বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
595 জন দেখেছেন
"শিক্ষা+শিক্ষা প্রতিষ্ঠান" বিভাগে করেছেন (-11 পয়েন্ট)
আমি এত দিন যাবত কিছুই পড়ি নাই তো আমি এই ৫মাস পড়ে এ প্লাস পেতে চাই। আমি কিভাবে পড়লে দিনে কত টুকু পড়িলে কখন পড়িলেন আমি জি এএস সি তে এ প্লাস পাব একটা রুটিন এবং অনুপেরওনা চাই।

3 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (430 পয়েন্ট)
এখনো অনেক সময় আছে জে এস সি তে প্লাস পাওয়ার  মতো ৷এখন বাজে কাজে সময় না করে নিয়োমিত পড়াশুনা করুন ৷ এখন থেকে  দিন রাত 13-14 ঘন্টা পড়াশোনা করো ৷বাকী  সময় অন্য কাজ করো ৷
0 টি পছন্দ
করেছেন (7,327 পয়েন্ট)
আপনি দৈনিক মনোযোগ দিয়ে
৫-৬ঘন্টা পড়ুন।
ভাষায় দক্ষতা অর্জন==>
পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করতে হলে
বাংলা
ও ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে। এই
দক্ষতা
অর্জনের জন্য গ্রামারের প্রতি
লক্ষ রাখতে
হবে। বেশির ভাগ গবেষণা হতে দেখা
যায়
ছাত্র-ছাত্রীরা গ্রামারে যেমন দুর্বল
হয়
তেমনি তারা এ বিষয়ে জ্ঞান অর্জন
করতে
ভয় পায়। একে মানসিক দুর্বলতা
বলা যায়। এ
সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য
একজন ভাল
শিক্ষকের পরামর্শ নিতে হবে এবং
নিয়মিত
চর্চা চালিয়ে যেতে হবে। নির্ভুল
বানান,
সুন্দর ও ঝকঝকে খাতা
উচ্চনম্বরের নিশ্চয়তা
দেয়।
লেখাপড়ায় লেগে থাকা==>
জীবনে যা করনা কেন, তার পিছনে
লেগে
থাকতে হবে।তোমার পড়াশুনার
বিভিন্ন
সমস্যাগুলো চিহ্নিত করো এবং
অন্যরা
কিভাবে তার সমাধান করেছে তা
থেকে
ধারণা নিতে পার। পড়াশুনাকে ভালবাস
দেখবে সফলতা আসবেই
ইনশাআল্লাহ।
বুঝে পড়া ও লিখা==>
“১০০ বার অমনোযোগী হয়ে পড়ার
চেয়ে ১
বার বুঝে পড়া উত্তম আর ৩০ বার
বুঝে
পড়ার চেয়ে ১ বার লিখা উত্তম।” যা
পড়না
কেন তা আবার লিখবে।মনে রাখবে
অতিমূল্যবান ব্রেনের চেয়ে ৫ টাকার
কলম
অনেক বেশি মূল্যবান।
শিক্ষকের উপদেশ মেনে চলা==>
তোমরা সবর্দা শিক্ষকের উপদেশ
মেনে
চলবে শিক্ষক তোমার গুরুজন এবং
অভিজ্ঞব্যক্তি তিনি জানেন
কিভাবে
লেখাপড়া করলে সফলতা অনিবার্য।
দলগত ভাবে লেখা পড়া করা==>
লেখাপড়া সহজ ভাবে মনে রাখা এবং
দীর্ঘস্থায়ী করার একটি পরীক্ষিত
পদ্ধতি
হল গ্রুপ স্টাডি বা দলগতভাবে লেখা
পড়া
করা। একে ডিসকাস থেরাপিও বলা
হয়।
লেখাপড়ায় সফলতা অর্জনের জন্য
এ পদ্ধতি
খুবই কার্যকর। তোমার সহপাঠীদের
সাথে
দলবদ্ধ হয়ে যে কোন কঠিন বিষয়
সহজেই
আয়ত্ত করতে পার।
ভাল নোট সংগ্রহ===>
“ভাল ছাত্র মানে ভাল নোট, ভাল
নোট
মানে ভাল পরীক্ষা, ভাল পরীক্ষা
মানে
ভাল রেজাল্ট।” উন্নত নোট
সংগ্রহের জন্য
শিক্ষকের গাইডলাইন, ভাল বই ও
ভাল
ছাত্রদের নোট সংগ্রহ করা যেতে
পারে।
ইতিবাচক চিন্তা করা==>
“ইতিবাচক চিন্তা সমস্যার সমাধান
দেয় ।”
হতাশ না হয়ে, সব সময় ইতিবাচক
চিন্তা কর।
তোমার চেষ্টা ও বিশ্বাস তোমাকে
ইতিবাচক লেখাপড়ার দিকে ধাবিত
করবে।
রুটিন মাফিক জীবন পরিচালনা==>
বিশৃঙ্খল জীবন ব্যবস্থায় কখনো
সফলতা
আসেনা। তোমাকে সুনির্দিষ্ট রুটিন
তৈরি
করে সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনা
করতে
হবে। রুটিন কয়েক ধরনের হতে পারে,
যেমন-
স্কুলের রুটিন, গৃহশিক্ষকের রুটিন,
বাড়িতে
পড়ার রুটিন, খেলাধুলার রুটিন,
অবসরকালীন
পড়ার রুটিন ইত্যাদি।
আগামীকালের পড়া দেখে নেয়া==>
টিচার যে পড়াটি পড়াবেন তা পূর্বেই
দেখে
রাখলে, টিচারের পড়া সহজেই বুঝতে
পারবে। এটি একটি অসাধারণ
কৌশল।বিশেষ
করে যারা অনেক ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে
পড়া বুঝতে পারেনা কিংবা দুর্বল,
তাদের
অবশ্যই একৌশল অবলম্বন করা
উচিত।
পড়ার ফাঁকে ফাঁকে খাওয়া ও
বিশ্রাম==>
তুমি কি ভেবে দেখেছ, বছরের পর
বছর
কিভাবে হৃৎপিণ্ড অক্লান্তভাবে
তোমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে? আসলে
হৃৎকম্পনের প্রতিবারই সে বিশ্রাম
নেয়, তাই
সে কখনো ক্লান্ত হয়না।
তোমাকেও
এপদ্ধতি অনুসরণ করে সফল হতে
হবে। অর্থাৎ
পড়াশুনা করলে যথেষ্ট শারীরিক ও
মানসিক
শক্তি ব্যয় হয়। পড়ার ফাঁকে ফাঁকে
ক্ষুধা
লাগতে পারে। তাই পর্যাপ্ত
পরিমাণের
খাবার গ্রহণ ও বিশ্রাম নিতে হবে।
নিজে নিজে পরীক্ষা দেয়া===>
প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষা দেয়ার পূর্বে
বাসায় নিজে নিজে পরীক্ষা দিতে
হবে।
এটিকে পরীক্ষার মহড়া ও বলা যেতে
পারে।
সকল বিষয়কে সমান গরুত্ব
দেয়া==>
বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় A+ পেতে
হালে
প্রতিটি বিষয়ে সমান ভাবে দক্ষ
হতেহবে।
তাই কেবল ইংরেজি ও অংক বিষয়ে
বেশি
সময় দিতে গিয়ে অন্যান্য বিষয়ের
কথা ভুলে
যেয়না।
দ্রুত পড়ার অভ্যাস করা==>
ধীর গতিতে পড়লে সময় বেশি লাগে,
ফলে
বেশি পড়া- শুনা করা যায়না। আবার
অনেকেই একই বাক্য দুবার পড়ে,
কোন কঠিন
শব্দের কাছে এসে থেমে যায়, পড়ায়
মনোযোগ নেই, কেউ বিড় বিড় করে
পড়ে
ইত্যাদি বদঅভ্যাস পড়ার গতি
কমিয়ে দেয়।
পড়ার সময় প্রতিটি বিষয়ের সারাংশ
বোঝার চেষ্টা কর, উদ্দেশ্য
সম্পর্কে সচেতন
হও।বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ দাগ
দেবে বা
নোট করবে। প্রয়োজনে অন্য কোন
বইয়ের
সহায়তা নেবে।সহজ ও কঠিন বিষয়
পড়ার সময়
প্রয়োজনমত সময় হ্রাস-বৃদ্ধি
করবে।
হতের লেখা সুন্দর ও দ্রুতকর===>
সুন্দর হাতের লেখার প্রশংসা সবাই
করে।
লেখা আকর্ষণীয় হলে শিক্ষক ধরে
নেন এটি
একজন ভাল ছাত্রের খাতা। শিক্ষা
ক্ষেত্রের সকল স্তরেই হাতের
লেখার উপর
গুরুত্ব আরোপ করা হয়।হাতের লেখা
সুন্দর ও
দ্রুত করার জন্য সুন্দর কোন
হাতের লেখা
অনুসরণ করতে পার।এছাড়া এই
ব্যাপারে
একজন অভিজ্ঞ শিক্ষকের ও
পরামর্শ নিতে
পার।
অধ্যয়ন পদ্ধতি==> ছাত্র জীবনে
ভাল ফলাফল করতে হলে সঠিক
নিয়মে অক্লান্ত পরিশ্রম করতে
হয়।
মানিক রাজ জ্ঞানের জন্যই জ্ঞানকে ভালোবাসেন, জ্ঞানের প্রতি রয়েছে অতৃপ্ত তৃষ্ণা আর তাই দীর্ঘদিন যাবত ইন্টারনেটের এর সাহায্য অজানাকে জানার চেষ্টা করেন। নিজে জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি অন্যকে জানানো ও নিঃস্বার্থভাবে অপরকে সাহায্য করার জন্য বিস্ময় অ্যানসারসকে বেছে নিয়েছেন। বিস্ময় অ্যানসারস এর সাথে আছেন সমন্বয়ক হিসেবে।
0 টি পছন্দ
করেছেন (2,477 পয়েন্ট)
১. বিশেষ অংশ এবং পরিকল্পনায়
রঙিন কোড করুন
লেখা-পড়ার অন্যতম কার্যকর ১ টি
উপায় এটি। পড়ার কাজটি
কীভাবে চালিয়ে যাবেন তার ১
টি  পরিকল্পনা নিশ্চয়ই থাকে। এই
অংশটিসহ নোটের গুরুত্বপূর্ণ
অংশগুলো রঙিন মার্কার দিয়ে
চিহ্নিত করে রাখুন। ভিন্ন ধরনের
অংশের জন্য বিভিন্ন রঙ ব্যবহার
করা বুদ্ধিমানের কাজ। যেমন-
কুইজের অংশ গোলাপি, বিভিন্ন
টেস্ট হালকা সবুজ, আন্ডার লাইনে
অংশ হালকা নীল ইত্যাদি। এই
কালার কোড সিস্টেম গুছিয়ে
লেখা-পড়া চালিয়ে যাওয়ার
কার্যকর একটি উপায়।
২. সময় বের করুন
সেমিস্টারের আগের রাতে সব
পড়ে শেষ করা অসম্ভব ব্যাপার। তাই
বেশ কিছু দিন সময় বের করে রাখুন।
অল্প সময়ের মধ্যে পড়ে পরীক্ষার
ঝামেলা মেটানো যায়। কিন্তু
সে পড়ায় শেখা হয় না। ফলে
ভবিষ্যতে বিপদে পড়তে হবে। তাই
বেশ কিছু দিন হাতে নিয়ে
হালকা মেজাজে পড়লেও শিখতে
পারবেন। এতে পরীক্ষা হয়ে
আসবে আরো সহজ, এবং অনেক ভাল।
৩. শিক্ষকদের সাতে দেখা করুন
আপনার শিক্ষক কখনোই আপনাকে
ফিরিয়ে দেবেন না। তাদের
কয়েকজন ভীতিকর হতে পারেন।
কিন্তু সবকিছুর শেষে তিনিই
আপনার শিক্ষক। শেখা বা পরামর্শ
নিতে তার কাছে গেলে তিনি
তার শিক্ষার্থীকে বহু যত্নে
শিখিয়ে দেবেন। আপনার সমস্যা
মেটাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন
যেকোনো শিক্ষক। কাজেই
পরীক্ষা বিষয়ে পরামর্শ পেতে
শিক্ষকদের দ্বারস্থ হন। তাহলেই
ভাল রেজাল্ট করা সম্ভম।
৪. বইয়ে কি-পয়েন্ট হাইলাইট করুন?
অনেক ধরনের পরীক্ষা রয়েছে
সেখানে বই দেখে পরীক্ষা
দেওয়া যায়। এসব ক্ষেত্রে বইয়ের
কি-পয়েন্টগুলো হাইলাইট করে
নিন। আর বই দেখার সুযোগ না
থাকলেও পড়াশোনার সুবিধার
জন্য নিজের বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ
মার্কার দিয়ে হাইলাইট করে
রাখুন। সেগুলো বারবার দেখে
নিতে সুবিধা হবে।
৫. স্লাইড শো বানিয়ে পড়া শুনা
করুন
ডিজিটাল পদ্ধতিতে লেখাপড়া
করুন। বিশেষ নোটগুলোকে
কম্পিউটারে স্লাইড শো বানিয়ে
পড়ুন। এতে মনে ভালোমতো ঢুকে
যাবে সবকিছু।
৬. নিজের পরিকল্পনা
বানিয়ে পড়া শুনা করুন
পড়াশোনাকে দারুণ কার্যকর করতে
হলে পরিকল্পনা দরকার।
পড়াশোনার, বিষয় আর পড়ার পদ্ধতি
সবকিছু নিয়ে সময়সূচি করে নিন।
তারপর সেই সময় অনুযায়ী
পড়াশোনা চালিয়ে যান।
৭. নিজের পরীক্ষা নিজেই দিন
প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার মতো করে
বন্ধুরা একসাতে বা আপনি একাই
পরীক্ষা দিতে পারেন। এতে মূল
পরীক্ষা নিয়ে যতো অজানা
আশঙ্কা কেটে যাবে আপনার।
অধিকাংশ  যে ক্ষেত্রে দেখা
গেছে এসব পরীক্ষামূলক পরীক্ষা
মূল পরীক্ষার কাছাকাছি হয়ে
থাকে।
৮. একই পড়া কয়েকবার পড়ুন
কয়েকবার করে দেখে নিন। এতে
মাথায় বসে যাবে সবকিছু।
নোটের বিশেষ পয়েন্টগুলোতে
চোখ বুলিয়ে নিন। বারবার মুখস্থ
করতে হবে না। হাইলাট করা
অংশগুলোতেও চোখ দিন। একবার
মুখস্থ করে কয়েকবার শুধু দেখলেই
তা ঠোঁটস্থ হয়ে যাবে।
৯. গড়িমসি করবেন না
যা পড়তে হবেই তা পড়ছি পড়বো
বলে ফেলে রাখবেন না। অন্তত
পরীক্ষা এগিয়ে এলে এমনটি করার
সুযোগ নেই। এ কাজটির জন্যই
পরীক্ষার আগের রাতে মাথায়
আকাশ ভেঙে পড়ে। কাজেই অল্প-
বেশি পড়ার কাজ চালিয়ে যান।
দেখবেন, পরীক্ষা আগ দিয়ে প্রায়
সব প্রস্তুতি গুছিয়ে এনেছেন
আপনি।
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
16 জুন 2016 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃমমিনুর রহমান (10 পয়েন্ট)

294,415 টি প্রশ্ন

381,064 টি উত্তর

115,205 টি মন্তব্য

161,735 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...