বিস্ময় অ্যানসারস এ আপনাকে সুস্বাগতম। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং বিস্ময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
70 জন দেখেছেন
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে করেছেন (-1 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (1,769 পয়েন্ট)
প্রথমেই নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে বিষয়টি উপলব্ধি করার জন্য আহবান জানাচ্ছি..

মহান আল্লাহ তার নাবী (সাঃ) কে লক্ষ্য
করে স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন :
" ﺛُﻢَّ ﺟَﻌَﻠْﻨَﺎﻙَ ﻋَﻠٰﻰ ﺷَﺮِﻳْﻌَﺔٍ ﻣِّﻦَ ﺍﻟْﺄَﻣْﺮِ ﻓَﺎﺗَّﺒِﻌْﻬَﺎ ﻭَﻟَﺎ ﺗَﺘَّﺒِﻊْ ﺃَﻫْﻮَﺍﺀَ ﺍﻟَّﺬِﻳْﻦَ ﻟَﺎ
ﻳَﻌْﻠَﻤُﻮْﻥَ"
অর্থাৎ- "হে নাবী! এরপর আমি আপনাকে প্রতিষ্ঠিত
করেছি শরিয়াত বিধানের উপর, সুতরাং আপনি
সেটারই অনুসরণ করুন, (শরিয়াত ছেড়ে মারিফাতের
নামে) অজ্ঞদের খেয়াল খুশীর অনুসরণ করবেন
না।” (সূরাহ্ আল জা-সিয়াহ্ ৪৫ : ১৮)

কাল ক্বিয়ামাতের দিন শরীআত সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ
করা হবে। জান্নাতে যাওয়া ও জাহান্নাম থেকে
রক্ষা পাওয়ার (জন্য ১২৬ তরীকা নয় বরং) একমাত্র
শরীআতের বিধান পালনের উপর নির্ভরশীল। নাবী-
রসূলগণ যারা গোটা সৃষ্টি লোকের মধ্যে সর্বোত্তম
তাঁরা শরীআত কবুল করারই দাওয়াত দিয়েছেন,
পরকালীন নাযাতের জন্য শরীআতকেই একমাত্র উপায়
বলে ঘোষণা করেছেন। নাবী রসূলদের দুনিয়ায়
আগমনের উদ্দেশ্য হলো শরীআতের প্রচার ও
প্রতিষ্ঠা। সবচেয়ে বড় নেকীর কাজ হলো শরীআতকে
চালু করা এবং এর আদেশসমূহের মধ্যে একটি হুকুমকে
হলেও জিন্দা করার জন্যে চেষ্টা করা। বিশেষ করে
এমন সময়, যখন ইসলামের নাম নিশানা মিটে গেছে,
কোটি কোটি টাকা আল্লাহর পথে খরচ করাও
শরীআতের কোন একটি মাসলাকে রেওয়াজ দেয়ার
সমান সওয়াবের কাজ হতে পারে না।

আল্লাহ আমাদের দ্বীনে হক্ব বুঝে সে অনুযায়ী আমল করার তাওফিক দিন। আমীন!
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
03 জুলাই 2018 "ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sabirul Islam (6,267 পয়েন্ট)

294,188 টি প্রশ্ন

380,843 টি উত্তর

115,151 টি মন্তব্য

161,582 জন নিবন্ধিত সদস্য

বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
...