1,477 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (6,242 পয়েন্ট)
পূনঃরায় খোলা করেছেন

10 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (1,380 পয়েন্ট)
যেমন মেয়ে বিয়ে করা উচিতঃ ১। অল্পতে সন্তুষ্ট থাকে। ২। স্বামীর সুখেরও সাথী হবে, আবার দুঃখেরও সাথী হবে। ৩। নামাজী। ৪। কুরআন তিলাওয়াত ক্বারী। ৫। পরহেজগার। ৬। আল্লাহভীরু ও আল্লাহওয়ালা। ৭। রাগ-অভিমান করে না। ৮। স্বামীকে কষ্ট দিবে না। ৯। বদমেজাজি বা ঝগড়াটে নয়। ১০। সুন্দর মন ও সুন্দর চরিত্রের অধিকারী। ১১। সুশিক্ষিত। ১২। বুদ্ধিমতী। ১৩। নিঃস্বার্থভাবে সংসারের জন‍্য কাজ করবে। ১৪। জিহ্বা ও লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। ১৫। লাজুক। ১৬। ধৈর্যশীল, যে গুণ দিয়ে বিপদের সময়ও স্থির থাকা যায়। ১৭। সহ‍্যশক্তি, যে গুণ দিয়ে সকল দুঃখ-কষ্ট সহ‍্য করে নেয়া যায়। ১৮। রোজা রাখে। ১৯। স্বামীর ভালোর জন‍্য দোয়া করবে। ২০। স্বামীর আসার জন‍্য অপেক্ষায় থাকবে। ২১। স্বামীকে জ্ঞান আহরণ ও জ্ঞান বিতরণে সাহায‍্য করবে। ২২। স্বামীকে বিপদে বা কষ্টে সান্ত্বনা দিবে। ২৩। স্বামীর দুঃসময়ে কখনো স্বামীকে ছেড়ে চলে যাবে না। ২৪। স্বামীকে নামাজের তাগিদ দিবে। নামাজ কায়েম করবে। ২৫। মাদ্রাসা পড়ুয়া বা স্কুল পড়ুয়া পর্দানশীল মেয়ে। ২৬। স্বামী-স্ত্রীর গোপন বিষয় অন‍্য কারো কাছে প্রকাশ করবে না। ২৭। স্বামীর গায়ে কখনো হাত তুলবে না। ২৮। ফিঙ্গারিং, সমকামিতা, পরকীয়া, যিনা, ব‍্যভিচার থেকে দূরে থাকে। ২৯। ইসলামী হামদ-নাত, ওয়াজ-মাহফিল শুনতে পছন্দ করে। ৩০। অক্ষম ভিক্ষুককে কখনো খালি হাতে ফিরিয়ে দেয় না। ৩১। লোভ, হিংসা, অহংকার, অলসতা থেকে দূরে থাকে। ৩২। নিজে সতী স্ত্রী হয়ে স্বামীকে সৎ স্বামী রাখতে চেষ্টা করবে। ৩৩। অল্প কথা বলে, কিন্তু মিষ্টি ও ইসলামিক কথা বলে। ৩৪। স্বামীর সাথে খোশগল্প বা দুষ্টুমি করবে। ৩৫। কখনো মিথ‍্যা কথা বলে না। ৩৬। পরনিন্দা বা গীবত করে না। ৩৭। সদা হাসি-খুশি ও লাবণ‍্যময়ী থাকে। ৩৮। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বামীর কাছে সদা সুন্দর সাজে থাকবে। ৩৯। কষ্ট পেলে নীরবে কান্না করে। ৪০। স্বামীর মঙ্গল কামনা করবে এবং পরস্পরের ভালোর জন‍্য যা যা করা দরকার, তার সবই করবে। এমন মেয়েকেই বিয়ে করা উচিত। ধন‍্যবাদ।
1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (452 পয়েন্ট)
.উত্তরঃ-  ইসলামের দৃষ্টিতে কেমন নারীকে বিবাহ করতে হবে। তা আমরা নিম্নোক্ত হাদীসগুলো থেকে বুঝতে পারব। নিচে এ ব্যাপারে বর্ণিত হাদীস ও তার সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দেয়া হল।

হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- নারীকে চার কারণে বিবাহ করা হয় (১) তার সম্পদের কারণে। (২) তার বংশ মর্যাদার কারণে। (৩) তার সৌন্দর্যের কারণে এবং (৪) তার ধর্মের কারণে। সুতরাং তুমি ধার্র্মিক নারী লাভ করে কামিয়াব হও। তোমাদের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক অর্থাৎ- তুমি ধ্বংস হও। (যদি অন্য নারী চাও)। [দেখুনঃ বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ]

এ হাদীসের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা – সাধারণতঃ মানুষ বিবাহের সময় হাদীসে উল্লেখিত দিক লক্ষ্য রাখে। কিন্তু হাদীস থেকে জানা গেল যে, দ্বীনদার লোকদের ধার্মিকতাকে অর্থাৎ ধার্মিক নারীকে প্রাধান্য দেয়া উচিত। তোমার হস্তদ্ব ধ্বংস হোক কথাটি মূলত বদদোয়া হলেও এখানে বদদোয়া করা উদ্দেশ্য নয়, বরং ধর্মিক নারীর প্রতি অধিক আগ্রহান্বিত করাই মূল উদ্দেশ্য।

হযরত আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- গোটা দুনিয়াই হলো সম্পদ, আর দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ সম্পদ হলো নেককার স্ত্রী। (দেখুনঃ মুসলিম শরীফ, মেশকাত শরীফ)

কারণ নেক স্ত্রী আখেরাতের ব্যাপারে সাহায্যকারী হয়। তাই বিবাহের সময় দেখতে হবে নেককার কি না।

হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- যখন তোমাদের নিকট এমন লোক বিবাহের প্রস্তাব দেয়, যার দ্বীনদারী ও আখলাক তোমরা পছন্দ কর। তখন বিবাহ দিয়ে দিও (মাল-সম্পদের দিকে আর লক্ষ্য করো না।) যদি তা না কর তবে দেশে ফিৎনা ও ব্যাপক ফাসাদ দেখা দিবে। (তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ)

এ হাদীসের ব্যাখ্যা হল, ফিৎনা-ফাসাদ দেখা দেয়ার কারণ হলো- যখন মানুষের দ্বীনদারী ও আখলাক দেখে বিয়ে না দেয়া হবে বরং তার অর্থ সম্পদ কেমন আছে, সমাজে প্রভাব প্রতিপত্তি কেমন আছে, এসব দেখতে যাওয়া হবে তখন সংগত কারণেই অধিকংশ মেয়ে স্বামীহীন এবং অধিকাংশ পুরুষ স্ত্রীহীন থেকে যাবে। ফলে যিনা-ব্যভিচার ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাবে। বর্তমান সমাজের অবস্থার দিকে দৃষ্টিপাত করলেই এর সত্যতা ষোল আনা মেলে। ছোট-বড়, কিশোরী-যুবতী, বালিগা-নাবালিগা, বিধবা-সধবা এমনকি অবুঝ কচি শিশুরা পর্যন্ত আজ যত্রতত্র ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। বর্তমানে ধর্ষণ একটি দৈনন্দিন স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ।

হযরত মাকাল বিন ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- তোমরা বিবাহ কর অতি সোহাগিনী ও অধিক সন্তান প্রসবিনী নারীকে। কেননা আমি তোমাদের (সংখ্যাধিক্যের দ্বারা অন্যান্য উম্মতের উপর গর্বকরব। (দেখুন ঃ আবু দাউদ শরীফ)

আলোচ্য হাদীস থেকে আমরা দুটি বিষয় জানতে পারলাম। (১) বিবাহ করার জন্য এমন মেয়ে অনুসন্ধান করা মুস্তাহাব, যার প্রকৃতিতে মহব্বত করার যোগ্যতা রয়েছে অর্থাৎ যে মন উজাড় করে ভালবাসতে পার। (২) ঐ মহিলাকে প্রাধান্য দেয়া উচিত যার বংশে বেশি বেশি সন্তান হওয়ার ধারাবহিকতা রয়েছে।

অন্য হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তোমাদের উপর কুমারী রমণীদের বিবাহ করা অপিরিহার্য। (অর্থাৎ তোমরা কুমারী মেয়ে বিবাহ কর)। কেননা তাদের মুখ খুব মিষ্ট (অর্থাৎ মিষ্ট মিষ্ট কথা বলে) তাদের গর্ভাশয় অধিক গর্ভধারিণী। অর্থাৎ সন্তান বেশি বেশি হয় এবং তারা অল্পতে সন্তুষ্ট থাকে।

কুমারী অধিক গর্ভধারীণীর কারণ হলো তার গর্ভাশয় অধিক পরিমাণ বীর্যকে গ্রহণ করে। অবশ্য সেক্ষেত্রে আল্লাহর হুকুম পূর্বশর্ত। কুমারী অল্পতে তুষ্ট হয় অর্থাৎ সে ধন-সম্পদ এবং সহবাসের ক্ষেত্রে অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকে। কেননা সে স্বামীর মাল সম্পর্কে বেশী জানেন এবং সহবাস সম্পর্কীয় বিষয়েও সে থাকে অজ্ঞ বিধায় কুমারী মহিলা যেটুকুই লাভ করে সেটুকুই যথেষ্ট মনে করে।।
1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (3,270 পয়েন্ট)
যে মেয়ে আল্লাহভিতু পরহেযগার।এবং দ্বিনি জ্ঞানে পরিপক্ব সেই মেয়েকে বিয়ে করা উত্তম এবং উচিত।আর আপনি যেমন মেয়েকে পছন্দ করেন তেমন মেয়েকে বিয়ে করাই যথার্থ হবে।কারণ আমাদের পরামর্শ মতে আপনি যদি বিয়ে করেন তাহলে আপনার বউকে ভালো না ও লাগতে পারে।তাই আপনার পছন্দ যেমন মেয়েকে ঠিক তেমন মেয়েকেই বিয়ে করুন।আর যদি আপনার পছন্দ মতে বিয়ে না করে অন্য কারো পছন্দ মতে, বিয়ে করেন।তাহলে পরবর্তীতে সংসারে বা বৈবাহিক জিবনে বিপর্যয় সৃষ্টি হতে পারে।
1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (3,782 পয়েন্ট)
কুরআন ও হাদীস অনুযায়ী বিয়ের জন্য যে সমস্ত বিষয়গুলো দেখে নারীদেরকে বাছাই করা উচিত, সে সম্পর্কে কিছু বিষয় বর্ণনা করা হলো।
১. “ঈমান”
বিবাহের জন্য সবার প্রথম পাত্র ও পাত্রী উভয়ের ঈমানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তাওহীদে বিশ্বাসী, নামাযী এবং সুন্নতের অনুসারী এমন কারো জন্য বেনামাযী, কবর, মাযার আর পীর পূজারী, মনপূজারী অথবা দুনিয়া পূজারী, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র বা প্রচলিত শিরকি-কুফুরীর রাজনীতির সাথে জড়িত এমন কাউকে বিয়ে করা যাবেনা। মহান আল্লাহ তাআ’লা বলেন, “আর তোমরা মুশরেক নারীদেরকে বিয়ে করোনা, যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা ঈমান গ্রহণ করে। নিশ্চয়ই একজন মুসলমান ক্রীতদাসী, মুশরেক স্বাধীনা নারী অপেক্ষা উত্তম, যদিও (দুনিয়ার চাকচিক্য, সৌন্দর্য অথবা সম্পদের কারণে) তাদেরকে তোমাদের কাছে ভালো লাগে। এবং তোমরা (নারীরা) কোন মুশরেক পুরুষের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ো না, যে পর্যন্ত না সে ঈমান আনে। একজন মুসলমান ক্রীতদাস একজন স্বাধীন মুশরেকের তুলনায় অনেক ভাল, যদিও তোমরা তাদের দেখে মোহিত হও। তারা (কাফের/মুশরেক) তোমাদেরকে জাহান্নামের দিকে আহবান করে, আর আল্লাহ তাঁর আদেশের মাধ্যমে তোমাদেরকে জান্নাত ও ক্ষমার দিকে আহবান করেন। আর তিনি মানুষকে নিজের নির্দেশ বাতলে দেন, যাতে করে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।” [সুরা আল-বাক্বারাহ, আয়াত ২২১ এর তর্জমা]
২. “দ্বীনদারী বা ধার্মিকতা”
দুনিয়াতে মুসলমান অনেক ধরণেরই আছে কিন্তু, এই দুনিয়ার মাঝে শ্রেষ্ঠ সম্পদ হচ্ছে একজন নেককার স্ত্রী। সম্পদ বা সৌন্দর্যের লোভে বেদ্বীন বা দ্বীনের মাঝে ত্রুটি আছে এমন কাউকে বিয়ে করলে দুনিয়া ও আখেরাত উভয় জাহানের অনেক কল্যান ও শান্তি থেকে বঞ্চিত হতে হবে। এ প্রসংগে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন, “মানুষ সাধারণত নারীদের মাঝে চারটি গুণ দেখে বিবাহ করে, তার ধন-সম্পদ, বংশ-মর্যাদা, সৌন্দর্য এবং ধর্ম। (কিন্তু এমন করবেনা), তোমরা বিয়ের জন্য ধার্মিক নারীদেরকে অগ্রাধিকার দাও। তোমরা যদি ধার্মিক নারীদেরকে অগ্রাধিকার না দাও, তাহলে অবশ্যই তোমাদের দুই হাত ধূলায় ধূসরিত হবে (অর্থাৎ, নিশ্চয়ই সেটা তোমাদের জন্য মন্দ ও অকল্যান ডেকে আনবে)।
[সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম, মিশকাতঃ ৩০৮২, ৩০৯০, ‘বিবাহ’ অধ্যায়।]
৩. “পর্দানশীল ও বিনয়ী”
বেপর্দা নারী মানেই অহংকারী, অহংকারী কারো জন্য স্বামীর আনুগত্য বজায় রাখা খুবই কষ্টকর, আর এদের মাঝে খুব কম সংখ্যক নারীই জান্নাতে প্রবেশ করবে। অথচ শিক্ষিত/অশিক্ষিত, আলেম হোক আর জালেম হোক, শতকরা ১০০ ভাগ পুরুষ স্ত্রীর কাছ থেকে আনুগত্য কামনা করে, এবং স্ত্রীর অবাধ্যতাকে ঘৃণা করে।
“একবার এক সফরে রাসুল (সাঃ) সাহাবাদেরকে নিয়ে একটা পাহাড়ে উঠলেন। সেখানে হঠাত তারা একটা কাক দেখতে পেলেন, যার পা ও ঠোট ছিলো লাল। এই ধরণের কাক আসলে খুবই বিরল, দেখতে পাওয়া যায়না বললেই চলে। সাহাবারা এতো বিরল একটা জিনিস দেখে আশ্চর্য হয়ে বলাবলি করতে লাগলেন। রাসুল সাঃ তখন বললেন, এইরকম কাকের মাঝে লাল পয ও লাল ঠোটওয়ালা কাক যেমন অত্যন্ত বিরল, তেমনি নারীদের মাঝে যারা বেপর্দা চলাফেরা করবে তাদের মাঝে খুব কম সংখ্যক নারীই জান্নাতে প্রবেশ করবে।”
৪. “ইলম ও আমল”
ইলম ছাড়া বিভিন্ন পরীক্ষা বা বিপদ-আপদ ও ফেতনার সময়ে ঈমান নিয়ে টিকে থাকা খুবই কষ্টকর, যা বর্তমান যুগে খুব বেশি অনুভূত হচ্ছে। সংগী/সংগিনীর যদি ইলমের ব্যপারে ত্রুটি থাকে, তাহলে তার প্রভাব আপনার উপরেও পড়বে। রাসুল সাঃ বলেছেন, “একজন মানুষ তার বন্ধুর দ্বীনের উপরেই আছে।”
থিওরিটিক্যালি স্বামী/স্ত্রী একজন অপরজনের শ্রেষ্ঠ বন্ধু হওয়ার কথা। সুতরাং, জ্ঞানী, ইসলামী জীবন-যাপনে আগ্রহী ও অভ্যস্ত এমন কাউকে বিয়ে করতে চেষ্টা করুন যে আপনার দ্বীনের ব্যপারে সাহায্যকারী হবে, বাঁধা হয়ে দাঁড়াবেনা।
“প্রেমময়ী” এবং “অধিক সন্তান জন্মদানকারী”
“এক ব্যক্তি নবী করীম (সাঃ) এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে বলল, আমি একজন সুন্দরী এবং উঁচু বংশের রমনীর সন্ধান পেয়েছি, কিন্তু সে কোন সন্তান প্রসব করে না (বন্ধ্যা) । আমি কি তাকে বিবাহ করব? তিনি বলেন, না। অতঃপর, সে ব্যক্তি দ্বিতীয়বার এসে একই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলো, তিনি পুনরায় তাকে নিষেধ করলেন। পরে তৃতীয়বার সে ব্যক্তি এলে তিনি বলেন, তোমরা এমন স্ত্রীলোকদের বিবাহ করবে, যারা স্বামীদের অধিক মহব্বত করে এবং অধিক সন্তান প্রসব করে। কেননা আমি (কিয়ামতের দিন) তোমাদের সংখ্যাধিক্যের কারণে (পূর্ববর্তী উম্মতের উপর) গর্ব প্রকাশ করব।”
৫. “প্রেমময়ী”
মানুষ স্বামী/স্ত্রীর কাছ থেকে যা কামনা করে, তা না পেলে অনেকেই পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। আর এই কুপথে না গেলেও, সারাজীবনের জন্য সেটা একটা অভিশাপ হিসেবেই থেকে যাবে। তাই, নারী পুরুষ উভয়ের উচিত সংগির হক্ক পূর্ণভাবে আদায় করার ব্যপারে সজাগ থাকে।
৬. “অধিক সন্তান জন্মদানকারী”
রাসুল সাঃ পুরুষদেরকে অধিক সন্তান জন্মদানকারী নারীদেরকে বিয়ে করার উতসাহিত করেছেন, এর দ্বারা উম্মতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে যা নিয়ে কেয়ামতের দিন রাসুল সাঃ গর্ব করবেন। এছাড়া সন্তানদেরকে হাদিসে ‪#‎রিযক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। কিছু ওলামা বলেছেন, কোন নারী অধিক সন্তানদানকারী হবে কিনা, সেটা বোঝার জন্য তার মা ও খালার সন্তানের সংখ্যা কত, তার দিকে লক্ষ্য করতে বলেছেন। কোন মেয়ের মা ও খালা যদি অধিক সন্তান জন্মদানকারী হয়ে থাকে, তাহলে আশা করা যেতে পারে সেও অধিক সন্তান জন্মদানকারী৷
৭. “কুফু বা সমতা”
রাসূল (সাঃ) বলেছেন, “তোমরা বিবাহের জন্য উপযুক্ত পাত্রী নির্বাচন কর এবং ‘কুফু’ (সমতা) দেখে বিবাহ কর।”
[ইবনু মাজাহঃ ১৯৬৮; হাদীসটি সহীহ শায়খ আলবানী। সিলসিলা সহীহাহঃ ১০৬৭]
বিয়ের সময় নারী ও পুরুষের মাঝে অবশ্যই কুফু বা সমতার দিকে লক্ষ্য রাখা উচিৎ। দাড়ী কামাতে অভ্যস্ত, হারাম ইনকাম এমন কোন পুরুষের সাথে যদি ক্বুরানের হা’ফিজাহ কোন নারীকে বিয়ে দেওয়া হয়, আর বিয়ের পরে স্বামী তাকে মডার্ণ ড্রেস পড়তে বাধ্য করে, হিন্দী গান শোনানোর বায়না ধরে তাহলেতো প্রবলেম। আবার কোন নারী যদি বিয়ের পরে যেকোন উপায়ে স্বামীকে অঢেল সম্পত্তি অর্জন করতে চাপ দেয়, দাঁড়ি রাখা যাবেনা বায়না ধরে, মা-বাবার হক্ক আদায়ে বাঁধা দেয়…এই সংসারে আর যাই হোক সুখ নামক নামক অচিন পাখিটা কখনো ধরা দেবেনা। তাই বিয়ের পূর্বে সার্বিক দিক বিবেচনা করে কুফু রক্ষা করা উচিৎ।
৮. “কুমারী"
নারীদেরকে আল্লাহ তাআ’লা প্রেমময়ী, সহজাত লজ্জাবোধ ও কমনীয়তা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন, যা পর্দানশীল কুমারী নারীদের মাঝে সবচাইতে বেশি থাকে। এইজন্য আল্লাহ তাআ’লা জান্নাতী নারীদেরকে চিরকুমারী করে সৃষ্টি করেছেন। রাসুল সাঃ বলেছেন, “তোমরা কুমারী মেয়েদেরকে বিয়ে করো, কারণ তারা মিষ্টিভাষী, অধিক সন্তান জন্মদানকারী এবং অল্পে তুষ্ট হয়ে থাকে।” [তাবারানি, হাদীসটি হাসান সহীহ]
পূর্বে বিয়ে হয়েছে, এমন কেউ স্বভাবতই ম্যাচিউরড হবে এবং অনেক হিসাবী হবে। তবে অকুমারী মেয়েদের বিয়ে করা নিষিদ্ধ বা অপছন্দনীয় কোন বিষয়, এমন নয়। স্বয়ং রাসুল সাঃ এর স্ত্রীদের মাঝে মা আয়িশাহ রাঃ ছাড়া অন্য সব স্ত্রী ছিলেন অকুমারী। এছাড়া একজন সাহাবী অকুমারী মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন যাতে করে সে তার ৭ জন ছোট বোনদের দেখাশোনা করতে পারে।

জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাঃ এর যুগে এক মহিলাকে বিবাহ করলাম। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ সাঃ এর সাথে সাক্ষাত করলে তিনি বলেন, হে জাবির! তুমি কি বিবাহ করেছো? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বললেন, কুমারী না বিধবা? আমি বললাম, বিধবা। তিনি বললেন, কেন তুমি কুমারী মেয়ে বিবাহ করলে না, তাহলে তার সাথে তুমি রসিকতা ও কৌতুক করতে পারতে? আমি বললাম, আমার কয়েকটি বোন আছে। তাই আমি আমার ও আমার বোনদের মধ্যে একটি কুমারী মেয়ের প্রবেশ করাকে সংকটজনক বোধ করলাম। তিনি বলেন, তাতো ভালো কথা।
[বুখারীঃ ২০৯৭, মুসলিমঃ ৭১৫, তিরমিযীঃ ১১০০]

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (5,273 পয়েন্ট)

.....................

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (257 পয়েন্ট)
যে মেয়ে পড়ালেখায় দ্ক্ষ যে মেয়ের মন ভালো  যার চরিত্র ভালো এবং যে  পাঁচ ওয়াক্ত
নামাজ পড়ে যে সংসার চালাতে পারবে বলে মনে হয় আপনি সেই সকল মেয়েকে বিবাহ করতে পারেন।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (36 পয়েন্ট)
রাসুল সাঃ বলেছেন,মহিলাদের বিবাহ করা হয় চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ করে ১ তার সম্পদের কারণে। ২ তার বংশ আভিজাত্যের কারণে। ৩ তার রূপের কারণ। ৪ তার দ্বীনদারির কারণে। অতএব তুমি দ্বীনদারিকে প্রাধান্য দাও। অন্যথায় তোমার হাত ধুলিমলিন হোক।
মেশকাত শরিফ,বিবাহ অধ্যায়।
অন্য হাদিছে তিনি বলেন, তোমরা অধিক সন্তান প্রসাবকারিনিকে বিবাহ করো। কেননা আমি কেয়ামতের দিনে উম্মাতদের নিয়ে গর্ব করবো।
মেশকাত শরিফ.বিবাহ অধ্যায়
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (731 পয়েন্ট)
যেমন মেয়েকে বিয়ে করা উচিত।

১/মেয়ে যেন অবশ্যই দ্বীনদার হয়।

২/বিনয়ী ও নম্র স্বভাবের হয়।

৩/স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়।

৪/বেশি চাহিদা শীলা না হয়।

এগুলোর জন্যে মেয়ের মা দাদিকে দেখা উচিত কারণ সর্বদা যেহেতু তাদের সঙ্গে উঠাবসা হয় তাই তাদের গুনাগুণ মেয়ের ভিতর আসা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (2,897 পয়েন্ট)
মেয়েদের রূপ বা সৌন্দর্য দেখে নয় আমল দেখে বিয়ে করা উচিত। যদি মেয়ে দীনের উপর অটল থাকে তবে আখিরাতেও যেমন সফল হতে পারে তেমনি দুনিয়াতেও। আর একটু হলেও শিক্ষিত হওয়া। কারণ একজন শিক্ষিত মা পারেন একটি শিক্ষিত জাতি গড়তে ।।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (3,740 পয়েন্ট)
একজন মেয়ের মধ্যে নিচের গুণগুলো আছে এমন মেয়েকে বিয়ে করা উচিত
• মেয়ে যেন অবশ্যই ধার্মিক হয়
• বিনয়ী এবং নম্র স্বভাবের এবং চারিত্রিক গুণাবলি সম্পন্ন হয়
• সুশিক্ষিত হতে হবে
• পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হতে হবে
• মেয়ে যেন অবশ্যই লাজুক, সহ্যশীল, ধৈর্যশীল হয়
• মেয়ে যেন বড়দের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়
• সাংসারিক কাজে যেন দক্ষ হয়
• মেয়ে যেন মিতব্যয়ী হয়
• লোভ, হিংসা, অহংকার, অলসতা, মিথ্যা বলা থেকে বিরত থাকবে এমন মেয়ে
• সদা হাসিখুশি এবং লাবণ্যময়ী
উক্ত গুণ সম্পন্ন মেয়েকে আপনি বিবাহ করতে পারেন।
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
2 টি উত্তর

288,753 টি প্রশ্ন

374,153 টি উত্তর

113,170 টি মন্তব্য

157,315 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...