254 জন দেখেছেন
"নিত্য ঝুট ঝামেলা" বিভাগে করেছেন (0 পয়েন্ট)

মেয়েতার কথা চিন্তা হই......একন কি করি?

4 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (21,401 পয়েন্ট)

ঘুম আসতে যেটি করবেন

ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম দুটিই ঘুম উদ্রেককারী খাবার। একারনেই ঘুমুতে যাওয়ার পূর্বে ১ গ্লাস উষ্ণ গরম দুধ পান করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন ডাক্তারগণ। ঘুম সমস্যা দূর করতে তাই প্রতি রাতে ২০০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম ও ৬০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার রাখুন খাদ্যতালিকায়।

লেটুস পাতা

মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, মাথা ব্যথা এবং মাংসপেশির ব্যথা জনিত সমস্যা অনেকের রাতে ঘুম হয় না। এবং অনিদ্রায় ভুগে থাকেন। লেটুস পাতা এই সমস্যার বেশ ভালো একটি সমাধান। এটি মস্তিষ্ক রিলাক্স করতে সহায়তা করে। ঘুমুতে যাওয়ার আগে ৩০ থেকে ১২০ মিলিগ্রাম পরিমাণ লেটুস পাতা দিয়ে জুস তৈরি করে পান করে নিতে পারেন।

টিপস না পুরো মানতে না পারলে শুধু এক

গ্লাস হালকা গরম দুধ  ঘুমানোর

আগে খান নিয়মিত।

করেছেন (2,019 পয়েন্ট)
ভাই,আপনি যেভাবে ঘুম সম্পর্কে বর্ণনা দিয়েছেন,মনে হচ্ছে ঘুম বিশেষজ্ঞও হার মেনে যাবে! খুব ভালো টিপস,আপনি সব বিষয়ে এভাবে এগিয়ে আছেন,আল্লাহ আপনাকে আরো জ্ঞান দান করুন,সাথে আমাকেও!
করেছেন (21,401 পয়েন্ট)

বাহ এই যে এখন মন্তব্য করতে পারতেছেন

ধন্যবাদ ভাই...........

করেছেন (2,019 পয়েন্ট)
সবইতো আপনার জন্যে! ভাই আমার কাছে খুব আনন্দ লাগছে,মজাও লাগছে! আপনাকে ধন্যবাদ দুইবার!
করেছেন (21,401 পয়েন্ট)
স্বাগতম.......................
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (1,611 পয়েন্ট)

কিছু উপায় --

১) যত  সম্ভব জেগে থাকার চেষ্টা করুন–হ্যাঁ, জানি চমকে যাবেন। কিন্তু পোলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা এমনটাই বলছে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে বই পড়ুন, ডায়েরি লিখুন। দেখবেন মন, শরীরে ক্লান্তিতে এমনিতেই ঘুমিয়ে পড়বেন।


২) নিজের ঘর ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করুন । ঠান্ডা ঘরে তাড়াতাড়ি ঘুম আসে। চেষ্টা করুন নিজের ঘর যতটা সম্ভব ঠান্ডা রাখার।


৩) শুতে যাওয়ার আগে গোসল করুন।


৪) ঘরে ভেষজ রুম ফ্রেশনার ব্যবহার করুন–সুগন্ধ মানুষের ঘুমের সহায়ক। ঘরে রুম ফ্রেশনার দিন। তবে সেটা ভেষজ হলেই ভাল।


৫) হালকা সাউন্ড দিয়ে গান অথবা ইন্সট্রুমেন্টাল জাতীয় কিছু শুনুন–খুব হালকা সাউন্ড দিয়ে আপনার পছন্দের গান শুনুন। দেখবেন কখন ঘুমিয়ে পড়েছেন। তবে গানের থেকেও ইন্সট্রুমেন্টাল কিছু এ ক্ষেত্রে আরও বেশি কাজে দেবে।


৬) শুতে যাওয়ার আগে হালকা এক্সসারসাইজ করুন ।

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (2,019 পয়েন্ট)
ঘুমের সহজ টিপস-ভাই আপনি একরাত ও একদিন না ঘুমিয়ে থাকেন ! দেখবেন পরের দিন রাত ৭ টা বাজে ঘুম চলে আসবে! আর আপনি আরামে ঘুমাতে পারবেন! এভাবে একটা অভ্যাস করে ফেলুন,দেখবেন ঘুম কারে কয়!
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (2,985 পয়েন্ট)

১. ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বে বই পড়ুন:

ঘুম আনয়নের সব থেকে সহজ উপায় হল বিছানায় যাবার জন্য সম্পূর্ণ তৈরি হয়ে বাতি নিভিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়ুন। তারপর বিছানার পাশে হালকা আলোর বাতিতে বই পড়ুন। কোন মজাদার বই পড়ার দরকার নেই, এমন কোন বই পড়বেন যাতে আপনার বিরক্তিবোধ হয় এবং আপনি ঘুম অনুভব করেন। বই পড়ার কারনে আপনি ইলেক্ট্রনিক পণ্য অর্থাৎ মোবাইল, ট্যাব, টিভি ইত্যাদি হতে দূরে থাকবেন। যার ফলে আপনার ঘুমের সমস্যা রোধ হবে। তাই, আগামীবার থেকে আপনার বিছানায় একটি বই রাখবেন।


২. বিছানায় যাবার সময় নির্ধারণ করুন:

একটি নির্ধারিত সময়ে অবশ্যই আপনার বিছানায় যাবার জন্য নিজেকে বাধ্য করবেন। এর ফলে আপনার ঘুমের সমস্যায় যথেষ্ট উপকার পাবেন। এর ফলে শুধু আপনার শারীরিক উন্নতি নয়, মানসিকভাবেও অনেক সুফল ভোগ করবেন। একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাবার অভ্যাস করলে সেই সময়ে প্রাকৃতিকভাবেই ঝিম ভাব চলে আসবে। তখন আপনার ঘুমাতে যেতে হবে। ছোট শিশুদের ক্ষেত্রেও একই। সময়মত ও একই সময়ে ঘুমানোর কারনে মস্তিষ্কের সেরোটোনিন ও মিলাটোনিন ঠিকমত কাজ করতে পারে। যার ফলে আপনার সার্কাডিয়ান তালের সামঞ্জস্য বজায় থাকে। তাহলে, এটা বলা বাহুল্য যে ভালোভাবে ঘুমের জন্য সঠিক সময়ে ঘুমানো অপরিহার্য।


৩. স্বাস্থ্যকর ডায়েট পদ্ধতি অনুসরণ করুন:

সবকিছুর ক্ষেত্রে সকলেই স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন। আপনি শুনে অবাক হতে পারেন যে, ভালো ডায়েটের সাথে খাবারের সম্পর্ক রয়েছে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, পর্যাপ্ত পরিমাণ শাকসবজি ও ফলমূল খাবার ফলে শরীরের পালস এর গতি বৃদ্ধি পায়, যার ফলে ঘুমের সমস্যা দূর হয়। খাবারের ফলে শরীরের ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম এবং অন্যান্য অপরিহার্য খনিজ এর চাহিদা পূরণ হয়। এছাড়া সঠিক ডায়েটের কারনে শরীরের ট্রিপটোফেন এর পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। যা সঠিক সময়ে ঘুম আসার সাথে সাথে সঠিক সময়ে জাগ্রত হবার জন্য সাহায্য করে।


৪. আপনার কক্ষ ঠাণ্ডা রাখুন:

ঘুমের সময় আপনার শয়ন কক্ষটি খুব শান্ত রাখার চেষ্টা করুন। বছরের পর বছর বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমানোর সময় মানুষের শরীরের তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পায়। তাই, যতটা সম্ভব ঘরের তাপমাত্রা ঠাণ্ডা রাখলে ঘুম ভালো হয়। তবে কক্ষের তাপমাত্রা বেশী ঠাণ্ডা করার প্রয়োজন নেই। পাখা চালিয়ে ঘুমালে বা একটি জানালা খুলে রাখলেই যথেষ্ট। দেখবেন, খুব তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েছেন।


৫. গরম দুধ পান করুন:

আগেরদিনের মানুষেরা বিশ্বাস করত ঘুমের আগে গরম দুধ পান করলে ঘুম ভালো হয়। তাদের এই বিশ্বাস এখন বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, ঘুমাতে যাবার পূর্বে গরম দুধ পান করার ফলে মানসিক প্রশান্তি বিরাজ করে। এতে সারারাতের ঘুম ভালো হয়। শরীরের ট্রিপটোফেন এর পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। যার ফলে ঘুমের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

4 টি উত্তর
12 সেপ্টেম্বর 2018 "নিত্য ঝুট ঝামেলা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন shaptarnun jahan (176 পয়েন্ট)
3 টি উত্তর
06 মার্চ 2018 "নিত্য ঝুট ঝামেলা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল

283,269 টি প্রশ্ন

367,718 টি উত্তর

110,791 টি মন্তব্য

152,832 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...