বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
1,737 জন দেখেছেন
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে করেছেন (-4 পয়েন্ট)
বন্ধ

4 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (10,785 পয়েন্ট)
 
সর্বোত্তম উত্তর
উচ্চতা ——পুরুষ(কেজি)—- নারী(কেজি)

►৪’৭” —— ৩৯-৪৯ —– ৩৬-৪৬

►৪’৮” —— ৪১-৫০ —– ৩৮-৪৮

►৪’৯” —— ৪২-৫২ —– ৩৯–৫০

►৪’১০” —— ৪৪-৫৪ —– ৪১–৫২

►৪’১১” —— ৪৫-৫৬ —– ৪২-৫৩

►৫ফিট —— ৪৭-৫৮ —– ৪৩-৫৫

►৫’১” —— ৪৮-৬০ —– ৪৫-৫৭

►৫’২” —— ৫০-৬২ —– ৪৬-৫৯

►৫’৩” —— ৫১-৬৪ —– ৪৮-৬১

►৫’৪” —— ৫৩-৬৬ —– ৪৯-৬৩

►৫’৫” —— ৫৫-৬৮ —– ৫১-৬৫

►৫’৬” —— ৫৬-৭০ —– ৫৩-৬৭

►৫’৭” —— ৫৮-৭২ —– ৫৪-৬৯

► ৫’৮” —— ৬০-৭৪ —– ৫৬-৭১

► ৫’৯” —— ৬২-৭৬ —– ৫৭-৭১

►৫’১০” —— ৬৪-৭৯ —– ৫৯-৭৫

►৫’১১” —— ৬৫-৮১ —– ৬১-৭৭

►৬ ফিট —— ৬৭-৮৩ —– ৬৩-৮০

তো আপনার উচ্চতা অনুযায়ী আপনাকে আরও কিছু ওজন বাড়াতে হবে, ফিট দেখার জন্য।

 

এই ছয় পরামর্শ মেনে চলার চেষ্টা করতে পারেন।

পুষ্টিকর খাবারদাবার

ওজন বাড়াতে হলে খেতে হবে। যা খুশি তা-ই খেলে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি। ভারসাম্যপূর্ণ পুষ্টিকর খাবার। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাটের যথাযথ সমন্বয় থাকতে হবে খাবারে। মাংসপেশি গঠন আর ওজন বাড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিনের চাহিদা মেটানো গুরুত্বপূর্ণ। নানা ধরনের বাদাম, দুধ ও দুধজাত খাবার শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগাবে।

পানীয়ের পরিমাণ

ওজন বাড়াতে হলে আগে ক্ষুধা বাড়াতে হবে। ক্ষুধা বাড়ানোর জন্য হজমে সহায়ক পানীয় পান করুন। সারা দিনে ৬ থেকে ৮ গ্লাস পানি খান। তবে, খেতে বসার ঠিক আগে পানি খাবেন না বা খাওয়ার মাঝখানেও পানি খাবেন না। এতে ক্ষুধা নষ্ট হয়ে যায়।

হাবিজাবি কম খান

সকাল-দুপর-রাতের ভারী খাবারের মাঝে বারবার এটা-সেটা খাবেন না। কেউ কেউ বলেন দিনে তিন থেকে পাঁচ বেলা ভারী খাবার খাওয়াটাই ভালো। বেছে বেছে পুষ্টিকর খাবারে পেট ভরাতে হবে। হালকা-পাতলা শরীরে বারবার হাবিজাবি ভাজাপোড়া বা ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবার খেয়ে ওজন বাড়ানোর চেষ্টা করলে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হবে।

শর্করায় সতর্কতা

আপনার হালকা-পাতলা শরীর দেখে কাছের মানুষেরা হয়তো কেক-পেস্ট্রিসহ নানা অতিরিক্ত শর্করা জাতীয় খাবার খেতে উৎসাহিত করবেন। কিন্তু অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবারের বিষয়ে সাবধান। ভিসেরাল ফ্যাট বা স্কিনি ফ্যাটের খপ্পরে পড়ে যেতে পারেন আপনি। এটা এমন চর্বিযুক্ত উপাদান যা হঠাৎ মেদ বাড়িয়ে না দিলেও দেহের ভেতরে নানা গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যঙ্গে বাসা বাঁধতে পারে। তাই শর্করা খেতে হবে বেছে বেছে।

শরীরচর্চা শুরু করুন

সুস্বাস্থ্যের জন্য শরীরচর্চার কোনো বিকল্প নেই। আপনি যত হালকা-পাতলাই হন না কেন ব্যায়ামে আপনিও দারুণ উপকৃত হবেন। রাতে ঠিকঠাক ঘুমিয়ে পড়া আর সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠার মতো অভ্যাসের কোনো বিকল্প নেই। তেমনি শরীরচর্চাটাও জরুরি। নিয়মিত ব্যায়াম করলে আপনার ক্ষুধা বাড়বে। ফলে সাধারণ ক্ষুধা মন্দা কাটিয়ে উঠে আপনি খেতে পারবেন। নিয়মিত শরীরচর্চায় আপনার পেশি সুগঠিত হবে এবং শারীরিক শক্তি বাড়বে। যোগব্যায়ামের অনেক আসন চর্চা করেও আপনি উপকৃত হতে পারেন।

ছেড়ে দিন ধূমপান

যত বেশি ধূমপান করবেন আপনার ক্ষুধা না লাগার সমস্যা তত বাড়তেই থাকবে। অবশ্য জগতে অতিরিক্ত ওজনের মোটাসোটা ধূমপায়ীও প্রচুর আছেন এবং হাড় জিরজিরে রোগা-পটকা ধূমপায়ীও প্রচুর আছেন। কিন্তু কথাটা হলো ধূমপান কারও স্বাস্থ্যের জন্যই ভালো না। আর ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পর সবারই প্রথম যে উপকার হয় তা হলো ক্ষুধা বাড়তে থাকা।
জ্ঞানার্জনের তীব্র আকাঙ্ক্ষার পাশাপাশি নিজের অর্জিত জ্ঞানকে ছড়িয়ে দিতে ও অপরের সমস্যার সমাধান করে দিতে ভারতবর্ষ থেকে নিয়মিত সময় দেন বিস্ময়ে। পড়াশোনার পাশাপাশি ফিটনেস সম্বন্ধে খুবই সচেতন, ডিফেন্স লাইনে যাওয়ার প্রচন্ড ইচ্ছা। বিস্ময় ডট কমের সাথে আছেন সমন্বয়ক হিসাবে।
+1 টি পছন্দ
করেছেন (2,067 পয়েন্ট)
আপনার বয়স অনুযায়ী আপনার ওজন
৫২-৫৪ হওয়া উচিত।
ওজন বাড়ানোর উপায়==>
** সকালে উঠে বাদাম ও
কিসমিস-
ওজন বাড়ানোর জন্য
বাদাম আর
কিসমিসের বিকল্প নেই। রাতে ঘুমাবার
সময় আধা কাপ কাঠ বাদাম ও কিসমিস
ভিজিয়ে রাখুন অল্প পানিতে। সকালে
সেগুলো ফুলে উঠলে খেয়ে নিন। সকাল
শুরু করুন বাদাম ও কিসমিসের সাথে।
বাচ্চাদের জন্যও এটা খুব ভালো একটা
খাবার।
খাবারের পরিমাণ বাড়ান-
খাবারের পরিমাণ বাড়ানো মানেই
হাপুস
হুপুশ করে একগাদা খেয়ে ফেলা নয়। আর
সেটা সম্ভবও নয়। আপনি যদি কম
খাওয়ার কারণে রোগা হয়ে থাকেন,
তাহলে খাবারের পরিমাণ আপনাকে
বাড়াতেই হবে। স্বাভাবিকভাবে যা
খেয়ে
থাকেন, তার ৪ ভাগের ১ভাগ পরিমাণ
খাবার বাড়িয়ে খান প্রতিদিন।
বারবার খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন-
অনেকেই ভাবেন যে বারবার খেলে
বুঝি
ওজন বাড়বে। এটা মোটেও সঠিক না।
বরং নিয়ম মেনে পেট পুরে খান। পেট
পুরে খাওয়া হলে মেটাবলিজম হার
কমে
যায়, ফলে খাবারের ক্যালোরির
অনেকটাই বাড়তি ওজন হয়ে শরীরে
জমবে। অল্প অল্প করে বারবার
খাওয়াটা মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়,
ফলে
ওজন কমে।
খাদ্য তালিকায় রাখুন ডুবো তেলে
ভাজা
খাবার-
ডুবো তেলে ভাজা খাবারে প্রচুর
পরিমাণে ফ্যাট থাকে। ফলে সেটা
ওজন
বাড়াতে সহায়ক। তবে সাথে রাখুন
প্রচুর তাজা শাক সবজির সালাদ।
জিমে যাওয়া অভ্যাস করুন-
ভ্রু কুঁচকে গেলো পড়ে? ভাবছেন জিমে
মানুষ যায় ওজন কমাতে, বাড়ানোর
জন্য কেন যাবেন? কিন্তু আসল কথাটা
হলো, কেবল মোটা হলেই হবে না।
সাথে
তৈরি করতে হবে সুগঠিত শরীর। আপনি
জিমে যাবেন পেশী তৈরি করতে, এবং
পুরুষেরা ওজন বাড়াতে চাইলে এই
জিমে
যাওয়া আসলে খুবই ফলদায়ক। পেশীর
ওজন চর্বির চাইতে অনেক বেশী তো
বটেই, তাছাড়া ব্যায়ামের ফলে খিদেও
পাবে আর মন ভরে খেতে পারবেন। তবে
অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ট্রেইনারের
নির্দেশনা মাফিক ব্যায়াম করতে হবে।
নাহলে হিতে বিপরীত হবার আশংকা।
খান “বসা” ভাত-
“বসা” ভাত বলতে বোঝায় যে ভাতে
মাড় ফেলা হয় না। মাড় ফেলে দিয়ে
ভাতের স্টার্চের অনেকটাই চলে যায়
মাড়ের সাথে। ওজন বাড়াতে চাইলে এই
মাড় না ফেলাই ভালো। এর ফলে ভীষণ
উপকার হবে ওজন বাড়াতে। আতপ চাল
বা পোলাও চালের বসা ভাত মজাও
লাগবে খেতে।
ঘুমাবার ঠিক আগেই দুধ ও মধু-
ওজন বাড়াবার জন্য একটা একটা
অব্যর্থ কৌশল। রাতের বেলা ঘুমাবার
আগে অবশ্যই বেশ পুষ্টিকর কিছু
খাবেন। আর খিদে পেলে তো আয়েশ
করে
পেট পুরে খেয়ে নেবেন। আর সাথে
সাথেই
ঘুম। ফলে খাবারের ক্যালোরিটা খরচ
হবার সময় পাবে না, বাড়তি ওজন
হিশাবে জমবে শরীরে। ঘুমাবার আগে
প্রতিদিন এক গ্লাস ঘন দুধের মাঝে
বেশ অনেকটা মধু মিশিয়ে খেয়ে
নিবেন।
কমান মেটাবলিজম হার-
মোটা হবার পেছনে যেমন ধীর গতির
মেটাবলিজম দায়ী, তেমনি রুগ্ন
স্বাস্থ্যের পেছনে দায়ী উচ্চ
মেটাবলিজম হার। সুতরাং মোটা হতে
গেলে প্রথমেই এই মেটাবলিজম হার
কমাতে হবে। তাতে আপনি যে
খাবারটা
খাবেন, সেটা বাড়তি ওজন রূপে আপনার
শরীরে জমার সুযোগ পাবে।
মেটাবলিজম
হার কম রাখার জন্য প্রতিবেলা
খাবারের পর লম্বা সময় বিশ্রাম
করুন। খাবার পর কমপক্ষে ১ ঘণ্টা
কোনও কাজ করবেন না।
খাদ্য তালিকায় যোগ করুন কিছু বিশেষ
খাবার-
আপনার নিয়মিত খাবারের পাশাপাশি
অবশ্যই কিছু উচ্চ ক্যালোরি সম্পন্ন
খাবার যোগ করতে হবে খাদ্য
তালিকায়,
নাহলে ওজন বাড়বে কেন? উচ্চ
রক্তচাপের সমস্যা না থাকলে এই
খাবার গুলো খেতে পারেন অনায়াসে।
যেমন- ঘি/ মাখন, ডিম, চিজ/ পনির,
কোমল পানীয়, গরু-খাসির মাংস, আলু
ভাজা, মিষ্টি জাতীয় খাবার, চকলেট,
মেয়নিজ ইত্যাদি।
খান প্রচুর শাক সবজি ও ফল-
ভাবছেন এগুলো তো ওজন কমাবার
জন্য খাওয়া হয়, তাই না? ওজন
বাড়াতেও কিন্তু আপনাকে সাহায্য
করবে এই ফল আর সবজি। এমন অনেক
ফল আর সবজি আছে যারা কিনা উচ্চ
ক্যালোরি যুক্ত। যেমন- আম, কাঁঠাল,
লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া,
মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি। ফল ও
সবজি খেলে স্বাস্থ্য জম্ন ভালো
থাকবে, তেমনি ওজনও বাড়বে।
যদি এইসব না করেও আপনার ওজন না
বৃদ্ধি পায়, তাহলে অবশ্যই একজন
ভালো ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ
করুন। কেননা কোনও সুপ্ত অসুখ
থাকলেও তার ফলে রুগ্ন ও ভগ্ন
স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে পারেন।
-------কালেক্টেড।
0 টি পছন্দ
করেছেন (21,437 পয়েন্ট)
65 থেকে 69 কেজি হলে ভাল, 60 কেজি উপর থাকাটাও স্বাভাবিক। তবে আপনার বয়স যেহেতু 17 তাই আপনার যথেষ্ট সুযোগ আছে ওজন বাড়ানোর। কোন ঔষধ খেয়ে মোটা না হয়ে আপনি পুষ্টিকর খাবার, ও উচ্চ মানের ক্যালরি যুক্ত খাবার, পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম ও প্রচুর পানি পান করতে পারেন।
0 টি পছন্দ
করেছেন (533 পয়েন্ট)

উচ্চতা অনুযায়ী ওজন কম আছে আপনার তাই বেশি করে পুষ্টিকর খাবার মাংস, দুধ, ডিম ইত্যাদি খান তাহলে ওজন বৃদ্ধি পাবে। 

উচ্চতা ——পুরুষ(কেজি)—- নারী(কেজি)
►৪’৭” —— ৩৯-৪৯ —– ৩৬-৪৬
►৪’৮” —— ৪১-৫০ —– ৩৮-৪৮
►৪’৯” —— ৪২-৫২ —– ৩৯–৫০
►৪’১০” —— ৪৪-৫৪ —– ৪১–৫২
►৪’১১” —— ৪৫-৫৬ —– ৪২-৫৩
►৫ফিট —— ৪৭-৫৮ —– ৪৩-৫৫
►৫’১” —— ৪৮-৬০ —– ৪৫-৫৭
►৫’২” —— ৫০-৬২ —– ৪৬-৫৯
►৫’৩” —— ৫১-৬৪ —– ৪৮-৬১
►৫’৪” —— ৫৩-৬৬ —– ৪৯-৬৩
►৫’৫” —— ৫৫-৬৮ —– ৫১-৬৫
►৫’৬” —— ৫৬-৭০ —– ৫৩-৬৭
►৫’৭” —— ৫৮-৭২ —– ৫৪-৬৯
► ৫’৮” —— ৬০-৭৪ —– ৫৬-৭১
► ৫’৯” —— ৬২-৭৬ —– ৫৭-৭১
►৫’১০” —— ৬৪-৭৯ —– ৫৯-৭৫
►৫’১১” —— ৬৫-৮১ —– ৬১-৭৭
►৬ ফিট —— ৬৭-৮৩ —– ৬৩-৮০
►৬’১” —— ৬৯-৮৬ —– ৬৫-৮২
►৬’২,৩,৪,৫,৬+" —— ৭১-৮৮+—– ৬৭-৮৪+

টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

4 টি উত্তর
সকালে ঘুম থেকে উঠার পর আমার উভয় পায়ের গোড়ালিতে সামান্য ব্যাথা করে, তাছাড়া অন্য সময় ব্যাথা করে না তবে হাত দিয়ে পায়ের গোড়ালিতে টিপ দিলে ব্যাথা করে, আপনাদের মনে হয়ত প্রশ্ন জাগতে পারে যে টিপ দিলে যখন ব্যাথা করে তখন টিপ দাও কেন? আরে ভাই টিপ আমি কখনই দিই না । এখন আমার প্রশ্ন হল স্বাভাবিক ভাবে টিপ দিলে অন্য কারো ব্যাথা করছে না কিন্ত আমার গোড়ালি ব্যাথা করছে কেন? তাছাড়া সকালে ঘুম থেকে উঠার পর একটু একটু ব্যাথা করে। এটা কি কোন রোগ?( যদিও চলাফেরায় আমি তেমন কোন problem fell করি না ) তার পরও এটার কি তাড়াতাড়ি চিকিৎসা করা উচিত বা এখন চিকিৎসা না করলে এই রোগ টা বড় আকার ধারন করতে পারে? উল্লেখ্য, আমার বয়স ২৩ (পুরুষ) , লম্বা ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি, ওজন মাত্র ৪৯ কেজি এবং ৬ থেকে ৭ বছর ধরে আমার এই সমস্যা এবং আমার পায়ের গোড়ালিতে আমি কোন দিন কোন আঘাতও পাই নি।?
06 ডিসেম্বর 2015 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন kuasha (-12 পয়েন্ট)

294,509 টি প্রশ্ন

381,189 টি উত্তর

115,241 টি মন্তব্য

161,794 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...