3,761 জন দেখেছেন
"প্রাণীবিজ্ঞান" বিভাগে করেছেন (12,869 পয়েন্ট)

2 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (58 পয়েন্ট)
সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা নিলে শ্বেত রোগ সারিয়ে তোলা সম্ভব। এর চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ভর করে শ্বেতের বিস্তৃতি ও স্থানের ওপর। শ্বেত প্রাথমিক স্তরে থাকলে রোগীর বয়স অনুযায়ী নির্দিষ্ট মাত্রার কোর্টিকো স্টেরয়েডযুক্ত ক্রিম লাগাতে হবে। এটি আক্রান্ত জায়গায় টানা তিন মাস লাগালে স্বাভাবিক রং ফিরে আসবে। তবে ক্রিমের চাইতে বেশি কাজে দেবে যুক্তরাষ্ট্রের সোরালেন আল্ট্রাভায়োলেট ‘এ’ বা ফটোকেমো থেরাপি। দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে আক্রান্ত জায়গায় সোরালেন ক্রিম মেখে ৩০ মিনিট পর সূর্যের অতিবেগুনি ‘এ’ রশ্মি (ইউভি এ) বা ‘এ’ রশ্মি বের হয় এমন ল্যাম্পের সামনে ধরে রাখতে হবে। ‘এ’ রশ্মির সঙ্গে বিক্রিয়ার কারণে এ জায়গায় স্বাভাবিক রং ফিরে আসবে। এরপর সাবান দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে সানস্ক্রিন ক্রিম লাগাতে হবে।
১০ বছরের বেশি বয়সের যাদের শরীরে শ্বেত আক্রান্ত জায়গা বেশি (প্রায় ২০ শতাংশ) বা যাদের অন্য চিকিৎসা কাজে দেয়নি তারা ওরাল সোরালেন ফটোকোমো থেরাপি নিতে পারেন। এক্ষেত্রে চিকিৎসার দু’ঘণ্টা আগে সোরালেন ওষুধ খেয়ে আক্রান্ত জায়গা ইউভি এ সূর্যরশ্মি বা কৃত্রিম বাতিতে ধরে রাখতে হবে। প্রতি চিকিৎসার পর ১/২দিন বিরতি দিয়ে সপ্তাহে ২/৩ বার এরকম করতে হবে। থেরাপির পর ক্যান্সারের ঝুঁকি এড়াতে সানস্ক্রিন লাগাতে হবে এবং ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা সূর্যের সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকতে হবে। এছাড়া চোখের ক্ষতি এড়াতে ২৪ ঘণ্টা ইউভি এ প্রোটেকটেড সানগ্লাস পরতে হবে। এসব চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি। অনেক ক্ষেত্রে আড়াই বছরও লেগে যায়। এজন্য চাই ধৈর্য এবং পার্শ^প্রতিক্রিয়া এড়াতে চাই নিয়মানুবর্তিতা। - মেডিসিননেট ডটকম।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (5,660 পয়েন্ট)

শ্বেত রোগের বিস্তারিত......

রোগ কি ??? 

--শ্বেতী রোগে ত্বক মেলানিন (যা মানুষের ত্বক, চোখ ও চুলের রঙ নির্ধারণ করে) হারায়। যখন ত্বকের কোষগুলো ক্ষয় হয় বা মারা যায় তখন শ্বেতী রোগ হয়। কারণ ত্বকের কোসগুলোই মেলানিন তৈরি করে। শ্বেতীর ফলে ত্বকের উপর সাদা দাগের আকার দেখা যায়। শ্বেতী রোগ তিনভাবে হতে পারে: 

১। শরীরের অল্প কিছু অংশে 
২। যে কোন একদিকে (বাম অথবা ডান দিকে) 
৩। শরীরের অধিকাংশ জায়গায় 

***শ্বেতী রোগ হয়েছে কি করে বুঝবেন ??? 

শ্বেতী রোগের লক্ষণ ও উপসর্গগুলো সাধারণত: হলো : 

১। ত্বকের উপর সাদা দাগ পড়লে 
২। অল্প বয়সে মাথার চুল, চোখের পাপড়ি, ভ্রু, দাড়ি সাদা বা ধূসর হলে 
৩। মুখের ভিতরের কলাগুলো বর্ণহীন হলে (Mucous membranes) 
৪। চোখের ভিতরের অংশ রংহীণ হলে অথবা রংয়ের পরিবর্তন হলে 

image


***ত্বকের কোনো অংশ যখন হঠাৎ করে সাদা হয়ে যায়, চিন্তিত হয়ে পড়েন তখন সবাই। যদিও ত্বক সাদা হয়ে যাওয়ার অনেক কারণ আছে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই রোগীরা জানতে চান এটা শ্বেতী রোগ কি না? যদি শ্বেতী হয় তবে প্রায় ক্ষেত্রেই প্রচন্ড মানসিক চাপে রোগীসহ পরিবারের লোকজন সবাই হতাশ হয়ে পড়েন। কারণ তাদের মাঝে রয়েছে বেশ কিছু ভ্রান্ত ধারণা। 

ভ্রান্ত ধারণাঃ শ্বেতী রোগের কোনো চিকিৎসা নেই। 

সঠিক তথ্যঃ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই প্রাথমিকভাবে শনাক্তকৃত শ্বেতী রোগের কার্যকর চিকিৎসা আছে। যেমন-মেডিকেল থেরাপি, ফটোথেরাপি, লেজার থেরাপি, কসমেটিক সার্জারি ইত্যাদি। রোগ ও রোগীর অবস্থাভেদে চিকিৎসা নির্বাচন করা হয়। 

ভ্রান্ত ধারণাঃ শ্বেতী রোগ ছোঁয়াচে, ত্বকের সংস্পর্শে এলে এটা অন্যকেও আক্রান্ত করতে পারে 

সঠিক তথ্যঃ এটা কোনোভাবে ছোঁয়াচে নয়। 

ভ্রান্ত ধারণাঃ শ্বেতী রোগ বংশগত রোগ। 

সঠিক তথ্যঃ শতকরা মাত্র ৩০ ভাগের ক্ষেত্রে পারিবারিক সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। 

ভ্রান্ত ধারণাঃ একবার শ্বেতী রোগ শুরু হলে ছড়িয়ে পড়বে সম্পূর্ণ দেহে। 

সঠিক তথ্যঃ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তা হয় না, বিভিন্ন প্রকার শ্বেতী রোগ আছে। ধরনের ওপর ভিত্তি করে প্রকাশ পায় এর ব্যাপ্তি ঘটে। 

ভ্রান্ত ধারণাঃ শ্বেতী হলে টক বা ভিটামিন সি খাওয়া যাবে না। 

সঠিক তথ্যঃ আধুনিক কালের গবেষণায় এটা প্রমাণিত-ভিটামিন সি বা টক খাবারে এই রোগ বাড়ায় না। বরং উপকার করে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে। সঠিক পরিমাণে পুষ্টিকর খাবারের জন্য তাগিদ করা হয়েছে। 

ভ্রান্ত ধারণাঃ শ্বেতী রোগে দুধ খাওয়া যাবে না। 

সঠিক তথ্যঃ দুধ সবচেয়ে পুষ্টিকর খাবার। এটা বর্জন করা ভুল হবে। দুধ খেলেই যদি শ্বেতী রোগ হয়, তবে পৃথিবীর সব শিশুরই শ্বেতী রোগ হতো। শ্বেতী রোগের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদী, রোগ ও রোগীর অবস্থাভেদে চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রদান, পরিবর্তন ও পরিবর্ধন হয়ে থাকে। মনে রাখতে হবে দুশ্চিন্তা, ঘষা বা আঘাত লাগানো এবং সূর্যের সরাসরি আলো এ রোগের জন্য ক্ষতিকর। 


***এই রোগের লক্ষণ কোন পর্যায়ে গেলে ডাক্তার দেখাবেন ??? 

ঃ ত্বক, চুল এবং চোখ ফ্যাকাসে হওয়ার সাথে সাথে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। 



***কোথায় চিকিৎসা করাবেন ??? 

ক) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স 
খ) জেলা সদর হাসপাতাল 
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় 
ঘ) মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল 
ঙ) বেসরকারী হাসপাতাল 


***কি ধরণের পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে ??? 

ক) রোগের ইতিহাস 
খ) বংশের রোগের ইতিহাস 
গ) ত্বকের বায়োপসি (Skin Biopsy) 
ঘ) রক্তের পরীক্ষা 
ঙ) চোখের পরীক্ষা 


***কি ধরণের চিকিৎসা আছে ??? 

ঃ শ্বেতী রোগের চিকিৎসা ৬-১৮ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ডাক্তার নিচের ব্যবস্থাগুলো গ্রহণের জন্য বলতে পারেন : 

ক) ঔষধ ব্যবহার করা (Topical) 
খ) মুখে ঔষধ খাওয়া 
গ) শল্য চিকিৎসা 

***বাড়তি সতর্কতা 

ক) নিজের প্রতি যত্ন নিতে হবে 
খ) সূর্যের আলো প্রতিরোধ করে এমন মলম (ক্রিম) ব্যবহার করতে হবে 
গ) যাদের গায়ের রঙ ফর্সা তারা গা তামাটে রঙ করা (Tanning) থেকে বিরত থাকতে হবে 

টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
1 উত্তর
24 সেপ্টেম্বর 2015 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন kabimasud (9 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
21 অগাস্ট 2014 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন ফারদিল হাসান (9 পয়েন্ট)
1 উত্তর
31 মার্চ 2014 "প্রাণীবিজ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Injamamul Islam (4,705 পয়েন্ট)

283,592 টি প্রশ্ন

368,114 টি উত্তর

111,009 টি মন্তব্য

153,049 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...