বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
223 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (-7 পয়েন্ট)
আসলে কোনো কারন ভিিওক কোন ওয়াক্তের সালাত কাযা হয়ে গেলে পরে আদায় করা যাবে কি,গেলে কোন সময়,কিভাবে? এর কোন ছহী দলীল আছে কি? সেটা কোথায়।
বন্ধ

1 উত্তর

+1 টি পছন্দ
করেছেন (8,282 পয়েন্ট)
 
সর্বোত্তম উত্তর
১. যদি কোনো এক ওয়াক্তের নামাজ কাজা হয়, তবে পরবর্তী ওয়াক্তের নামাজের আগেই কাজা পড়ে নিতে হবে। যেমন- যদি কারো এশার নামাজ অথবা বিতির নামাজ কাজা হয়, তবে ফজরের নামাজের আগেই কাজা আদায় করে নিতে হবে। এশা বা বিতিরের নামাজ কাজা না পড়ে ফজর পড়লে ফরজ নামাজ হবে না। এরকম অবস্থায় এশা ও বিতিরের নামাজের কাজা আদায় করে নিয়ে পুনরায় ফজর নামাজ পড়তে হবে। এরকম যদি জোহর কাজা হয়, তবে আসর নামাজের আগে, আসর কাজা হলে মাগরিবের নামাজের আগে এবং মাগরিব কাজা হলে এশার নামাজের আগে পড়ে নিতে হবে।
২. কাজা না পড়েও ওয়াক্তিয়া নামাজ পড়লে নামাজ হয়ে যায় এরকম অবস্থা ৩টি যেমন (১) কাজা নামাজ আদায় করতে গিয়ে যদি ওয়াক্তিয়া নামাজও কাজা হবার সম্ভাবনা থাকে (২) কাজা নামাজের কথা মনে না থাকলে (৩) পাঁচ ওয়াক্তের বেশী নামাজ কাজা হয়ে গেলে।
৩. ফজরের নামাজ পড়বার সময় কোনো ব্যক্তি যদি দেখে তার এশার নামাজ ও বিতির কাজা আছে। অথচ এশা ও বিতির কাজা পড়ে নিয়ে ফজর পড়তে গেলে ফজর নামাজের সময় চলে যায়,তখন সে ফজরের নামাজ পড়ে নিলে নামাজ হয়ে যাবে।
৪. জোহরের নামাজ পড়তে পড়তে অথবা নামাজ পড়া শেষে যদি কারো হঠাৎ মনে পড়ে তার ফজরের নামাজ কাজা ছিলো। এমতাবস্থায় তার জোহরের নামাজ হয়ে যাবে। পরে শুধু ফজরের কাজা পড়তে হবে।
৫. যদি কারো পাঁচ ওয়াক্তের বেশী নামাজ কাজা হয়ে যায় তখন কাজা নামাজ আদায় না করেও যদি কেউ ওয়াক্তিয়া নামাজ পড়তে থাকে,তবে তার নামাজ হয়ে যাবে। তবে কাজা নামাজ এভাবে ফেলে না রেখে যত তাড়াতাড়ি পারা যায়,আদায় করে নিতে হবে।

সহেবে তারতীব অর্থাৎ বালেগ হবার পর থেকে যার জিম্মায় কোন কাজা নামাজ নেই। তার জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও বেতের নামাজের মাঝে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা আবশ্যক।(আদ্দুররুল মুখতার-২/৫২৩)
ﻓﻴﺎﻟﺪﺭ ﺍﻟﻤﺨﺘﺎﺭ ‏( 2/523 ‏) : ﺍﻟﺘﺮﺗﻴﺐ ﺑﻴﻦ ﺍﻟﻔﺮﻭﺽ ﺍﻟﺨﻤﺴﺔ ﻭﺍﻟﻮﺗﺮ ﺃﺩﺍﺀ ﻭﻗﻀﺎﺀ ﻻﺯﻡ ﻳﻔﻮﺕ ﺍﻟﺠﻮﺍﺯ ﺑﻔﻮﺗﻪ ،
উপরে বর্ণিত নিয়মগুলো ঠিকই আছে তবে ৫নং নিয়মটা এমন হবে। কাযা হওয়া নামাজের সংখ্যা ছয়টি হয়ে ষষ্ঠ নামাজের সময় শেষ হয়ে যায়। তখন আর ধারাবাহিকতা রক্ষা করার আবশ্যকতা থাকেনা।
ﻓﻲ ﺍﻟﺪﺭ ﺍﻟﻤﺨﺘﺎﺭ ‏( 2/525 527- ‏) : ﻓﻼ ﻳﻠﺰﻡ ﺍﻟﺘﺮﺗﻴﺐ ﺇﺫﺍ ﺿﺎﻕ ﺍﻟﻮﻗﺖ ﺍﻟﻤﺴﺘﺤﺐ ﺣﻘﻴﻘﺔ ..… ‏( ﺃﻭ ﻧﺴﻴﺖ ﺍﻟﻔﺎﺋﺘﺔ ‏) ﻷﻧﻪ ﻋﺬﺭ ‏( ﺃﻭ ﻓﺎﺗﺖ ﺳﺖ ﺍﻋﺘﻘﺎﺩﻳﺔ ‏) ﻟﺪﺧﻮﻟﻬﺎ ﻓﻲ ﺣﺪ ﺍﻟﺘﻜﺮﺍﺭ ﺍﻟﻤﻘﺘﻀﻲ ﻟﻠﺤﺮﺝ ‏( ﺑﺨﺮﻭﺝ ﻭﻗﺖ ﺍﻟﺴﺎﺩﺳﺔ ‏) ﻋﻠﻰ ﺍﻷﺻﺢ ﻭﻟﻮ ﻣﺘﻔﺮﻗﺔ ﺃﻭ ﻗﺪﻳﻤﺔ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻤﻌﺘﻤﺪ
আপনি অনেক ক্ষেত্রে ইচ্ছে করে নামাজ কাজা করেন বলে উল্লেখ করেছেন,যা মোটেও উচিৎ না। হাদীস শরীফে এসেছে,
ﻋﻦ ﺃﻡ ﺃﻳﻤﻦ ﺃﻥ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗﺎﻝ ﻻ ﺗﺘﺮﻙ ﺍﻟﺼﻼﺓ ﻣﺘﻌﻤﺪﺍ ﻓﺈﻧﻪ ﻣﻦ ﺗﺮﻙ ﺍﻟﺼﻼﺓ ﻣﺘﻌﻤﺪﺍ ﻓﻘﺪ ﺑﺮﺋﺖ ﻣﻨﻪ ﺫﻣﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺭﺳﻮﻟﻪ ‏( ﺭﻭﺍﻩ ﺃﺣﻤﺪ ﻓﻲ ﻣﺴﻨﺪﻩ ، ﺭﻗﻢ : 27364 )
উম্মে আইমান রা.হতে বর্ণিত,রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,তোমরা ইচ্ছাকৃত নামাজ ত্যাগ করোনা। কেননা যে ইচ্ছাকৃত নামাজ ত্যাগ করে,আল্লাহ ও তদীয় রাসূল তার থেকে জিম্মা মুক্ত হয়ে যান। (মুসনাদে আহমদ,হাদীস নং ২৭৩৬৪)
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর

294,300 টি প্রশ্ন

380,931 টি উত্তর

115,169 টি মন্তব্য

161,645 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...