203,247 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (6,242 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন
বন্ধ

4 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (731 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
ইসলামে বিয়ের ক্ষেত্রে যে নির্দেশনা দিয়েছে তা এই হাদিস থেকে অনুমান করা যায়।হাদিস টি হল; يا معشر الشباب من استطاع منكم البأة فاليتزوج 

অর্থ,হে যুবক সম্প্রদায় তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহের সামর্থ্য রাখে,সে যেন বিবাহ করে। বুখারী শরীফ হাদীস নং ৫০৬৬, মুসলিম শরীফ হাদীস নং ১৪০০,

হাদিসে সামর্থ্য বলতে যৌন ক্ষমতা থাকা,খোরপোষের ব্যবস্থা করতে পারা বুঝানো হয়েছে। এগুলো থাকার সাথে যদি ব্যাভিচারে লিপ্ত হ‌ওয়ার আশংকা না থাকে তাহলে তার জন্য বিবাহ করা সুন্নাত। কিন্তু এগুলোর সাথে যদি ব্যাভিচারে লিপ্ত হ‌ওয়ার প্রবল আশংকা থাকে তাহলে বিবাহ করা ফরজ হয়ে যায়। সুতরাং যে যে কালেই থাকুক না কেন উক্ত নীতিমালার যে শাখা তার মধ্যে পাওয়া যাবে সেই অনুপাতে তার জন্য হুকুম আরোপ হবে।

তবে অনেকের ক্ষেত্রে বিবাহের পর ক্যারিয়ার গঠন কঠিন হতে পারে তাই ব্যাভিচারের আসক্তি ইসলামী নিয়ম অনুপাতে কমিয়ে ক্যারিয়ার গঠন করার পর বিবাহ করা ভালো হবে।
1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (3,270 পয়েন্ট)
ছাত্র জিবনে বিবাহ করা যাবে না এমন বিধান ইসলাম ধর্মে নেই।তাই বলা যেতে পারে যে, ছাত্র জিবনে বিবাহ করা যাবে।তবে সামার্থ্য থাকতে হবে বিবাহ করার।নবী সাঃ বলেছেন, তোমরা দুটি জিনিষের জিম্মাদারী করলে আমি তোমাদের জান্নাতে প্রবেশ করানোর জিম্মাদার হব। আর তা হলোঃ মুখের হিফাযত এবং লজ্জাস্থানের হিফাযত করা।আর লজ্জাস্থানের হিফাযতের জন্য বিবাহের চেয়ে উত্তম কোনো কিছু হতে পারে না।তাই ছাত্রজিবনে সামার্থ্য থাকলে বিবাহ করা উচিত।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (291 পয়েন্ট)

রবীন্দ্রনাথ সহ পৃথিবীর বিখ্যাত অনেকেই ছাত্র জীবনে বিয়ে করেছেন । আসল কথা হল সুযোগ থাকলে, পড়াশোনার ক্ষতির সম্ভাবনা না থাকলে ছাত্রজীবনেই বিয়ে করা উত্তম । S,S.C পাশ করে বিয়ে করেছি । তারপর এম.এ পর্যন্ত, আইন ও কিছুদিন পড়েছি । কৈ আমারতো আলহামদুলিল্লাহ কোন প্রতিবন্ধকতাই ঠেকাতে পারেনি । তবে পরিবারের লোকজনের সাহায্য ছাড়া কিন্তু এগুতে পারবেন না । #9

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (3,782 পয়েন্ট)

ছাত্রজীবনে বিবাহ করা ঠিক কিনা, এটা সার্বিকভাবে বলে দেয়া যাবে না। কারো ক্ষেত্রে ছাত্রজীবনে বিবাহ করা লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার  কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আবার কারো ক্ষেত্রে বিবাহ করাটা পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধির কারণ হয়। যদিও বিবাহের পর প্রথম দু’এক মাস পড়াশোনায় কিছুটা ক্ষতি হয়ে যায়।

যদি কোন ছাত্র পড়াশোনা চলাকালে বিবাহ করে এবং তার ভিতর আত্মনিয়ন্ত্রণের ‍গুণ বিদ্যমান থাকে, পাশাপাশি পারিবারিকভাবে সাপোর্ট পায় তাহলে তার জন্য ছাত্রজীবনে বিবাহ ভালো। তাতে সে অন্য মেয়ের সাথে অযথা সময় নষ্ট না করে পড়াশোনায় সময় দিতে পারবে।

আর যদি কোন ছাত্রী পড়াশোনা চলাকালে বিবাহ করে এবং তার স্বামী তাকে সর্বোতভাবে সাপোর্ট না দেয় তাহলে শুধু মুখের কথা বলে- পড়ালেখার অনুমতি আছে; তাহলে তার জন্য সাংসারিক চাপ সামলে লেখাপড়া চালানো কষ্টকর বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। পরবর্তীতে লেখাপড়া অসম্পূর্ণ রেখেই সংসারে মনোযোগী হতে হয়।
বি.দ্র. সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, ছাত্র জীবনে সকলকে ম্যানেজ করে বিবাহ করতে পারলে খুব ভালো। কারণ এতে নজরের হিফাজত হয় এবং বড় বড় গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা যায়। আর আমাদের জীবনের লক্ষ্য হলো, পরবর্তী অসীম জীবনের সুখ শান্তির জন্য এ সসীম জীবন থেকে সওয়াব কামাই করার সাথে সাথে গুনাহের ছিদ্রপথগুলো বন্ধ করা।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

3 টি উত্তর
1 উত্তর
1 উত্তর

288,089 টি প্রশ্ন

373,379 টি উত্তর

112,900 টি মন্তব্য

156,760 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...