697 জন দেখেছেন
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (2,489 পয়েন্ট)

3 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (2,489 পয়েন্ট)
বিয়ের পর স্বামী স্ত্রী দুই জনেরই হুট করে ওজনটা বেড়ে যায়। কিন্তু কেন জানি স্বামীর ক্ষেত্রে অতটা বেশি নজরে না পড়লেও, কিন্তু স্ত্রীর ক্ষেত্রে বেড়ে যাওয়া ওজনটা বেশ ভাল মতোই নজরে পড়ে।

কিন্তু হঠাৎই কেন ওজন এত বেড়ে যায় তা কি ভেবে দেখেছেন? বিয়ের পর একটি মেয়ে যে শুধু নিজের বাড়িটা পেছনে ফেলে আসে তা নয়। সেই সঙ্গে ফেলে আসে এত দিনের পুরানো খাদ্যাভ্যাস,খাবার সময়,পরিমান। একটি নতুন পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নেয়া, নতুন পরিবারের সবাইকে খুশি করা, নতুন খাবারে নিজেকে মানিয়ে নেয়া, সব মিলিয়ে মানসিক চাপ ও অনিয়মের মিলেমিশে কখন যে অজান্তে ওজন বেড়ে যায় তা কেউই টের পায় না। হঠাৎ করে সুন্দরী কণে থেকে হয়ে যান অধিক ওজনের একজন নারী। আসুন জেনে নেয়া বিয়ের পর ওজন নিয়ন্ত্রণে রেখে কিভাবে শেপে থাকা যায়। বিয়ের পরের কিছু ডায়েট টিপস। তবে কেবল মেয়েদের জন্য নয়, নারী-পুরুষ উভয়েই এই টিপস মেনে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন ওজন–

– নিজের খাবারের সময়ের খুব বেশি হেরফের করবেন না । দুই বেলার খাবারের ভেতর যেন খুব বেশি গ্যাপ না হয় সেদিকে নজর রাখুন। বেশি অনিয়মে ওজন বাড়বেই বাড়বে।

– হানিমুনে গেলে খুব বেশি জাঙ্ক ফুড না খেয়ে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। যেমন – পোলাও, বিরিয়ানি না খেয়ে গ্রিল করা চিকেন বা মাছ খেতে পারেন। সাথে খাবেন প্রচুর পরিমানে সালাদ । আর মিষ্টি জাতীয় খাবার যেমন কেক, পেস্ট্রি খাওয়ার বদলে ফ্রুট সালাদ আর ফলের রস খেতে পারেন। ভ্রমনে গেলে রিচ ফুড এমনিতেও এড়িয়ে চলা উচিত।

– ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ভিটামিন বি জাতীয় ওষুধ খেতে পারেন। নতুন পরিবেশে নতুন দায়িত্ব নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় এনার্জি জোগাবে ভিটামিন বি, বাড়ি খাবারের প্রয়োজন পড়বে না।

-বিয়ের পর প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন আত্মীয়ের বাসায় নতুন জুটির দাওয়াত থাকাটাই স্বাভাবিক। আর এতেই ওজন অনেকটা বেড়ে যায়। তাই বলে কোথাও দাওয়াতে গেলে একদমই যে খাবেন না তা কিন্তু নয়, ঘি ও তেল মশলা দেয়া খাবার কম নিয়ে সালাদের পরিমান বাড়িয়ে দিন। কোমল পানীয়ের বদলে পানি পান করুন। গরু বা খাসীর মাংসের বদলে মাছ ভাজা থাকলে তা খেতে পারেন। দুপুরে বা রাতে দাওয়াত থাকলে ১১টার সময়কার কিংবা বিকালের নাস্তাতা এড়িয়ে যান।

-শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হলে মোটা হয়ে যাবার প্রবনতা দেখা দেয়। তাই চা– কফি ও কোল্ড ড্রিঙ্কস খাওয়া কমিয়ে দিন। আর রাতে শুতে যাবার আগে এক গ্লাস দুধ খাবার কথা ভুলবেন না, কারন দুধই ক্যালসিয়ামের সব চাইতে বড় উৎস। কষ্ট করে হলেও ব্যাপারটা মেনে চলুন।

– নতুন পরিবারে গেলেও নিজের ব্যায়ামের রুটিনটা মেনে চলুন। যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন দিনে অন্তত আধা ঘণ্টা শরীর চর্চায় ব্যয় করুন। নিদেন পক্ষে নিজের কামরায় দরজা আটকে কিছু ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করে নিন।

-বিয়ের পর সকলেরই একটা প্রবণতা বাড়ে। সেটা হলো সকালে একটু বেশি ঘুমানো বা দুপুরে ভাত খাওয়ার পর ঘুম। ওজন বৃদ্ধি করার জন্য এর চাইতে খারাপ অভ্যাস আর হতে পারে না। বিশেষ করে ভাত ঘুমটা তো অবশ্যই পরিহার করুন।

-বিয়ের পর দুজনে নানান স্থানে বেড়াতে যাবেন, সেটাই স্বাভাবিক। তবে চেষ্টা করুন যেন সপ্তাহে একদিনের বেশি খুব হুলস্থুল খাওয়া দাওয়ার স্থানে যাওয়া না হয়।

-নারীরা জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য পিলের ওপর ভরসা না করে বেছে নিন অন্য কোন পদ্ধতি। পিল আপনার শরীরে যেসব সাইড এফেক্ট দেখায় তার মানে একটি হলো অকারণে ওজন বৃদ্ধি।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (2,489 পয়েন্ট)
বাড়তি ওজন কমিয়ে যদি ঝরঝরে ফিট আর সুন্দর ফিগারেই থাকতে চান তবে যা করতে হবে:
১.অনেকেরই অভ্যেস আছে প্রতিদিন বাড়ি ফেরার সময় বাইরের মুখরোচক খাবার নিয়ে আসেন। এসব তেলে ভাজা বা ফাস্টফুড খাবারের পরিবর্তে সন্ধ্যায় একবাটি ফল কেটে দু’জন মিলে খেতে পারেন।
২.বাইরের খাবার যদি খুব পছন্দের হয় তবে ছুটির দিনে রাতে একসঙ্গে বাইরে গিয়েই খান। বাইরে গিয়ে খাবারের অর্ডার দেওয়ার সময় যতটুকু খাবার তৃপ্তি নিয়ে খেতে পারবেন ততটুকুই অর্ডার করুন।
৩.মেইন ডিস আসার আগে সালাদ এবং ক্লিয়ার সুপ খেয়ে নিন। ডেজার্ট খেতে চাইলে একটি আইটেম নিয়ে ভাগ করে খান। ঘরে বা বাইরে খাবার যতোই পছন্দের হোক না কেন, নিজের ইচ্ছা বা কারও অনুরোধে অতিরিক্ত খাবেন না।
৪.নিজের এবং পরিবারের সুস্বাস্থ্য রক্ষার দায়িত্ব কিন্তু আমাদের। তাই বাড়ির রান্না স্বাস্থ্যসম্মত করতে রান্নায় তেলের পরিমাণ কমিয়ে দিন। মাংসের পরিবর্তে মাছের ওপর নির্ভরতা বাড়ান। আর প্রতিবেলায় খাবারে প্রচুর শাক-সবজি রাখুন। সুস্বাস্থের বিষয়টি সামনে আনতে পারলে দেখবেন পরিবারের অন্যরা ঝামেলা ছাড়া এগুলো খেয়ে আপনাকে এবিষয়ে সাহায্যই করবে।
৫.একটি মজার বিষয় হচ্ছে নারীরা যখন বাইরে খান তখন খাবার ছোট পরিমাণে মুখে দেন এবং খুব ধীরে ধীরে অনেক সময় নিয়ে খান। এতে তাদের পরিমাণের চেয়ে কম খাবার খেলেও পেট ভরে যায়। কারণ আমরা যখন খুব দ্রুত খেতে থাকি তখন পেট ভরে যাওয়ার সংকেত আমাদের মস্তিস্কে পৌঁছতে বেশি সময় লাগে। এজন্য বেশি খাবার খাওয়া হয়। ধীরে ধীরে খেলে অনেক বেশি পরিমাণে খাবার খাওয়ার স্পৃহা থাকে না বলেই বিশেষেজ্ঞরা পুরুষদেরও এমন নারীর মতো করেই খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বাড়তি ওজন মানেই হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, রক্তে কলেস্টরেলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া, হতাশার মতো নানা ঝামেলা সব মিলে আমাদের মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়। শরীরের সুস্থ্ থাকতে এবং ওজন ঠিক রাখতে প্রথমে খাবার নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি তারপর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নিয়মিত অন্তত আধা ঘণ্টা ব্যায়াম করা।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (226 পয়েন্ট)

তবে কেবল মেয়েদের জন্য নয়, নারী-পুরুষ উভয়েই এই টিপস মেনে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন ওজন–

  • নিজের খাবারের সময়ের খুব বেশি হেরফের করবেন না । দুই বেলার খাবারের ভেতর যেন খুব বেশি গ্যাপ না হয় সেদিকে নজর রাখুন। বেশি অনিয়মে ওজন বাড়বেই বাড়বে।
  • হানিমুনে গেলে খুব বেশি জাঙ্ক ফুড না খেয়ে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। যেমন – পোলাও, বিরিয়ানি না খেয়ে গ্রিল করা চিকেন বা মাছ খেতে পারেন। সাথে খাবেন প্রচুর পরিমানে সালাদ । আর মিষ্টি জাতীয় খাবার যেমন কেক, পেস্ট্রি খাওয়ার বদলে ফ্রুট সালাদ আর ফলের রস খেতে পারেন। ভ্রমনে গেলে রিচ ফুড এমনিতেও এড়িয়ে চলা উচিত।
  • ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ভিটামিন বি জাতীয় ওষুধ খেতে পারেন। নতুন পরিবেশে নতুন দায়িত্ব নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় এনার্জি জোগাবে ভিটামিন বি, বাড়ি খাবারের প্রয়োজন পড়বে না।
  • বিয়ের পর প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন আত্মীয়ের বাসায় নতুন জুটির দাওয়াত থাকাটাই স্বাভাবিক। আর এতেই ওজন অনেকটা বেড়ে যায়। তাই বলে কোথাও দাওয়াতে গেলে একদমই যে খাবেন না তা কিন্তু নয়, ঘি ও তেল মশলা দেয়া খাবার কম নিয়ে সালাদের পরিমান বাড়িয়ে দিন। কোমল পানীয়ের বদলে পানি পান করুন। গরু বা খাসীর মাংসের বদলে মাছ ভাজা থাকলে তা খেতে পারেন। দুপুরে বা রাতে দাওয়াত থাকলে ১১টার সময়কার কিংবা বিকালের নাস্তাতা এড়িয়ে যান।
  • শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হলে মোটা হয়ে যাবার প্রবনতা দেখা দেয়। তাই চা– কফি ও কোল্ড ড্রিঙ্কস খাওয়া কমিয়ে দিন। আর রাতে শুতে যাবার আগে এক গ্লাস দুধ খাবার কথা ভুলবেন না, কারন দুধই ক্যালসিয়ামের সব চাইতে বড় উৎস। কষ্ট করে হলেও ব্যাপারটা মেনে চলুন।
  • নতুন পরিবারে গেলেও নিজের ব্যায়ামের রুটিনটা মেনে চলুন। যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন দিনে অন্তত আধা ঘণ্টা শরীর চর্চায় ব্যয় করুন। নিদেন পক্ষে নিজের কামরায় দরজা আটকে কিছু ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করে নিন।
  • বিয়ের পর সকলেরই একটা প্রবণতা বাড়ে। সেটা হলো সকালে একটু বেশি ঘুমানো বা দুপুরে ভাত খাওয়ার পর ঘুম। ওজন বৃদ্ধি করার জন্য এর চাইতে খারাপ অভ্যাস আর হতে পারে না। বিশেষ করে ভাত ঘুমটা তো অবশ্যই পরিহার করুন।
  • বিয়ের পর দুজনে নানান স্থানে বেড়াতে যাবেন, সেটাই স্বাভাবিক। তবে চেষ্টা করুন যেন সপ্তাহে একদিনের বেশি খুব হুলস্থুল খাওয়া দাওয়ার স্থানে যাওয়া না হয়।
  • নারীরা জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য পিলের ওপর ভরসা না করে বেছে নিন অন্য কোন পদ্ধতি। পিল আপনার শরীরে যেসব সাইড এফেক্ট দেখায় তার মানে একটি হলো অকারণে ওজন বৃদ্ধি।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
22 নভেম্বর 2016 "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন চৌধুরী মুজিব (51 পয়েন্ট)
1 উত্তর
10 সেপ্টেম্বর 2014 "যৌন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন যৌন ডাক্তার (226 পয়েন্ট)

235,444 টি প্রশ্ন

303,470 টি উত্তর

85,655 টি মন্তব্য

118,954 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...