952 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (6,242 পয়েন্ট)
বন্ধ

3 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (4,815 পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর

এটি হাদীস নয় : শবে বরাতে হালুয়া-রুটি বানালে আরশের নিচে ছায়া পাবে


একটি গ্রামের মহিলাদের প্রায় সকলকেই বলতে শোনা গেছে, শবে বরাতে হালুয়া-রুটি বানালে আরশের নিচে ছায়া পাওয়া যাবে। এটিকে রাসূলের হাদীস হিসেবেই বলা হয়েছে। কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসের সাথে এর দূরতম সম্পর্কও নেই।

এটি এমন একটি ভিত্তিহীন কথা যার জাল হওয়ার ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। এমনকি জাল হাদীসের উপর লেখা কিতাবাদিতেও এর কোনো খোঁজ পাওয়া যায় না।

কাউকে কাউকে বলতে শোনা যায়, ওহুদ যুদ্ধে যখন নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দানদান মোবরক শহীদ হয়েছিল, তখন কিছুদিন কোনো প্রকার শক্ত খাবার খেতে পারতেন না। সেই ঘটনার প্রতি সমবেদনা জানিয়ে এই দিনে ঘটা করে হালুয়া রুটি খাওয়া হয়। কিন্তু ওহুদ যুদ্ধ তো শাবান মাসের ১৫ তারিখে হয়নি তা হয়েছে শাওয়ালের ৭ তারিখে। সুতরাং যদি সে কেন্দ্রিক কোনো বিষয় থাকত তাহলে তা শাওয়াল মাসের ৭ তারিখে থাকত শাবানের ১৫ তারিখে নয়।

শাবানের পনের তারিখের রাতের ফযীলত সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। (এ রাতের ফযীলত বিষয়ে বিস্তারিত দেখুন, আলকাউসারের সেপ্টেম্বর ২০০৫ সংখ্যায় ‘‘বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ির কবলে শাবান শবে বরাত’’ শিরোনামে) হাদীস শরীফে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, আল্লাহ তাআলা অর্ধ শাবানের রাতে (শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে) সৃষ্টির দিকে (রহমতের) দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষপোষণকারী ব্যতীত আর সবাইকে ক্ষমা করে দেন। (সহীহ ইবনে হিববান, হাদীস ৫৬৬৫; শুআবুল ঈমান, বায়হাকী, হাদীস ৩৮৩৩) কিন্তু এই রাতের সাথে হালুয়া-রুটির কী সম্পর্ক?

এ রাতের যতটুকু ফযীলত প্রমাণিত আছে শুধু ততটুকুতেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। রসম-রেওয়াযের পিছে পড়ে এর মূল ফযীলত থেকে বঞ্চিত হওয়া ঠিক নয়।

আর আলোচ্য বিষয়টি মূলত এই রাতের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন রসমের অন্যতম, যার কোনো ভিত্তি নেই। এ ধরণের কাজ এবং এ রাত কেন্দ্রিক আরো যত রসম-রেওয়ায আছে এগুলে থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।

আর এ ধরনের ভিত্তিহীন কথাকে রাসূলের হাদীস হিসেবে বলা অনেক মারাত্নক গুনাহের কাজ। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন। দ্বীনের সকল বিষয়ে সহীহ কথা ও সহীহ কাজ করার তাওফিক দিন।
http://www.alkawsar.com/article/1163

মূলত উপরোক্ত  জাল বর্ণনা
দুটি থেকেই শবে বরাত উপলক্ষে হালুয়া রুটির মত একটি ধর্মীয় কুসংস্কারের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে।
0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (5,273 পয়েন্ট)
খাজা মাঈনুদ্দিন চিশতিয়া যখন এই উপপহাদেশে আসেন তখনকার মুসলিম সমাজের লোকেরা খুবই গরীব ছিল। আর তখন গরীব ভিক্ষুকদের টাকা পয়সা ভিক্ষা দেয়ার প্রচলন ছিল না। তখন গরীব দুঃখীদের খাদ্য দান করা হত। পবিত্র শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত অর্থাৎ ১৫ শাবান রাত হচ্ছে শবেবরাত। এ রাতের অশেষ ফযীলতও হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। বছরের পাঁচটি শ্রেষ্ঠ রজনীর অন্যতম এ শবেবরাত। এ রাতের করণীয় সম্পর্কে রাসূল সা. ইরশাদ করেন, ১৫ শাবান রাতে তোমরা জেগে থেকে ইবাদত কর এবং পরদিন রোযা রাখ। এ জন্য শবেবরাতে জেগে থেকে ইবাদত করা এবং পরদিন রোযা রাখা বিশেষ সওয়াবের কাজ। শবে বরাতে দান করাও খুব ফজিলত পূর্ন। গরীবদের মাঝে দান করার জন্যে তখনকার মুসলমানেরা রুটি বানিয়ে হালুয়া সহকারে বিলানো হত। পবিত্র কোরানে সুরা মাউনে গরীবদের মাঝে খাদ্য দানের কথা বলা হয়েছে। তাই বহু আগে থেকেই খাদ্য বিলানোর প্রথা চালু ছিল। সেই থেকেই শবে বরাতে রুটি হালুয়া বিলানোর প্রচলন চলে আসছে।
01 জুন 2015 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (8 পয়েন্ট) হিজড়া ছাগলের গোস্ত খাওয়া কি জায়েজ হবে?
করেছেন (4,815 পয়েন্ট)

আপু ! এ তথ্যটি কোথায় বলা আছে ? একটু জানালে উপকৃত হতাম।

0 পছন্দ 0 জনের অপছন্দ
করেছেন (147 পয়েন্ট)

শবে বরাআত উপলক্ষ্যে হালুয়া-রুটি বানানোর কোনো বিধান নেই।


শবে বরাআত উপলক্ষ্যে হালুয়া-রুটি, মসজিদ সাজানো, মীলাদ পড়া, বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা বিদ'আত।


এ রাতটি ব্যক্তিগতভাবে নিজের বাসায় একাকী নফল নামায ও ইবাদাত করে কাটানো উচিত। এমনটিই সালাফে সালেহীনদের হতে বর্ণিত হয়েছে।

টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
3 টি উত্তর
4 টি উত্তর
29 এপ্রিল 2018 "ঈমান ও আক্বীদা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Muttakin Rahman (2,790 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
29 এপ্রিল 2018 "পবিত্রতা ও সালাত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Ratulisalm42 (9 পয়েন্ট)
3 টি উত্তর
28 এপ্রিল 2018 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন সাব্বির আহমদ ফাহিম (1,615 পয়েন্ট)

288,089 টি প্রশ্ন

373,379 টি উত্তর

112,900 টি মন্তব্য

156,760 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...