বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
253 জন দেখেছেন
"সাধারণ" বিভাগে করেছেন (22 পয়েন্ট)

6 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (21,437 পয়েন্ট)
সবার বডি সমান নয়, তাই এই বিষয়ে না ভাবাই ভালো, শরীরে কোন ভিটামিনের ঘাটতি বা কোনো রোগ থাকলে একজন রেজিস্টার্ড চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন করতে পারেন। নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার দাবার থেকেই শরীরে শক্তি হয়। 
0 টি পছন্দ
করেছেন (10,785 পয়েন্ট)

পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাবেন এবং প্রচুর

 পানি পান করবেন । নিয়মিত সকালে

 হাটাহাটি করবেন ও রাত জাগার অভ্যাস

থাকলে সেটি ত্যাগ করবেন । ধুমপানের

 অভ্যাস থাকলেও পরিত্যাগ করুন । 

আর সকালেে এবং বিকালে

 ব্যায়াম করবেন।

জ্ঞানার্জনের তীব্র আকাঙ্ক্ষার পাশাপাশি নিজের অর্জিত জ্ঞানকে ছড়িয়ে দিতে ও অপরের সমস্যার সমাধান করে দিতে ভারতবর্ষ থেকে নিয়মিত সময় দেন বিস্ময়ে। পড়াশোনার পাশাপাশি ফিটনেস সম্বন্ধে খুবই সচেতন, ডিফেন্স লাইনে যাওয়ার প্রচন্ড ইচ্ছা। বিস্ময় ডট কমের সাথে আছেন সমন্বয়ক হিসাবে।
0 টি পছন্দ
করেছেন (4,079 পয়েন্ট)

সাঁতার, সাইক্লিং, সকালে সতেজ বাতাসে দৌড়ানো সুষম খাদ্য আর নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কায়েম আপনার এসকল সমস্যা থেকে উত্তরণে সবচেয়ে ভালো ভূমিকা রাখবে।

0 টি পছন্দ
করেছেন (1,854 পয়েন্ট)
নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার গ্রহন করুন,
যেমন-দুধ,ডিম,কলিজা,ছোট মাছ ইত্যাদি।।
ব্যায়াম,খেলাধুলা ইত্যাদি করুন প্রতিনিয়ত।।
অতিরিক্ত ঘুমানোর অভ্যাস থাকলে তা পরিহার করুন, কারন বেশি ঘুমালে শরীর এমনিতেই দূর্বল হয়ে পড়ে।।
রং চা বা কফি পান করতে পারেন এটা আপনার দূর্বলতা কাটিয়ে শরীর ও মন উৎফুল্ল রাখবে।।

প্রয়োজন হলে একজন ভালো চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ভিটামিন অথবা ক্যালসিয়াম জাতীয়  ঔষধ গ্রহন করতে পারেন।।।
0 টি পছন্দ
করেছেন (1,642 পয়েন্ট)
ভিটামিন ও ক্যালসিয়ামের অভাব রয়েছে আপনার শরীরে।।। তাই আপনি সিনকারা সিরাপটি খেয়ে দেখুন।
0 টি পছন্দ
করেছেন (1,492 পয়েন্ট)

শক্তি বাড়ানোর উপায়:


পানি : প্রতিদিন দু'লিটার অর্থাৎ ৮-১০ গ্লাস পানি খাওয়া একান্ত অপরিহার্য। সঠিক পরিমাণে পানি খেলে দেহের জয়েন্টগুলো সচল থাকে। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে, খাবার সহজে হজম হয়, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়, রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ বজায় থাকে, এক কথায় দেহের ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।

তাজা ফলমূল : আমাদের দেহের শতকরা ৮০ ভাগই পানি। শুধু পানি খেয়ে দেহের পানির চাহিদা পূরণ করা যায় না। এজন্য প্রচুর পরিমাণে তাজা ফলমূল খাওয়া উচিত। ফলকে বলা হয় ব্রেইন ফুয়েল ও অ্যান্টি-ডিপ্রেস্যান্ট। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন ৩-৫টি ফল খাওয়া উচিত। এতে ডিপ্রেশন কম হয়, হার্ট ভালো থাকে, কোলস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে।,

সবুজ শাক-সবজি ও সালাদ

সবুজ শাক-সবজি ও সালাদে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ফাইবার। আয়রন, ও ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ সবুজ শাক-সব্জি অস্টিওপোরোসিস ও আর্থ্রাইটিস প্রতিরোধে খুবই উপকারী। এতে দেহ সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম থাকে।

বাদাম ও বীজযুক্ত সবজি

বাদাম ও বীজযুক্ত খাবারে রয়েছে ন্যাচারেল ফ্যাট ও প্রোটিন যা দেহে শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।

দুধ ও দুধজাতীয় খাবার

এনার্জি জোগাতে দুধের কোনো বিকল্প নেই। প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ খেলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি সহজে পূরণ করা যায়। এ ছাড়া দই, পায়েস ইত্যাদিও আমাদের দেহের এনার্জির উৎস হতে পারে।

স্প্রাউটস বা অঙ্কুরিত বীজ

স্প্রাউটস শরীরে এনার্জি দেয়। এতে প্রোটিন বেশি পরিমাণে থাকে, ফ্যাটের পরিমাণ কম। সিদ্ধ, স্প্রাউটস সহজে হজম হয়। প্রতিদিন ১ বাটি স্প্রাউটস খাওয়া খুবই ভালো।

মূলযুক্ত খাবার : মিষ্টি আলু, বিটের মতো মূলযুক্ত খাদ্যে রয়েছে ভিটামিন-সি, ভিটামিন-বি৬, পটাসিয়াম ও অন্যান্য খনিজ উপাদান। এই জাতীয় খাবার ডিপ্রেশন কমাতে সাহায্য করে ও খাদ্যের চাহিদা সহজে মেটাতে পারে। দেহের এনার্জি বাড়াতে খাদ্যের ভারসাম্য বজায় রাখা একান্ত প্রয়োজন। এ জন্য ডায়েট বা খাদ্যেভাসের ৪০ ভাগ ফলমূল, সবজি ২০ ভাগ এবং ৩০ ভাগ ফ্যাট রাখা প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে পানি খেলে এনার্জি বা শক্তির জন্য আর চিন্তার কিছুই থাকবে না।


তথ্যসূত্র:http://www.dainikdestiny.com/index.php?view=details&type=main&cat_id=1&menu_id=33&pub_no=497&news_type_id=1&index=0&archiev=yes&arch_date=15-12-2012

টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
14 নভেম্বর 2015 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sonia Rahman (8 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
09 জানুয়ারি "ব্যায়াম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Rubidium (980 পয়েন্ট)
1 উত্তর

294,511 টি প্রশ্ন

381,190 টি উত্তর

115,241 টি মন্তব্য

161,794 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...