বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
4,256 জন দেখেছেন
"যৌন" বিভাগে করেছেন (5 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (1,743 পয়েন্ট)
এমন ইচ্ছাটা অনেকেরই হয়ে থাকে। আপনি
চাইলেই হয়ত যমজ সন্তান নিতে পারবেন না। এটা একমাত্র আল্লাহর কাজ।
তবে প্রক্রিয়াটি চেষ্টা করে দেখতে পারেন:
যমজ সন্তান কখন হয়
একটি নিষিক্ত ডিম্বাণু প্রথমে দুইটি পৃথক কোষে
বিভক্ত হয়। পরবর্তীতে প্রতিটি কোষ থেকে
একেকটি শিশুর জন্ম হয়। এভাবেই অভিন্ন যমজ শিশুর
(আইডেন্টিক্যাল টুইন) জন্ম হয়। এখানে দুটি কোষ
যেহেতু পূর্বে একটি কোষ ছিল, তাই এদের সব
জীন একই হয়ে থাকে। একারণে এরা দেখতে
অভিন্ন হয় এবং একই লিঙ্গের হয়।
যেসব যমজ শিশু দেখতে অভিন্ন হয়, তারা আসলে
‘নন আইডেন্টিক্যাল টুইন’।
মায়ের দেহে সাধারণত একই সময়ে একটি মাত্র
ডিম্বাণু দুটি ডিম্বাশয়ের যে কোনও একটি থেকে
নির্গত হয়। যদি দুটি ডিম্বাশয় থেকেই একটি করে
ডিম্বাণু একই সময়ে নির্গত হয়, তবে ওভ্যুলেশন
পিরিয়ডে তার শরীরে মোট দুটি ডিম্বাণু থাকে।
এসময় মিলন হলে পুরুষের শুক্রাণু উভয় ডিম্বাণুকেই
নিষিক্ত করে। এভাবেই নন-আইডেন্টিক্যাল টুইন
শিশুর জন্ম হয়। এসব শিশু সবসময় একই লিঙ্গের নাও
হতে পারে এবং তারা দেখতে ভিন্ন হয়।
প্রতি ৬৫ জনে একজন মায়ের সাধারণ প্রক্রিয়াতেই
দুটি যমজ সন্তান হতে পারে। মায়ের পরিবারে কেউ
যমজ থেকে থাকলে এর সম্ভাবনা বেশি থাকে।
প্রতি ১০,০০০ এ একজন মায়ের তিনটি যমজ সন্তান
হতে পারে। চারটি যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা
সবচেয়ে কম। তবে বর্তমান সময়ে নিঃসন্তান
দম্পতিদের চিকিৎসার অগ্রগতির কারণে যমজ সন্তান
হওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণে বেড়ে গেছে।
যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা
• গর্ভধারণের শুরু থেকেই বেশি বেশি শরীর
খারাপ লাগতে থাকলে
• গর্ভাবস্থায় পেটের আয়তন স্বাভাবিক নিয়মের
তুলনায় বেশ বাড়লে
• পরিবারে কেউ যমজ থাকলে
• চিকিৎসার মাধ্যমে নিঃসন্তান মায়েরা যখন গর্ভধারণ
করেন
গর্ভধারণের দুমাসের মাথায় আল্ট্রা সাউন্ড
পরীক্ষায় যমজ সন্তান হবে কিনা নিশ্চিত হওয়া যায়।
অভিন্ন যমজ কিনা তাও এসময় বলা যেতে পারে। না
পারা গেলে পরবর্তী সময়ে আবার পরীক্ষা
করিয়ে জেনে নেওয়া যায়।
আপনার গর্ভে যমজ সন্তান থাকলে অতিরিক্ত সতর্ক
থাকা প্রয়োজন। কেননা যমজ শিশুর জটিলতা দেখা
দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বিশেষত অপরিপক্ক শিশু
হওয়ার একটা আশংকা থেকেই যায়। অভিন্ন যমজ হলে
১৬ সপ্তাহের পর প্রতি ২-৩ সপ্তাহ অন্তর
আল্ট্রাসাউন্ড করা ভাল, অভিন্ন না হলে ৪ সপ্তাহ
অন্তর। যমজ সন্তান হলে সিজার করাটাই নিরাপদ। কিন্তু
স্বাভাবিক উপায়ে সন্তানের জন্ম দিতে চাইলে
ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
সংগৃহীত :
মনে রাখবেন, এটা করা না করাতে কোন কিছু হবে কি না জানি না। কারণ জমজ সন্তান হওয়া না হওয়া একমাত্র আল্লাহর হাতে। আল্লাহ যদি দেন তাহলে এমনিতেই হবে। আর না দিলে শত চেষ্টা করেও লাভ নেই।
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

5 টি উত্তর
1 উত্তর

294,511 টি প্রশ্ন

381,190 টি উত্তর

115,241 টি মন্তব্য

161,794 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...