বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
5,098 জন দেখেছেন
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে করেছেন (38 পয়েন্ট)
হামদর্দ কোনো ঔষধ আছে যা কন্ঠ সুন্দর করে।

4 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (1,041 পয়েন্ট)

গলার কন্ঠ সুন্দর রাখার জন্যঃ

১। পরিমাণ মতো পানি পান

করতে হবে; অ্যালকোহল এবং চা কফি জাতীয় পানীয় শরীরকে পানি শূন্যতার দিকে নিয়ে যায় ফলে এগুলো গ্রহণের

ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করবেন।

২। রং চায়ের সাথে আধা দিয়ে প্রতিদিন খান।

এছাড়া 

গলার কন্ঠ চিকন ও মধুর করতে জৈষ্ঠি মধু খান প্রতিদিন খালি পেটে।আর এয়ারসেল দেওয়ার অভ্যাস করুন ঠিক হয়ে যাবে।

SOURCE:- BISSOY ANSWER 

+1 টি পছন্দ
করেছেন (1,568 পয়েন্ট)

কি ভাবে কণ্ঠ স্বরকে সুন্দর রাখবেন

dailyinqilab 2014/04/16

সঠিক উচ্চারণে, সঠিক শব্দে গুছিয়ে কথা বলা একটি আর্ট। অন্যের কাছে নিজেকে আকর্ষণীয়, এক্সট্রা অর্ডিনারি ব্যক্তিত্ব প্রকাশের মূল বিষয় ‘আর্ট অফ স্পিকিং’ অর্থাৎ আকর্ষণীয় এবং হৃদয়গ্রাহী করে মনের ভাব প্রকাশ করার ক্ষমতা। আপনি যতই জ্ঞান এবং বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তি হোন না কেনো আপনার ভাব বা ইচ্ছা অন্যকে অনুপ্রাণিত বা মোটিভেট করতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না অন্যের উপলব্ধিতে বা চেতনায় তা স্পর্শ বা প্রবেশ করতে পারছে এবং এটি সম্ভব তখনই যখন আপনার বিশ্বাস এবং চেতনা বা ঘটনা ভাষার মাধ্যমে সঠিক শব্দে এবং উচ্চারণে (টোনে) বলতে পারবেন। এক্ষেত্রে সচেতনতা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন, গলার (ভোকাল কর্ড) নালীর সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা এবং তা সুরক্ষায় পরিকল্পনা মাফিক গলার ব্যায়াম, সঠিক খাদ্য গ্রহণ এবং ভোকাল কর্ডের/গলার মাসলের ক্ষতি হয় ওই সকল বিষয়গুলো ত্যাগ করা ইত্যাদি। স্বরতন্ত্রের সুস্থতা এবং ভয়েস থেরাপী বিষয়ে খেয়াল রাখা কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলা। অনেকে জিমে, হেলথ ক্লাবে যোগ দেন শরীরকে ঠিক রাখতে, শরীরের মাসল সুগঠিত করার জন্য কিন্তু যারা সঙ্গীত শিল্পী, আবৃত্তিকার, উপস্থাপক, সংবাদ পাঠক, ট্রেইনার, বক্তা, শিক্ষক তারা গলার স্বর বা ভোকাল কর্ডের ব্যায়াম ও সুস্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উৎকণ্ঠায় থাকেন। আপনার ব্যক্তিত্ব, আবেগ প্রকাশিত হয় আপনার বলার ভঙ্গী ও টোনের উপর। শ্রোতারা চুম্বকের মতো আটকে থাকবে আপনার ভয়েসের উপর। আপনার সফলতার বড় একটি বিষয় আপনার ভয়েস অর্থাৎ আপনি কি বলছেন তার চাইতে গুরুত্বপূর্ণ কিভাবে বলছেন। আপনার কথার উচ্চারণ তরঙ্গ অন্যের কানের পর্দায় কোন স্পন্দনে পৌঁছাছে তা গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার শব্দ ব্রেনে ইতিবাচক ভাইব্রেশন তৈরি করে একটি শান্তিময় মোহনীয় চুম্বকীয় আকর্ষণে আপনার প্রতিটি শব্দকে গ্রহণ করতে আগ্রহী হবে। সূতার টানের মতো আটকে রাখবে অন্যকে। কোন শব্দের পর থামতে হবে, কোন শব্দটি টেনে বলতে হবে, কোন শব্দটির উপর জোর দিতে হবে সেটি রপ্ত করতে পারলেই ভাবকে সঠিকভাবে বুঝানোর সম্ভব। মানুষ মুগ্ধ হয়ে যেমন গান শুনে, সঠিকভাবে কথা বলতে পারলে তেমনি মানুষ মুগ্ধ হয়ে শুনবে আপনার কথা।

আমেরিকান একাডেমী অফ অটোল্যাঙ্গলোজী হিসাব অনুযায়ী আমেরিকাতে ৭ মিলিয়ন মানুষ স্বর তন্ত্রের সমস্যায় ভুগছে। 

গলার স্বর সুস্থ রাখতে যে বিষয়গুলো মনে রাখা দরকার :

১। ভোকাল কর্ড সুস্থ থাকলে গলার আওয়াজ সুন্দর ও সঠিক থাকে। 

২। জোরে আওয়াজ করে কথা বললে স্বর তন্ত্রের ক্ষতি হয়। 

৩। একইভাবে ক্ষতি হয় ফিসফিস করে কথা বললে। 

৪। কোন অনুষ্ঠানে সোর-গোলের মধ্যে কারো সাথে জোরে জোরে আলাপ করলে স্বরতন্ত্রের ক্ষতি হয়। 

৫। ঠা-া সর্দির সময় বেশি জোরে আওয়াজ করে কাশি দিলে বা কথা বললে ভোকাল কর্ডের ক্ষতি হতে পারে। 

৬। সিগারেট ভীষণ খারাপ গলা নষ্ট করার জন্য। ধূমপান অবশ্যই ত্যাগ করতে হবে। 

৭। সঠিক ভঙ্গিতে বসা উচিত, মেরুদ-, ঘাড়, মাথা সোজা করে বসা বা দাঁড়ানো বা হাঁটার অভ্যাস করা উচিত। 

৮। ঠা-ায় বা কোন কারণে গলা বসে গেলে আওয়াজ করে কথা বলা যাবে না। ই,এন,টি চিকিৎসকের জরুরি ভিত্তিতে পরামর্শ নিন। 

গলার স্বর সুন্দর রাখার কিছু নিয়ম : 

১। পরিমাণ মতো পানি পান করতে হবে; অ্যালকোহল এবং চা কফি জাতীয় পানীয় শরীরকে পানি শূন্যতার দিকে নিয়ে যায় ফলে এগুলো গ্রহণের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে হবে। 

২। ধূমপান পরিহার করতে হবে, ধূমপান গলার ক্ষতি এবং ক্যান্সার সৃষ্টির অন্যতম কারণ, এমনকি পরোক্ষ ধূমপানেও স্বরতন্ত্রের ক্ষতি হতে পারে। 

৩। স্বরের উপর অত্যাচার বা স্বরের অপব্যবহার করা যাবে না। কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে চেঁচামেচি বা জোরে চিৎকার করা যাবে না। যদি কথা বলতে বলতে স্বর শুষ্ক, ক্লান্ত বা খসখসে মনে হয়, তবে কথা বলা বন্ধ রাখতে হবে, তা না হলে স্বরতন্ত্রের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। 

৪। প্রতিদিন কিভাবে কথা বলছেন তার প্রতি খেয়াল করুন কারণ ভুলভাবে কথা বলার ধরণ আপনার স্বরকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তবে সঠিক উচ্চারণে বাংলা, ইংরেজী বা অন্য ভাষা যুক্ত করে কথা বলা বা ভাব বিনিময় মেধা বা ব্রেনের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে (তবে ঋগ রেডিওর ধরণ মোটেও নয়)।

৫। যারা সুন্দরভাবে বা সঠিক উচ্চারণে যত্ন নিয়ে কথা বলেন তাদের সাথে বন্ধুত্ব বা যোগাযোগ রাখা এবং নিয়মিত ওই সকল অনুষ্ঠান দেখা বা অংশ নেয়া যেখানে উচ্চারণ তত্ত্বকে বা প্রমিথ ভাষার চর্চাকে গুরুত্ব দেয়া হয়। আপনার বলার ধরণ তেমনি হবে যেমন শুনবেন। আপনি যে শব্দ ভা-ারের মধ্যে থাকছেন, শোনছেন বা বলছেন হঠাৎ করে কোন অনুষ্ঠানে বা ব্যক্তির সাথে যদি অন্য সুরে বা টোনে নিজেকে কথার মাধ্যমে উপস্থাপন করতে চেষ্টা করেন তবে আপনার কৃতিমতা এসে যাবে। এতে বিষয়টি আরো শ্রুতিকটু হয়ে যেতে পারে এবং গলার মাসল টোনের উপর চাপও পড়তে পারে। 

কণ্ঠস্বর খুব গুরুত্বপূর্ণ অন্যের সাথে সুসম্পর্ক রক্ষা, উন্নয়ন এবং যোগাযোগ করার জন্য। একজন সঙ্গীত শিল

0 টি পছন্দ
করেছেন (4,323 পয়েন্ট)
সে ক্ষেত্রে আপনি প্রতিদিন সকালে ও রাতে শুতে যাওয়ার আগে লবণ-আদা গরম জল দিয়ে কুলকুচি করতে পারেন। এতে ভালো সুফল পাওয়া যাবে।
করেছেন (4,323 পয়েন্ট)
কণ্ঠ সুস্থ রাখবেন কিভাবেঃ সঠিক উচ্চারণে, সঠিক শব্দে গুছিয়ে কথা বলা একটি আর্ট। অন্যের কাছে নিজেকে আকর্ষণীয়, এক্সট্রা অর্ডিনারি ব্যক্তিত্ব প্রকাশের মূল বিষয় ‘আর্ট অফ স্পিকিং’ অর্থাৎ আকর্ষণীয় এবং হৃদয়গ্রাহী করে মনের ভাব প্রকাশ করার ক্ষমতা। আপনি যতই জ্ঞান এবং বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তি হোন না কেনো আপনার ভাব বা ইচ্ছা অন্যকে অনুপ্রাণিত বা মোটিভেট করতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না অন্যের উপলব্ধিতে বা চেতনায় তা স্পর্শ বা প্রবেশ করতে পারছে এবং এটি সম্ভব তখনই যখন আপনার বিশ্বাস এবং চেতনা বা ঘটনা ভাষার মাধ্যমে সঠিক শব্দে এবং উচ্চারণে (টোনে) বলতে পারবেন। এক্ষেত্রে সচেতনতা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন, গলার (ভোকাল কর্ড) নালীর সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা এবং তা সুরক্ষায় পরিকল্পনা মাফিক গলার ব্যায়াম, সঠিক খাদ্য গ্রহণ এবং ভোকাল কর্ডের/গলার মাসলের ক্ষতি হয় ওই সকল বিষয়গুলো ত্যাগ করা ইত্যাদি। স্বরতন্ত্রের সুস্থতা এবং ভয়েস থেরাপী বিষয়ে খেয়াল রাখা কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলা। অনেকে জিমে, হেলথ ক্লাবে যোগ দেন শরীরকে ঠিক রাখতে, শরীরের মাসল সুগঠিত করার জন্য কিন্তু যারা সঙ্গীত শিল্পী, আবৃত্তিকার, উপস্থাপক, সংবাদ পাঠক, ট্রেইনার, বক্তা, শিক্ষক তারা গলার স্বর বা ভোকাল কর্ডের ব্যায়াম ও সুস্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উৎকণ্ঠায় থাকেন। আপনার ব্যক্তিত্ব, আবেগ প্রকাশিত হয় আপনার বলার ভঙ্গী ও টোনের উপর। শ্রোতারা চুম্বকের মতো আটকে থাকবে আপনার ভয়েসের উপর। আপনার সফলতার বড় একটি বিষয় আপনার ভয়েস অর্থাৎ আপনি কি বলছেন তার চাইতে গুরুত্বপূর্ণ কিভাবে বলছেন। আপনার কথার উচ্চারণ তরঙ্গ অন্যের কানের পর্দায় কোন স্পন্দনে পৌঁছাছে তা গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার শব্দ ব্রেনে ইতিবাচক ভাইব্রেশন তৈরি করে একটি শান্তিময় মোহনীয় চুম্বকীয় আকর্ষণে আপনার প্রতিটি শব্দকে গ্রহণ করতে আগ্রহী হবে। সূতার টানের মতো আটকে রাখবে অন্যকে। কোন শব্দের পর থামতে হবে, কোন শব্দটি টেনে বলতে হবে, কোন শব্দটির উপর জোর দিতে হবে সেটি রপ্ত করতে পারলেই ভাবকে সঠিকভাবে বুঝানোর সম্ভব। মানুষ মুগ্ধ হয়ে যেমন গান শুনে, সঠিকভাবে কথা বলতে পারলে তেমনি মানুষ মুগ্ধ হয়ে শুনবে আপনার কথা। আমেরিকান একাডেমী অফ অটোল্যাঙ্গলোজী হিসাব অনুযায়ী আমেরিকাতে ৭ মিলিয়ন মানুষ স্বর তন্ত্রের সমস্যায় ভুগছে। গলার স্বর সুস্থ রাখতে যে বিষয়গুলো মনে রাখা দরকার : ১। ভোকাল কর্ড সুস্থ থাকলে গলার আওয়াজ সুন্দর ও সঠিক থাকে। ২। জোরে আওয়াজ করে কথা বললে স্বর তন্ত্রের ক্ষতি হয়। ৩। একইভাবে ক্ষতি হয় ফিসফিস করে কথা বললে। ৪। কোন অনুষ্ঠানে সোর-গোলের মধ্যে কারো সাথে জোরে জোরে আলাপ করলে স্বরতন্ত্রের ক্ষতি হয়। ৫। ঠা-া সর্দির সময় বেশি জোরে আওয়াজ করে কাশি দিলে বা কথা বললে ভোকাল কর্ডের ক্ষতি হতে পারে। ৬। সিগারেট ভীষণ খারাপ গলা নষ্ট করার জন্য। ধূমপান অবশ্যই ত্যাগ করতে হবে। ৭। সঠিক ভঙ্গিতে বসা উচিত, মেরুদ-, ঘাড়, মাথা সোজা করে বসা বা দাঁড়ানো বা হাঁটার অভ্যাস করা উচিত। ৮। ঠা-ায় বা কোন কারণে গলা বসে গেলে আওয়াজ করে কথা বলা যাবে না। ই,এন,টি চিকিৎসকের জরুরি ভিত্তিতে পরামর্শ নিন। গলার স্বর সুন্দর রাখার কিছু নিয়ম : ১। পরিমাণ মতো পানি পান করতে হবে; অ্যালকোহল এবং চা কফি জাতীয় পানীয় শরীরকে পানি শূন্যতার দিকে নিয়ে যায় ফলে এগুলো গ্রহণের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে হবে। ২। ধূমপান পরিহার করতে হবে, ধূমপান গলার ক্ষতি এবং ক্যান্সার সৃষ্টির অন্যতম কারণ, এমনকি পরোক্ষ ধূমপানেও স্বরতন্ত্রের ক্ষতি হতে পারে। ৩। স্বরের উপর অত্যাচার বা স্বরের অপব্যবহার করা যাবে না। কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে চেঁচামেচি বা জোরে চিৎকার করা যাবে না। যদি কথা বলতে বলতে স্বর শুষ্ক, ক্লান্ত বা খসখসে মনে হয়, তবে কথা বলা বন্ধ রাখতে হবে, তা না হলে স্বরতন্ত্রের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। ৪। প্রতিদিন কিভাবে কথা বলছেন তার প্রতি খেয়াল করুন কারণ ভুলভাবে কথা বলার ধরণ আপনার স্বরকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তবে সঠিক উচ্চারণে বাংলা, ইংরেজী বা অন্য ভাষা যুক্ত করে কথা বলা বা ভাব বিনিময় মেধা বা ব্রেনের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে (তবে ঋগ রেডিওর ধরণ মোটেও নয়)। ৫। যারা সুন্দরভাবে বা সঠিক উচ্চারণে যত্ন নিয়ে কথা বলেন তাদের সাথে বন্ধুত্ব বা যোগাযোগ রাখা এবং নিয়মিত ওই সকল অনুষ্ঠান দেখা বা অংশ নেয়া যেখানে উচ্চারণ তত্ত্বকে বা প্রমিথ ভাষার চর্চাকে গুরুত্ব দেয়া হয়। আপনার বলার ধরণ তেমনি হবে যেমন শুনবেন। আপনি যে শব্দ ভা-ারের মধ্যে থাকছেন, শোনছেন বা বলছেন হঠাৎ করে কোন অনুষ্ঠানে বা ব্যক্তির সাথে যদি অন্য সুরে বা টোনে নিজেকে কথার মাধ্যমে উপস্থাপন করতে চেষ্টা করেন তবে আপনার কৃতিমতা এসে যাবে। এতে বিষয়টি আরো শ্রুতিকটু হয়ে যেতে পারে এবং গলার মাসল টোনের উপর চাপও পড়তে পারে। কণ্ঠস্বর খুব গুরুত্বপূর্ণ অন্যের সাথে সুসম্পর্ক রক্ষা, উন্নয়ন এবং যোগাযোগ করার জন্য। একজন সঙ্গীত শিল্পী, শিক্ষক, আইনজীবী, পারফর্মার, অভিনয় শিল্পী, বক্তা অথবা একজন প্রেজেন্টারের জন্য কণ্ঠস্বর যত্ন নেয়া খুব দরকার। অধিকাংশ লোকেরই কণ্ঠস্বরের ছোট-খাটো সমস্যা থাকে যা প্রতিদিনের কিছু এক্সারসাইজ দ্বারা প্রতিরোধ এবং সুস্থ রাখা যায়। যেমন: ১। প্রতিদিন সকালে মৃদুভাবে গুনগুন বা ঘুঘু পাখির মতো আওয়াজ করে ওয়ার্ম আপ প্রাকটিস করতে পারেন। ২। দিনের মধ্যে কয়েকবার করে ঘাড়ের, গলার, কাধের চোয়ালের পেশীর ব্যায়াম করতে হবে। ৩। নিয়মিত নি¤œ উল্লেখিত প্রাণায়মগুলো করা উচিত। (ক) যে কোন একটি ধ্যান আসনে মেরুদ- সোজা করে দুই হাত হাঁটুর উপরে রেখে নাক দিয়ে বুক ভরে নিশ্বাস নিন। এবার দশ সেকেন্ড দম আটকে রেখে আস্তে আস্তে নিশ্বাস ছাড়তে থাকুন। যেন পেটের পেশী আস্তে আস্তে ভিতরের দিকে যেতে থাকে এবং শ্বাস নিতে যত সময় লেগেছে তার বেশি সময় ধরে নিশ্বাস ছাড়–ন। এভাবে ২৫ বার করুন। (খ) যে কোন একটি ধ্যান আসনে মেরুদ- সোজা করে বসুন। ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে ডান নাক বন্ধ করে বাম নাক দিয়ে বুক ভরে শ্বাস নিন। এবার বাম নাক বন্ধ করে ডান নাক দিয়ে নিশ্বাস ছাড়–ন এবং ওই নাক দিয়েই শ্বাস নিন ও অন্য নাকে ছাডুন এভাবে ১৫ বার করুন। (গ) যে কোন একটি ধ্যান আসনে মেরুদ- সোজা করে দুই হাত হাঁটুর উপরে রেখে বসুন। এবার নাক দিয়ে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিয়ে নিশ্বাস ত্যাগ করার সময় যতটুকু সম্ভব জোরে (আওয়াজ করে) নাক দিয়ে নিশ্বাস ছাড়–ন এভাবে ৩০ বার করতে হবে। ৪। একই আসনে বসে (সিংহাসন) মুখ হা করে জিভ যতটা সম্ভব বাইরের দিকে বের করে ‘আ’ আওয়াজ করতে হবে। এতে স্বর সুন্দর হবে। (সম্ভব হলে জিভটাকে হালকাভাবে টেনে ধরে আওয়াজ করুন, এতে স্বর আরো আকর্ষণীয় হবে) ৫। ঝাল মসল্লাযুক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস যতটা সম্ভব নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, এটা স্বরতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর। ৬। আপনার ইএনটি বা মুখগহ্বরের চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে টুথপেস্ট/ব্রাশ, মাউথওয়াস ঠিক করে নিতে পারেন। উপসংহার : পারস্পরিক যোগাযোগ, ভাব বিনিময়, সম্পর্ক উন্নয়নের প্রধান মাধ্যম কথা। সুতরাং কথা বলার ভঙ্গি শব্দ প্রয়োগ, শব্দ উচ্চারণ যা গলার ভোকাল কর্ডের নিপুণতা বা সুস্থতার উপর অনেকাংশেই নির্ভর করে। সুতরাং সেই ভোকাল কর্ডের সুস্থতা এবং ব্যবস্থাপনা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কণ্ঠস্বর ঠিক রাখার জন্য আপনাকে অবশ্যই কণ্ঠস্বরের অনুশীলন এবং ব্যবস্থাপনার উপর গুরুত্ব দিতে হবে। একটু ভেবে-চিন্তে যত্ন করে সঠিক শব্দে এবং উচ্চারণে মনের ভাবটি প্রকাশ করুন, সবার কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠুন। ড. মো. আলমাসুর রহমান কাউন্সিলর: হলিসটিক হেলথ কেয়ার সেন্টার, পান্থপথ, ঢাকা। আরো জানতে এই লিংক→ http://archive.ittefaq.com.bd/index.php?ref=MjBfMDRfMTNfMTNfNF80N18xXzMzMzEw
0 টি পছন্দ
করেছেন (20 পয়েন্ট)
গলার কন্ঠ চিকন ও মধুর করতে জৈষ্ঠি মধু খান প্রতিদিন খালি পেটে।আর এয়ারসেল দেওয়ার অভ্যাস করুন ঠিক হয়ে যাবে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

4 টি উত্তর
03 অক্টোবর 2018 "রূপচর্চা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন সাবিথ (883 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
03 অগাস্ট 2018 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Shopon Hossin Shopno (565 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
27 ফেব্রুয়ারি 2018 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন রুবেল ৮৮ (300 পয়েন্ট)
4 টি উত্তর
06 ফেব্রুয়ারি 2017 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন RM Shuvo (47 পয়েন্ট)

322,787 টি প্রশ্ন

413,319 টি উত্তর

128,074 টি মন্তব্য

177,752 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...