বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
773 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (10,983 পয়েন্ট)

2 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (5,486 পয়েন্ট)

লাল ও হরিদ্রা বর্ণের খেজাব (কলপ) লাগানো সর্বসম্মত মতানুসারে জায়েজ। জিহাদের ময়দানে কালো খেজাব ব্যবহার করা জায়েজ। এটিও সর্বসম্মত মত।

কিন্তু অন্য সময় কালো খেজাব ব্যবহার করা যাবে কি না? এ বিষয়ে ফুক্বাহায়ে কেরামের মাঝে মতভেদ আছে।

আমভাবে ফুক্বাহাদের মতে তা মাকরূহ। কিন্তু ইমাম আবু ইউসুফ রহঃ এর মতে স্ত্রীকে খুশি করতে মাকরূহ হওয়া ছাড়াই জায়েজ। হযরত থানবী রহঃ তার “ইমদাদুল ফাতওয়া” এর ৪/২১৩ এ প্রথমে যে ফাতওয়াটি লিখেছেন সেটির সারকথা এটাই।

এরপর তিনি তার কিতাবে কোথাও মাকরূহে তাহরীমী আবার আবার কোথাও হারামও বলেছেন। মুফতী আযীযুর রহমান রহঃ ও ফাতাওয়া দারুল উলুম দেওবন্দের মাঝে এ বিষয়ে চারটি জবাব দিয়েছেন। ফাতাওয়া দারুল উলুম দেওবন্দের ১৬/২৪০-২৪১ এ যে চারটি জবাব দিয়েছেন, এর প্রথম তিনটির জবাবে বলেছেন, “কালো খেযাব অধিকাংশ মাশায়েখদের নিকট মাকরূহ এবং কতিপয় মাশায়েখ মাকরূহ না হবার প্রবক্তা। মোটকথা হল,এ থেকে বিরত থাকাই উত্তম। মুফতী আযীযুর রহমান চতুর্থ জবাবে কালো খেযাব ব্যবহারকে মাকরূহে তাহরীমী প্রমাণ করেছেন।

মুফতী কেফায়াতুল্লাহ রহঃ “কেফায়াতুল মুফতী” এর কদীম সংস্করণ এর ৯/১৭১-১৭২ এবং জাদীদ সংস্করণ এর ১২/৩৪২ এ কালো খেযাব লাগানো শুধু মাকরূহ বলেছেন। তাহরীমী কোথাও লিখেননি।

মুফতী রশীদ আহমাদ গঙ্গুহী রহঃ ফাতাওয়া রশীদিয়ার ৩৪৮ পৃষ্ঠায় তা ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। জাদীদ সংস্করণের ৫৮০ পৃষ্ঠায় এতটুকু এসেছে যে, কালো খেযাব ছাড়া বাকি সকল খেযাব ব্যবহার জায়েজ। গঙ্গুহী রহঃ ও কোথাও কালো খেযাবকে মাকরূহও বলেননি। শুধু নিষেধ করেছেন। এবার আমরা হাদীসের আলোকে চিন্তা ফিকির করে দেখি জিহাদ ও বিবিকে খুশি করতে খেযাব ব্যবহার করা ছাড়াও এমনিতে সাজগুজের জন্য কালো খেযাব ব্যবহার করা যাবে কি না?

এ বিষয়ক হাদীসগুলো সামনে রাখলে আমাদের সামনে দুই ধরণের হাদীস আসে। যথা-

১-কিছু বর্ণনা এমন যদ্বারা আমভাবে তা জায়েজ হবার প্রমাণ বহন করে।

২-কিছু বর্ণনা দ্বারা নাজায়েজ প্রমাণিত হয়। এ কারণে উভয় প্রকারের বর্ণনা সামনে এনে আমাদের চিন্তা করতে হবে “কালো খেযাব ব্যবহার” করার বিধান কী হবে?

প্রথম প্রকারের বর্ণনা ইমাম তাবারানী রহঃ “আলমুজামুল কাবীর” এ হযরত সাদ বিন আবী ওয়াক্কাস রাঃ এবং হযরত জারীর বিন আব্দুল্লাহ বাজালী রাঃ এর আমল নকল করেছেন। এ উভয় শায়েখ কালো খেযাব ব্যবহার করতেন। মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা এর সহীহ এবং আলী সনদে নকল করা হয়েছে যে, হযরত উকবা বিন আমের রাঃ কালো খেযাব ব্যবহার করতেন। সেই সাথে তা ব্যবহারে উৎসাহও প্রদান করতেন। এছাড়া হযরত হাসান রাঃ এবং হযরত হুসাইন রাঃ এর আমলও সহীহ সনদে বর্ণিত হয়েছে যে, তারাও কালো খেযাব ব্যবহার করতেন। হযরত ইমাম মুহাম্মদ বিন হানফিয়্যা রহঃ এর কাছে কালো খেযাব ব্যবহার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমার দৃষ্টিতে এতে কোন সমস্যা নেই। এ বিষয়ক বর্ণনার অভাব নেই। কয়েকটি বর্ণনা নিচে উদ্ধৃত করা হল,

ﻋﻦ ﺍﺑﻰ ﻋﺸﺎﻧﺔ ﺍﻟﻤﻌﺎﻓﺮﻯ ﻗﺎﻝ : ﺭﺃﻳﺖ ﻋﻘﺒﺔ ﺑﻦ ﻋﺎﻣﺮ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ

ﻳﺨﻀﺐ ﺑﺎﻟﺴﻮﺍﺩ، ﻭﻳﻘﻮﻝ ﻧﺴﻮﺩ ﺍﻋﻼﻫﺎ ﻭﺗﺎﺑﻰ ﺍﺻﻮﻟﻬﺎ ‏( ﻣﺼﻨﻒ ﺍﺑﻦ

ﺍﺑﻰ ﺷﻴﺒﺔ - 12/555 ، ﺭﻗﻢ 25569- )

2

ﻋﻦ ﺍﻟﺤﺴﻦ ﺃﻧﻪ ﻛﺎﻥ ﻻ ﻳﺮﻯ ﺑﺎﺳﺎ ﺑﺎﻟﺨﻀﺎﺏ ﺑﺎﻟﺴﻮﺍﺩ، ‏( ﻣﺼﻨﻒ ﺍﺑﻦ ﺍﺑﻰ

ﺷﻴﺒﺔ - 12/554 ، ﺭﻗﻢ 25523- )

3

ﻋﻦ ﻗﻴﺲ ﻣﻮﻟﻰ ﺧﺒﺎﺏ ﻗﺎﻝ : ﺩﺧﻠﺖ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﺤﺴﻦ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ

ﻭﺍﻟﺤﺴﻴﻦ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻭﻫﻤﺎ ﻳﺨﻀﺒﺎﻥ ﺑﺎﻟﺴﻮﺍﺩ ‏( ﻣﺼﻨﻒ ﺍﺑﻦ ﺍﺑﻰ

ﺷﻴﺒﺔ - 12/554 ، ﺭﻗﻢ 25520- ، ﺍﻟﻤﻌﺠﻢ ﺍﻟﻜﺒﻴﺮ - 3/99 ،

ﺭﻗﻢ - 2787/270/2791 )

ﻋﻦ ﺍﺑﻰ ﻋﻮﻥ ﻗﺎﻝ : ﻛﺎﻧﻮﺍ ﻳﺴﺄﻟﻮﻥ ﻣﺤﻤﺪﺍ ﻋﻦ ﺍﻟﺨﻀﺎﺏ ﺑﺎﻟﺴﻮﺍﺩ،

ﻓﻴﻘﻮﻝ : ﻻ ﺃﻋﻠﻢ ﺑﻪ ﺑﺎﺳﺎ، ‏( ﻣﺼﻨﻒ ﺍﺑﻦ ﺍﺑﻰ ﺷﻴﺒﺔ - 12/554 ،

ﺭﻗﻢ 25524- )

ﻋﻦ ﺳﻌﻴﺪ ﺑﻢ ﺍﻟﻤﺴﻴﺐ ﺍﻥ ﺳﻌﺪ ﺍﺑﻦ ﺍﺑﻰ ﻭﻗﺎﺹ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻛﺎﻥ

ﻳﺨﻀﺐ ﺑﺎﻟﺴﻮﺍﺩ، ‏(ﺍﻟﻤﻌﺠﻢ ﺍﻟﻜﺒﻴﺮ ﻟﻠﻄﺒﺮﺍﻧﻰ، ﺩﺍﺭ ﺍﺣﻴﺎﺀ ﺍﻟﺘﺮﺍﺙ

ﺍﻟﻌﺮﺑﻰ - 1/138 ، ﺭﻗﻢ 295- )

ﻋﻦ ﻋﺎﻣﺮ ﺑﻦ ﺳﻌﺪ ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﺃﻥ ﺳﻌﺪﺍ ﻛﺎﻥ ﻳﺨﻀﺐ ﺑﺎﻟﺴﻮﺍﺩ

‏(ﺍﻟﻤﻌﺠﻢ ﺍﻟﻜﺒﻴﺮ ﻟﻠﻄﺒﺮﺍﻧﻰ - 1/138/296 ، ﻣﺠﻤﻊ ﺍﻟﺰﻭﺍﺋﺪ، ﺩﺍﺭ ﺍﻟﻜﺘﺐ

ﺍﻟﻌﻠﻤﻴﺔ، ﺑﻴﺮﻭﺕ - 5/158 )

এ বিষয়ে অনেক বর্ণনা হাদীসে কিতাবে বিদ্যমান রয়েছে। যা প্রমাণ করে আমভাবেই কালো খেযাব ব্যবহার করার অনুমতি রয়েছে।

দ্বিতীয় প্রকার বর্ণনা তথা কালো খেযাব ব্যবহার নিষিদ্ধতার বর্ণনাও রয়েছে অনেক। এর মাঝে দু’টি এমন বর্ণনা আছে, যদ্বারা কালো খেযাব ব্যবহারকে মাকরূহ বলে সাব্যস্ত করা যায়।

হযরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ রাঃ থেকে বর্ণিত। যাতে হযরত আবু বকর রাঃ এর পিতা আবু কুহাফার চুলকে খেযাব লাগাতে হুকুম করা হয়েছে। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শব্দ এমন ছিলঃ

ﻏﻴﺮﻭﺍ ﻫﺬﺍ ﺑﺸﻴﺊ ﻭﺍﺟﺘﻨﺒﻮﺍ ﺍﻟﺴﻮﺍﺩ ‏(ﺻﺤﻴﺢ ﻣﺴﻠﻢ، ﺑﺎﺏ ﻓﻰ ﺻﺒﻎ

ﺍﻟﺸﻌﺮ ﻭﺗﻐﻴﻴﺮ ﺍﻟﺸﻴﺐ - 2/199 ، ﺭﻗﻢ 2102- ، ﺳﻨﻦ ﺍﻟﻨﺴﺎﺋﻰ، ﺍﻟﻨﻬﻰ

ﻋﻦ ﺍﻟﺨﻀﺎﺏ ﺑﺎﻟﺴﻮﺍﺩ - 2/236 ، ﺭﻗﻢ 5076- )

অনুবাদঃ চুলের রঙ পাল্টে দাও, তবে কালো খেযাব থেকে বেঁচে থাকো। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং-২১০২]

২। হযরত আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত। যাতে কালো খেযাব ব্যবহার বিষয়ে মারাত্মক ধমকিও বিদ্যমান রয়েছে।

ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻳﻜﻮﻥ ﻗﻮﻡ ﻳﺨﻀﺒﻮﻥ ﻓﻰ ﺁﺧﺮ

ﺍﻟﺰﻣﺎﻥ ﺑﺎﻟﺴﻮﺍﺩ ﻛﺤﺎﺻﻞ ﺍﻟﺤﻤﺎﻡ ﻻ ﻳﺮﺣﻮﻥ ﺭﺍﺋﺤﺔ ﺍﻟﺠﻨﺔ

ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শেষ যুগে এমন সম্প্রদায়ের আর্বিভাব হবে, যারা কবুতরের গলার থলের ন্যায় কালো রঙের খেযাব লাগাবে। তারা জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না। [সুনানে আবুদাউদ-২/৫৭৮, হাদীস নং-৪২১২, সুনানেনাসায়ী-২/২৩৬, হাদীস নং-৫০৭৫]

এবার দু’টি বর্ণনার উপর ফিকির করুন। প্রথম বর্ণনাটি আদেশসূচক। আর আদেশসূচক শব্দ ওয়াজিব হওয়াকে তাকাযা করে। সেই হিসেবে হাদীসে বর্ণিত দু’টি আদেশই ওয়াজিব পর্যায়ে চলে যাবে। অর্থাৎ খেযাব ব্যবহার করাও ওয়াজিব আবার কালো খেযাব থেকে বেঁচে থাকাও ওয়াজিব।

কারণ দু’টিই হাদীসে আদেশসূচক শব্দে ব্যক্ত করা হয়েছে। এখন যদি বলা হয় যে, সাদা চুলে খেযাব লাগানো আবশ্যক, তাহলেই কেবল কালো খেযাব থেকে বেঁচে থাকাও আবশ্যক হবে। অর্থাৎ কালো খেযাব লাগানোকে হারাম বা মাকরূহে তাহরীমী বলা যাবে। হাদীসের প্রথমাংশের আদেশসূচক বাক্যের নির্দেশনা অনুপাতে কিন্তু একথা কেউ বলেন না যে,সাদা চুলে খেযাব লাগানো জরুরী বা আবশ্যক।বরং বলা হয় এর দ্বারা উৎসাহ প্রদান উদ্দেশ্য। আবশ্যকতা নয়। এ হিসেবে হাদীসের দ্বিতীয় আদেশ দ্বারাও আবশ্যকতা নয় বরং উৎসাহ প্রদান উদ্দেশ্য হবার কথা। অর্থাৎ কালো খেযাব ব্যবহার না করা উচিত। জরুরী বা আবশ্যক নয়। দ্বিতীয় হাদীসের মাঝে এমন কওমের ব্যাপারে বলা হয়েছে যারা জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না। তাদের পরিচয় দিতে গিয়ে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ

১ তারা কালো খেযাব লাগাবে।

২ তাদের শরীরের কাঠামো হবে কবুতরের গলার থলের মত। কালো খেযাব লাগানো এ কওমের পরিচয় সাব্যস্ত করেছেন। ধমকির “ইল্লত” তথা মূল কারণ সাব্যস্ত করেননি। যারা কালো খেযাবকে ধমকির ইল্লত সাব্যস্ত করেছেন তাদের উচিত হাদীসটি নিয়ে আবার গবেষণা করা। নতুবা হযরত সাদ বিন আবী ওয়াক্কাস রাঃ, হযরত জারীর বিন আব্দুল্লাহ বাজালী রাঃ, হযরত উকবা বিন আমের রাঃ, হযরত হাসান রাঃ এবং হুসাইন রাঃ এর মত সাহাবাগণের উপর মাকরূহে তাহরীমী কাজ করার অভিযোগ উত্থাপিত করতে হবে। [নাউজুবিল্লাহ]

যা কিছুতেই বৈধ হবে না। এছাড়া হযরত আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাঃ এবং হযরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ রাঃ এর বর্ণনাটি সর্বসম্মতভাবে “জন্নিউচ্ছুবুত”। আর কালো খেযাব জায়েজ সম্পর্কিত বর্ণনাগুলোর কারণে এ বর্ণনা দু’টি সর্বসম্মতভাবে “জন্নী” হয়ে যাচ্ছে। আর যে বর্ণনা “জন্নিউচ্ছুবুত” এবং জন্নিউদ দ্বালালাত” হয়, সে বর্ণনা দ্বারা মাকরূহে তাহরীমী এবং হারাম হওয়া সাব্যস্ত হয় না। বরং মাকরূহে তানজিহী প্রমাণিত হয়। এ কারণেই রশীদ আহমাদ গঙ্গুহী রহঃ এবং হযরত মুফতী কেফায়াতুল্লাহ রহঃ অনেক সতর্কতার সাথে হুকুম বর্ণনা করেছেন। আর হযরত থানবী রহঃ এবং হযরত মুফতী আযীযুর রহমান রহঃ এর প্রথমে বর্ণিত ফাতওয়াও এমনটাই বুঝায়। এ কারণে কালো খেযাব লাগানো মাকরূহে তানজীহী হবে। কালো খেযাব লাগানো ব্যক্তির ইমামতীও কারাহাত ছাড়াই জায়েজ হবে।

মাবসূতে সারাখসীতে এসেছেঃ

ﻭﺍﻣﺎ ﻣﻦ ﺍﺧﺘﻀﺐ ﻷﺟﻞ ﺍﻟﺘﺰﺋﻴﻦ ﻟﻠﻨﺴﺎﺀ، ﻭﺍﻟﺠﻮﺍﺭﻯ، ﻓﻘﺪ ﻣﻨﻊ ﻣﻦ ﺫﻟﻚ

ﺑﻌﺾ ﺍﻟﻌﻠﻤﺎﺀ ﺭﺣﻤﻬﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ، ﻭﺍﻻﺻﺢ ﺃﻧﻪ ﻻ ﺑﺄﺱ ﺑﻪ، ﻭﻫﻮ

ﻣﺮﻭﻯ ﻋﻦ ﺃﺑﻰ ﻳﻮﺳﻒ ﺭﺡ، ﻗﺎﻝ : ﻛﻤﺎ ﻳﻌﺠﺒﻨﻰ ﺃﻥ ﺗﺘﺰﻳﻦ ﻟﻰ ﻳﻌﺠﺒﻬﺎ

ﺃﻥ ﺍﺗﺰﻳﻦ ﻟﻬﺎ ‏( ﺍﻟﻤﺒﺴﻮﻁ ﻟﻠﺴﺮﺧﺴﻰ، ﺩﺍﺭ ﺍﻟﻜﺘﺐ ﺍﻟﻌﻠﻤﻴﺔ،

ﺑﻴﺮﻭﺕ - 10/199 )

স্ত্রীকে খুশি করতে যে ব্যক্তি (কালো) খেযাব ব্যবহার করে কতিপয় উলামায়ে কেরাম তা করতে নিষেধ করেছেন। তবে বিশুদ্ধ কথা হল এতে কোন সমস্যা নেই। এটি ইমাম আবূ ই্উসুফ রহঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, যেমনিভাবে আমি চাই স্ত্রী আমার জন্য সজ্জিত থাকুক, তেমনি স্ত্রীও চায় তার জন্য স্বামী পরিপাটি থাকুক। [মাবসূত-১০/১৯৯]

এছাড়া ইমাম নববী রহঃ এ বিষয়ে “ইজমা” নকল করেছেন যে, উপরোক্ত বর্ণনা দ্বারা সর্বসম্মত মতানুসারে “ওয়াজিব” হওয়া সাব্যস্ত হয় না। আর নিষেধাজ্ঞার দ্বারাও সর্বসম্মত মতানুসারে মাকরূহে তাহরীমী বা হুরমত প্রমাণিত হয় না। সুতরাং শুধু মাকরূহে তানজীহী এর হুকুম সাব্যস্ত হয়। আর মাকরূহে তানজীহী কাজ করলে উক্ত ব্যক্তি ফাসিক হয় না। তার ইমামতী করাতে কোন সমস্যা নেই।

ﻭﺍﺧﺘﻼﻑ ﺍﻟﺴﻠﻒ ﻓﻰ ﻓﻌﻞ ﺍﻷﻣﺮﻳﻦ ﺑﺤﺴﺐ ﺍﺧﺘﻼﻑ ﺍﺣﻮﺍﻟﻬﻢ ﻓﻰ ﺫﻟﻚ

ﻣﻊ ﺃﻥ ﺍﻷﻣﺮ ﻭﺍﻟﻨﻬﻰ ﻓﻰ ﺫﻟﻚ ﻟﻴﺲ ﻟﻠﻮﺟﻮﺏ ﺑﺎﻹﺟﻤﺎﻉ، ﻭﻟﻬﺬﺍ ﻟﻢ ﻳﻨﻜﺮ

ﺑﻌﻀﻬﻢ ﻋﻠﻰ ﺑﻌﺾ ﺧﻼﻓﻪ ﻓﻰ ﺫﻟﻚ ﻗﺎﻝ : ﻭﻻ ﻳﺠﻮﺯ ﺃﻥ ﻳﻘﺎﻝ ﻓﻴﻬﻤﺎ

ﻧﺎﺳﺦ ﻭﻣﻨﺴﻮﺥ ‏( ﺷﺮﺡ ﻧﻮﻭﻯ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻤﺴﻠﻢ - 2/199 )

বিস্তারিত জানতে হলে পড়ুন-ফাতাওয়া কাসিমিয়া-২৩/৬০৩-৬০৮]

তথ্য সূত্রঃ  ahlehaqmedia.com 

রেজাউল কারীম প্রচন্ড জ্ঞানপিপাসু এবং আত্মবিশ্বাসী। বিস্ময়কে বেছে নিয়েছেন জ্ঞান অর্জন ও জ্ঞান বিতরণের মাধ্যম হিসেবে। স্বপ্ন দেখেন একজন আদর্শবান শিক্ষক হওয়ার। বিস্ময় ডট কমের সাথে আছেন সমন্বয়ক হিসেবে।
0 টি পছন্দ
করেছেন (3,198 পয়েন্ট)

এক কথায় উত্তর বুঝে নিন। যে সব ক্যেমিক্যালযুক্ত দ্রব্য ব্যবহার করলে চুলে প্রলেপ পড়ে তা ব্যবহার করা নাযায়েজ বা নিষেধ। তবে মেহেদি জাতীয় জিনিস ব্যব হার ক রতে পাবেন। যদি তাতে ক্যেমিক্যাল না থাকে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

3 টি উত্তর
26 এপ্রিল 2018 "রূপচর্চা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন রায় (80 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
19 ডিসেম্বর 2015 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Rahat khan (18 পয়েন্ট)
2 টি উত্তর
01 জুন "কৃষি" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Md Mustafizur (221 পয়েন্ট)
4 টি উত্তর
09 মে "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Green_Village (267 পয়েন্ট)

358,830 টি প্রশ্ন

453,898 টি উত্তর

142,169 টি মন্তব্য

189,982 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...