382,665 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (6,242 পয়েন্ট)

1 উত্তর

2 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (1 পয়েন্ট )
পিস টিভি বাংলার নিয়মিত আয়োজন প্রশ্ন উত্তর পর্বে ডা.জাকির নায়েককে এক দর্শক প্রশ্ন করেন পূজার উৎসবে কোন মুসলমানের যাওয়া ও প্রসাদ খাওয়া হারাম কি না।

উত্তরে ডা. জাকির নায়েক বলেন, মহান আল্লাহ্ পবিত্র কুর’আনের মোট চার জায়গায় উল্লেখ করেছেন- * সূরা বাকারার ১৭৩ নং আয়াতে, * সূরা মায়িদাহ’র ৩ নং আয়াতে, * সূরা আন’আমের ১৪৫ নং আয়াতে, এছাড়াও * সূরা নাহলের ১১৫ নং আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে, “আল্লাহ্ তোমাদের জন্য হারাম করেছেন মৃত জন্তু, রক্ত, শূকরের মাংস খাওয়া। আর যে পশু জবাই করার সময় আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কারো নাম নেয়া হয়েছে” অর্থাৎ যা আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কারো নামে উৎসর্গ করা হয় সেটা আমাদের জন্য আল্লাহ্ হারাম করে দিয়েছেন। আর এই কারনেই পূজার প্রস্বাদ খাওয়া হারাম।

এখন আসি পূজার অনুষ্ঠানে মুসলিমদের যাওয়ার বিষয়ে- আমাদের দেশে যখন হিন্দুদের পূজার উৎসব চলতে থাকে তখন অনেক মুসলিম-ই তাদের ঐ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করে। ঐ অনুষ্ঠানে উপভোগ করে।অনেকে উৎসুক ভাবেই যায়। ঐ সমস্ত মুসলিমদের যদি বলি- ভাই হিন্দুদের পূজায় অংশগ্রহন করো না, উৎসুক ভাবেও যেও না, তাদের দেব-দেবীর নামে উৎসর্গকৃত প্রসাদও খেওনা। তখন তারা উত্তরে খুব বুক ফুলিয়েই বলে-গেসি তো কি হয়েছে? গেলেই কি আমি হিন্দু হয়ে যাব? আমার ঈমান ঠিক আছে।

এখন একটু ভেবে দেখুন,মূর্তিপূজা হচ্ছে আল্লাহর সাথে শির্ক করা।আর শির্ক হচ্ছে সবচেয়ে বড় অন্যায়, সবচেয়ে বড় অপরাধ। মহান আল্লাহ বলেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ্র সাথে শির্ক হচ্ছে সবচেয়ে বড় অন্যায়।(সুরা লুকমানঃ ১৩) আর শির্কের অপরাধ আল্লাহ কখনো ক্ষমা করবেন না। মহান আল্লাহ বলেন : “নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে অংশী স্থাপন করলে তাকে ক্ষমা করবেন না,কিন্তু এর চেয়ে ছোট পাপ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করবেন,এবং যে কেউ আল্লাহর অংশী স্থির করে, সে মহাপাপে আবদ্ধ হয়েছে। (সূরা নিসাঃ ৪৮)। .

এখন দেখুন,সবচেয়ে বড় অন্যায় আপনার সামনে হচ্ছে।আর রাসুল (সাঃ) বললেন-তোমাদের কেউ কোন গর্হিত/ অন্যায় কাজ হতে দেখলে সে যেন নিজের হাতে (শক্তি প্রয়োগে)তা সংশোধন করে দেয়,যদি তার সে ক্ষমতা না থাকে তবে যেন মুখ দ্বারা তা সংশোধন করে দেয়, আর যদি তাও না পারে তবে যেন সে ঐ কাজটিকে অন্তর থেকে ঘৃণা করবে। আর এটা হল ঈমানের নিম্নতম স্তর। [সহিহ মুসলিম,ঈমান অধ্যায়, হাদিস নং ৭৮] . অথচ আপনি ঐ অন্যায়কে বাঁধা তো দেনই না, মনথেকেও ঘৃণা করেন না বরং ঐ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করে মনে মনে উপভোগ করেন। অন্তত মন থেকে ঘৃণা করলেও দুর্বলতম ঈমানদার হিসেবে আপনার ঈমান থাকত কিন্তু ঐ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করে তাদের অনুষ্ঠান মনে মনে উপভোগ করার পরেও কি আপনি দাবী করবেন যে- আপনার ঈমান ঠিক আছে। এটা হাস্যকর ছাড়া কিছুই নয়।
20 অক্টোবর 2015 "ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (9 পয়েন্ট) আমার হিন্দু বন্ধু আছে কি করবো?
করেছেন (9 পয়েন্ট)
আরে ভাই আদিম যুগের পৃথিবীটা ছিল সবচাইতে ভালো। মানুষ গুলো অসভ্য ছিল, তবে ওনাদের মাঝে ছিলনা কোনো ধর্মের ফারাক। কিন্তু আমাদের বর্তমান সভ্য পৃথিবীটা হিংসাত্মক হয়ে উঠেছে। মুসলিমদের হিন্দুদের পূজায় যাওয়া যাবে না, হিন্দুদের মুসলিমদের বাড়িতে যাওয়া যাবে না কেননা তারা গরুর মাংশ খায়। আর আমাদের সভ্য সমাজে এমন অনেক মানুষ আছে যারা ভালো মানুষের ভাব ধরে একটা ধর্মের সাথে আরেকটার দন্ধ লাগাচ্ছে। ওনারা এইগুলি করেই মজা পান। আরে এইটা আগে দেখতে হবে আপনার মাঝে মনুষত্ব ভোদ কতটুকো আছে। ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরে মানুষ খুন করলে কি আপনার আল্লাহ খুশি হবে, পূজা করে মানুষ খুন করলে কি ভগবান খুশি হবে ? আরে সবাই কে মানুষ ভাবতে শিখুন। হিন্দু ধর্মে একটা কথা আছে, সৃষ্টিকর্তা আত্মা রূপে মানুষের মাঝে বিরাজ করে। সব ধর্ম গুলি শান্তির কথা বলে। তাই সবাইকে সবার মত থাকতে দেন। অন্য ধমগুলো মিথ্যা হলে সৃষ্টিকর্তা ঐগুলো কেনু বানাইসে? আমি কথা গুলো হিন্দু হিসাবে বলছি না বলছি একজন মানুষ হিসাবে। আমার সবচেয়ে বড় এবং প্রথম পরিচয় আমি একজন মানুষ। কুটুত্তি বাদ দেন সবাই মানুষ হয়ে বাচতে শিখুন, মানুষকে ভালবাসতে শিখুন। কিছু মনে করবেননা।
করেছেন (12 পয়েন্ট)
মানুষ হিসেবে বাঁচা খুব স্বাভাবিক বেপার।
তাই যার যার ধর্ম তার তার নিয়ে থাকা উচিৎ, আপনি বললেই সবাই ধর্ম বাদ দিয়ে আদিম যুগের মত হয়ে যাবে না। তাই ধর্ম মেনে কিভাবে শান্তিতে থাকা যায় সেটা শিখতে হবে।
আমাদের ধর্মে পুজায় যাওয়া মানা তাই যাব না। আপনাদের বলার কিছু নাই! ঠিক যেমন আপনাদের গরু খাওয়া মানা তাতে আমাদের বলার কিছু নাই।
করেছেন (73 পয়েন্ট)

উচিত জবাব দিয়েছেন ভাই। ( রাতুল খান ) 

টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর

288,750 টি প্রশ্ন

374,153 টি উত্তর

113,169 টি মন্তব্য

157,315 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...