স্পষ্ট যে একটি প্রোটিন অণু কাকতালীয় ভাবে উৎপন্ন হওয়া অসম্ভব। তার মানে অবশ্যই একজন স্রষ্টা আছেন যিনি সব কিছু সৃষ্টি করেছেন ।

 

That means No EVOLUTION, and there is a GOD.

 

 ।

 

 

links:

1. http://en.wikipedia.org/wiki/Amino_acid

2 http://en.wikipedia.org/wiki/Protein

 

এই লিঙ্কগুলো আমার সরাসরি কাজে লেগেছে।

 

 

http://en.wikipedia.org/wiki/Chromosomehttp://en.wikipedia.org/wiki/Nucleotideshttp://en.wikipedia.org/wiki/Chromatin

http://en.wikipedia.org/wiki/Histone

http://en.wikipedia.org/wiki/Mitochondrion

http://en.wikipedia.org/wiki/Protein#Biochemistry

http://en.wikipedia.org/wiki/Peptide_sequencehttp://en.wikipedia.org/wiki/Proteinogenic_amino_acid

http://en.wikipedia.org/wiki/Universal_genetic_code এগুলো সরাসরি লাগে নি , তবে আপনারা আরো জানতে চাইলে দেখতে পারেন ।

মোঃ আরিফুল ইসলাম বিস্ময় ডট কম এর প্রতিষ্ঠাতা। খানিকটা অস্তিত্বের তাগিদে আর দেশের জন্য বাংলা ভাষায় কিছু করার উদ্যোগেই ২০১৩ সালে তার হাত ধরেই যাত্রা শুরু করে বিস্ময় ডট কম। পেশাগত ভাবে প্রোগ্রামার।
মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (6,525 পয়েন্ট)
আল্লাহ তায়ালার অস্তিস্ত্বের স্বপক্ষে অনেক যৌক্তিক প্রমাণ রয়েছে। তন্মধ্যে কিছু প্রমাণ নিচে উপস্থাপিত হল।

আল্লাহ তায়ালা নিজেই সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ কিংবা উপাসনা পাওয়ার যোগ্য কেউ নেই। তিনিই সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা। এ ব্যাপারে তার সাথে কোন বিতর্ককারীই বিতর্ক করার সাহস করেনি। তোমরা কি সমগ্র পৃথিবীর ইতিহাসে খুজে এমন কাউকে পেয়েছ যে নিজে আকাশ ও যমীন সৃষ্টি করেছে বলে দাবি করেছে? যদিও সে আল্লাহ তায়ালার অত্যন্ত অবাধ্য বান্দা হয়। যেমন-(আল্লাহ তায়ালা সকল উদাহরণের উর্ধ্বে) যদি কেউ কোন জমিনের মালিকানা দাবি করে এবং তাতে নিজের নাম টাঙ্গিয়ে রাখে এবং এভাবে কয়েক দশক বছর অতিক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও কেউ যদি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ না জানায় তাহলে উক্ত জমি তার বলেই প্রমাণিত হয়। অথবা, আমরা যদি কোথাও কোন টাকার থলে কুড়িয়ে পাই এবং তা প্রচার করার পর একজন লোক এসে আমার কাছে তার থলের গুণাবলী বর্ণনা করে এবং অন্যরা মালিকানা দাবি না করে তাহলে, তার কাছেই তা সমর্পন করে থাকি।

আল্লাহ ছাড়া যদি অন্য কোন ইলাহ বা স্রষ্টা থাকত তাহলে কেন সে নিজের পক্ষ থেকে তার দাবি করে আল্লাহ তায়ালার দাবিকে মিথ্যা বলে প্রমাণ করল না? কেউ হয়ত উত্তরে বলতে পারেন- তিনি সেটা নাও জেনে থাকতে পারেন। একটা কিন্তু অত্যন্ত নিন্দনীয় ওজর। কেননা, অজ্ঞানতা ইলাহের জন্য একেবারেই অসম্ভব। আর যদি বলা হয় জানতেন তবে, উক্ত ইলাহকে ভয় পেয়েছেন তবুও তা গ্রহণযোগ্য হবে না। কেননা, ইলাহ কখনো কাউকে ভয় করতে পারে না। যদি সে কাউকে ভয় পায় তাহলে বুঝতে হবে সে ইলাহ হওয়ারই উপযুক্ত নয়। আল্লাহ তায়ালা বলেন:

قُل لَّوْ كَانَ مَعَهُ آلِهَةٌ كَمَا يَقُولُونَ إِذاً لاَّبْتَغَوْاْ إِلَى ذِي الْعَرْشِ سَبِيلاً{42} سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى عَمَّا يَقُولُونَ عُلُوّاً كَبِيراً-

অর্থাৎ, হে নবী (সা:)! বলুন মুশরিকদের দাবী অনুযায়ী যদি অন্য কোন ইলাহ থাকত তাহলে তারা আরশের মালিক আল্লাহ তায়ালার কাছে পৌছানোর করার জন্য বাহানা তালাশ করত। পুত পবিত্র আল্লাহ তায়ালা তাদের দাবীর অনেক উর্ধ্বে।(সুরা বানী ইসরাইল: ৪২-৪৩)

যদি আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ থাকত তাহলে, বিশ্ব জগতের সিস্টেমটাই ওলটপালট হয়ে যেত। বিশ্বজগতের সব কিছুই ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ত। আমরা হয়ত দেখতে পেতাম সুর্যের ইলাহের নিয়মের সাথে বৃষ্টি, ফসল-উৎপাদনকারী, বাতাস কিংবা চন্দ্রের ইলাহের নিয়মে বৈপরিত্য দেখা দিচ্ছে ইত্যাদি।

আল্লাহ তায়ালা বলেন:

لَوْ كَانَ فِيهِمَا آلِهَةٌ إِلَّا اللَّهُ لَفَسَدَتَا


অর্থাৎ,যদি আকাশ ও যমীনে আল্লাহ তায়ালা ছাড়া আর কোন ইলাহ থাকত তাহলে (পৃথিবী ও আকাশ) উভয়ের ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যেতো। (সুরা আম্বিয়া: ২২)

অন্যত্র আল্লাহ তায়ালা বলেন:

مَا اتَّخَذَ اللَّهُ مِن وَلَدٍ وَمَا كَانَ مَعَهُ مِنْ إِلَهٍ إِذاً لَّذَهَبَ كُلُّ إِلَهٍ بِمَا خَلَقَ وَلَعَلَا بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يَصِفُونَ

অর্থাৎ, আল্লাহ তায়ালা কাউকে নিজের সন্তানে পরিণত করেননি এবং তাঁর সাথে অন্য কোন ইলাহও নেই। যদি আর কোন ইলাহ থাকত তাহলে প্রত্যেক ইলাহ নিজের সৃষ্টি নিয়ে আলাদা হয়ে যেত, তারপর একজন অন্যজনের ওপর চড়াও হতো। এরা যেসব কথাবার্তা তৈরী করে তা থেকে আল্লাহ পাক-পবিত্র। (সুরা মু'মিনুন:৯১)

জাযাকাল্লাহু খাইরান।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
1 উত্তর
13 জুন 2017 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন জিনাত জাহান (9 পয়েন্ট)
1 উত্তর
04 জানুয়ারি 2014 "জনক/প্রবক্তা/আবিষ্কারক" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন mhf312 (2,824 পয়েন্ট)

228,790 টি প্রশ্ন

293,064 টি উত্তর

80,928 টি মন্তব্য

114,610 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
  1. মোঃ খোকন মিয়া

    636 পয়েন্টস

  2. আল আমিন ভাই

    613 পয়েন্টস

  3. মো: বোরহান হোসেন

    597 পয়েন্টস

  4. Samiul islam Sagor

    595 পয়েন্টস

  5. Sabirul Islam

    577 পয়েন্টস

* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...