127 জন দেখেছেন
"সালাত" বিভাগে করেছেন (1,096 পয়েন্ট)

2 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (1,096 পয়েন্ট)
ইচ্ছাকৃতভাবে ছালাত পরিত্যাগ করার পর তওবা করে আল্লাহ্‌র পথে ফিরে আসলে ছেড়ে দেয়া ছালাত সমূহ কাযা আদায় করতে হবে কিনা এব্যাপারে বিদ্বানগণ মতভেদ করেছেন। এক্ষেত্রে দু’টি মত পাওয়া যায়।

আমার কাছে প্রাধান্যযোগ মতটি হচ্ছে যা শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তায়মিয়া পছন্দ করেছেন। যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ছালাত পরিত্যাগ করে এমনকি সময় পার করে দেয়, তার কাযা আদায় করাতে কোন ফায়দা নেই। কেননা নির্দিষ্ট সময়ের ইবাদত অবশ্যই উক্ত নির্ধারিত সময়েই আদায় করতে হবে। সময়ের আগে আদায় করলে যেমন হবে না, অনুরূপ সময় পার হওয়ার পর আদায় করলেও তা বিশুদ্ধ হবেনা। আল্লাহ্‌র সীমারেখা সমূহ হেফাযত করা অত্যন্ত জরূরী। শরীয়ত প্রণেতা আমাদের উপর ছালাত ফরয করে তার সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন্ত এই সময় থেকে এই সময়ের মধ্যে ছালাত আদায় করতে হবে। অতএব যে স্থানকে নামাযের স্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়নি সেখানে যেমন ছালাত বিশুদ্ধ হবে না। তেমনি যে সময়কে নামাযের সময় হিসেবে নির্ধারণ করা হয়নি, সে সময়ে ছালাত আদায় করলেও তা বিশুদ্ধ হবে না।

অবশ্য যে ব্যক্তি ছালাত পরিত্যাগ করেছে তার উপর আবশ্যক হচ্ছে বেশী বেশী তওবা ইসে-গফার করা এবং বেশী বেশী নফল ইবাদত ও নেক কাজে লিপ্ত হওয়া। আশা করা যায় এর মাধ্যমে আল্লাহ্‌ তাকে মাফ করে দিবেন ও পরিত্যাক্ত ছালাত সমূহকে ক্ষমা করবেন।



বিষয়/প্রশ্নঃ                (১৯৩)
গ্রন্থের নামঃ              ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম
বিভাগের নামঃ          ঈমান
লেখকের নামঃ          শাইখ মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমীন (রহঃ)
অনুবাদ করেছেনঃ     আবদুল্লাহ শাহেদ আল মাদানি - আবদুল্লাহ আল কাফী
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (26 পয়েন্ট)

তাওবা করার পর ছেরে দেওয়া ছালাতের কাযা অবশ্যই আদায় করতে হবে।

বিশ্লেষনঃ নিচের কথাটুকু বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় Islamic Scholar শাইখুল ইসলাম মাওলানা মুফতি তাকী উসমানী সাহেবের ব্যাক্ষা

তাওবার ক্ষেত্রে নিওম হল, যে গুনাহের ক্ষমা চাচ্ছ,কোনভাবে যদি তার ক্ষতিপূরন সম্ভব হয় তাহলে তার ক্ষতিপূরন করতে হবে।যেমন, একজন কারো টাকা আত্নসাৎ করেছে, এখন সে বসে বসে তাওবা করছে যে, হে আল্লাহ ! আমাকে মাফ করে দিন- এ তাওবা কবুল হবে না।এ কারনে যে, যে ব্যাক্তির টাকা আত্নসাৎ করেছে, যতক্ষন ঐ ব্যাক্তির টাকা ফেরত না দিবে বা তার কাছ থেকে মাফ না নিবে ততক্ষন পর্যন্ত তাওবা কবুল হবে না।কারন এ অবস্থায় ক্ষতিপূরন সম্ভব।

আল্লাহর হকের বিষয়ে তাওবা করার ক্ষেত্রেও একই নিয়ম।যেমন, তুমি যাকাত দেওনি, যেহেতু এর ক্ষতিপুরন সম্ভব তাই যাকাত পরিশোধ করতে হবে।তাই তাওবা করার সাথে সাথে ক্ষতিপুরনও করতে হবে।এমনিভাবে যদি নামায ছুটে গিয়ে থাকে বা রোযা বাদ পরে থাকে তাহলে আগে সেগুলোর ক্ষতিপূরন করতে হবে এবং পাশাপাশি  তাওবা করতে হবে।

Reference:

ইসলাহী মাজালিস,পঞ্চম খন্ড,তাওবা অধ্যায়-----শাইখুল ইসলাম মাওলানা মুফতি তাকী উসমানী

টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর

282,833 টি প্রশ্ন

367,110 টি উত্তর

110,524 টি মন্তব্য

152,522 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...