8,441 জন দেখেছেন
"ফল" বিভাগে করেছেন (6 পয়েন্ট)

4 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (8,465 পয়েন্ট)

প্রতি ১০০ গ্রাম পরিস্কার ও তাজা খেজুর ফলে ভিটামিন-সি রয়েছে যা থেকে ২৩০ ক্যালরী (৯৬০ জুল) শক্তি উৎপাদন করে। খেজুরে স্বল্প পরিমাণে পানি থাকে যা শুকানো অবস্থায় তেমন প্রভাব ফেলে না। কিন্তু এ প্রক্রিয়ার ফলে সঞ্চিত ভিটামিন সি খাদ্য উপাদান নষ্ট হয়ে যায়।

তুরস্ক, ইরাক এবং উত্তর আফ্রিকার পশ্চিমাঞ্চল মরক্কোয় খেজুরের উপযোগিতা প্রাচীনকাল থেকেই রয়েছে। পবিত্র বাইবেলে পঞ্চাশ বারেরও অধিক জায়গায় খেজুরের কথা উল্লেখ রয়েছে। ইসলামী দেশগুলোতে পবিত্র রমজান মাসে ইফতারীতে খেজুরের ব্যবহার অনস্বীকার্য। মেদজুল এবং দেগলেত নূরজাতীয় খেজুরের চাষ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া, অ্যারিজোনা এবং দক্ষিণ ফ্লোরিডায় আবাদ করা হয়ে থাকে।

কচি খেজুর পাতা সব্জী হিসেবে রান্না করে খাওয়া যায়। এছাড়াও, খেজুরের ফুলও খাবার উপযোগী। সনাতনী ধাঁচে স্ত্রী ফুল ৩০০-৪০০ গ্রাম ওজনে বিক্রয় করা হয়। ফুলের কুঁড়ি দিয়ে সালাদ কিংবা শুকনো মাছ বা শুঁটকী দিয়ে চাটনী তৈরী করে রুটির সাহায্যে খাওয়া হয়। খেজুরে বিশাল পরিমাণে পুষ্টিমান রয়েছে। পটাসিয়াম উপাদান রোগীর পথ্যের জন্যে বিশাল উপযোগী ও এর ক্ষেত্র হিসেবে খেজুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাকা খেজুরে প্রায় ৮০% চিনিজাতীয় উপাদান রয়েছে। বাদ-বাকী অংশে খনিজ সমৃদ্ধ বোরন, কোবাল্ট, ফ্লুরিন, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সেলেনিয়াম এবং জিঙ্কের ন্যায় গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান রয়েছে।[৪]

মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহে সনাতনী ধারায় খেজুর থেকে ভিনেগার বা সিরকা প্রস্তুত করা হয়।

বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর আফ্রিকা, ঘানা,

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (237 পয়েন্ট)
  • স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে।
  • রোজায় অনেকক্ষন খালি পেটে থাকা হয় বলে দেহের প্রচুর গ্লুকোজের দরকার হয়।
  • খেজুরে অনেক গ্লুকোজ থাকায় এ ঘাটতি পূরণ হয়।
  • হৃদরোগীদের জন্যও খেজুর বেশ উপকারী।
  • খেজুরের প্রচুর খাদ্য উপাদান রয়েছে।
  • খেজুর রক্ত উৎপাদনকারী।
  • হজমশক্তি বর্ধক, যকৃৎ ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক।
  • রুচি বাড়ায়।
  • দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (5,273 পয়েন্ট)
খেজুর যকৃৎ শক্তিশালী করে, প্রকৃতিতে কোমলতা আনে ও প্রেসার কমায়। খেজুর অন্যান্য ফলের তুলনায় শরীরে সব চেয়ে বেশী খাদ্য সরবরাহ করে। খেজুরে মিষ্টি জাতীয় কোন উপাদান মিশানোর প্রয়োজন নেই, সে নিজেই মিষ্ট, খেজুর মুখের জীবাণু ধ্বংস করে। খেজুর একই সাথে ফল, খাদ্য, ওষুধ ও মিষ্টান্নের কাজ করে।
• পুরানো খেজুর বেছে খাওয়া এবং কীটদষ্ট অংশ ফেলে দেয়া।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (6 পয়েন্ট)
খেজুরের কথা উঠলেই কেমন করে যেন রোজার দিনগুলোর কথা মনে পড়ে যায়। রোজার মাসটা আমরা খেজুর খাই। তবে বছরের অন্য দিনগুলোতে কি শখ করে খাওয়া হয় খেজুর? সারা বছর খেজুর কিন্তু বাজারে মেলে। আর খাওয়াও উচিত বছর জুড়ে। খেজুর যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টিগুন বিচারেও অনন্য। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরণের রোগব্যাধি উপশমেও বেশ কার্যকর। খেজুরের মধ্যে আছে ক্যালসিয়াম, সালফার, আয়রন, পটাশিয়াম, ফরফরাস, ম্যাঙ্গানিজ, কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি৬, ফলিক এসিড, আমিষ, শর্করাসহ একাধিক খাদ্যগুন। খেজুরের বিভিন্ন ধরণের গুণাবলি নিয়ে দেখুন গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য।

ক্যানসার প্রতিরোধ : খেজুর পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ এবং প্রাকৃতিক আঁশে পূর্ন। এক গবেষনায় দেখা যায় খেজুর পেটের ক্যানসার প্রতিরোধ করে। আর যারা নিয়মিত খেজুর খান তাদের বেলায় ক্যানসারে ঝুকিটাও কম থাকে।
দুর্বল হৃৎপিন্ড : খেজুর হৃৎপিন্ডের কার্যমতা বাড়ায়। তাই যাদের দুর্বল হৃৎপিন্ড খেজুর হতে পারে তাদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ঔষধ।

মুটিয়ে যাওয়া রোধে : কয়েকটা মাত্র খেজুর ুধার তীর্বতা কমিয়ে দেয়। এবং পাকস্থলীকে কম খাবার গ্রহনে উদ্বুদ্ধ করে। এই কয়েকটা খেজুরই কিন্তু শরীরের প্রয়োজনীয় শর্করার ঘাটতি পূরন করে দেয় ঠিকই।

মায়ের বুকের দুধ : খেজুর বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েদের জন্য সমৃদ্ধ এক খাবার। এই খেজুর মায়ের দুধের পুষ্টিগুন আরো বাড়িয়ে দেয়। এবং শিশুর রোগ প্রতিরোধ মতা বাড়ায়।

হাড় গঠনে : ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সহায়ক। আর খেজুরে আছে প্রচুর পরিমান ক্যালসিয়াম। যা হাড়কে মজবুত করে।

অন্ত্রের গোলযোগ : অন্ত্রের কৃমি ও তিকারক পরজীবী প্রতিরোধে খেজুর সহায়ক। এবং খেজুর অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরী করে।

দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে : খেজুর দৃষ্টি শক্তি বাড়ায়। সেই সাথে রাত কানা রোগ প্রতিরোধেও খেজুর অত্যন্ত কার্যকর।

কোষ্ঠ কাঠিন্য : খেজুরে আছে এমন সব পুষ্টি গুন। যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। এবং কোষ্ঠ কাঠিন্য রোধ করে।

সংক্রমন : যকৃতের সংক্রমনে খেজুর উপকারী। এছাড়া গলা ব্যথা, বিভিন্ন ধরনের জ্বর, সর্দি, এবং ঠান্ডায় খেজুর উপকরী।

বিষক্রিয়া : খেজুর অ্যালকোহল জনিত বিষক্রিয়ায় বেশ উপকারী। ভেজানো খেজুর খেলে বিষক্রিয়ায় দ্রুত কাজ করে।

শিশুদের রোগ বালাই : শিশুদের জন্যও খেজুর ভারী উপকারী। খেজুর শিশুদের মাড়ী শক্ত করতে সাহায্য করে।এবং কোন কোন ক্ষেত্রে ডায়রিয়াও প্রতিরোধ করে।
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
22 অগাস্ট 2014 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন ফারদিল হাসান (9 পয়েন্ট)
1 উত্তর
12 ফেব্রুয়ারি 2018 "ফল" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Brave (0 পয়েন্ট)
1 উত্তর
31 অগাস্ট 2017 "ফল" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন abdul halimct (7 পয়েন্ট)
4 টি উত্তর
04 নভেম্বর 2015 "ফল" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Bappy8480 (-1 পয়েন্ট)

287,878 টি প্রশ্ন

373,172 টি উত্তর

112,806 টি মন্তব্য

156,577 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...