বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
820 জন দেখেছেন
"রূপচর্চা" বিভাগে করেছেন (-25 পয়েন্ট)

3 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (5,826 পয়েন্ট)
শরীরে কাটা, ছেঁড়া দাগ দুর করতে
নিজের তৈরিকৃত পেষ্ট
ব্যাবহার করুন.....

দুই চামচ বেসন, ১ চিমটে হলুদ
গুঁড়ো, ১ চামচ চন্দন গুঁড়ো এবং ১
চামচ কমলার খোসা বাটা
একসঙ্গে মিশিয়ে একটা পেষ্ট
তৈরী করুন। এবার এটা দাগে
ভাল করে লাগিয়ে রেখে ১৫
থেকে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
এভাবে কয়েকদিন করুন।
এবং দাগ দূর হবে এবং কাঁটা, ছিলে দাগ দূর করতে medrama ক্রীম টি ব্যবহার করতে পারেন।
0 টি পছন্দ
করেছেন (2,477 পয়েন্ট)
ত্বকে এরকম দাগ দূর করার জন্য লেজার
ট্রিটমেন্টের মতো বিভিন্ন পদ্ধতি
অনুসরণ করা হয়। তবে এসব চিকিৎসার খরচ
অনেক বেশি। তাই শরীরের কালো
দাগ দূর করার জন্য প্রাকৃতিক উপায়ে
সহজ সমাধান চেষ্টা করে দেখতে
পারেন।
ঘোলঃ
ঘোলের মধ্যে রয়েছে ল্যাকটিক
এসিড যা বাদামি দাগ দূর করতে
সাহায্য করে। এক্ষেত্রে শরীরের
বাদামি জায়গায় ঘোল মাখিয়ে
কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। তারপর
কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে
হবে।
লেবুর রসঃ
এতে রয়েছে বিশেষ উপাদান। যা
শরীরের গাঢ় দাগ হালকা করতে
সাহায্য করে। এক্ষেত্রে আক্রান্ত
স্থানে লেবুর রস দিয়ে কিছুক্ষণ পর
ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে।
এছাড়াও চাইলে গোটা লেবু মাঝ
বরাবর কেটে আক্রান্ত স্থানে ঘষতে
পারেন। গোসলের আগে এই অভ্যাস
শরীরের দাগ দূর করতে সাহায্য করবে।
ডিমের কুসুমঃ
এটা হল প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার
এবং উজ্জ্বলতাবর্ধক। এক্ষেত্রে
আক্রান্তস্থানে ডিমের কুসুম ব্যবহার
করে ২০ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানিতে
ধুয়ে ফেলতে হবে।
ক্যাস্টর অয়েলঃ
যা রেড়ির তেল নামেও পরিচিত।
এতে রয়েছে শোষণকারী উপাদান।
যা বার্ধক্যজনিত দাগ দূর করে। ভালো
ফলাফলের জন্য এই তেল তুলোয়
মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার
করতে হবে।
চন্দনঃ
ত্বকের বলিরেখা দূর করতে চন্দনের
জুড়ি নেই। চন্দনগুঁড়া, গ্লিসারিন, লেবুর
রস এবং গোলাপ জল একসঙ্গে
মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিতে
পারেন। এই মিশ্রণ ত্বকে মেখে
শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।
তারপর কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে ফেলতে
হবে।
অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীঃ
বিভিন্ন চর্মরোগের সমাধান দিতে
পারে অ্যালোভেরা। এটা শরীরের
পোড়াদাগ দূর করতে পারে।
এক্ষেত্রে আক্রান্তস্থানে
অ্যালোভেরার জেল ব্যবহার করে ৪৫
মিনিট পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে
ফেলতে হবে। প্রতিদিন দুবার, টানা
একমাস এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে ভালো
ফল পাওয়া যাবে।
চিনিঃ
ত্বকে চিনি ঘষার মাধ্যমে মৃত কোষ দূর
করা যায়। চিনির মধ্যে ত্বক
উজ্জ্বলকারী উপাদান থাকে যা
ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
পেঁপেঃ
এই ফলে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ এনজাইম যা
ত্বকের কালিমা দূর করে উজ্জ্বল
করতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে
আক্রান্ত স্থানে তাজা পেঁপে ঘষে
মিনিট বিশেক পর কুসুম গরম পানিতে
ধুয়ে ফেলতে হবে। দিনে দুবার এই
পদ্ধতি অনুসরণ করলে ভালো ফল পাওয়া
যাবে।
লাল কিশমিশ বা রসালো ফলঃ
আধা গ্লাস লাল কিশমিশ বা রসালো
ফলের সঙ্গে এক টেবিল-চামচ মধু
মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার
করতে হবে। তারপর আধা ঘণ্টা পর
হালকা গরম পানিতে ধুয়ে ফেলতে
হবে। আরও ভালো ফলাফলের জন্য
লেবুর রস ব্যবহার করা যেতে পারে।
পেঁয়াজের রসঃ
ত্বকের বলিরেখা দূর করে। দিনে
তিনবার করে আক্রান্ত স্থানে
পেঁয়াজ ফালি ঘষে শরীরের কালো
দাগ দূর করা যেতে পারে।
গোলাপ জলঃ
মুখের কালো দাগ দূর করার জন্য
প্রতিদিন গোলাপ জলে মুখ ধুয়ে
নিতে পারেন। এটি ত্বকের শুষ্কতা দূর
করে এবং মুখের কালো দাগ
পরিষ্কার করে।
পানিঃ
প্রতিদিন অন্তত ছয় থেকে আট গ্লাস
পানি পান করে বলিরেখা কিংবা
কালিমা কমানো যায়। পানি শরীর
থেকে দূষিত পদার্থ বের করে ত্বক মসৃণ
ও সতেজ রাখে।
মধু এবং কাঁচাআলুর রসঃ
মধুর মধ্যে কাঁচাআলুর রস মিশিয়ে
আক্রান্ত স্থানে হালকা মালিশ
করতে হবে। এটি ত্বকের কালিমা
কিংবা শ্বেতস্তর দূর করে।
টমেটোর রসঃ
ত্বক উজ্জ্বল করে এবং ত্বকের
মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থের
ভারসাম্য রক্ষা করে। তাই দিনে
একবার করে টমেটোর রস ব্যবহারের
মাধ্যমে ত্বকের কালো দাগ দূর করা
যায়।
সীমিত বাজেটের মধ্যে এই ধরনের
ঘরোয়া পদ্ধতি অসুরণ করে
প্রাকৃতিকভাবে শরীরের কালো
দাগ দূর করা যায়।
0 টি পছন্দ
করেছেন (25 পয়েন্ট)

" মেডের্মা " ব্যাবহার করতে পারেন। পাশাপাশি  " বায়োঅয়েল " ব্যাবহার করতে পারেন । কাটা-ছেড়া এবং সেলাই এর দাগের জন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শে " মেডের্মা " ব্যাবহার করে আমার যথেষ্ট উপকার হয়েছে । 

করেছেন (5 পয়েন্ট)
হাতের উপরের দিকের ব্লেড দিয়ে কাটা কিছু দাগ আছে,,দাগ গুলো রিমুভ করা যাবে মেডের্মা দিয়ে???এবং দাম কেমন এটার???
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

294,511 টি প্রশ্ন

381,190 টি উত্তর

115,241 টি মন্তব্য

161,794 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...