161 জন দেখেছেন
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (104 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (331 পয়েন্ট)
প্রথমেই বলি ওজন কমানোর জন্য কোন শর্টকাট উপায় নাই। এটা প্রথমে এবং সব সময় মাথায় রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত ওজনের একমাত্র কারন হচ্ছে আপনার প্রয়োজনের তুলনায় বেশী ক্যালরি গ্রহণ, অবশ্যি সেটা খাবারের মাধ্যমে। তাই, যখনই আপনার প্রয়োজনের তুলনায় কম ক্যালরি গ্রহণ করবেন, কমটুকু শরীর তার সঞ্চিত জায়গা অর্থাৎ চর্বি থেকে ব্যবহার করবে। এই পদ্ধতি ক্রমান্বয়ে চলতে থাকলেই শরীরের চর্বি বার্ণ হবে, ওজন কমবে। নিচের প্রাকটিসগুলো আস্তে আস্তে মানতে ও অভ্যস্থ হতে চেস্টা করুন। ১। প্রথমেই নিজের ওজন মাপুন ও হিসাব রাখুন, নোটবুকে/কম্পিউটারে/ফোনে যেখানে সুবিধা। ২। একটা টেবিল বানান এক্সেল দিয়ে। সকাল, বিকাল ও রাতে কী কী খাবার ও কতটুকু খাচ্ছেন তার হিসাব রাখার জন্য। এ কাজে স্পার্টফোনে প্রচুর অ্যাপ আছে। স্পার্টফোন থাকলে পছন্দ মত একটা ব্যবহার করতে পারেন। তবে প্রিন্ট করে মাসওয়ারী একটা চার্ট নিজের পড়ার টেবিলেই রাখুন। দিন শেষে কতটুকু ক্যালরি গ্রহণ করলেন একটা হিসাব করুন। কোন খাবারে কতটুকু ক্যালরি তা জানার জন্য ইন্টারনেট বা স্পার্টফোনের অ্যাপ ব্যবহার করুন। ৩। এবার আপনার বয়স অনুযায়ী ও কাজের ধরন অনুযায়ী আপনার ক্যালরীর চাহিদা নির্বাচন করুন। যতদুর মনে পরে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মধ্যম পরিশ্রম করেন, তার ক্যালরীর চাহিদা ২০০০ থেকে ২৫০০ Kcal. ৪। এবার আপনি আপনার ক্যালরীর চার্ট হতে খাবার এমনভাবে সিলেক্ট করুন যাতে গ্রহণকৃত খাদ্যের ক্যালরী অবশ্যিই আপনার রিকমন্ডেড ক্যালরীর তুলনায় কম হয়। এই অভ্যাস সবসময় বজায় রাখুন। এছাড়া কায়িক পরিশ্রম করার জন্য প্রত্যাহিক জীবন যাপনে নিচের টিপসগুলো প্রয়োগ করুন। ১। খাদ্যে ভাতের পরিমান কমিয়ে সবজি বাড়ান। ২। ডিম খেলে সিদ্ধ খান, ভাজির তুলনায়। ভাজি ডিমে তেল লাগে বিধায় ক্যালরী বেশি। পারলে সিদ্ধ ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে সাদা প্রোটিনটুকু কেবল খান। ৩। যেকোন বাসা/অ্যাপার্টমেন্টে লিফট বাদ দিন। সিড়ি ব্যবহার করুন, সেটা যদি দোতালায়ও উঠতে হয়। ৪। স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ে/ বাজার করতে যেতে হলে কাছাকাছি দুরত্বের মধ্যে হলে হেটেঁ যান এবং আসুন। এটা বলা এজন্য আজকাল বিশেষ করে ঢাকাতে দেখেছি, যেখানে দুকদম হেটেঁই যাওয়া যায়, সেখানে যেতেও অনেকেই রিকশা ব্যবহার করেন। ৫। সকাল/দুপুর আর রাতের খাবার ব্যতিত এর মাঝের স্ন্যাকস/হালকা নাস্তা পারলে পরিহার করুন। ওজন বাড়ার জন্য সবচেয়ে বাজে অভ্যাসহলো এটা। এটাই অতিরিক্ত ক্যালরি আপনার শরীরে প্রবেশ করায়। ৬। জাপানী ডাক্তাররা একটা উপায় সাজেস্ট করেন ওজন কমানোর জন্য। সেটা হলো দৈনিক ১০,০০০ কদম হাটাঁ। এটা যে একবারেই কমপ্লিট করতে হবে তা কিন্তু নয়। সকালে ঘুম থেকে উঠার পর রাতে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে। ৭। ঘুরে ফিরে বার বার খাবারের কথা। মিস্টি জাতীয় খাবার কাটছাঁট করতে হবে। ৮। দুধ চা কফির তুলনায় ব্ল্যাক টী বা কফি। পারলে গ্রীণ টি পান করতে হবে। ৯। দৈনিক নিদেনপক্ষে ৬ ঘন্টা ঘুম এবং সেটা একটা নির্দিস্ট সময়ে। ১০। ওজন বাড়া আজকাল শহরে বসবাসকারী বাচ্চাসহ অনেকেরই দেখা যাচ্ছে। কেননা কায়িক পরিশ্রম অনেকেই করেন না, লেইজারের স্পেসও কম, বিশেষ করে বাচ্চাদের। তাই উপরের কাজগুলো করার জন্য, বিশেষ করে হাটাঁর জন্য আপনার মত আরো কয়েকজন মিলে একটা দল গঠুন করে সকাল/বিকাল জগিং করতে বের হয়ে পড়ুন। মনে রাখবেন, ওজন কমানোর জন্য কোন শর্টকাট উপায় নাই। কিন্তু জীবন যাপন প্রণালীর সামন্য পরিবর্তনে ও অভ্যস্থতায় আপনি অবশ্যই ওজন কমাতে পারবেন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
4 টি উত্তর
14 মে "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Good Advise (4 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
21 মার্চ "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন আল-আমিন o১ (9 পয়েন্ট)

240,820 টি প্রশ্ন

310,662 টি উত্তর

88,199 টি মন্তব্য

122,834 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
  1. Porimol ray

    999 পয়েন্টস

  2. আকবর আলী

    780 পয়েন্টস

  3. আশরাফুজ্জামান আশিক

    621 পয়েন্টস

  4. সুন্দর ইসলাম

    586 পয়েন্টস

  5. Arnob Das shuvo

    534 পয়েন্টস

* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...