421 জন দেখেছেন
"হাদিস" বিভাগে করেছেন (17,584 পয়েন্ট)
বিভাগ পূনঃনির্ধারিত করেছেন

2 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (8,092 পয়েন্ট)
লাইলাতুল মেরাজ বা মেরাজের রজনী , যা
সচরাচর শবে মেরাজ হিসাবে আখ্যায়িত, ইসলাম
ধর্মমতে যে রাতে ইসলামের নবী হযরত
মুহাম্মদ (সা:) অলৌকিক উপায়ে উর্ধ্বাকাশে
আরোহণ করেছিলেন এবং স্রষ্টার সাথে সাক্ষাৎ
করেন। মুসলমানরা এবাদত-বন্দেগীর মধ্য দিয়ে
এই রাতটি উদযাপন করেন। ইসলামে মেরাজের
বিশেষ গুরুত্ব আছে, কেননা এই মেরাজের
মাধ্যমেই ইসলাম ধর্মের পঞ্চস্তম্ভের দ্বিতীয়
স্তম্ভ অর্থাৎ নামায মুসলমানদের জন্য
অত্যাবশ্যক অর্থাৎ (ফরজ) নির্ধারণ করা হয়
এবং দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের বিধান
নির্দিষ্ট করা হয়।
ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী মুহাম্মদ (স.) এর
নবুওয়াতের একাদশ বত্সরের (৬২০ খ্রিস্টাব্দে)
রজব মাসের ২৬ তারিখের দিবাগত ইসলামের
নবী মুহাম্মদ (সা.) প্রথমে কাবা শরীফ থেকে
জেরুজালেমে অবস্থিত বায়তুল মুকাদ্দাস বা
মসজিদুল আকসায় গমন করেন এবং সেখানে তিনি
নবীদের জামায়াতে ইমামতি করেন। অত:পর
তিনি বোরাক বিশেষ বাহনে আসীন হয়ে
ঊর্ধ্বলোকে গমন করেন। ঊর্ধ্বাকাশে সিদরাতুল
মুনতাহায় তিনি আল্লাহ'র সাক্ষাৎ লাভ করেন।
এই সফরে ফেরেশতা হজরত জিবরাইল (আ.) তাঁর
সফরসঙ্গী ছিলেন।সূত্রঃ উইকিপিডিয়া
করেছেন (4 পয়েন্ট)
ধন্যবাদ ৥----------------
0 টি পছন্দ
করেছেন (433 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন
হিজরি রজব মাসের
২৬ তারিখ মহানবী হযরত
মুহাম্মদ (সা.) এর ঊর্ধ্বলোকে
পরিভ্রমণের ঐতিহাসিক
ঘটনার স্মারক দিবস। এই
রাতেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ
(সা.) মক্কা শরিফ থেকে
ফেরেশতা জিবরাইল (আ.)-এর
সঙ্গে সপ্তম আসমান পেরিয়ে
মহান আল্লাহ রাব্বুল
আলামিনের সাক্ষাৎ লাভ
করে আবার পৃথিবীতে
ফিরে আসেন। এ কারণেই
হিজরি রজব মাসের ২৬
তারিখের এই রাতটি
মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত
পবিত্র।
পবিত্র এ রাতটি বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালিত হয়। শবে মিরাজের এই মহিমান্বিত রাতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, নফল নামাজ, জিকির-আসকার, দোয়া-দরুদ, মিলাদ মাহফিলসহ ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে আল্লাহ্ তাআলার অশেষ মেহেরবানি কামনা করা হয়। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এই রাতে প্রথমে কাবা শরিফ থেকে বোরাক নামের বাহনে যাত্রা করে ফিলিস্তিনের বায়তুল মোকাদ্দাস মসজিদে যান। সেখানে অন্যান্য নবী-রাসুলের সঙ্গে দুই রাকাত নফল নামাজের ইমামতি করেন তিনি। এরপর ঊর্ধ্বলোকে সফর শুরু করেন। এসময় তিনি নভোমণ্ডল, বেহেশত-দোজখ ও সৃষ্টির বিভিন্ন রহস্য প্রত্যক্ষ করেন এবং পূর্ববর্তী নবীদের সাক্ষাৎ লাভ করেন। সপ্তম আসমান পেরিয়ে তিনি আরশে আজিমে ধনুক পরিমাণ দূরত্বে থেকে মহান আল্লাহ পাকের দিদার লাভ করেন। সরাসরি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সঙ্গে তাঁর কথোপকথন হয়। এই সফরেই উম্মতে মোহাম্মদির জন্য প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আল্লাহ্ পাকের পক্ষ থেকে নির্ধারিত হয়।

সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন
টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
13 এপ্রিল 2018 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন sweet boy sakib (8 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
19 ঘন্টা পূর্বে "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
0 টি উত্তর
12 ফেব্রুয়ারি "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Note 6 pro (9 পয়েন্ট)
1 উত্তর
12 এপ্রিল 2018 "ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন live_khan (424 পয়েন্ট)
1 উত্তর
22 এপ্রিল 2017 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন abulmolla (0 পয়েন্ট)

289,194 টি প্রশ্ন

374,745 টি উত্তর

113,352 টি মন্তব্য

157,729 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...