274 জন দেখেছেন
"স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (2,489 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (2,489 পয়েন্ট)

দাঁতের মাড়ি ম্যাসাজ করুন : প্রতিদিন ব্রাশ করার সাথে সাথে দাঁতের মাড়ি ম্যাসাজ করুন। ইউক্যালিপটাস কিংবা পুদিনা (পেপারমিন্ট) তেল দিয়ে করবেন এই ম্যাসাজ। এই তেলে রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান যা মাড়ির ইনফেকশন রোধে কাজ করবে। প্রতিদিন ম্যাসাজে মাড়ির রক্ত সঞ্চালন ঠিক থাকবে। পরিস্কার আঙুলের মাথায় সামান্য তেল নিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে উপর ও নিচের মাড়ি প্রতিদিন ম্যাসাজ করুন ।
মুখের চোয়ালের ব্যায়াম করুন : মাড়ির সুরক্ষায় মুখের চোয়ালের ব্যায়াম অতি জরুরী। প্রতিদিনই চোয়ালের ব্যায়াম করুন। মুখ খোলা ও বন্ধ করুন। মুখ খোলার সময় একটু কট করে সামান্য আওয়াজ পেলে ভয় পাবেন না। এটা সাধারণ ব্যাপার। এই ব্যায়ামটি ২ মিনিট করুন প্রতিদিন। অন্যথায় আপনি সুগার ফ্রি চুইংগাম চিবোতে পারেন।
মাউথওয়াশ ব্যবহার করুন : আমরা অনেকেই মনে করি ব্রাশ করাটাই আমাদের দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষার জন্য যথেষ্ট। আসলে কিন্তু সেটা মোটেও ঠিক নয়। প্রতিদিন নিয়ম করে মাউথওয়াশ ব্যবহার করুন। কারল যত ভালো ব্র্যান্ডের টুথপেস্টই হোক না কেন বেশীক্ষণ মুখের সুরক্ষায় কাজ করতে পারে না। মাউথওয়াশ সকল ব্যাকটেরিয়া থেকে মুখের সুরক্ষা করে। ভালো কোনও মাউথওয়াশ প্রতিদিন ৬ ঘণ্টা অন্তর অন্তর ব্যবহার করুন।
জিহ্বা পরিস্কার রাখুন : আমরা প্রতিদিনই দাঁত ব্রাশ করি। কিন্তু জিহ্বা পরিষ্কারের কথা ভুলে যাই। কোনো প্রকার গুরুত্ব দিই না। এটা অত্যন্ত ভুল একটি কাজ। প্রতিবার ব্রাশ করার সাথে সাথে জিহ্বা পরিস্কার করা অবশ্যই দরকার। কারণ অপরিষ্কার জিহ্বার জন্য মাড়ির অনেক ক্ষতি হয়।
চিনি কম খাবেন : চিনি দাঁত ও মাড়ির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। চিনি মুখে ব্যাকটেরিয়ার জন্ম দেয়। যা মাড়ির রক্ত পড়া রোগের জন্য দায়ী। এবং এটাই পরবর্তীতে মাড়ির ইনফেকশনে পরিণত হয়। সুতরাং যতটা সম্ভব চিনি এড়িয়ে চলবেন।
পান, সিগারেট ও তামাক এড়িয়ে চলুন : পান, সিগারেট ও তামাক দাঁত ও মাড়ি উভয়ের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এগুলো মাদক পর্যায়ে পড়ে। এই ধরনের মাদক দ্রব্য দাঁতের গোড়ায় ও মাড়িতে ইনফেকশনের সূচনা করে ও পরবর্তীতে মাড়ির ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। আজই পান, সিগারেট ও তামাককে না বলুন।
নিয়মিত চেকআপ করান : দাঁতের বা মাড়ির সমস্যাকে আমরা অবহেলা করি। দাঁতের কিংবা মাড়ির ব্যাথায় আমরা খুব কমই ডাক্তারের কাছে যাই। এটা অনেক বড় ভুল। মাড়ির সুরক্ষা সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরী। সামান্য ব্যাথা অবহেলা করলে তা পরবর্তীতে অনেক মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। সুতরাং নিয়মিত চেকআপ করান।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
3 টি উত্তর
13 জানুয়ারি "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Bishnu Roy (8 পয়েন্ট)
4 টি উত্তর
07 এপ্রিল 2016 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Jamil sarker raj (1 পয়েন্ট )
1 উত্তর

240,929 টি প্রশ্ন

310,820 টি উত্তর

88,255 টি মন্তব্য

122,911 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
  1. Porimol ray

    999 পয়েন্টস

  2. আকবর আলী

    783 পয়েন্টস

  3. আশরাফুজ্জামান আশিক

    621 পয়েন্টস

  4. সুন্দর ইসলাম

    586 পয়েন্টস

  5. Arnob Das shuvo

    534 পয়েন্টস

* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...