20,641 জন দেখেছেন
"আইন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (6,527 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
উত্তর প্রদান করেছেন (6,527 পয়েন্ট)

#9 বাংলাদেশ ফ্লাইং ক্লাবের প্রধান প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান রুমির মাধ্যমিক পরীক্ষার (এসএসসি) সনদ যাচাইসংক্রান্ত নথিপত্র তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
 
ভুয়া শিক্ষাসনদ ব্যবহার করে ঝাড়ুদার থেকে প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার অভিযোগ অনুসন্ধান করতে তার ওই নথিপত্র তলব করা হয়েছে। দুদকের একটি সূত্র বিষয়টি রাইজিংবিডিকে নিশ্চিত করেছে।
 
অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক স্বাক্ষরিত চিঠির সূত্রে জানা যায়, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এবং ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবর পাঠানো চিঠিতে মে মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে চাহিদাকৃত নথিপত্র দুদকের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
 
শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো ওই চিঠির সূত্রে আরো জানা যায়, দুদকে রুমির জমা দেওয়া নথিপত্র অনুসারে তিনি ১৯৭৫ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে বাণিজ্য বিভাগে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। যার রোল নম্বর ১৪৩৫৪ ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ০১৭৭২/১৯৭৩। আর সনদের ক্রমিক নম্বর হলো ২৫৭৫১। কিন্তু উল্লিখিত সনদটি প্রকৃত কি না, তা জানতেই ঢাকা বোর্ডে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর চিঠি লেখা হয়েছে। অন্যদিকে ধানমন্ডি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে রুমির পূর্ণাঙ্গ ঠিকানাসহ অন্যান্য নথিপত্র চাওয়া হয়েছে।
 
এর আগে ২০১৫ সালের ৯ আগস্ট দুদকের প্রধান কার্যালয়ে চাহিদাকৃত শিক্ষাসনদ, সার্ভিস বুকসহ বিভিন্ন নথিপত্র কমিশনে দাখিল করেন প্রধান প্রকৌশলী রুমি। আর শিক্ষাসনদ যাচাই করতেই এ চিঠি দেওয়া হয়েছে।
 
মনিরুজ্জামান রুমির বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে দুদক সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরোনো বৈমানিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বাংলাদেশ ফ্লাইং ক্লাব। ১৯৮০ দশকে প্রথমে এ ক্লাবের ঝাড়ুদার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন মনিরুজ্জামান রুমি। এরপর কয়েক মাস পরেই তিনি তৎকালীন প্রধান প্রকৌশলীর পিয়ন হিসেবে পদোন্নতি পান। তারপর হয়েছেন এয়ারক্রাফট মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার। সবশেষে গত বিএনপি সরকারের আমলে তিনি প্রধান প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি পান। তৎকালীন সিভিল এভিয়েশনের উচ্চপদে আসীন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির যোগসাজশে এসব পদে যোগ দিয়েছেন তিনি। মূল সনদ ছাড়াই সত্যায়িত শিক্ষাসনদ দিয়েই রুমি চাকরি করছেন, যা এখন পর্যন্ত যাচাই-বাছাই করা হয়নি।
 
অভিযোগে আরো বলা হয়, গত বছর ফ্লাইং ক্লাবের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কর্মরত সব কর্মকর্তার মূল শিক্ষাসনদ জমা দেওয়ার কথা ছিল। তখন বিপাকে পড়েন প্রধান প্রকৌশলী রুমি। পরবর্তী সময়ে পাসপোর্ট জমা দিয়ে এ বিপদ থেকে রেহাই পান তিনি। তবে কেন তখন রুমি তার মূল সনদ জমা দেননি, সে বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কোনো অনুসন্ধান করা হয়নি।
 
অনুসন্ধান শুরু হওয়ার পর দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাসুদুর রহমানকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি তিনি বদলি হওয়ায় দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হককে অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।


মোঃ আরিফুল ইসলাম বিস্ময় ডট কম এর প্রতিষ্ঠাতা। খানিকটা অস্তিত্বের তাগিদে আর দেশের জন্য বাংলা ভাষায় কিছু করার উদ্যোগেই ২০১৩ সালে তার হাত ধরেই যাত্রা শুরু করে বিস্ময় ডট কম। পেশাগত ভাবে প্রোগ্রামার।
closeWe

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
10 সেপ্টেম্বর 2014 "বিনোদন ও মিডিয়া" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন mdsaim (375 পয়েন্ট)
3 টি উত্তর

252,399 টি প্রশ্ন

328,422 টি উত্তর

94,136 টি মন্তব্য

130,879 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
closeWe
  1. জামিয়ার রাহমান M

    1455 পয়েন্টস

  2. Md. Faridur Reza

    1140 পয়েন্টস

  3. মোঃ হীরা খান

    1073 পয়েন্টস

  4. রঞ্জন কুমার

    1007 পয়েন্টস

  5. allahorgolam

    976 পয়েন্টস

* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...