190 জন দেখেছেন
"বিনোদন ও মিডিয়া" বিভাগে করেছেন (410 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (58 পয়েন্ট)

প্রথম পরিচয় ফেসবুকে, তারপর প্রেম। তবে প্রেমের টানটা এতো বেশিই ছিল যে দেখা না করেই তারা ফোনেই দুই বছর চালিয়ে গেছেন ডেটিং। অবশেষে সেই মহেন্দ্রক্ষণ, সময় এলো একে অপরের সঙ্গে দেখা করার। তবে এতে একটা শর্ত বেধে দিলেন প্রেমিক। প্রেমিকাকে তিনি বললেন, তোমার আমার দেখা হবে চোখ বাঁধা অবস্থায়। গভীর প্রেমে হাবুডুবু খাওয়া প্রেমিকা এতোও রাজি। 

একসময় একে অপরের সামনে এলেন, কথাও হলো, এমনকি স্পর্শও হলো। কিন্তু চোখ ছিল কালো কাপড় দিয়ে বাঁধা। এভাবেই চলে তাদের প্রেমের দ্বিতীয় পর্ব। একে অপরের স্পর্শে এক সময় আরো কাছে আসার আকাঙ্ক্ষা জাগে। হয়ও তাই, তাও চোখ বাঁধা অবস্থায়। তারা নয়বার একে অপরের কাছে আসে। কিন্তু বিপত্তিটা বাধে দশবারের বেলায়। মিলনের সময় হঠাৎই চোখের কাপড় খুলে ফেলেছিলেন প্রেমিকা। আর তখনই বেরিয়ে আসে সত্যিটা। তার ‘প্রেমিক’ আসলে পুরুষ নয়, তার মতোই একজন নারী। এতোদিন ধরে কৃত্রিম পুরুষাঙ্গের সাহায্যে সে প্রেমিকার কাছে আসে। 

ইংল্যান্ডের চেশায়ারারের উইলাস্টনে এ ঘটনাটি ঘটে। আর এমন একটি অপরাধের জন্য গেইল নিউল্যান্ড (২৫) নামে অভিযুক্ত ওই নারীকে আট বছরের কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছেন আদালত। গেইল নিউল্যান্ড আসলে একজন সমকামী। 

জানা গেছে, ২০১১ সালে নিউল্যান্ড এক পুরুষের নামে ভুয়ো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলেন। এরপর তিনি তার বান্ধবী ওই নারীর সঙ্গে কথা শুরু করে। ধীরে ধীরে ফোন নম্বর আদানপ্রদান এবং তার পরের দু’বছর টেলিফোনেই গলা ভারী করে পুরুষ কণ্ঠে প্রেম চালিয়ে গিয়েছিলেন নিউল্যান্ড। যা ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি তার ‘প্রেমিকা’। 

যদিও নিউল্যান্ড দাবি করেছেন, প্রথম থেকেই পুরো ঘটনাটি জানা ছিল তার বন্ধুর। এমনকী চোখ বাঁধার কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেও দাবি তার। 

পুলিশি জেরায় গেইল নিউল্যান্ড জানিয়েছিলেন, তথাকথিত বিপরীত যৌন আকর্ষণ তাদের ছিল না। তাই এই পথ অবলম্বন করা হয়। যদিও আদালত তার এই দাবি খারিজ করে আট বছরের জন্য কারাগারে পাঠিয়েছেন।

টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর

282,632 টি প্রশ্ন

366,892 টি উত্তর

110,446 টি মন্তব্য

152,357 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...