6,298 জন দেখেছেন
"যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (346 পয়েন্ট)

2 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (346 পয়েন্ট)

যৌন অক্ষমতা একটি সর্বজনীন অক্ষমতা যা সাধারনত বয়স্ক পুরুষদের মাঝে পরিলক্ষিত হয়। যাই হোক, এ সমস্যা সাধারনত বয়ঃবৃদ্ধির সাথে সম্পর্কিত নয়। তহলে কি করে এ সমস্যা থেকে মুক্ত থাকতে পারেন।

 

 

  • আপনার খাদ্যাভ্যাস কি রকম?

 

খাদ্যে প্রয়োজনীয় পরিমানে পুষ্টি না থাকলে বয়স বাড়ার সাথে সাথে পুরুষের লিঙ্গোত্থানের ক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। গবেষনায় দেখা গেছে কম পুষ্টি গ্রহনের ফলে ধমনীতে রক্ত প্রবাহের বাধাপ্রাপ্তির কারনে পুরুষের হার্ট এ্যটাক পর্যন্ত হতে পারে। ফলমুল এবং শাকসব্জি বেশি খাওয়া তৈলযু্ক্ত এবং ফাষ্ট ফুড খাওয়া থেকে বিরত থাকলে শরীরের অন্য অঙ্গের মত পুরুষাঙ্গে পর্যপ্ত রক্ত সরবরাহ হবে যা লিঙ্গকে উত্তেজিত করার জন্য জরুরী (উল্লেখ্য - যৌন চিন্তা মনে আসলে পুরুষের লিঙ্গের শিরায় রক্ত প্রবাহিত হতে থাকে এবং লিঙ্গকে নিস্তেজ থেকে সুদৃড় করে, যা লিঙ্গোত্থান নামে পরিচিত)। এন্ড্রু ম্যাক-কুলাজি, ক্লিনিক্যাল প্রফেস্যার অব ইউরোলোজি এবং নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি লেনগন মেডিক্যাল সেন্টারের ডিরেক্টর বলেছেন, "যা কিছুই হৃদপিন্ডের জন্য ক্ষতিকর তার সবগুলো পুরুষের লিঙ্গের জন্যও সমান ক্ষতিকর"।সাম্প্রতিক গবেষনায় দেখা গেছে যেসকল পুরুষের খাদ্যতালিকায় শাকসব্জি এবং ফলমুলের সাথে আঁশযুক্ত খাবার যেমন বাদাম, মাছ এবং জৈতুন তেল নিয়মিত রয়েছে তারা অন্যদের তুলনায় কম যৌন অক্ষমতা সমস্যায় ভোগেন।

 

 

  • শরীরের স্বাভাবিক ওজন বজায় রাখা।

অতিরিক্ত ওজনের ফলে নানান রকম শাররীক সমস্যার সাথে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবার ঝুকি থাকে, টাইপ-২ ডায়াবেটিস শরীরের বিভিন্ন স্নায়ু ধ্বংস করতে থাকে যায় প্রতিক্রিয়া পুরুষাঙ্গের নিস্তেজতা দেখা দেয়। 

 

 

  • হাই কোলেষ্টরেল অথবা উচ্চ রক্তচাপ থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখুন।

হাই কোলেষ্টরেল অথবা উচ্চ রক্তচাপ রক্তপ্রবাহী শিরা ক্ষতিগ্রস্ত করে দিতে পারে, যে শিরা লিঙ্গের মধ্যে রক্ত সরবরাহ নালী হিসেবে ব্যবহৃত হতো। অবশেষে এটি পুরুষাঙ্গের নিস্তেজতায় ভুমিকা রাখে।

 

 

 

  • অতিরিক্ত মদ্যপান করা।

অধিক মাত্রায় মদ জাতীয় পানীয় পান করায় কলিজায় রোগ সংক্রমন, স্নায়ু ধ্বংস হতে পারে যার ফলশ্রুতিতে লিঙ্গোত্থান সমস্যা দেখা দিতে পারে।

 

 

 

  • নিয়মিত ব্যয়াম করুন।

গবেষনায় দেখা যায় - স্বাস্থ্যকর জীবনধারা পুরুষাঙ্গের নিস্তেজতা থেকে রক্ষা করতে সক্ষম। শরীরচর্চা যেমন: দৌড়, সাঁতার এবং অন্য শাররীক কসরত বয়স বৃদ্ধির সাথে সম্পর্কিত যৌন দুর্বলতা থেকে দূরে রাখে। তবে দয়া করে লক্ষ্য রাখবেন কোন ব্যয়ামে অন্ডকোষের নিচে এবং পায়ুপথ এবং অন্ডকোষের মাঝের স্থানে যেন চাপ না পড়ে। পরীক্ষায় প্রমানিত "সাইকেল/রিক্সা চালানো থেকে যৌন অক্ষমতার সম্ভাবনা প্রকট"!!! অল্প দুরত্বে সাইকেল চালানো হয়তো সমস্যা হবেনা। তবে বেশি দুরত্ব এবং সবসময় সাইকেল চালানোর সময় খেয়াল রাখবেন সিট যেন নরম/আরামদায়ক হয়; মাঝে মাঝে প্যডেলে চাপার সময় দাড়িয়ে প্যডেল চাপবেন। 

 

 

 

  • কিগ্যাল ব্যয়ামের উপর অতিরিক্ত ভরসা করবেন না।

আমাদের পেইজের পুরাতন সদস্যরা যেনে থাকবেন কিগ্যাল ব্যয়াম কি? পিলভিক পেশীর সংকোচন এবং শিথিল করণ কিগ্যাল ব্যয়ামটি অতিরিক্ত করা অনেকের ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। কিগ্যাল ব্যয়াম পুরুষ এবং নারীকে অসংযমী (unable to hold urine) সহয়তা করতে পারে। কিন্তু এখন পর্যন্ত এমন কোন প্রমান পাওয়া যায়নি যে কিগ্যাল ব্যয়ামের ফলে পুরুষের যৌনক্ষমতা (লিঙ্গত্থান) অক্ষুন্ন থাকে।

 

 

 

  • আপনার টেস্টোটেরোন স্তরের উপর আস্থা রাখুন।

স্বাস্থ্যবান পুরুষের মাঝেও, টেস্টোটেরোন স্তর ঠিক ৫০ বছর বয়সে কমতে শুরু করে। ৪০ বছর বয়সের পর, পুরুষের টেস্টোটেরোন স্তর সাধারনত বাৎসরিক ১.৩% হারে কমতে থাকে। সতর্ক থাকুন - যৌনমিলনে অনীহা, শাররীক সামর্থ্য কমে যাওয়া অথবা সিদ্ধান্ত গ্রহনে সমস্য হয়তো টেস্টোটেরোন এর অভাবের কারনে হতে পারে।

 

 

 

  • এনাবলিক স্টিরয়েড সমুহ পরিহার করুন।

সাধারনতঃ এ্যথলেট এবং বডিবিল্ডারগন পেশী বৃদ্ধি করার জন্য যে সব ঔষধ গ্রহন করেন তাতে স্টিরয়েড থাকে, যা  শুক্রাশয় কে সংকুচিত করতে পারে এবং এই সংকোচনের ফলে টেস্টোটেরোন উৎপাদনের ক্ষমতা কমে যায়। 

 

 

  • ধুমপান পরিহার করুন।

মদ পানের মত ধুমপানও রক্তেপ্রবাহী ধমনী ক্ষতিগ্রস্ত করে দেয় এবং ফলশ্রুতিতে লিঙ্গে রক্ত সঞ্চালন ব্যহত হয়। নিকোটিন সরাসরি ধমনীতে এ আঘাত করতে সক্ষম, যা লিঙ্গে রক্ত প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। 

 

 

  • ঝুকিপুর্ন শাররীক মিলন থেকে বিরত থাকুন।

কিছু ক্ষেত্রে ঝুকিপুর্ন শাররীক মিলন সহ অন্য কোন কারনে লিঙ্গের ইনজুরি হলে তা থেকে যৌন অক্ষমতার সৃষ্টি হতে পারে। লিঙ্গের ইনজুরি থেকে নিরাপদ থাকতে হলে যৌনমিলন শুরুর আগে পর্যাপ্ত মিলন-পূর্ব-সিঙারে বেশি সময় দিন যেন নারী যোনী পিচ্ছিল হয়। অথবা কোন নারীর যদি রস নিঃস্বরনে অক্ষম থাকেন সে ক্ষেত্রে পার্সোন্যাল লুব্রিকেটর (মিলনকালে ব্যবহৃত তৈলাক্ত আঠালো ঔষধ) এ সমস্যা থেকে উত্তোরন পাওয়া যেতে পারে। 

 

 

 

  • দুশ্চিন্তা নিয়ন্ত্রন করুন।

মানসিক কারণগুলি এর কারনে দুশ্চিন্তা হরমোনে বৃক্করস স্তর বাড়িয়ে দেয়, যা রক্তের শিরা কে সংকুচিত করে। এটি যৌন উত্তেজনার জন্য খারাপ খবর। যাই হোক পুরুষ সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে এবং আবেগের বাঁধনে থেকে দুশ্চিন্তা নিয়ন্ত্রন করতে অনেকাংশে সক্ষম - যা তার যৌন জীবনে সুখ এনে দিতে পারে।

 

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (48 পয়েন্ট)
আসুন জানা যাক যৌন অক্ষমতার প্রথম ধাপের চিকিত্সাতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য কিকি সামগ্র্রী কাজে লাগতে পারে বা তা ব্যবহারে কি উপকার সাধিত হয়–

*রসুন :

যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ রসুন কে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়৷ কারণ এটি অ্যান্টিসেপ্টিক এবং immune booster হিসাবে কাজ করে আর এটি অতিঅ সহজলভ্য সব্জী যা আমারা প্রায় প্রতিনিয়্ত খাদ্য হিসাবে গ্রহন করে থকি৷ আপনার যৌন ইচ্ছা ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী৷ কোন রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে৷এছাড়া যদি কোন ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশী হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রে ও রসুন খুব ই কার্যকরী৷

প্রতিদিন দু থেকে তিনটি রসুনের কোয়া কাঁচা অবস্থায় চিবিয়ে খান৷ এতে আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গিয়ে থাকলে তা বৃদ্ধি পাবে৷ এ ছাড়া গমের তৈরি রুটির সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে তা আপনার শরীরে স্পার্ম উত্পাদনের মাত্রা বাড়ায় এবং সুস্থ স্পার্ম তৈরিতে এটি সাহায্য করে৷

*পেঁয়াজ :

কাম-উত্তেজক ও কামনা বৃদ্ধিকারী হিসাবে পেঁয়াজ বহুদিন থেকে ই ব্যবহূত হয়ে আসছে৷ কিন্তু এটি কিভাবে এই বিষয়ে কার্যকরী তা এখন ও পর্যন্ত সঠিক ভাবে জানা যায় নি৷

সাদা পেঁয়াজ পিষে নিয়ে তাকে মাখনের মধ্যে ভালো করে ভেঁজে নিয়ে তা প্রতিদিন মধুর সঙ্গে খেলে তা থেকে উপকার পাওয়া যায়৷ কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখবেন, এটি খাওয়ার আগে ঘণ্টা দুয়েক সময় আপনার পেট খালি রাখবেন৷ এইভাবে প্রতিদিন খেলে স্খলন, শীঘ্রপতন বা ঘুমের মধ্যে ধাতুপতন (যাকে এক কথায় spermatorrhea বলা হয়) ইত্যাদি সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব৷

এছাড়া পেঁয়াজের রসের সঙ্গে কালো খোসা সমেত বিউলির ডালের গুঁড়ো সাত দিন পর্যন্ত ভিজিয়ে রেখে তাকে শুকিয়ে নিন৷ এঅটির নিয়্মিত ব্যবহার আপনার কাম-উত্তেজনা বজায় রাখবে এবং শারীরিক মিলনকালীন সুদৃঢ়তা বজায় রাখবে৷

*গাজর :

১৫০ গ্রাম গাজর কুঁচি এক টেবিল চামচ মধু এবং হাফ-বয়েল ডিমের সঙ্গে মিশিয়ে দুমাস খেলে আপনার শারীরিক এই অক্ষমতা কম হতে পারে৷

কাজেই এখন আর দুধ্চিন্তা করবেন না৷ সমস্যার একেবারে প্রথম ধাপে আপনি বাড়িতে এই পদ্ধতি গুলি মেনে চলে দেখুন হয়তঃ প্রাথমিক ধাপে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে৷
closeWe

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
23 জানুয়ারি 2015 "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন babul-saleh (8 পয়েন্ট)
1 উত্তর
11 সেপ্টেম্বর 2014 "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন যৌন ডাক্তার (226 পয়েন্ট)
1 উত্তর
10 সেপ্টেম্বর 2014 "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন যৌন ডাক্তার (226 পয়েন্ট)
1 উত্তর

252,758 টি প্রশ্ন

328,988 টি উত্তর

94,443 টি মন্তব্য

131,173 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
closeWe
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...