2,678 জন দেখেছেন
"ইসলাম" বিভাগে করেছেন (17,584 পয়েন্ট)

3 উত্তর

0 টি পছন্দ
করেছেন (52 পয়েন্ট)
বিতর নামায পড়া ওয়াজিব। তাই বিতর না পড়লে ওয়াজিব তরকের গুনাহ হবে। কিন্তু অন্য নামাযের কোন সমস্যা হবে না।
0 টি পছন্দ
করেছেন (1,769 পয়েন্ট)
আপনি যতটা সম্ভব চেষ্টা করবেন। কারণ বিতর ছালাত সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহর অন্তর্ভুক্ত। তারপরও কোন কারণ বশত যদি আদায় করতে না পারেন, তাতে এশার ছালাতের কোন সমস্যা হবেনা ইনশাআল্লাহ।
0 টি পছন্দ
করেছেন (13 পয়েন্ট)
আপনার নামাজ হবে। কিন্তু বিতর নামাজ না পরলে ওয়াজিব তরক হবে। সৌদিআরব বিতর নামাজের জন্য আলাদা ভাবে আজান দেওয়া হয়।
আপনি যদি তাহাজ্জুদ নামাজ পরে থাকেন,তাহলে ঐ সময় বিতর নামাজ পরতে পারেন। কোন অসুবিধা হবে না।।
''ইনশাআল্লাহ''
করেছেন (0 পয়েন্ট)

অধিকাংশ আলেমের মতে বিতর নামায ওয়াজিব নয়। বরং তা সুন্নাত। ওয়াজিব না হওয়ার দলীলগুলো নিম্নে বর্ণনা করা হলঃ
১) আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ “বিতর নামায তোমাদের ফরয নামাযের মত আবশ্যক নয়; বরং সে নামাযকে রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুন্নত করেছেন। তিনি বলেনঃ আল্লাহ তা’আলা বেজোড়। তিনি বেজোড়কে পছন্দ করেন। সুতরাং হে কুরআনের অনুসারীগণ তোমরা বিতরের (বে-জোড়) নামায পড়।” (তিরমিজী) এই হাদীছটি দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, বিতর নামায সুন্নাত।
২) একজন গ্রাম্য লোক নবী (সাঃ)এর কাছে ইসলাম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য আগমণ করল। সে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে বলুন আল্লাহ আমার উপর কী পরিমাণ নামায ফরয করেছেন? তিনি বললেনঃ তোমার উপর পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরয করা হয়েছে। সে জিজ্ঞেস করলঃ আমার উপর আরও কোন নামায আছে কী? তিনি বললেনঃ তোমার উপর আর কোন নামায নেই। তবে যদি নফল নামায আদায় করতে চাও সে কথা ভিন্ন। হাদীছের শেষের দিকে রয়েছে, গ্রাম্য লোকটি বললঃ আমি এর কমও করবনা, বেশীও করবানা। নবী (সাঃ) তখন বললেনঃ লোকটি সত্যবাদী হয়ে থাকলে অবশ্যই সাফল্য লাভ করবে। (বুখারী, হাদীছ নং- ১৭৯২, মুসলিম হাদীছ নং- ১০৯) এই হাদীছ প্রমাণ করে যে, পাঁচ ওয়াক্ত নামায ব্যতীত আর কোন ফরয (ওয়াজিব) নামায নেই। তিনি আরও সংবাদ দিয়েছেন যে, যে ব্যক্তি এই পাঁচ ওয়াক্ত আদায় করবে, সে সফল হবে। এর বেশী আর কোন নামায আবশ্যক হওয়ার কথা বলেন নি।
৩) উদাবাদাহ বিন সাবেত (রাঃ) হতে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, একদা তাকে বিতর নামায সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ এটি একটি সুন্দর আমল। রাসূল (সাঃ) এই আমলটি করেছেন। তাঁর পরে মুসলিমগণও তা করেছেন। এটি ওয়াজিব নয়।
এই মর্মে আরও অনেক সহীহ হাদীছ রয়েছে। যা প্রমাণ করে যে, বিতর নামায ওয়াজিব নয়।
বিতরের নামাযের নিয়মঃ
বিতর নামাযের সর্ব নিম্ন কআত সংখ্যা এক। এক রাকআত বিতর পড়ার নিয়ম হচ্ছে প্রথমে সূরা ফাতিহার পর অন্য একটি সূরা পড়ে রুকু-সিজদা সম্পন্ন করে তাশাহুদ ও দুরুদ পড়ে সালাম ফিরাবে। সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের হাদীছ দ্বারা এটি প্রমাণিত।
রাসূল (সাঃ) বলেনঃ রাতের নামায দুই দুই রাকআত করে পড়তে হবে। যখন ফজর হয়ে যাওয়ার ভয় করবে, তখন এক রাকআত বিতর পড়ে নিবে। (বুখারী, হাদীছ নং- ১০৮৬)
রাসূল (সাঃ) বলেনঃ রাতের শেষ প্রহরে বিতর নামায এক রাকআত। (সহীহ মুসলিম, হাদীছ নং-১৫৩।
আর যদি তিন রাকআত বিতর পড়া হয়, তাহলে এ ক্ষেত্রে সুন্নাত হচ্ছে দু'টি পদ্ধতির যে কোন একটি পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। প্রথমে দুই রাকআত পড়ে সালাম ফিরাবে। তারপর পূর্বোক্ত নিয়মে আরেক রাকআত পড়বে। মক্কা ও মদীনায় এই নয়িমটিই অনুসরণ করা হয়। দ্বিতীয় পদ্ধতি হচ্ছে মাগরিবের মত মাঝখানে বৈঠক না দিয়ে একাধারে তিন রাকআত পড়ে শেষে সালাম ফিরাবে। নবী (সাঃ) মাগরিবের নিয়মে তিন রাকআত পড়তে নিষেধ করেছেন। (হাকেম, হাদীছ নং- ১০৮৭)
বিতর নামাযে দুআ কুনুত বাধ্যতামূলক নয়। বরং তা বিতর নামাযের মতই সুন্নাত। দেখুনঃ আবু দাউদ, হাদীছ নং- ১৪২৫, তিরমিজী হাদীছ নং- ৪৬৪। (আল্লাহই ভাল জানেন।

টি উত্তর
২১ জানুয়ারি ২০১৯ "ক্যারিয়ার" বিভাগে উত্তর দিয়েছেন Ariful (৬৩৭৩ পয়েন্ট )
টি উত্তর

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

288,959 টি প্রশ্ন

374,447 টি উত্তর

113,287 টি মন্তব্য

157,523 জন নিবন্ধিত সদস্য



বিস্ময় বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে।
* বিস্ময়ে প্রকাশিত সকল প্রশ্ন বা উত্তরের দায়ভার একান্তই ব্যবহারকারীর নিজের, এক্ষেত্রে কোন প্রশ্নোত্তর কোনভাবেই বিস্ময় এর মতামত নয়।
...